Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

ভারতীয় ৭০০ শিক্ষার্থীকে ফেরত পাঠাচ্ছে কানাডা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ২০২জন দেখেছেন

Image

অনলাইন ডেস্ক: কানাডা কর্তৃপক্ষ সাত শতাধিক ভারতীয় শিক্ষার্থীকে ফেরত পাঠাচ্ছে। এসব শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ভিসাসংক্রান্ত কাগজপত্র জাল করেছে। এই নিয়ে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা কানাডিয়ান বর্ডার সিকিউরিটি এজেন্সির (সিবিএসএ) কাছ ভারতে ফিরে যাওয়ার চিঠি পেয়েছেন। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের। 

সিবিএসএ আরও জানিয়েছে, ভারতীয় এসব শিক্ষার্থী ভিসা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেসব নথি জমা দেয়, তদন্তে তা জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭০০ জন শিক্ষার্থী জলন্ধরে অবস্থিত ব্রিজেশ মিশ্রের নেতৃত্বে এডুকেশন মাইগ্রেশন সার্ভিসেস এর মাধ্যমে স্টাডি ভিসার জন্য আবেদন করেছিল। তিনি এসব শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের কাছে প্রিমিয়ার ইনস্টিটিউট হাম্বার কলেজে ভর্তি ফিসহ সব খরচ বাবদ ১৬ লাখ টাকার বেশি নিয়েছেন। কিন্তু এতে উড়োজাহাজের টিকিট ও সিকিউরিটি ডিপোজিট অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

এই শিক্ষার্থীরা ২০১৮–১৯ সালে কানাডায় যান। পরবর্তীতে এসব শিক্ষার্থী কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাসের (পিআর) জন্য আবেদন করে। এরপর সিবিএসএ ‘ভর্তির অফার লেটার’ যাচাই-বাছাই করলে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। সিবিএসএ জানিয়েছে, এই শিক্ষার্থীদের ‘ভর্তির অফার লেটার’ আসল নয়।


আরও খবর

সোনার খনি ধসে ভেনেজুয়েলায় নিহত ২৩

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সিরাজগঞ্জে সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপের উদ্দ্যোগে সুবর্ণজয়ন্তী ও ডে-ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | ৮৫জন দেখেছেন

Image
রাকিব সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:" স্কাউটিং করবো, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বো" এই পতিপাদ্য শ্লোগান কে সামনে রেখে বাংলাদেশ রোভার অঞ্চলের সুবর্ণ জয়ন্তী রোভার মুট উপলক্ষ্যে গুণগত রোভারিং এর মান উন্নয়নের লক্ষ্যে  সিরাজগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী সেবা মুক্ত স্কাউট  গ্রুপ কর্তৃক  ডে-ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৭জানুয়ারি২০২৪ ) সকালে স্কাউট গার্ডেন ক্রসবার৩, সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপ সিরাজগঞ্জের আয়োজনে সুবর্ণজয়ন্তী ও ডে ক্যাম্পে রোভার ও স্কাউট পতাকা উওোলন ও প্রার্থনা সংগীত মধ্যেদিয়ে সুবর্ণজয়ন্তী ও দিনব্যাপী ডে ক্যাম্প অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সভাপতি এম এম কামরুল হাসান( পি আর এস)। 

অনুষ্ঠানে প্রধান ও সভাপতি এম এম কামরুল হাসান তিনি তার বক্তব্য  বলেন, সেবা মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপ সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রোভার স্কাউট গ্রুপ। সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপ প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৮৬ সালে- অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ৩৭ বছর আগে। প্রতিবছরে সহচর রোভার ও গার্লইন রোভারদের নিয়ে ডে-ক্যাম্প করে থাকে আজকের রোভার স্কাউট সহচররাই   আগামীর কর্ণধার এবং তাদের মাধ্যমেই দেশ ও দেশের বাহিরে রোভারের সুনাম ছড়াবে বলে প্রত্যাশা করছি। বঙ্গবন্ধুর সুদৃঢ় নেতৃত্বে এদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে। অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা অর্জন করি কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা। এদেশের ভবিষ্যত প্রজন্মকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে হলে তাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে, এবং স্কাউট আনন্দলনকে আরো শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ স্কাউটস, রোভার অঞ্চলের সুবর্ণ জয়ন্তী রোভার মুট ২০২৪ উপলক্ষ্যে গুণগত রোভারিং এর মান উন্নয়নের লক্ষ্যে এই সিরাজগঞ্জে সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপটি দিনব্যাপী সুবর্ণজয়ন্তী ও ডে ক্যাম্প আয়োজন করছে। ভবিষ্যৎতে রোভারিংয়ের  কার্যক্রম  সাফল্য কামনা করছি।
 
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম শামীম, সহ-সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা রুবেল,  সহ-সম্পাদক মো. আসলাম হোসেন, সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপের আর এস এল মনিরা সুলতানা, সহকারী আর এস এল, মো. হাফিজুর রহমান (হাফিজ,) মো. হানিফ, সিনিয়র রোভার মেট মাছুম বিল্লাহ( মাহী,) মো. আশিকুর রহমান (আশিক) অন্বেষণ মুক্ত স্কাউট দলের প্রতিঠাতা সম্পাদক মো. হোসেন আলী ( ছোট্ট),প্রমূখ,

উল্লেখ্য ঃ দিনব্যাপী এই ডে ক্যাম্প ও দীক্ষা অনুষ্ঠানে বিপি পিটি, তাঁবুকলা, গ্যাজেট, স্কাউট আন্দোলনের জন্ম ও ইতিহাস, হাইকিং ও ক্যাম্প ফায়ার, রোভার প্রোগ্রাম ও ব্যাজ অর্জন কৌশল সহ রোভার স্কাউট বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রোভার সদস্যদের ধারণা প্রদান করা হয়। এতে প্রায় ৬০ জন রোভার স্কাউট ও গার্ল ইন রোভার স্কাউট ও স্কাউট দলের সদস্য / সদেস্যা অংশগ্রহণ করে। এবং রোভার স্কাউট ও সহচরের রোভার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে রোভার স্কাউট গ্রুপের ডে ক্যাম্প ২০২৪ সম্পন্ন হয়।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম শামীম, সহ-সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা রুবেল,  সহ-সম্পাদক মো. আসলাম হোসেন, সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপের আর এস এল মনিরা সুলতানা, সহকারী আর এস এল, মো. হাফিজুর রহমান (হাফিজ,) মো. হানিফ, সিনিয়র রোভার মেট মাছুম বিল্লাহ( মাহী,) মো. আশিকুর রহমান (আশিক) অন্বেষণ মুক্ত স্কাউট দলের প্রতিঠাতা সম্পাদক মো. হোসেন আলী ( ছোট্ট),প্রমূখ,

উল্লেখ্য ঃ দিনব্যাপী এই ডে ক্যাম্প ও দীক্ষা অনুষ্ঠানে বিপি পিটি, তাঁবুকলা, গ্যাজেট, স্কাউট আন্দোলনের জন্ম ও ইতিহাস, হাইকিং ও ক্যাম্প ফায়ার, রোভার প্রোগ্রাম ও ব্যাজ অর্জন কৌশল সহ রোভার স্কাউট বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রোভার সদস্যদের ধারণা প্রদান করা হয়। এতে প্রায় ৬০ জন রোভার স্কাউট ও গার্ল ইন রোভার স্কাউট ও স্কাউট দলের সদস্য / সদেস্যা অংশগ্রহণ করে। এবং রোভার স্কাউট ও সহচরের রোভার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে রোভার স্কাউট গ্রুপের ডে ক্যাম্প ২০২৪ সম্পন্ন হয়।

আরও খবর



রূপগঞ্জে শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মত বিনিময় সভা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রুপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও শিক্ষক মন্ডলীর সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রুপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া সরকারি পাইলট মডেল হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান মাহমুদ রাসেল।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসন রূপগঞ্জের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুপগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফেরদৌসী আলম নীলা, মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ আলমাছসহ, অত্র মুড়াপাড়া সরকারি পাইলট মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহ আলম এবং স্কুলের সকল শিক্ষক শিক্ষিকাসহ আরো অনেকে।পরে উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে রুপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান মাহমুদ রাসেল বলেন, স্কুল চলাকালীন বহিরাগত কোন লোক কাজ ছাড়া স্কুলের আশেপাশে এবং স্কুলের ভিতরে ঘুরাফেরা করতে পারবে না।

এবং কোন ছেলে যদি স্কুলের কোন মেয়েদের ইভটিজিং করে রাস্তায় বা স্কুলের ভিতরে তাহলে সে যেই হোক না কেনো অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, এই সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের গার্জিয়ান এবং শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন খেলাধুলা করলে মানুষের মন ভালো থাকে তাই পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে। এবং শিক্ষকদের এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



মিরসরাইয়ে হাজার কোটি টাকার ‘মৎস্য জোন’ হুমকীর মুখে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৬জন দেখেছেন

Image

এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:‘মৎস্য জোন’ খ্যাত মিরসরাইয়ে মুহুরী প্রকল্প। কয়েক হাজার কোটিটাকার মৎস্য শিল্প এখন হুমকীর মুখে। পথে বসার উপক্রম হয়েছে হাজার হাজার মৎস্য চাষীর। এখানকার মৎস্য ঘের উচ্ছেদে অভিযান চালাচ্ছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। গেল মঙ্গলবার অভিযানের পর বুধবারও (২৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে সিডিএসপি বাঁধ ও সুপার ড্রাইক এলাকার অভিযান অব্যাহত রেখেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। মৎস্য ঘেরের পাড় কেটে দেওয়ায় স্থানীয় মাছ চাষীদের কয়েক কোটি টাকার মাছ বঙ্গোপসাগরে চলে যায় বলে জানিয়েছে মৎস্য ঘের মালিকরা। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে। মুহুরী প্রকল্প এলাকায় বছরে উৎপাদন হয় ৪৯ হাজার মেট্রিক টন মাছ। যা চট্টগ্রাম জেলার মৎস্য খাদ্য চাহিদার ৭০ ভাগ পূরণ করে। আর এসব মাছের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১ হাজার ১’শ ২৭ কোটি টাকা।

অন্যদিকে এসব অভিযানকে অন্যায় আখ্যা দিয়ে বেজা কর্তৃপক্ষ নিজেদের অধিগ্রহণকৃত অঞ্চল চিহ্নিত না করে অযথা বৈধ মাছের ঘের ধ্বংস করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন মৎস্য চাষীরা। প্রয়োজনে বৃহত্তর এই মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্র বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবেন বলে জানান তারা। তবে বেজা কর্মকর্তারা বলছেন এখানে সরকারি জমির দখল করে মাছের ঘের তৈরি করা হয়েছে। পূর্বে তাদের সরে যেতে বলা হলেও তারা বেজার নির্দেশনারও কর্ণপাত করেনি। তাদের অধিগ্রহণ করা জমিতে অবৈধভাবে মাছের ঘের গড়ে তোলায় তা ধ্বংস করা হচ্ছে।

মিরসরাই ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৬-১৯৮৭ সাল থেকে উপজেলার মুহুরী প্রকল্প এলাকার ইছাখালী ও বাঁশখালী মৌজায় সমুদ্র তীরে জেগে ওঠা চর বন্দোবস্তি দেয় সরকার। প্রথম ধাপে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভূমিহীনদের মাঝে ১২শ একর। পরে ১৯৯৬-১৯৯৭ সালে দ্বিতীয় ধাপে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ৩শ একর, চিংড়ি চাষীদের মাঝে ১৩শ ৮৫ একর এবং সর্বশেষ ২০০৪-২০০৫ সালে ভূমিহীনদের মাঝে ২৫শ একর ভূমি বন্দোবস্ত দেয় সরকার। পরবর্তীতে ৫ হাজার ৩শ ৮৫ একর পরিমাণের এসব ভূমিতে সমন্বিত মাছ চাষ শুরু করে সরকারের বন্দোবস্ত গ্রহীতারা। যা বর্তমানে দেশের বৃহত্তম মিঠা পানির মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

স্থানীয় মৎস্য চাষী আজমল হোসেন বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মিঠা পানির মাছ চাষে আমাদের উদ্বুদ্ধ করছেন। অথচ এখানে কোটি কোটি টাকার মাছের ঘের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। আমাদের দাবি মুহুরী প্রজেক্ট মৎস্য ঘের এলাকাকে মৎস্য জোন ঘোষণা করে এটিকে রক্ষা করা হোক। কারণ এখানে চট্টগ্রামের মৎস্য খাদ্য চাহিদার প্রায় ৭০ ভাগ মাছ উৎপাদন হয়।

মৎস্য চাষী নাঈমুর রহমান ভূঁইয়া জানান, আমি ১৫ একর জায়গায় ৫ বছর পূর্ব থেকে মাছ চাষ করে আসছি। বুধবার আমার ৫ লাখ টাকার মৎস্য প্রকল্পের পাড় কেটে দিলে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার মাছ পাশের খালে চলে গেছে। আমার মতো ছোট বড় অসংখ্য মৎস্য চাষী পথে বসার উপক্রম হয়েছে।

পশ্চিম ইছাখালী মৎস্য চাষী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি নুরুল আবছার বলেন, সরকার বারবার বলছে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে কোন পুকুর ডোবা যাতে খালি না থাকে। ১৯৮৬-৮৭ সাল থেকে এখানে মাছ চাষ করছি আমরা। আজকে এটি একটি মৎস্য জোনে রূপান্তর হয়েছে। আমরা মাছ চাষীরা এখান থেকে বছরে ৪৯ হাজার মেট্রিক টন মাছের যোগান দিই। আমরা বেজাকে অনুরোধ করবো যেন অন্যায়ভাবে কোন মৎস্য ঘের উচ্ছেদ না করে।

বেজার উপ-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ও সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইয়াছিন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর এলাকায় সরকারি জমিতে তারা অবৈধভাবে মাছের ঘের তৈরি করেছে। ঘের মালিকদের গত বছর ডিসেম্বর থেকে মাছ সরিয়ে নিতে সময় দেওয়া হয়েছিল। তারা বেজার নির্দেশের কর্ণপাত করেনি। মঙ্গলবার ও বুধবার আমরা বেজার আওতাধীন এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা মাছের ঘের অপসারণ করছি। তবে উচ্ছেদকৃত স্থানে সরকারের বন্দোবস্তকৃত ভূমি ও মাছের ঘের রয়েছে কিনা তা জানা নেই। অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



নাসিরনগরের সর্বত্রই এখন মাদকের ভয়াল ছড়াছড়ি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৮২জন দেখেছেন

Image

নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার  ১৩টি ইউনিয়নের সর্বত্রই এখন চলছে মাদকের ভয়াল ছড়াছড়ি।আর এ সমস্ত মাদকের মধ্যে রয়েছে মরণনেশা,ইয়াবা,গাঁজা,ফেনসিডিল,হিরোইন চোলাই মদ আর ভারতীয় বিভিন্ন নেশাজাতীয় পানিয়।তবে সব চেয়ে বেশী ছড়াছড়ি হচ্ছে ইয়াবা,গাঁজা আর চোলাইমদের।আর এ সমস্ত নেশাজাতীয়দ্রব্য সেবন করে সবচেয়ে বেশী নষ্ট হচ্ছে বেকার,তরুণ আর  যুব সমাজ।

বাড়ছে চুরি,ডাকাতি সহ নানা অপরাধ প্রবণতা। উপজেলার ১৩টি  ইউনিয়নে গোপন অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেছে বেশ কয়েকজন বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীর নাম।নাসিরনগর উপজেলার সবচেয়ে বড় মাদকের হাট হচ্ছে ধরমন্ডলে।আর সেখানকার বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীদের নাম কারো অজানা নয়।তাছাড়াও ধরমন্ডলে রয়েছে পেশাদার মহিলা চেইন চোর চক্রের একটি সক্রিয় সিন্ডকেট।যাদের অবাদ বিচরণ সারাদেশেই বলা চলে।

কুন্ডা ইউনিয়নে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের মাঝে রয়েছে কাহেতুরা গ্রামের মাদক সম্রাজ্ঞী নামে খ্যাত হেনা বেগম,তার মেয়ে হৃতু বেগম,বেরুইন গ্রামের হুমায়ুন, জয়ধর কান্দি গ্রামের  সাহাদুদ আমিনের ছেলে ওয়াদুদ আমি সে কুন্ডা থেকে ইয়াবা নিয়ে মহিষবেড় গ্রামে বিক্রি করে।অন্যদিকে মহিষবেড় গ্রামের ফিরোজ আলীর ছেলে হিরাগাজী,মহিষবেড় মনপুর গ্রামের সায়েব মিয়ার ছেলে আওয়াল ইসলামা,জাহাদ মিয়ার ছেলে মন মিয়া সহ আরো অনেকেই।গোয়ালনগর ইউনিয়নের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের মাঝে রয়েছে কদমতলী গ্রামের।

আনু মিয়ার ছেলে মোঃ বাচ্চু মিয়া সেখান্দর আলীর ছেলে মোঃ মস্তু মিয়া,নান্নু মিয়ার ছেলে মোঃ সাহিদ মিয়া,মস্তুু মিয়ার ছেলে মোঃ মোজাম্মেল হক মুজিবুর রহমানের ছেলে মোঃ রুবেল মোঃ আমির হোসেনের ছেলে সালাম মিয়া আনু মিয়ার ছেলে মোঃ ইছাক মিয়া কিনু মিয়ার ছেলে মোঃ কামরুল মৃত হাসান আলীর ছেলে এরশাদ মিয়া আনু মিয়ার ছেলে কাজল মিয়া মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোঃ অহিদ মিয়া সহ আরো অনেকেই।অন্যান্য গুলোর বিষয়ে আরো অনুসন্ধান চলছে,চলবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



ডলার সংকট নেই, রপ্তানি আয়ও কমেনি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ডলারের সংকট এখন ঠিক সেরকম নেই, রপ্তানি আয়ও খুব একটা কমেনি, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । দেশের অবস্থা অতোটা খারাপ নয়। সরকার সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে আমরা মনিটরিং বাড়িয়েছি। অনেক ক্ষেত্রে যতটা প্রয়োজন নয়, তার চেয়ে বেশি দিয়েও অনেকেই এলসি খুলে, কিন্তু ওই টাকাটা ফেরত আসে না। এ কারণে সরকার পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ব্লুমবার্গের মূল্য তালিকা দেখে, তা মনিটর করে এলসি খুলতে দেয়।

বিরোধী দলের চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস পরবর্তী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞায় পড়ে গেলাম। ফলে আমাদের কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমাদের কিছু খরচের ব্যাপারে মিতব্যয়ী হতে হয়েছে, কিছুটা সংকুচিত করতে হয়েছে।

রপ্তানি আয় খুব একটা কমেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব দেশে আমরা রপ্তানি করি, এমনকি যেগুলো খুব ধনী দেশ, তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে, বাজার সংকুচিত হয়েছে, সেখানে অর্ডার কমেছে। অর্থনৈতিকভাবে তারা খুব চাপে আছে, তাদের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তারই ফলে হয়তো কিছুটা কমেছে।’ তিনি বলেন, ‘রপ্তানি আয় বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিকল্প বাজার খুঁজে বেড়ানো, রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে ব্যবস্থা নিয়েছি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কৃষক যথাযথ উৎপাদিত পণ্যের মূল্য না পেলে সমস্যা হবে। মূল্য বাড়লে নির্দিষ্ট আয়ের মানুষ কষ্ট পাবে।

আওয়ামী লীগের সদস্য মো. আবদুল্লাহের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ করতে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা গত বছর ২৮ অক্টোবর থেকে সহিংস কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশে ৬ শতাধিক যানবাহনে ভাঙচুর করেছে। এরমধ্যে ১৮৪টি যাত্রীবাহী বাস, ৪৮টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ড ভ্যান, মালবাহী লরি ও কনটেইনার, ৩টি সিএনজি, ৪টি প্রাইভেট কার এবং ১১টি পিক আপ ভ্যান রয়েছে। এ ছাড়া সর্বমোট ৩২৮টি যানবাহন ও প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এরমধ্যে একটি বৌদ্ধ মন্দির (রাম-কক্সবাজাব, ৫টি ট্রেন, একটি নৌকা, ১৫টি মোটর সাইকেল, ৩টি লেগুনা, একটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস (মধ্যরামপুরা, ফেনী) এবং একটি অটোরিকশা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘ওই সময়ে নাশকতার ঘটনার ১৩ জন নিহত হয়েছে। অগ্নি-সন্ত্রাস, নাশকতা, অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড প্রভৃতি অপরাধে জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য দেশে দক্ষ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, বিচার ব্যবস্থা ও প্রচলিত আইন রয়েছে। হরতাল ও অবরোধের নামে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বিভিন্ন আইনী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো আহত হরতাল-অবরোধে ড্রাইভার, হেলপার, পুলিশ, বিজিবি, শ্রমিক, মুক্তিযোদ্ধাসহ বহু লোক নিহত, আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করিয়াছে এবং বিএনপি ক্যাডাররা অসংখ্য যানবাহন জ্বালিয়ে দিয়েছে।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য আলী আজমের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ায় গত ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৮টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এছাড়া ২৫টি আন্তর্জাতিক সংস্থা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের ৪১টি দেশ থেকে ১২৬ জন পর্যবেক্ষক দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে বাংলাদেশে আসেন। সরকারিভাবে ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ৪৫ জন এবং স্বাধীনভাবে ৭৯ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক এ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের ১৮ জন নির্বাচন কমিশনার ও তাদের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন। নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৮৪টি সংস্থার ২০ হাজার ৭৭৩ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন।’

প্রধানমন্ত্রী আলী আজমের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘সংবিধানের আলোকে গণতন্ত্র ও জনমানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকারাবদ্ধ। পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ন্যায় বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও আইনের মাধ্যমে একটি কার্যকর নির্বাচন কমিশনে পরিণত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন। কারণ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর ২০০৯ সালে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে সব প্রশাসনিক, আর্থিক, আইনি, রেগুলেটরি ও লেজিসলেটিভ এবং নীতি প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর