Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

খালি পেটে গ্রিন টি খেলে হতে পারে যেসব ক্ষতি

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৩৩৪জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গ্রিন টি স্বাস্থ্য সচেতনদের পছন্দের পানীয়। রক্তচাপ ও ব্লাড সুগার লেভেলে রাখা ছাড়া এটি আমাদের ত্বক ও চুল ভালো রাখে। তবে এতে হতে পারে শরীরের নানান সমস্যা। সকালে গ্রিন টি খাওয়া ভালো, তবে নাশতার সঙ্গে। আপনি বিস্কুট, ফল বা অন্য কিছুর সঙ্গেও খেতে পারেন। খালি পেটে নয়, সকালের নাশতার পর কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে গ্রিন টি পান করুন। 

চলুন জেনে নেওয়া যাক খালি পেটে গ্রিন টি খেলে শারীরিক কী কী ক্ষতি হতে পারে- 


পেট ব্যথা

আপনি যখন একবারে খালি পেটে গ্রিন টি খাবেন তখন এতে থাকা ট্যানিন উপাদান আপনার পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে তুলবে। যে কারণে দেখা দেবে পেট ব্যথা। সেই সঙ্গে বাড়বে কোষ্ঠকাঠিন্য। পেটে সৃষ্ট অতিরিক্ত অ্যাসিডের কারণে দেখা দিতে পারে বমিভাব বা বমির মতো সমস্যাও।

আলসার বাড়িয়ে তোলে

যাদের আগে থেকেই পেপটিক আলসার বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা রয়েছে তাদের সকালে গ্রিন টি না পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এর কারণ হলো, সকালে খালি পেটে গ্রিন টি খেলে তাদের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।

আয়রন শোষণের ক্ষমতা কমে যায়

আমাদের সুস্থ থাকার জন্য শরীরে পর্যাপ্ত আয়রন পৌঁছানো জরুরি। কিন্তু আপনি যদি খালে পেটে গ্রিন টি খান তবে তা আয়রন শোষণের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। যে কারণে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যারা রক্তশূন্যতায় ভুগছেন তাদের গ্রিন টি থেকে দূরে থাকাই ভালো।

রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে খালি পেটে গ্রিন টি খাবেন না। কারণ খালি পেটে গ্রিন টি খেলে বেড়ে যেতে পারে রক্তচাপ। এই চায়ে থাকা ক্যাফেইন অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিগুলোকে উদ্দীপিত করে। যা অ্যাড্রেনালিন এবং কর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোন রিলিজ করে। যে কারণে বেড়ে যায় হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ। এটি হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য ক্ষতিকর। 

সকালে গ্রিন টি খাওয়া যাবে?

সকালে গ্রিন টি খাওয়া যাবে তবে খালি পেটে নয়। খেতে হবে অন্য কোনো হালকা খাবারের সঙ্গে। হতে পারে তা মুড়ি,টোস্ট কিংবা বিস্কুট। কিন্তু কোনো খাবার না খেলে শুরুতেই যদি গ্রিন টি খান, তখন পড়তে হতে পারে সমস্যায়।


আরও খবর

"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24

ভালোবাসার দিন আজ

বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মাটিরাঙ্গায় পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে পিক-আপের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই নারী নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩২জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রীতি বালা গুহ (৪৫)ও অনিমা ঘোষ (৬৫)নামে দুই নারী নিহত হয়েছে।এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাটিরাঙ্গার সাপমারা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- জেলা শহরের বসুন্ধরা এলাকার বাসিন্দা মৃত ননী গোপাল গুহের স্ত্রী প্রীতি বালা গুহ (৪৫) ও মৃত গৌরাঙ্গ ঘোষের স্ত্রী অনিমা ঘোষ (৬৫)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খাগড়াছড়ি থেকে যাত্রী নিয়ে একটি পিকআপ জেলার গুইমারা যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে সাপমারা এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। এতে পিকআপে থাকা দুই নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় আহত হন অন্তত ১৫ জন। স্থানীয়রা হতাহতদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার) বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। হতাহতদের উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

আরও খবর



বাগেরহাটে শিক্ষকের বাড়িতে চুরি, নগদ অর্থ লুট

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৭জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের কচুয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার গভীর রাতে উপজেলার পালপাড়া গ্রামে শেখ আব্দুল জব্বার এর বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

এসময় চোরের নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার সহ পাঁচ লক্ষ টাকার মালামাল লুটে নেয় বলেঅভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। রবিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহসিন হোসেন।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শেখ আব্দুল জব্বার বলেন, শনিবার রাতে বাজার থেকে বাড়িতে ফিরে জানতে পারি বাড়ির আশেপাশে কিছু লোকজন রান্না ঘরের পাশে ঝুপটি মেরে থাকে এবং চেতনাশক ঘরে দিয়েছে। পরে বাড়ির মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়। রাতে পরিবারের সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়েছিল তখন তারা জানালার সিটকানি ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে আলমারি ভেঙে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। পরে ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেওয়ার পর পুলিশ এসে ঘরের আলমারী ভাংচুর দেখতে পায়। আমরা এঘটনার বিচার দাবী করেন।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহসিন হোসেন বলেন, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। আমরা বাড়িটি পরিদর্শন করেছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানান ওই কর্মকর্তা।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মেহেরপুরে লেট ব্লাইটের আক্রমণে লোকশানের মুখে আলু চাষিরা

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ-মেহেরপুরে গাংনীতে চলতি মৌসুমে ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে আলু খেতে দেখা দিয়েছে পচন রোগ (লেট ব্লাইট)। প্রতিকার হিসেবে ছত্রাকনাশক ও বিষ প্রয়োগ করেও দমন করা যাচ্ছে না এ রোগ। এতে আলুর ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা। ফলে আলু চাষের লক্ষ‍্যমাত্রা অর্জন নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। কৃষি বিভাগ বলছে, বৈরী আবহাওয়ার কারনে এমনটি ঘটছে, তবে বৈরী আবহওয়া কেটে গেলে এ রোগের সমস্যা থাকবে না। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে মেহেরপুরে ৮৬০হেক্টর জমিতে আলু চাষ করা হয়েছে।

গেল মৌসুমে ভাল দাম পাওয়ায় চাষিরা এবারও আলু চাষে আগ্রহী হন। সে অনুযায়ি চাষিদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হয়েছে। চাষিরা দেশি জাতের আলু আউশা, চল্লিশা, দোহাজারী লাল, পাটনাই, সাদা গুটি শীল বিলাতী ও সূর্যমূখী আবাদ করে থাকেন। উন্নত জাতের আলুরও চাষ হচ্ছে। তার মধ্যে ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, সিন্দুরী, ক্লিওপেট্রা বারি আলু-১ (হীরা), বারি আলু- ৪ (আইলসা), বারি আলু-৭ (ডায়ামন্ট), বারি আলু-১৮ (বারাকা), বারি আলু-১৯ (বিন্টজে) এবং বারি আলু-২০ (জারলা) জাত উল্লেখ্য। তবে দেশি জাতগুলো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। দেখা গেছে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে দেশি জাতের আলুর ফলন কমে যায়। বীজের মাধ্যমেই এ রোগটি ছড়িয়ে থাকে।

জেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, ক্ষেতে দেখা দিয়েছে গাছ পুড়া রোগ (লেট ব্লাইট) এতে গাছ মরে শুকিয়ে যাচ্ছে। অনেকেই বিভিন্ন ধরনের বালাইনাশক ব্যবহার করছেন। তবে কোন সুফল মিলছে না বলে জানিয়েছেন চাষিরা। আবার অনেকেই কি কারনে রোগ বালাই দেখা দিয়েছে তার কারন খুঁজে পাচ্ছেন না। তবে আলুর ফলন কমে যাচ্ছে এটা নিশ্চিত। বিশেষ করে বামন্দী মটমুড়া বালিয়াঘাট হাড়াভাঙ্গাসহ সীন্ত অঞ্চলে এ রোগের ভয়াবহতা বেশি।

কৃষকরা বলছেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে ছত্রাকনাশক ও ওষুধ স্প্রে করেও কোনো সুফল মিলছে না।আলুর গাছ নির্ধারিত সময়ের আগেই মরে যাচ্ছে। ফলে মাটির নিচে থাকা আলু আকারে ছোট হয়ে থাকছে। আলু গাছ মরে যাওয়ার কারনে আকারে সেই ছোট আলু তুলে ফেলা হচ্ছে। ফলে উৎপাদন কমে গিয়ে চার ভাগের এক ভাগ ফলন পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে ক্ষতির মুখে বর্গা চাষিরা।

এক বিঘা জমি বর্গা নিয়ে আলু আবাদ করতে ৪০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। সেখানে আলু বিক্রি করে ২০ হাজার টাকাও জমছে না।

রামনগর গ্রামের আলু চাষি মুরাদ জানান, তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন। এতে প্রায় দুই লক্ষ টাকার মত খরচ হয়েছে। দুই বিঘা জমিতে আলু ভালো আছে। বাকি তিন বিঘা আলু গাছ পুড়ে গেছে। এসব আলু আর বড় হবে না। তাই বাধ্য হয়ে আলু তুলে ফেলতে হচ্ছে।

একই কথা জানালেন আলু চাষি সাইফুল ইসলাম। তার সাড়ে চার বিঘা জমির সব আলু লেট ব্রাইট রোগে আক্রান্ত। এ মৌসুমে মোটা টাকার লোকসান হবে বলেও জানান তিনি।

আমঝুপির আলু চাষি আঃ আওয়াল জানান, মৌসুমের শুরুতে ৭৫ টাকা কেজি দরে আলুর বীজ কিনে আলু চাষ করেছিলেন তিনি। দুই বিঘা জমি বর্গা নিয়ে আলু চাষে প্রায় ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়। রোগাক্রান্ত আলু ছোট অবস্থায় তুলে বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে উৎপাদন কমে গেছে অর্ধেকে। এবার আলুর বাজারদর খুব ভালো ছিলো তারপর ও উৎপাদন কম হওয়াই লোকশানে পড়তে হবে।

মেহেরপুর কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা শামসুল আলম জানান, চলতি মৌসুমে ৮৬০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। শুরুতে আবহওয়া অনুকূলে থাকাই গাছ খুব ভালো হয়েছিলো। কিন্তু জানুয়ারি মাস থেকে তীব্র ঠা-া ও কুয়াশায় আলু ক্ষেতে লেট ব্লাইটের আক্রমণে গাছ মরে যাচ্ছে। যার ফলে আক্রান্ত আলুর ফলন কমে গিয়েছে। আসলে বৈরী আবহওয়ার কারনে এমনটি হয়েছে।

এ আবহাওয়া কেটে গেলে এ রোগের আক্রমণ কমে যাবে। তাছাড়া চাষিদেরকে বিভিন্ন বালাইনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঢাকার বাতাস ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কখনও ‘অস্বাস্থ্যকর’, আবার কখনও ‘বিপজ্জনক’। রাজধানী ঢাকার বায়ু বাতাসের মান তালিকায় এমন তিন ক্যাটাগরিতেই ঢাকা, দূষণের মানমাত্রা। তালিকায় থাকা শহরগুলোর মধ্যে শীর্ষ পাঁচে তো বটেই, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনবহুল নগরীর। এ তালিকায় গতকাল মঙ্গলবার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ১৯৭ নিয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা পঞ্চম স্থানে ছিল।

আজ বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ২৭৫ নিয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। যা‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

তালিকার শীর্ষে থাকা ভারতের কলকাতার শহরের স্কোর ২৮৭ অর্থাৎ সেখানকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহর। এই শহরের স্কোর ২৭৬ অর্থাৎ এখানকার বায়ুর মানও ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা, যার স্কোর ২৭৫। আর চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, যার স্কোর ২৫৩।

তথ্যমতে, এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, ১৫০ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়, ৩০১ এর বেশি একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

ঢাকায় বায়ুদূষণের জন্য ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে দায়ী করে আসছেন বিশেষজ্ঞরা। ভয়াবহ এই দূষণের ফলে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।


আরও খবর



মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী ঢুকছে বাংলাদেশে, সতর্ক বিজিবি-র‌্যাব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:তুমুল সংঘর্ষ চলছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র বিদ্রোহীদের মধ্যে সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করছে দেশটির বর্ডার গার্ড। সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সদস্যরা।

ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা থেকে মিয়ানমার সীমান্ত কাছে। তাই কিছুক্ষণ পরপরই গুলি আর মর্টারের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এ কারণেই সীমান্ত এলাকায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে র‍্যাব। সীমান্তের পাশে যে বিজিবি চেকপোস্ট রয়েছে সেটি বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া আরেকটি মর্টারশেল ঘুমধুম সীমান্তবর্তী এলাকায় পড়েছে। সেটি একটি বাড়ির বাগানে পড়ে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এর আগে, সোমবার মিয়ানমারের ছোঁড়া মর্টারশেলের আঘাতে ঘুমধুমে দুইজনের প্রাণহানি ঘটে।

প্রসঙ্গত, ঘুমধুম বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার অন্তর্গত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন। ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা থেকে মিয়ানমার সীমান্ত খুব কাছে। ২০১৭ সালে এ সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গাদের একটি দল বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।


আরও খবর