Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দীন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৪৬জন দেখেছেন

Image

অনলাইন ডেস্ক: মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দীন ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আদালতে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হবে। দেশটির দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আল-জাজিরার।

মালয়েশিয়ান দুর্নীতি দমন কমিশন (এমএসিসি) আজ বৃহস্পতিবার দেশটির স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে মুহিউদ্দীনের গ্রেপ্তারের কথা নিশ্চিত করেছে। মুহিউদ্দীনের সরকার আমলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের এক প্রজেক্ট চালুর বিষয়ে জেরার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে। 

করোনাকালীন সময়ে চুক্তির বিনিময়ে নির্মাণ ঠিকাদাররা ৭৫ বছর বয়সী মুহিউদ্দীনের বারসাতু পার্টির অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা দিয়েছে- এমন অভিযোগের বিষয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে জিজ্ঞাসাবাস করা হয়। এর পরেই মুহিউদ্দীনের গ্রেপ্তারের খবর এলো। 

এমএসিসি-এর প্রধান আজম বাকি দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা বারনামাকে বৃহস্পতিবার শুরুর দিকে বলেন, আগামীকাল শুক্রবার মুহিউদ্দিনকে আদালতে হাজির করা হবে।

এর আগে এমএসিসি-এর কার্যালয়ে যাওয়ার আগে মুহিউদ্দীনকে দোয়া পড়তে ও তার সমর্থকরা ঘিরে রেখেছে এমন ছবিতে দেখা যায়। তিনি সকল দুর্নীতির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলে অভিযোগ করেন।


আরও খবর



ক্লোরোফর্ম দিয়ে অজ্ঞান করে এমপি আনারকে হত্যা: ডিবি

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৪৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রথমে ক্লোরোফর্ম দিয়ে অজ্ঞান করা হয়,ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারকে কিন্তু জ্ঞান না ফেরায় তাকে হত্যা করে গুম করে হত্যাকারীরা।

শনিবার (২৫ মে) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এমপি আনারকে হত্যার পরিকল্পনা আগেও হয়েছে। নির্বাচনের আগে এবং জানুয়ারির মাঝামাঝি দেশে তাকে হত্যার পরিকল্পনা হয়। দুবার ব্যর্থ হওয়ার পর তৃতীয় দফায় তাকে হত্যা করতে সক্ষম হয় হত্যাকারীরা।

হত্যাকাণ্ডের মোটিভ কী হতে পারে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবিপ্রধান বলেন, স্পেসিফিক রিজন বলতে পারছি না। অনেক মোটিভ হতে পারে। পূর্বশত্রুতার জেরে হতে পারে, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত হতে পারে, রাজনীতিক বিষয়ও থাকতে পারে। এসব বিষয় জানতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমরা সবকিছুই বিচার-বিশ্লেষণ করব। আসামিরা অনেক কথাই বলছে, তদন্তের স্বার্থে বলছি না। হত্যাকারীরা অপহরণের পর প্রথমে তাকে ফ্ল্যাটে নেয়। এরপর তার একটি ফোন নিয়ে অন্য জায়গায় চলে যায়। যাতে বোঝা যায় তিনি অন্য জায়গায় ছিলেন। এ ছাড়াও হত্যাকারীরা তাকে হত্যার পর চারটি মোবাইল নিয়ে বেনাপোল সীমান্তে আসে। এরপর তারা হত্যায় আনারের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে তাদের কলও করে।

ভারতে ডিবির টিম যাওয়ার ব্যাপারে ডিবিপ্রধান বলেন, এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা বলেছেন, ডিবির একটি টিম যেন ভারতে যায়। এ জন্য আমাদের জিও হয়েছে। রাতে অথবা আগামীকাল ভোরে ডিবির তিন সদস্যের টিম ভারতের উদ্দেশে রওনা হবে।

হারুন অর রশীদ আরও বলেন, হত্যার তদন্তে আমাদের পাশাপাশি কলকাতার টিমও কাজ করছে। তবে, বাংলাদেশে যারা এসেছেন তাদের কাজ এখনও শেষ হয়নি। তাদের কাজ শেষ হলে আমরা রওনা হব। তারা আজ ৩টার দিকে আবারও ডিবিতে আসবেন। এরপর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলব, তারপর আমরা যাব। সেটি রাতেও হতে পারে আগামীকাল ভোরের মধ্যেও হতে পারে।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডির চতুর্থ দিনে ইন্দোনেশিয়াকে হারালো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৭২জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টে চতুর্থ  দিনের খেলায় ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ ।

আজ বুধবার বিকেল ৪ টায় বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টে প্রথম খেলায় জয়লাভ করে বাংলাদেশ । মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ  ৫৯-১৯ পয়েন্টে হারিয়েছে  ইন্দোনেশিয়াকে। বাংলাদেশের খেলা দেখে খুশি ভক্ত সমর্থকরা ।এত বড় জয় দেখে ভক্তরা বলছে কাপ বাংলাদেশেয় থাকবে। 

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টের যাত্রা শুরু হয়। করোনা মহামারীর কারণে সে সময় নেপাল, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, পোল্যান্ড ও স্বাগতিক বাংলাদেশসহ পাঁচ দেশ অংশগ্রহণ করে।

২০২২ সালে দ্বিতীয় আসরে নেপাল, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, ইংল্যান্ড, ইরাক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও স্বাগতিক বাংলাদেশসহ আটটি দেশ অংশগ্রহণ করে। ২০২৩ সালে তৃতীয় আসরে অংশগ্রহণ করেছিল রেকর্ড ১২টি দেশ। এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে টুর্নামেন্টের ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়েছিল দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশেও। টুর্নামেন্টের মূল আকর্ষণ ছিল ফুটবলের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাবাডি দল। তৃতীয় আসরে অংশ নেওয়া দেশগুলো ছিল আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড, পোল্যান্ড, কেনিয়া, ইরাক, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, চাইনিজ তাইপে, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও স্বাগতিক বাংলাদেশ।

আরও খবর



আজ দেশের ৫৩তম বাজেট পেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আবুল হাসান মাহমুদ আলী দেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী হিসেবে আজ জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিতে যাচ্ছেন। এটি দেশের ৫৩তম বাজেট। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আবুল হাসান মাহমুদ আলীর এটিই প্রথম বাজেট।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের আকার বাড়লেও ঘাটতির পরিমাণ কমছে। চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি কম ধরা হচ্ছে ৫ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। অনুদান ছাড়া বাজেট ঘাটতি ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। তবে অনুদানসহ সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়াবে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ, আগামী অর্থবছর ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে।

ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। বৈদেশি ঋণ পরিশোধ করা হবে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এতে নিট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়াবে ৯০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

অভ্যন্তরীণ ঋণ নেওয়া হবে ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি, যার ৭২ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এবং ৬৪ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা স্বল্পমেয়াদি। ব্যাংকবহির্ভূত ঋণ নেওয়া হবে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় ধরা হচ্ছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। আর বৈদেশিক ঋণের সুদ ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত কর ধরা হচ্ছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। আর কর ব্যতীত প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৫ লাখ ৬ হাজার ৯৭১ কোটি টাকা। এর মধ্যে আবর্তক ব্যয় ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা। আর দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এবার মূলধন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৩৭ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৮১ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে স্কিমে ব্যয় হবে ৫ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। এডিপি বহির্ভূত বিশেষ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হচ্ছে ৭ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। আর কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (এডিপি বহির্ভূত) ও স্থানান্তরে ২ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।


আরও খবর



ভাষা সৈনিক আব্দুর রহমান মারা গেছেন

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৭৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠম ও নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান (৮০) আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

নারায়ণগঞ্জ শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শনিবার (১৫ জুন) দিবাগত রাত ১১টার দিকে মারা যান প্রবীণ এ রাজনীতিক।

পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন, রোববার (১৬ জুন) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন জামে মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ফতুল্লার কাশিপুর ছোট কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হবে।

রাত সোয়া বারোটার দিকে আব্দুর রহমানের বড় ছেলে আহমেদুর রহমান তনু তার ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত আইডিতে বাবার ছবি পোস্ট করে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে লিখেছেন, ‘আব্বু চলে গেলো। এত বড় একটা জীবনের বিদায়। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুর রহমান ক্যান্সার, কিডনি ও ডায়বেটিকসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। গত ৩০ মে থেকে শহরের চাষাঢ়া বালুরমাঠ এলাকায় হেলথ রিসোর্ট হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধিন ছিলেন তিনি।

তার সংগ্রামী ছাত্রজীবন, রাজনৈতিক জীবন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশ্লেষণ করে জানা যায়, স্বধীনতার পূর্বে তিনি ছিলেন পাকিস্তান সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রথম সারির তুখোর ছাত্রনেতা। ভাষা আন্দোলন, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক, অবিভক্ত ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ, বাকশাল ও নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন তিনি। এছাড়া পাট শ্রমিক লীগ, সুন্নীয় ঐক্য পরিষদ ও শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমির সাবেক সভাপতি, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের অন্যতম নেতা, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। ১৯৮৭-৮৮ সালে স্বৈরাচার সরকার বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে দীর্ঘ ১৩ মাস কারাবন্দি ছিলেন এ গণমানুষের নেতা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচরও ছিলেন আব্দুর রহমান। পারিবারিক জীবনে স্ত্রী, ২ ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন তিনি। তার স্ত্রীও ছিলেন ভাষা সৈনিক এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নারী সংগঠক। আব্দুর রহমানের বড় ছেলে আহমেদুর রহমান তনু সুজনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ছোট ছেলে আরিফুর রহমান তপু জাতীয় পর্যায়ের চিত্রশিল্পী এবং একমাত্র মেয়ে তানহা রহমান পেশায় আইনজীবী।


আরও খবর



রৌমারী হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের রৌমারী ও কর্ত্তিমারী হাটে ইজারাদার কর্তৃক সরকারের নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের কাছ থেকে সরকারের নির্ধারিত টোলের চাইতে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্রেতা বিক্রেতারা বিপাকে।

হাট গুলো রৌমারী প্রসিদ্ধ হাট-বাজার ও কর্ত্তিমারী হাট-বাজার। এসব হাটে সরকার নির্ধারিত টোলের কোন তালিকা ঝুলানো হয়নি। প্রতিহাটে নিজেদের খেয়াল খুশিমত গরু, মহিষ ও ছাগল ভেড়ার বেচা কেনায় ক্রেতা বিক্রেতার উভয়ের নিকট থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। টোল আদায়ের রশিদে কোন মূল্য লেখা হয় না। অতিরিক্ত টোল আদায় করে ইজারাদার লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অতিরিক্ত টাকায় প্রতিযোগীতা মূলক হাট নিয়ে এ অনিয়ম দুর্নীতি করা হচ্ছে। ক্রেতা বিক্রেতার নিকট  এিক্ষেত্রে হাট-দুটিতে তদন্ত পুবর্ক ভ্রাম্যমান আদালতের পরিচালনার দাবী জানিয়েছেন ক্রেতা বিক্রেতাগন।  

ক্রেতা বিক্রেতা গনের অভিযোগ, আমরা দুরদুরান্ত থেকে এসে রৌমারী হাটে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া বেচা কেনা করে আসছি। জেলা প্রশাসন অনুমোদিত টোল হার অনুযায়ী প্রতি গরু মহিষের শুধুমাত্র ক্রেতার কাছ থেকে ৩৫০ টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও এখানে ক্রেতার কাছে নেয়া হচ্ছে ৫০০ টাকা ও বিক্রেতার কাছে নেয়া হচ্ছে ৫০০ টাকা এবং ছাগল ভেড়া প্রতি শুধুমাত্র ক্রেতার কাছ থেকে ১০০ টাকা নেয়ার নিয়ম থাকলেও ক্রেতার কাছ থেকে ২০০ টাকা বিক্রেতার কাছ থেকে ২০০ টাকা নেয়া হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমান অর্থ ইজারাদারের পকেটে গেলেও ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে ক্রেতা বিক্রেতারা। 

জামালপুর থেকে হাটে আসা ব্যপারি জয়নাল হক, ফজর উদ্দিন ও জেল হক নামের ক্রেতা বলেন, আমরা বিভিন্ন হাটে গরু মহিষ ছাগল ভেড়া ক্রয় বিক্রয় করে আসছি। অন্য কোথাও দুই পক্ষের কাছ থেকে টোল আদায় দেখিনি। এখানে এসে দেখলাম উভয়ের কাছ থেকে টোল আদায় করা হচ্ছে, যাহা সরকারি মুল্যের চেয়ে অনেক বেশী। 

বকসিগঞ্জ থেকে আসা তৌফিকুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম ক্রেতা বলেন, কোরবানির জন্য একটি ষাড় গরু কিনেছি। এর খাজনা দিতে আমাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে এবং বিক্রেতার কাছ থেকেও ৫০০ টাকা নেয়া হয়েছে। তবে রশিদের মধ্যে কোন টোল আদায়ের মূল্য থাকেনা। 

রৌমারী হাট ইজারাদার সাফায়াত বিন জাকির সৌরভের সাথে অতিরিক্ত টোল আদায়ের বিষয়ে জানার চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোনে পাওয়া যায় নি। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান বলেন, হাট ইজারা দেয়ার ৪ দিন পর হাটে অতিরিক্ত টোল, হাট পরিস্কার পরিচ্ছন্ন, হাটে দৃষ্টি নন্দন স্থানে টোল আদায়ের তালিকা টানানোসহ অনেক বিষয়ে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে একটি আলোচনা সভার মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে কয়েকদিন হলো টোল আদায়ের তালিকা টানানোর তালিকা বোর্ড দেয়া হয়েছে। তবে অতিরিক্ত টোল আদায় ও টোল আদায়ের তালিকা বোর্ড বিষয়ে দেখবো। 

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসক সাইদুল আরিফ বলেন, হাটে অতিরিক্ত টোল আদায় করা হয়ে থাকলে, দেখা হবে।


আরও খবর