Logo
আজঃ শনিবার ১৮ মে ২০২৪
শিরোনাম

রূপসী পল্লী টাওয়ার সাধ্যের মধ্যে মানসম্মত ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দিচ্ছে অংশীদারদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | ৩৪৮জন দেখেছেন

Image

সোহরাওয়ার্দীঃ 

রাজধানীতে মানুষের আবাসন সমস্যা নিয়ে ভাবনার শেষ নেই। অল্প টাকায় সাধ্যের মধ্যে মানসম্মত ফ্লাট কোথায় কিনবেন, কেমন হবে সেই ফ্ল্যাটের ভবন—এমন ভাবনায় যাঁরা আছেন, তাঁদের জন্য রয়েছে ‘রূপসী পল্লী টাওয়ার’। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের অনুমোদন প্রাপ্ত নকশা, আধুনিক ডিজাইন,ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা, অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা, বাচ্চাদের খেলাধুলার চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা, সবকিছু মিলিয়ে অত্যাধুনিক ফ্লাট সরবরাহ করছে রূপসী পল্লী টাওয়ার। রাজধানী ডেমরায় দেশ সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন হাওয়ায় এ প্রকল্পটি সকলের আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে। রূপসী পল্লী টাওয়ারের স্বপ্নদ্রষ্টা আলহাজ্ব রমজান আলী মাস্টারের  ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা রূপসী পল্লী টাওয়ারের ভবন গুলো এলাকায় আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে স্বগর্বে দাঁড়িয়ে আছে। সম্পূর্ণ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে রূপসী পল্লী টাওয়ার। ভবন গুলোতে পর্যাপ্ত আলো বাতাস জীবনকে করে তোলে প্রাণবন্ত। সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর পরিবেশ প্রকল্পটির গুরুত্ব অনেক বাড়িয়ে তুলেছে। রূপসী পল্লী টাওয়ারের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব রমজান আলী মাস্টার সব সময় মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করেই ভবনগুলো নির্মাণ করেছেন।বাংলাদেশের জন্য এটি একটি মডেল আবাসন প্রকল্প। অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিনিয়োগের টাকা সম্পূর্ণ ঝুঁকি মুক্ত। শেয়ার হোল্ডারদের কাছে সঠিক সময়ে ফ্লাট হস্তান্তর করতে পেরে আলহাজ্ব রমজান আলী মাস্টার আবাসন সেক্টরে যুগান্তকারী উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। বর্তমানে নির্মাণ সামগ্রী আকাশচুম্বী মূল্য থাকা সত্ত্বেও স্বল্প টাকায় মানুষকে ফ্ল্যাট ডেলিভারি দিতে সক্ষম রূপসী পল্লী টাওয়ার।



রূপসী পল্লী টাওয়ারের অগ্রযাত্রা দেশজুড়ে সমাদৃত। দিন দিন মানুষের তাই আগ্রহ বাড়ছে রূপসী পল্লী টাওয়ারের প্রতি।দক্ষ এবং যোগ্য নগর ডিজাইনার, নগর পরিকল্পনাকারী, স্থপতি ও প্রকৌশলীদের একটি দল ডিজাইন করেছে প্রকল্পটি। সফল এই প্রকল্প ডেমরা থানা এলাকার শান্তিবাগে অবস্থিত।


 সাধারণ নাগরিক  শান্তির আবাসনে নিবাস গড়তে পারে, সেই ব্যবস্থা রেখেছে রূপসী পল্লী টাওয়ার এর স্বপ্নদ্রষ্টা আলহাজ্ব রমজান আলী মাস্টার।


আরও খবর



কেমব্রিজ পরীক্ষায় ডিপিএস শিক্ষার্থীদের অনন্য সাফল্য

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ‘আউটস্ট্যান্ডিং কেমব্রিজ লার্নার্স অ্যাওয়ার্ড’ -এর ফলাফল। দেশজুড়ে শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় চমৎকার সাফল্য অর্জন করেছেন। দেশের আইজিসিএসই-তে ১১টি শীর্ষস্থান অর্জনকারীদের মধ্যে ৭ জন শিক্ষার্থীই ডিপিএস এসটিএস স্কুলের, যা স্কুলটিকে দেশের সেরা শিক্ষার্থীদের স্কুলে পরিণত করেছে।     

স্কুলের ৩৭৮ জন সিএআইই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ডিপিএস’র ১০ জন শিক্ষার্থীকে কান্ট্রি টপার ও হাই অ্যাচিভার ক্যাটাগরিতে সম্মানজনক কেমব্রিজ লার্নার অ্যাওয়ার্ডস ২০২৩ দেয়া হয়। সম্মানজনক এ পুরস্কার পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭ জন হচ্ছেন  আইজিসিএসই ও ১ জন  এএস লেভেলের কান্ট্রি টপার; অন্যদিকে, ১ জন আইসিএসই এবং ১ জন এএস লেভেল শিক্ষার্থী হাই অ্যাভিচার। ডিপিএস এসটিএস স্কুল ঢাকা থেকে ১৫৮ জন আইজিসিএসই, ১৩২ জন এএস লেভেল এবং ৮৮ জন এ লেভেল শিক্ষার্থী সিএআইই ২০২৩ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে  

শিক্ষার্থীদের ফলাফলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ডিপিএস এসটিএস স্কুল ঢাকার অধ্যক্ষ ড. শিবানন্দ সিএস বলেন, “আমি সকল কান্ট্রি টপার এবং হাই অ্যাচিভারদের আন্তরিক অভিনন্দন এবং কৃতজ্ঞতা জানাই। এই অর্জন আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরলস কঠোর পরিশ্রম এবং তাদের শিক্ষক ও অভিভাবকদের ধারাবাহিক সহায়তারই প্রতিফলন। আমি তাদের ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানাই।”

আইজিসিএসই কান্ট্রি টপাররা হলেন: ফাইয়াজ এনায়েত হোসেন, মোহাম্মদ জুমায়েল উদ্দীন, পারিসা আবেনি হক, ফাইয়াজ এনায়েত হোসেন, তায়েবা আঞ্জুম রাহা, মুসাররাত ইসলাম খান ও ফারহান শহীদ। এএস লেভেল বিজনেসে দেশ সেরা হন আনিশা ইবনাত নিধি। হাই অ্যাচিভারদের মধ্যে আরও রয়েছেন আফরাহ নূর (আইজিসিএসই ফ্রেঞ্চ) এবং ফারদীন আবরার খান (এএস লেভেল ইনফরমেশন টেকনোলজি)।


আরও খবর



কুড়িগ্রামের রৌমারী ভোট কেন্দ্র স্থান্তরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃরৌমারীতে প্রায় দুই যুগ ধরে ভোট কেন্দ্র পরিচালিত হয়ে আসা কেন্দ্রটি অনত্র স্থান্তরিত হওয়ায় এলাকাবাসি বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানব বন্ধন করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রৌমারী উপজেলাধীন ৩ নং বন্দবেড় ইউনিয়নের বন্দবেড় গ্রামে। মানব বন্ধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বন্দবেড় গ্রামের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আলহাজ্জ কদম আলী , বন্দবেড় ৮ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আবু রেজাসহ অনেকে। বক্তারা বলেন, বন্দবেড় গ্রামের নামে বন্দবেড় ইউনিয়নের সৃষ্টি হয়েছে দেশ স্বাধীনের পর হতে। যে গ্রামে বন্দবেড় হাফিজিয়া মাদ্রাসায় প্রায় দুই যুগ ধরে ভোট কেন্দ্রে নিয়মিত ভোটের কার্যক্রম চলে আসছিল।

হটাৎ করে ৪/৫ দিন আগে রৌমারী উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানাযায়, বন্দবেড় হাফিজিয়া মাদ্রাসা ভোট সেন্টারটি কেটে বাঘমারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানন্তরিত করা হয়েছে। এমন সংবাদে বন্দবেড় গ্রামের শতশত মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।

যার পরিপেক্ষিতে বন্দবেড়ের শতশত ভোটার প্রতিকারের জন্য দফায় দফায় মানব বন্ধন ও বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এলাকাবাসির প্রানের দাবী অবিলম্বে পূর্বের স্থানে বন্দবেড় হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ভোট কেন্দ্রটি বহাল করা হউক। তারা আরো বলেন, ভোট কেন্দ্রটি বন্দবেড় হাফিজিয়া মাদ্রাসায় বহাল না রাখলে বন্দবেড়ের ২ হাজার ভোটার ভোট বর্জনের হুসিয়ারী প্রদান করেন। পরিশেষে বন্দবেড় হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ভোট কেন্দ্রটি বহালের  নিমিত্তে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন।

এব্যাপারে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান বলেন, যেহেতু ভোট কেন্দ্রটি বাঘমারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরিপের মাধ্যমে স্থানন্তরিত করা হয়েছে, পূর্বের স্থানে বহাল করার আমার এখতিয়ারের বাইরে। এব্যাপারে ঢাকা নির্বাচন কমিশন বরাবর আবেদন করার পরামর্শ দেন।


আরও খবর



তানোরে তামান্না হিমাগারে রাখা আলুতে গাছ মজুদ ভারতীয় আলু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ মে 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোর পৌর এলাকার কালিগঞ্জ বাজারে অবস্থিত তামান্না হিমাগারে রাখা কৃষকের আলুতে গাছ গজিয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেই সাথে ভারত থেকে আমদানি করা আলু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মজুদ করে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে হিমাগার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। আমদানি করা আলু রাতের আধারে ঢুকানো ও বাহির করার কারনে গ্যাস সংকট। মুলত একারনেই আলুতে গাছ বের হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন কৃষকরা । এতে করে অধিক টাকা খরচে কৃষকের রক্ত ঘামের আলু নষ্ট হওয়ায় মাথায় পড়েছে হাত। ফলে হিমাগার কর্তৃপক্ষের এমন কর্মকান্ডের কারনে ক্ষতিগ্রস্থ শতশত কৃষকরা। যার কারনে কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তুলেছেন কৃষকরা।

কৃষকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরের পরে সরেজমিনে হিমাগারে গিয়ে দেখা যায়, আলু রাখা সেটে বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। সেখানে আলু রাখা একাধিক ব্যক্তিরা বলেন, আলুতে ট্যাক বা গাছ গজানো দেখতে হলে সকালের দিকে আসতে হত। আলু সেটে ঢালার পর প্রায় আলুতেই এক ইঞ্চি থেকে দেড় ইঞ্চি করে গাছ গজিয়েছে। প্রায় আলুর গাছ পরিস্কার করা হয়েছে। এজন্য এখন কম দেখা যাচ্ছে। গাছ গজানো আলু বিক্রি করা কষ্টকর এবং বাজার দামও কম হবে। কি কারনে গাজ গজিয়েছে জানতে চাইলে তারা জানান ভারত থেকে আমদানি করা আলু হিমাগারে রাখছে আবার সেই আলু বাহির করছে। যার কারনে ঠিকমত গ্যাস দিতে পারেনি। মুলত একারনেই আলুতে গাছ গজিয়েছে। এটার জন্য দায় হিমাগার কর্তৃপক্ষ।  তারা আমদানি করা আলুতে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে  অধিক লাভের কারনে সাধারণ কৃষকের আলুর এই অবস্থার সৃষ্টি করেছেন । তালন্দ ইউনিয়ন ইউপির আলু রাখা এক কৃষক সেখানেই ছিলেন, তিনি বলেন হিমাগার কর্তৃপক্ষই আলু নিয়ে মহা সিন্ডিকেট করে থাকেন প্রতিনিয়তই। আলু বিক্রি করার জন্য সকালের দিকে  সেটে ফেলার পর প্রতিটি আলুতে গাছ গজিয়ে পড়েছে। দেখে চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে পড়েছে। আলু ভালো থাকার জন্য হিমাগারে রাখা হয় অথচ ভালো থাকার পরিবর্তে গাছ গজাচ্ছে। ঈদুল ফিতরের পর ও গত সপ্তাহের দিকে ভারত থেকে আমদানি করা আলু হিমাগারে রাখার কারনে গ্যাস সংকট, সে কারনেই আলুতে গাছ গজিয়েছে। তিনি আরো জানান, তামান্নাতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বস্তা ভারতীয় আলু রাখা আছে এবং বায়ার হিমালয় ও রাজেও রাখা আছে ভারতীয় আলু। 
আলু রাখা সেট থেকে যাওয়া হয় ম্যানেজারের চেম্বারে। সেখানে ম্যানেজার আব্দুল মান্নান ও  তার পাশে আরেকজন বসে ছিলেন। ম্যানেজার আব্দুল মান্নানের কাছে হিমাগারে রাখা আলুতে গাছ গজানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান এসব বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নাই।  ভারত থেকে আমদানি করা আলু আপনার হিমাগারে মজুদ আছে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। তার পাশে থাকা আরেক ব্যক্তি বলেন, হিমাগারের বিষয়ে কিছু জানতে হলে তামান্নার হেড অফিসে চলে যেতে হবে।

সেখান থেকে বের হয়ে সেটে আসলে কালিগঞ্জ এলাকার এক কৃষক জানান সকালের দিকে শুনতে পেয়েছি হিমাগারে রাখা আলুতে গাছ গজিয়েছে, আলু বিক্রি করব। কিন্তু গাছ গজালেতো দাম কম হবে। হিমাগার গুলো মহা সিন্ডিকেট শুরু করেছে। এহিমাগারে নাকি ভারত থেকে আমদানি করা আলু মজুদ আছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ট্রাকের ট্রাক ভারতীয় আলু মজুদ রাখা আছে। তিনি আরেক বেপারিকে ডেকে বলেন ভারতীয় আলু কত বস্তা হতে পারে তিনি জানান নিম্মে হলেও ১০ হাজার বস্তা ভারতীয় আলু রাখা আছে। স্থানীয় ওই কৃষক আরো জানান, আমাদের  গ্রামের শ্রমিকরাই ভারতীয় আলু বাছাই করেছে।

তানোর পৌর এলাকার এক কৃষক মোবাইলে জানান, আলু বিক্রি করার জন্য সকালের দিকে তামান্না হিমাগারে যায়। গিয়ে দেখি যে সব আলু বের করে সেটে ঢেলেছে প্রায় আলুতে গাছ গজিয়েছে। গাছ গজানো আলু বাজার দর থেকে কম।  আমি বীজের আলুও রেখেছি, সে সবেও গাছ গজিয়েছে।

বেশকিছু প্রান্তিক আলু চাষীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে সব আলু গাছ গজিয়েছে ওই সব আলু সেটে ঢালার পর বাছাই করে বিক্রি করতে হবে। এজন্য গুনতে হবে বাড়তি টাকা।  
হিমাগারে ভাড়া লুজ, প্রতি বস্তা ৩২৫ টাকা,  কন্ট্রাক বুকিং প্রতি বস্তা ২৫০-৬০ টাকা, পেট বুকিং ২৩০-৪০ টাকা, লেবার খরচ প্লাটল বাবদ প্রতি বস্তা ২৫ টাকা, সেট খরচ প্রতি বস্তায়  ৩০ টাকা, লোড প্রতি বস্তায়  ৬ টাকা, ওজন প্রতি বস্তায় ৫ টাকা,কৃষক কে ঋন দিলে হিমাগার ২৮% সুদ নেয়, বাজার দর থেকে বাকিতে কৃষকের কাছ বস্তা প্রতি ৩০ টাকা বাড়তি নেয়।

এছাড়াও যে সব কৃষকরা একজনের নামে বুকিং কেটে ১০ জন মিলে হিমাগারে ৫ হাজার বস্তা আলু রাখলে মজুদদার হিসেবে হিমাগার কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের কাছে তাদের তালিকা দিয়েছে । অথচ যারা ফড়িয়া ব্যবসায়ী হাজার হাজার বস্তা আলু মজুদ করে রেখেছে তাদের তালিকা দেয়নি হিমাগার কর্তৃপক্ষ। 

সুত্র জানায়, আলুর বাজার লাগামহীন হওয়ার কারনে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে ভারত থেকে আলু আমদানি করেছেন সরকার । কিন্তু তামান্না হিমাগারের ম্যানেজারসহ সংশ্লিষ্টরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার অস্থির করার কারনে ভারতীয় আলু মজুদ করেছে বলে মনে করছেন প্রান্তিক আলু চাষীরা। 

উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, আমরা তামান্না হিমাগার কে একাধিক বার সতর্ক করেছি। কিন্তু আমাদের তো অভিযান দেয়ার ক্ষমতা নেই। বিষয় টি নিয়ে নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে কৃষি বিভাগের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর



বাংলাদেশের সাইবার জগতকে আরো নিরাপদ করতে কাজ করে যাচ্ছেন আহনাফ আল মিরাজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ মে 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ২৩৭জন দেখেছেন

Image

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক ঃসাইবার নিরাপত্তার জন্য নির্ভর যোগ্য আহনাফ আল মিরাজ জন্ম চাদপুর জেলায় মতলব থানায় ।ছোট বেলা থেকে ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে তার ছিলো অসীম আগ্রহ। সেই আগ্রহ থেকে তিনি ইন্টারনেট ব্যাবহার নিয়ে ছিলেন সচেতন।আহনাফ আল মিরাজের সাইবার যাএা শুরু হয় এক নাটকীয়তার মাধ্যমে।

২০১৫ সালে আহনাফ আল মিরাজের ফেসবুক আইডি হ্যাকের স্বীকার হয় এবং তার ফেসবুক আইডিতে বেশ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছিলো, তখন থেকে আহনাফ আল মিরাজের দেশের হয়ে কাজ করার চিন্তা করে,একজন সোস্যালিস্ট হিসাবে অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে মানুষদের সাহায্য করতে তার উদ্যোগ নেয়, এরপর বিভিন্ন গ্রুপে জয়েন দেন একটা গ্রুপ ছিল রাশিয়ার সেইখানে কাজ শিখতে থাকি এরপর নিজেকে দক্ষ করে ,অনলাইনে এসে সাধারণ মানুষদের সেবা দেওয়া চালু করলাম কাজের বিনিময়ে সে তার সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব মানুষকে খাওয়াতে হবে , এইভাবেই আমি দেশের মাঠিতে বসে আমি আমার দেশের হয়ে কাজ করে যাচ্ছি ২০১৬ থেকে দেশের অধিকাংশ মানুষ সাইবার সম্পর্কে জ্ঞান কম আহনাফ আল মিরাজ এই বিষয় সচেতনভাবে বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন সেলিব্রিটি রাজনৈতিক ব্যক্তি তাদের সাইবার নিরাপত্তার জন্য আহনাফ আল মিরাজের সরাপ্পন হন।

এইভাবে হয়ে উঠেছেন সাইবার নিরাপত্তা এক আস্তার নাম। আহনাফ আল মিরাজের ইচ্ছে আছে একদিন দেশের সবাই সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন হবে।


আরও খবর



বাকেরগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী ২৮ বছর পর গ্রেফতার

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ২৯জন দেখেছেন

Image
রবিউল ইসলাম বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি:বরিশালের বাকেরগঞ্জে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে প্রায় ২৮ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

সোমবার (১৪ মে) রাতে পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালি উপজেলার বড়বাসদিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ার হোসেন খান উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কৃষ্ণকাঠী গ্রামের মৃত গিয়াস খানের ছেলে।

বাকেরগঞ্জে থানার ওসি মোঃ আফজাল হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত আনোয়ার ১৯৯৬ সালে উপজেলার এক‌ই গ্রামের বাসিন্দা আসমান খান নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। এ ঘটনায় আসমান খানের ছেলে হানিফ খান বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই হত্যা মামলার প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেন ছিলেন। ২০০১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বরিশাল অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। হত্যার পর থেকেই আসামি আনোয়ার হোসেন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও খবর