Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

শাহরুখের গালে দীপিকার চুমু, রণবীর সিং উচ্ছ্বসিত

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ২৪৯জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:শাহরুখ খান অপ্রতিরোধ্য। ছুটিয়ে চলেছেন অশ্বমেধের ঘোড়া। সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘জওয়ান’ নিশ্বাস ফেলছে হাজার কোটির ঘরে। গেল ৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়া সিনেমায় আট দিনে আয় করেছে ৯০০ কোটি রুপি। স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যশরাজ ফিল্মস।

গগনচুম্বী সাফল্যে শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মুম্বাইয়ের যশরাজ স্টুডিওতে সাকসেস পার্টির আয়োজন করা হয়। পার্টিতে নতুন লুকে বাজিমাত করেন কিং খান। বাদশাহর হেয়ারস্টাইল আর পোশাকের ঊর্ধ্বে গিয়েও নজর কাড়ল তার ক্যারিশ্মেটিক নেচার। মঞ্চে যখন শাহরুখের হাতে মাইক, তখন দর্শকাসনে বসে থাকা সকলে মন্ত্রমুগ্ধের মতো মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলেন তার দিকে।

পার্টিতে ছবির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা হাজির হয়েছিলেন। তবে যানননি নয়নতারা। সাফল্যের ওয়াইনে চুমুক দিয়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে মাতেন সকলে। এরপর দীপিকা পাড়ুকোনকে নিয়ে সোজা মঞ্চে চলে যান শাহরুখ। ‘জওয়ান’র ‘ছালেয়া’ গানে দুই তারকার সুপারহিট পারফরম্যান্সের সাক্ষী রইলেন সকলে। মুহূর্তে বদলে গেল চারপাশের পরিবেশ।

এদিকে দীপিকা সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। সেসবের মধ্যে একটিতে দেখা যাচ্ছে, শাহরুখকে জাপটে ধরে গালে চুমু খাচ্ছেন তিনি। মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় ছবিটি।

স্বাভাবিকভাবেই ছবিটি চোখ এড়ায়নি দীপিকার স্বামী রণবীর সিংয়ের। ছবির নিচে মন্তব্যও করলেন। কিন্তু যা লিখলেন, তা সত্যিই তার উদার মানসিকতার পরিচয় দেয়। তিনি লিখেছেন, ভালোবাসায় হৃদয় তৈরি হয়েছে।

তাদের অনেক অনুরাগীও ছবিটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে শাহরুখ-দীপিকাকে সবার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর বলে উল্লেখ করেছেন।


আরও খবর



পোরশায় তেঁতুলিয়া ইউপির উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১০৩জন দেখেছেন

Image

ডিএম রাশেদ,পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:নওগাঁর পোরশায় তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৪-২০২৫ইং অর্থ বছরের উন্মুক্ত বার্ষিক বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক শাহ্ এর সভাপতিত্বে বাজেট সভায় উন্মুক্ত বাজেট উপস্থাপনা করেন ইউপি সচিব ইখতিয়ার হোসেন।

বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১৮,৫৪,৬০২টাকা। রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭,০০৪০২টাকা। বাজেটে উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ৪,৮৬,৩৬,৭৮০টাকা। উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪,৮৬,৩৬,৭৮০টাকা। অর্থবছর শেষে বাজেট উদ্বৃত্ত থাকবে ১,৫৪,২০০টাকা।

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে সকল ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বাংলাদেশে ওয়াই-ফাই ৭ নিয়ে এলো হুয়াওয়ে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ধরনের ওয়াই-ফাই ৭ অ্যাকসেস পয়েন্ট পণ্য নিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে। দেশে এই প্রথমবারের মতো ওয়াই-ফাই ৭ ব্যবহার উপযোগী অ্যাকসেস পয়েন্ট পণ্য উন্মোচন করা হয়েছে। সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বাধুনিক ফিচারের এই ওয়াই-ফাই পণ্যগুলো নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক সরবরাহের মাধ্যমে সর্বোচ্চমানের সংযোগ দিতে সক্ষম। 

বাংলাদেশে নানা ব্যবসায়িক প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ছয়টি ভিন্ন ধরনের ওয়াই-ফাই পণ্য উন্মোচন করে হুয়াওয়ে। কক্সবাজারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের ভাইস প্রসিডেন্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যালেন লিউ, হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিকের নেটওয়ার্ক সিটিও ও প্রিন্সিপাল অ্যার্কিটেক্ট ভিক্টর লাপিয়ান, হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক সলিউশন সেলসের ডিরেক্টর ম্যানফ্রেড কাই এবং হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার ডাটা কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক সলিউশন্ বিভাগের নেটওয়ার্ক সলিউশন ডিরেক্টর মির্জা মো. আনজামুল বাশেদ (মারুফ) উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা, উৎপাদন লাইন এবং মেটাভার্স সম্পর্কিত শিল্পগুলোর পাশাপাশি এআর/ভিআর এডুকেশন, অটোমেটিক অপটিক্যাল ইন্সপেকশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে পণ্যগুলো ব্যবহারের সুফল পাওয়া যাবে। এসব পণ্য বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকেও ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য মাল্টি-আরইউ ও মাল্টি-লিংক অপারেশন্সের (এমএলও) মতো উন্নতমানের ফিচার সমৃদ্ধ এসব ওয়াই-ফাই পণ্যগুলো আগের প্রজন্মের ওয়াই-ফাইয়ের তুলনায় ল্যাটেন্সি কমিয়ে নির্ভরযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে দেবে। এগুলো ওয়াই-ফাই ৬ পণ্যের তুলনায় তিনগুণ বেশি ব্যান্ডউইথ দেওয়ার পাশাপাশি চারগুণ বেশি সংখ্যক ব্যবহারকারীকে সংযোগ দিতে সক্ষম। এছাড়া ওয়াই-ফাই ৬ পণ্যের তুলনায় এগুলি দশগুণ বেশি নির্ভরশীল। পণ্যগুলোর মাধ্যমে ওয়াই-ফাই ডেটা চুরি হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে না।

অ্যালেন লিউ বলেন, “সর্বাধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইসিটি খাত এগিয়ে যাচ্ছে। হুয়াওয়ে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক ও উদ্ভাবনী পণ্য সরবরাহ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই জন্যই বাংলাদেশে আমরা ওয়াই-ফাই ৭ নিয়ে এসেছি। এটি শুধু একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নয়; এটি নিরবচ্ছিন্ন, নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুত সংযোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথে যাত্রা।”

বাজারে আসা ছয়টি ডিভাইসগুলো হলো এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২১, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২২পি, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২৩এইচ, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২৩এইচডাব্লিউ, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৬-২৬, এবং এয়ারইঞ্জিন ৬৭৭৬-৫৬টিপি। ব্যান্ডউইডথ ক্যাপাসিটি এবং স্মার্ট অ্যান্টেনার বিবেচনায় এই ভ্যারিয়েন্টগুলো আনা হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ স্থানে যেমন অফিস, স্কুল এবং স্টেডিয়ামে এয়ারইঞ্জিন ৬৭৭৬-৫৬টিপি  কার্যকর। এয়ার-ইঞ্চিন ৫৭৭৬-২৬, এয়ার-ইঞ্চিন ৫৭৭৩-২৩এইচ, ৫৭৭৩-২৩ এইচডব্লিউ, এয়ার ইঞ্চিন ৫৭৭৩-২২পি এবং এয়ার-ইঞ্চিন ৫৭৭৩-২১ ডিভাইসগুলো ছোট ও মাঝারি আকারের ব্যবসায়িক কর্মক্ষেত্র, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ভিতরে নেটওয়ার্ক কাভারেজের জন্য উপযুক্ত। 


আরও খবর



বাথরুমের ফ্লাশট্রাংক থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, দুই বোন আটক

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৫৮জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরে প্রায় ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইবোনকে আটক করেছে র‌্যাব-৬ যাশোরের সদস্যরা। আটককৃতরা হলেন, বকচর কবরস্থান রোডের লুৎফর শেখের দুই মেয়ে ফরিদা বেগম ও বকচর মাঠপাড়ার ফাতেমা বেগম।এ সময় দুই বোনের কাছ থেকে ১৯ হাজার ৮শ’পিছ ইয়াবা ও মাদক বিক্রির এক লাখ ৪৮ হাজার ৮শ’ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে তারা জানতে পারেন বকচর কবরস্থান এলাকার একটি ফ্লাট বাড়িতে বিপুল পরিমান ইয়াবা রয়েছে। তাৎক্ষনিত তার নেতৃত্বে একটি টিম ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় বড় বোন ফরিদার বাড়ির কমডের ফ্লাস ট্রাংকির ভেতর থেকে ৯হাজার ৮শ’পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে তার কাছ থেকেও প্রায় দেড়লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তিতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান তার আপন ছোট বোন ফাতেমার কাছেও ইয়াবার আরও একটি চালান রয়েছে। পরে বকচর মাঠপাড়ায় ফাতেমার বাড়িতে অভিযান চালায় তারা। ফাতেমার খাটের নিচ থেকে আরও ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, তারা দুই বোনসহ তাদের একটি চক্র রয়েছে যারা যশোর থেকে ইয়াবা নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকেন। তারা নিজেরাই বোরকা পরে শরীরের বিভিন্ন অংশে অভিনব কায়দায় ইয়াবা লুকিয়ে চলে যান দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। তাদের সহযোগিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রেখেছে র‌্যাব যশোরের সদস্যরা।


আরও খবর



প্রয়োজনে সিয়ামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভারত যাবে ডিবি: হারুন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন,সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডে যে বা যারাই জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

শনিবার (৮ ‍জুন) রাজধানীর ডিবি কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি। হারুন অর রশিদ বলেন, আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডে যে বা যারাই জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজনে সিয়ামকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভারতে যাবে ডিবি। এর আগে গত ২৬ মে আনার হত্যার ঘটনা তদন্তে কলকাতায় যায় ডিএমপির ডিবিপ্রধান হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এরপর সিয়ামকে নেপালে আটকের খবর পেয়ে ১ জুন সেখানে উড়ে যান ডিবির হারুন। ৪ জুন নেপাল থেকে ফিরে শাহজালাল বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে নেপালের চুক্তি রয়েছে। ভারতীয় পুলিশের কাছে সিয়ামকে দিলেও হবে। কারণ তাকে নিয়ে আলামত উদ্ধারসহ তদন্তকে এগিয়ে নেওয়া সহজ হবে। বর্তমানে সিয়াম হোসেন কলকাতা গোয়েন্দা পুলিশের (সিআইডি) হেফাজতে রয়েছে। শুক্রবার (৭ জুন) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আনার হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সিয়াম নেপালে পালিয়ে ছিলেন। পরে তাকে নেপাল পুলিশ আটক করে। কলকাতার সিআইডি তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।


আরও খবর



এমপি আনার হত্যায় সন্দেহভাজন সিয়াম কলকাতায় গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৫৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সন্দেহভাজন সিয়ামকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফেলার সঙ্গে এই ব্যক্তি জড়িত বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে, গতকাল বুধবার (২২ মে) গভীর রাতে সিয়ামকে গ্রেপ্তার করে কলকাতার নিউটাউন থানা পুলিশ।

এদিকে যে গাড়িতে করে এমপি আনারের মরদেহের টুকরো নিয়ে যাওয়া হয় সেই গাড়িটিও জব্দ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি। গত ৩০ এপ্রিল অনলাইন রেন্টালের মাধ্যমে গাড়িটি ভাড়া করে হত্যাকারীরা।

কলকাতায় খুন হলেও, তার হত্যাকারীরা বাংলাদেশি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে এরমধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশ।

তারা হলেন- হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া চরমপন্থি দল পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতা আমানউল্লাহ আমান, মোস্তাফিজ ও ফয়সাল।

গত ১২ মে ভারতের কলকাতায় যাওয়ার পর দুইদিন পর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান তিনবারের এই সংসদ সদস্য। চিকিৎসার কথা বলে পরিবারের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার পর আনার ১২ মে দর্শনা–গেদে সীমান্ত দিয়ে কলকাতা যান।

সেখানে তিনি উঠেছিলেন দীর্ঘদিনের পরিচিত বরানগরে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। দুইদিন সেখানে থাকার পর বেরিয়ে যান বেরিয়ে যাওয়ার পর আর তার খোঁজ মেলেনি।

এরপর বুধবার (২২ মে) সকালের দিকে তার খুনের খবর সামনে আসে। জানা যায়, কলকাতার কাছেই নিউটাউনের অভিজাত আবাসন সঞ্জীবা গার্ডেনের (ব্লক ৫৬ বিইউ) একটি ফ্ল্যাটে আনারকে খুন করা হয়।

কলকাতা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, আনারকে সঞ্জীভা গার্ডেনে হত্যা করার পর মরদেহ অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে। তবে মরদেহ পাওয়া নিয়ে পরিষ্কার করে তারা বলছে না এখনও।

এদিকে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় নিহত সংসদ সদস্যের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী তারই ছোটবেলার বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার আক্তারুজ্জামান শাহীন। তিনি ঝিনাইদহের বাসিন্দা ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। শাহীনের ভাই ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌর মেয়র।

হত্যার পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল আরেক বন্ধু ও চরমপন্থি নেতা আমানউল্লাহ আমানকে। কলকাতায় বসে হত্যার চূড়ান্ত ছক কষে বাংলাদেশে আসেন শাহীন।

পরে আমানসহ ছয়জন মিলে এমপি আজিমকে সঞ্জীবা গার্ডেন নামের একটি ফ্ল্যাটে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে ডেকে আনেন। এরপর তাকে জিম্মি করে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ কেটে টুকরো টুকরো করে ট্রলিব্যাগে ভরে ফেলা হয় অজ্ঞাত স্থানে।


আরও খবর