Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ মার্চ 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৩০৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরেকজন। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোর-চুকনগর মহাসড়কের মণিরামপুর কলেজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর এলাকার নরনিয়া গ্রামের আইয়ুব মোড়লের ছেলে মাসুদ রানা (২৫) ও একই এলাকার মৃত আলী মোড়লের ছেলে রাকিব মোড়ল (২৫)। তাৎক্ষণিক আহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাতে মণিরামপুর কলেজ এলাকায় দুর্ঘটনাকবলিত একটি মোটরসাইকেল ও তিন আরোহীকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসে। সেখান থেকে তারা দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেল ও দুজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

গুরুতর আহত একজনকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটল তা কেউ নিশ্চিত করতে পারেননি।

নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই রিপন হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালায়। আর রাকিব মোটরসাইকেল সার্ভিসিংয়ের কাজ করেন। গতকাল বিকেলে তারা দুজন মোটরসাইকেলের সরঞ্জাম কেনার জন্য যশোর শহরে গিয়েছিল। রাতে যশোর থেকে চুকনগরে ফেরার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তবে মাসুদ ও রাকিবের সঙ্গে আর কে ছিলেন তা আমি জানি না।’

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি। ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা এখনো জানা যায়নি। নিহত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে যশোর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর আহত একজনকে যশোর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’


আরও খবর



আত্রাইয়ে বোরো ধান কাটা-মাড়াই শুরু, আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ২০০জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:উত্তর জনপদের শষ্য ভান্ডার হিসাবে খ্যাত নওগাঁর আত্রাইয়ে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে আগাম জাতের বোরো ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। তবে কৃষকেরা বলছে ধান কাটা-মাড়াই পুরোদমে শুরু হতে আরো ৭দিন সময় লাগতে পারে। আবহাওয়া অনুক’লে থাকায় ও কৃষি বিভাগের যথাযথ পরামর্শে যথাসময়ে কৃষকরা ভালো পরিচর্যা করায় এবছর বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় কৃষকের মুখে এখন হাসির ঝিলিক দেখা দিয়েছে।

একদিকে তাপদাহ অন্যদিকে অতিরিক্ত গরমে কৃষকদের কষ্ট হলেও ভালো ফলন হওয়ায় মনের আনন্দে ধান কেটে মাড়াই এর কাজ করছেন তারা। পাশাপাশি বসে নেই কৃষাণীরাও। তারাও ভালো ফলনে বেজায় খুঁশি। তবে শেষ পর্যন্ত কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়াই ঘরে তুলতে পারবে কিনা তা নিয়েই শঙ্কায় রয়েছে কৃষকেরা।

শুক্রবার সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছর এ সময় দেশের দক্ষিণ ও উওরাঞ্চল বিশেষ করে নাটোরের লালপুর, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, পোড়াদহ, চিলাহাটি, ডোমারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান কাটা শ্রমিক এ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আসতে শুরু করেছে। এদিকে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে দিগন্তজুড়ে পাকা ধানের সোনালি রঙের সমারোহ। চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের ভালো ফলনের বুকভরা আশা নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছে। বাজারে নতুন ধানের আমদানি হওয়ায় কেনা-বেচা শুরু হলেও দাম ভালো থাকায় কৃষকদের মুখে হাসি দেখা দিয়েছে।

উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে শাহাগোলা, ভোঁপাড়া, মনিয়ারী, পাঁচুপুর ও বিশা ইউনিয়ে সর্বাধিক পরিমান জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। এবারে বোরো মৌসুমের শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকদের বোরোচাষে কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। বিশেষ করে বীজতলা থেকে ধান রোপন ও পরিচর্যা সব মিলিয়ে মাঠে মাঠে কৃষকের ধান এখন দর্শনীয় হয়ে উঠেছে। অনেক মাঠে ধান পাকতে শুরু করেছে। উপজেলার প্রতিটি মাঠে এখন পুরোদমে বোরো ধান কাটতেও শুরু করেছে। তারপরও অধিকাংশ মাঠগুলোতে ধানের শীষের সাথে এখন দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। মাঠের পর মাঠ সোনালী রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে। ঈদুল ফিতরের পর থেকেই পুরোদমে শুরু হয়েছে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। 

উপজেলার বজ্রপুর গ্রামের কৃষক মো. আব্দুল মজিদ মন্ডল জানান, আমি এ বছর ১১ বিঘা জমিতে  বোরো লাগিয়েছি। কৃষি বিভাগের পরামর্শে যথাসময়ে ভালো পরিচর্যা করায় আমার জমিতে ধান ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যেই ধানকাটা শুরু করেছি, ফলনও ভালোই হচ্ছে। 

এ ব্যাপারে উপজেলার শাহাগোলা গ্রামের কৃষক মো. আজাদ সরদার জানান, আমি এবার ১৬ বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছি। ধানকাটা শুরু করেছি, ফলনও ভালোই হয়েছে। আশাকরি বাজারে দামও ভালো পাবো।

উপজেলার ভবানীপুর-মির্জাপুর হাটের ধান ব্যবসায়ী জুয়েল জানান, গত হাটে তেমন ধান আমদানি শুরু হয়নি। তবে টুকটাক বেচা-কেনা হয়েছে। আশা করছি দু-চারদিনের মধ্যে পুরোদমে ধান আমদানি শুরু হবে।

এ ব্যাপারে পাঁচুপুর  ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ ব্লকের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদ হাসান জানান, আমরা বিশেষ করে অধিক ফলেন জন্য পরিমিত সার ব্যবহার, পানি সাশ্রয় এবং সার্বিক পরিচর্যায় কৃষকদের সচেষ্ট হতে আমরা সব সময়ই পরামর্শ দিয়ে আসছি। এবার আত্রাই উপজেলার কোথাও মাঝড়া পোকার আক্রমণ নেই। এবং উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার বলেন, বোরো চাষের শুরু থেকেই ভাল মানের বীজ, জমির উর্বরতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করেছি। বর্তমানে উপজেলার প্রতিটি এলাকাতে ধান কাটা মাড়াই শুরুও হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকে পুরোদমে বোরো ধান কাটা শুরু হয়ে যাবে। তারপরও যেসব জমির ধান ৮০ ভাগ পেকে গেছে ওই সব জমির ধান দ্রুত কেটে নিতে আমরা কৃষককে সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছি। 


আরও খবর

হিলিতে ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪




ভোট পড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি: সিইসি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দ্বিতীয় ধাপে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। মঙ্গলবার (২১ মে) বিকেলে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রথম ধাপের মতো দ্বিতীয় ধাপেও সহিংসতার তেমন ঘটনা ঘটেনি। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। ভোটার উপস্থিতি কম হলেও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। এই পর্যন্ত ভোটের হার ৩০ শতাংশের বেশি। বুধবার (২২ মে) পুরো বিষয় জানা যাবে।

এসময় তিনি দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সংকট চলছে সেটা সমাধান হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন।

এর আগে, মঙ্গলবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে অধিকাংশ উপজেলার ভোটকেন্দ্রে ছিল ভোটার খরা। এ ছাড়া বিভিন্নস্থানে গুলিবর্ষণ, সংঘর্ষ ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আটকসহ কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।

সারা দেশে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অনেক কম। এ নির্বাচনে ১৫৬টি উপজেলায় ১৩ হাজার ১৫৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০ হাজার কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে। দুপুর ১টায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ তথ্য জানান।

দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে রাজশাহী, রাজবাড়ী, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, ফরিদপুর, কুমিল্লা, পটুয়াখালী, নেত্রকোণা, জামালপুরসহ অধিকাংশ জেলার উপজেলায় সারাদিন ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।


আরও খবর



প্রযুক্তি খাতে করারোপ হচ্ছে না

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আগামী বাজেটে করারোপ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

সোমবার (২০ মে) রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) ২০২৪-২৬ মেয়াদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

সালমান এফ রহমান বলেন, আগামী বাজেটেও কর অব্যাহতি সুবিধা বহাল থাকবে, তবে এবারের বাজেট ঘোষণায়, কোন অর্থবছর থেকে এ খাতে কর বসবে তা স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারতো এইখাতে সারাজীবন কর অব্যহতি দিতে পারে না। সেখানে আমি তাকে বলেছি, হঠাৎ করে এভাবে এই সুবিধা উঠিয়ে নিলে ব্যবসায়ীদের সংকটের মধ্যে পড়তে হবে। তার চাইতে ঘোষণা দিয়ে কবে থেকে এই কর ধার্য করা হতে পারে সেটা আমরা জানিয়ে দিতে পারি। পর্যায়ক্রমে এই খাতের ট্যাক্স বাড়ানো যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কর অব্যাহতি অনেক ছোট সমস্যা। ইনোভেশনে আমাদের ব্যবসায়ীদের আরও মনোযোগ দেয়া উচিত। পাশাপাশি, আমাদের এই খাতের উন্নয়নে কি কি পলিসি ও সহযোগিতা সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া যেতে পারে তা নিয়ে ভাবতে হবে। সে জায়গায় সরকার সহায়তা দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

সালমান এফ রহমান বলেন, গার্মেন্টস খাত যে রাস্তায় হেঁটেছে, সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিখাতও সেই রাস্তা ধরে হাঁটছে। আমাদের আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বড় মার্কেট ধরার মতো সক্ষমতা আছে। তবে সেই ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন নই আমরা। এই খাতগুলোর অনেক প্রতিবন্ধকতা সফলভাবে পার হলেও, খাতের সুদূরপ্রসারী উন্নয়নে পরবর্তী ধাপগুলো চিন্তা করা প্রয়োজন।


আরও খবর



মাগুরায় বোরোধান কাটা শুরু, উৎপাদন হবে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৭ মেট্রিক টন ধান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৬৩জন দেখেছেন

Image
সাইদুর রহমান, মাগুরা থেকে:মাগুরায় বোরোধান কাটা শুরু হয়েছে। কৃষকরা প্রচন্ড তাপদাহের মধ্যে ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছে। তাপদাহের কারনে ধান কাটা শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে। সামনে বৃষ্টির আশংকায় ধান কেটে ঘরে তুলতে তারা সমস্যার মধ্যে পড়েছে। গত ৬ মে সোমবার সন্ধ্যায় হটাৎ বিষ্টি আসলেও তা সামান্য যা ধানের কোন ক্ষতি করতে পারেনি। মাগুরার জেলায়    বোরো মৌসুমে ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৭ মেট্রিক টন। আর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জেলার ৪ উপজেলায় ৩৯ হাজার ৩৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে।

 জেলায় বোরো ধানের উৎপাদন ও চাষ বাড়াতে কৃষি প্রণোদনা পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ২৪ হাজার কৃষককে বিনামূল্যে বোরো বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস এ তথ্য জানায়। অফিস আরো জানায়, গত বছর ও ৩৯ হাজার ৩৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছিল। দেখা যায়  কৃষি প্রনোদনা কর্মসুচির মাধ্যমে কৃষকদের বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষে  প্রনোদনা দেয়া হলেও বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি পায়নি। তবে কোন দুর্যোগ দূর্বিপাক না হলে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে কৃষি বিভাগ জানায়।

 কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড, মোহাম্মদ ইয়াছিন আলী জানান, উৎপাদনের লক্ষমাত্রা অর্জনে মাগুরা জেলায় আবাদকৃত ৩৯ হাজার ৩৫  হেক্টর জমির মধ্যে মাগুরা সদর উপজেলায়  ২৬ হাজার ৮৫০ হেক্টর,  শ্রীপুর উপজেলায় ১ হাজার ৬০৫ হেক্টর, শালিখা উপজেলায় ১৩ হাজার৫৭০ হেক্টর, মোহাম্মদপুর উপজেলায় ৭ হাজার২০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ করা হয়েছে। জেলা কৃষি বিভাগ থেকে  জেলার কৃষকদের বোরো ধান চাষে উৎসাহিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি। তিনি আশা করেন জেলায় এবার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৭ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে।

আরও খবর

হিলিতে ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪




কালিয়াকৈরে বিশ্ব মা দিবস পালিত

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

সাগরআহম্মেদ,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধি:“শেখ হাসিনার বারতা নারী-পুরুষ সমতা” এ শ্লোগানকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিশ্ব মা দিবস পালিত হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও উপজেলা মহলিা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এ দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্ব মা দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রজত বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সানজিদা মজুমদারের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন-উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস  চেয়ারম্যান জায়েদা নাসরিন,উপজেলা যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা রহমত উল্লাহ,

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এস এম সমীহ,  কালিয়াকৈর মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমারত হোসেন, সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম,মায়েদের পক্ষ থেকে তানিয়া আক্তার, সীমারানি সরকার সহ আরো অনেকে। সভায় বক্তারা বলেন,মা হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভালবাসার স্থান, মা হচ্ছে একাধারে শিক্ষক ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার। মা হচ্ছে বটো বৃক্ষের মতো, মা হচ্ছে সন্তানদের ভালবাসার শেষ আশ্রয়স্থল।এ সময় সকল মায়ের প্রতি ভালোবাসা শ্রদ্ধা রাখার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।



আরও খবর