Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

সবকিছু নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০১ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৬৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘আমাদের নিরাপত্তা সংস্থা বিশেষ করে পুলিশ, র‌্যাব ভালো কাজ করছে বলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে সারা বিশ্বে যেভাবে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছিল। আমাদের দেশকে সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অকার্যকর করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে সবকিছু আমরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি।’

আজ বুধবার সকালে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২৩ উপলক্ষে, পুলিশ স্টাফ কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘জঙ্গি উত্থান ও তৎপরতা রোধে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে। যখনই যে ইনফরমেশন তারা পাচ্ছেন সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা কিন্তু জঙ্গিদের মূলোৎপাটন করে নিঃশেষ করে দিতে পারিনি। তবে আমরা সবকিছু নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি।’

তিনি বলেন, ‘পলাতক জঙ্গিদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিদের ধরা যাচ্ছে না তা নয়, আমরা অনেক জঙ্গিকে ধরেছি। অনেক জঙ্গিকে খুঁজে বের করেছি। যারা পালিয়েছে তাদের ধরার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। নিশ্চয় আমরা ধরে ফেলব।’

বাংলা একাডেমি সংশ্লিষ্টদের ওপর ও বইমেলায় বোমা হামলা করা হবে, এমন হুমকির উড়ো চিঠি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ রকম অনেক হুমকি আসে। আমরা সব কিছু শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

সামনে নির্বাচন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি গরম হচ্ছে, উত্তপ্ত পরিস্থিতি মোকাবিলা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন আসলে সব দলই তৎপর হয় দলই তাদের নির্বাচনী প্রচারণা, ব্যানার ফেস্টুন প্রচার ও নিজস্ব মতো কর্মসূচি প্রচার করেন। এটাই আমরা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছি। নির্বাচন আসলে সবার মধ্যে উৎসুক দৃষ্টি থাকে। সেই সময় সব রাজনৈতিক দল তাদের মতামত, চিন্তা নিয়ে কাজ করেন। সামনে নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়নি। সবাই কাজ করছেন। আমার মনে হয় নির্বাচন কেন্দ্রীক রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই।’


আরও খবর



নির্বাচনের খেলা শেষ, এখন খেলা রাজনীতির: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:নির্বাচনের খেলা শেষ, এখন রাজনীতির খেলা হবে, বলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের । দুর্নীতি ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধেও খেলা হবে। খেলা হবে হরতাল ও আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে অনুষ্ঠিত শান্তি ও গণতন্ত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নেতাকর্মীদের ওবায়দুল কাদের বলেন, ৩০ তারিখ কালো পতাকা মিছিল করবে বিএনপি। সে দিন আপনারা লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে গণতন্ত্র, শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করবেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ভুয়া দল। তারা আবার মাঠে নেমেছে। আন্দোলন করে তারা ভুয়া হয়ে গেছে। এই আন্দোলনে পাবলিক সাড়া দেয় না। অবরোধ ডাকে কেউ শুনে না, হরতালে রাস্তায় যানজট। বিএনপির অবরোধ, হরতাল ভুয়া। বিএনপি মানেই হচ্ছে ভুয়া।

কাদের বলেন, ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটারের ভোটে সরকার গঠিত হয়েছে। এই সরকার জনগণের সরকার, নির্বাচিত সরকার। যেখানে ২৮ দল অংশ নিয়েছে। চীন বা রাশিয়া আমাদের বন্ধু হতে পারে। তবে আমাদের বিদেশি শক্তি ক্ষমতায় বসায়নি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি।

তিনি বলেন, কালো পতাকা মানে কি? শোক মিছিল। ৩০ তারিখে আবার কালো পতাকা মিছিল ডাকছে। সেটাও ভুয়া। লোকজন নেই, জনগণ নেই, নেতাকর্মীরাও হতাশ। নেতাকর্মীরা এখন আর তারেকের ফরমায়েশে কান দেয় না।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে শান্তি ও গণতন্ত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, মুস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুজ্জামান শিখরসহ অনেকে।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের পথ দিয়েই স্বাধীনতা পেয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্তব্য করেছেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের পথ দিয়েই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি বলে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীতে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৪ উদ্‌যাপন উপলক্ষে চার দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাঙালি জাতি নিজের মাতৃভাষাকে মর্যাদা দেওয়ার জন্য মহান আত্মত্যাগ করেছিলেন। মাতৃভাষা রক্ষায় যারা আত্মত্যাগ করেছে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। বাঙালি জাতি রক্ত দিয়ে ভাষার মর্যাদা দিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, নিজের ভাষা রক্ষা করার মধ্য দিয়ে একটা জাতি উন্নত জীবন পেতে পারে। আর আমাদের মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকারটুকু কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এছাড়া একটা বিজাতীয় ভাষা আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, মাতৃভাষার আন্দোলন শুরু হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তখনকার আইন বিভাগের ছাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্যোগ নেন, তিনি ছাত্র সংগঠন গড়ে তোলেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। আরো কয়েকটি প্রগতিশীল সংগঠনকে নিয়ে ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতার উদ্যোগের ফলে এবং তার নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের পথ দিয়েই আমরা আমাদের স্বাধিকার পেয়েছি, স্বাধীনতা পেয়েছি। স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্মমর্যাদা পেয়েছি। দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র বাংলাদেশ হচ্ছে একটি ভাষার রাষ্ট্র। আমাদের মহান নেতা জাতির পিতার নেতৃত্বে আমরা এই মর্যাদা অর্জন করেছি।

অনুবাদ প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান বলেন, অনুবাদ একান্তভাবে দরকার। বাংলাদেশের সাহিত্য নিয়ে অন্য ভাষায় যতটা অনুবাদ হবে, বিশ্বের মানুষ আমাদের ততটা জানবে।

তিনি বলেন, আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্সের যুগে বাংলা ভাষা অনুবাদ হয়ে আসছে। তবে, এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনেক সময় অদ্ভূত অনুবাদ হয়। এ বিষয়ে তদারকি করতে হবে। ভাষার উন্নয়নে বাংলা একাডেমি এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বে অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ হোক। অস্ত্রের প্রতিযোগিতার অর্থ শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যয় হোক। শিক্ষা এবং গবেষণা কর্মে খরচ করারও আহ্বান জানাই। ইতিহাস জানার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছিল। পঁচাত্তরের পর এমন সময় এসেছিল, আমরা যে বিজয়ী জাতি তাই ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, কিছু কিছু পরিবার হঠাৎ টাকা পয়সার মালিক হয়ে গেছেন। তারা মনে করেন ছেলেমেয়েরা ইংরেজিতে কথা বললে খুবই দক্ষ হয়ে গেল। ইংরেজিতে কথা বলে স্মার্ট হয়ে গেল। ৬ হাজার বিদেশি শব্দ রয়েছে, যেটা সহজে গ্রহণ করা যায়। কিন্তু স্মার্ট হতে হলে শুধুমাত্র একটা ভাষা শিখতে হবে এবং সে ভাষায় কথা বলতে হবে আমি সেটা বিশ্বাস করি না। নিজের ভাষা শিখে অন্যের ভাষাও শেখা যায়।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মহাপরিচালক অধাপক ড. হাকিম আরিফ।


আরও খবর



বাগেরহাটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্টেম ফেস্টিভাল, ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের দক্ষতায় মুগ্ধ সবাই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের রামপালে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক স্টেম ফেস্টিভাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার পেড়িখালি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে দিনব্যাপি এই উৎসবে ছিল প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট, বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রকল্প প্রদর্শণী, উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে পোস্টার উপস্থাপনা, রোবটিক্স প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন আয়োজন। 

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার মেয়ে শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা অর্জনে আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত STEM & ICT Skills for Girls of Coastal Areas [SISGCA] শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই স্টেম ফেস্টের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বাগেরহাটের ৭টি স্কুলের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন। স্কুলগুলো হল- পেড়িখালি মডেল হাইস্কুল, বড়কাটালি বহুমুখী হাইস্কুল, ঝনঝনিয়া সেকেন্ডারি হাইস্কুল, শ্রীফলতলা পাইলট হাইস্কুল, রামপাল পাইলট গার্লস হাইস্কুল, ডাকরা বহুমুখি মডেল হাই স্কুল ও উদ্দীপন বদর সামসু বিদ্যানিকেতন।

ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ৩১টি বিজ্ঞান প্রকল্প, ১০টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং দিনব্যাপী প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট, কুইজ প্রতিযোগিতা, রোবটিক্স প্রতিযোগিতা পরিদর্শণ করেন উৎসবে আগত বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিগণ। শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত সাসটেইনএবল সিটি, ড্রোন, ফ্লাড এলার্ম সিস্টেম, ভূমিকম্প নির্ণায়ক, ফায়ার ডিটেক্টরসহ বেশ কিছু প্রকল্প নিয়ে শিক্ষার্থীরা বৈজ্ঞানিক প্রকল্প বা মডেলগুলো সম্পর্কে প্রশংসা করেন অতিথিগণ।

এদিন বিকেলে সমাপনী আয়োজনে গণিত অলিম্পিয়াডের সভাপতি ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তারেক সুলতান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ হেলাল আন নাহিয়ান, বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী। এছাড়া অংশগ্রহনকারী বিদ্যালয় গুলোর প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকবৃন্দ, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ঘুরে শিক্ষার্থীদের প্রাণোচ্ছল অংশগ্রহণ উপভোগ করেন।

মালালা ফান্ডের অর্থায়নে বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাস্তবিক সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানকে কাজে লাগানোর মনোভাব সৃষ্টি ও প্রযুক্তি কর্মক্ষেত্রের জন্য দক্ষ হয়ে গড়ে তোলার লক্ষ্যে গত বছর থেকে রামপাল উপজেলার পেড়িখালি মডেল হাইস্কুল ও বড়কাটালি বহুমুখী হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে আসছে প্রকল্পটি। এর আগে প্রকল্পটির মাধ্যমে স্কুল দুটিতে বাংলাদেশ জুনিয়স সাইন্স অলিম্পিয়াডের আওতায় স্কুল ভিত্তিক সাইন্স অলিম্পিয়াড এবং বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের আওতায় স্কুল ভিত্তিক গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজিত হয়। 

রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা বলেন, রামপালের মত প্রত্যন্ত এলাকার মেয়েদের জ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং তাঁদের উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে বিকশিত করার এমন সুযোগ শিক্ষার্থীদের আরো প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানমনষ্ক করে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস।

মোরেলগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস. এম. তারেক সুলতান বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ আমাকে আনন্দিত করেছে এই ভেবে যে স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরী তে আমাদের উপকূলের মেয়েরাও সমানভাবে অংশ নিতে প্রস্তুত হচ্ছে।


আরও খবর



ডোমারে লেপ তোষকের কারখানায় আগুন, ৫ লক্ষাধীক টাকার মালামাল ক্ষতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর ডোমারে লেপ তোষকের কারখানায় অগ্নি সংগোগের ঘটনায়, প্রায় ৫লক্ষাধীক টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর কর্মীরা দীর্ঘ এক ঘন্টা সময় ধরে অভিযান চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

ঘটনাটি ঘটেছে ডোমার পৌর এলাকার ডোমার দেবীগঞ্জ সড়কের মাদ্রাসা পাড়া গ্রামে। জানাযায়, উক্ত এলাকায় আব্দুর রাজ্জাকের দোকান ঘড় ও গোডাউন ভাড়া নিয়ে সাতক্ষীরা এলাকা থেকে আসা আক্তার হোসেন ও নুর আমিন লেপ, তোষক, জাজিম তৈরী করে দীর্ঘদিন যাবত পাইকারী ও খুচরা ব্যবসা করে আসছে।

ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (৮ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১টায় কারখানায় আগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। মুহুত্ত্বেই আগুনের লেলিহান শিখা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে মুহুত্ত্বেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে ডোমার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর স্টেশন অফিসার সায়েদ মোঃ ইমরানের নের্তৃত্বে উদ্ধার কর্মীরা কাজ শুরু করে। এ সময় সড়কে দ্বায়িত্বরত ডোমার থানার ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফুল ইসলাম, এটিএসআই পারভেজ মিয়া সড়ক সহ সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে। পরে ডোমার থানার এসআই আক্তারুজ্জামান ও সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনা স্থলে যান। ফায়ার সর্ভিসের কর্মীরা দীর্ঘ একঘন্টা অভিযান চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভুগি আবু আলম বলেন, কারখানায় থাকা তুলা, কাপড়, লেপ, তোষক, মেশিনসহ সব পুড়ে যায়। এতে করে প্রায় ৫লক্ষাধীক টাকার মালামাল ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে ধারণা করা হয়েছে। ডোমার থানার পুলিশ জানান, কারখানায় শ্যালো মেশিন চালানোর সময় গ্যাসলাইট থেকে ডিজেলে তেলে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ চৌধুরী, সাদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদসহ অনেকে।


আরও খবর



বাগেরহাটে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৭৪ শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথমদিনে ২৭৪ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে এস এস সি-তে ৭৫ জন, দাখিল থেকে ১৫৪ জন এবং ভকেশনাল থেকে ১৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষায় এসএসসিতে ১৩ হাজার ৬৩৫, দাখিল ৪ হাজার ১১১ এবং কারিগরি ১ হাজার ৪৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেছেন। প্রথমদিনে কোন কেন্দ্রে কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ আব্দুল জব্বার বলেন, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জেলায় ১৯ হাজার ৪৫৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার কথা ছিল।  এদের মধ্যে প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৭৪ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।


আরও খবর

বিনামূল্যে বই পেল ২৬৬ কলেজ শিক্ষার্থী

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪