Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

প্রচন্ড তাপদহে থেমে নেই কৃষকরা চলছে বীজ বহন ধান কাটা মাড়ায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ জুন 2০২3 | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৩৫৩জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর:বেশ কয়েক দিন ধরে চলছে তীব্র তাপমাত্রা, ঘরে বাহিরে কোন স্বস্তি নেই, মাঠে বেশি সময় দাড়াতেই পরছেননা কৃষক শ্রমিকরা। কিন্ত খরতাপে ঘরে থাকলে তো আর চাষা বাদ হবে না। কোনকিছু আটকাতে পারে না রাজশাহীর তানোর উপজেলার কৃষক শ্রমিকদের। ভরদমে আলু পরবর্তী ধান কাটা মাড়ায় ও রোপা আমন চাষের জন্য চলছে বীজ বপনের কাজ।  বিশেষ করে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ পর্যন্ত রাস্তায় তেমন ভাবে দেখা মিলছেনা জনসাধারনের। পিচঢালা রাস্তায় যেন শরীর পুড়ে যাচ্ছে। গত বুধবার বাড়ি টিন দিয়ে ছাওয়ার জন্য উল্টিয়ে ফেলেন পৌর সদর গুবিরপাড়া গ্রামের হান্নান। মিস্ত্রী র কাজ করছেন সুবারন। কিন্তু প্রখর রোদে দাড়াতেই পারছেন না। শুক্রবারে কাজে এসে সকালেই শুয়ে পড়েন। আর কাজে হাত দিতে পারেন নি। তিনি জানান, বিগত ২০০৩ সাল থেকে মিস্ত্রির কাজ করছি। জৌষ্ঠ মাসে এমন প্রচন্ত রোদের প্রখরতা দেখিনি। টিন ছাওয়ার জন্য উপরে উঠলে মনে হচ্ছে মাথার কয়েক হাত উপরে সূর্য। অথচ কোটিকোটি মাইন উপরে সূর্য, সেই তাপ সহ্য হচ্ছে না। শরীর হাত পা মুখমন্ডল মনে হচ্ছে পুড়ে যাচ্ছে। আমার জীবনে চলতি বছরে রমজান মাসে ও মে জুনে দেখছি ভয়াবহ তাপ প্রবাহ। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে বোমন ও পেশার লো হয়ে গেছে। আমার সাথে আরেকজন কাজ করছিল তার একই অবস্থা। কাজ করতে না পারলে সংসার ও কিস্তি মিটবে না।

জানা গেছে,  উপজেলা জুড়ে প্রতিটি মাঠে আলু পরবর্তী ধান কাটার ধুৃম পড়েছে। কিন্তু রোদের তাপে শ্রমিকরা এক ঘন্টা কাজ করলে দু ঘন্টা মাথায় বুকে পানি দিতে হচ্ছে। শরীরে থাকা সার্ট পরনের লুঙ্গি ঘামে ভিজে একাকার হয়ে পড়ছে।শ্রমিক মুস্তফা জানান, রোদের তাপের কারনে ফজরের আযানের আগে ধান কাটা শুরু করছি। তখন আবার কোয়াশা পড়ছে। আরেক শ্রমিক মফিজ জানান, গরীবের কাজ না করলে ভাত জুটবেনা। তাপে পুড়ে হলেও কাজ করে সংসার পরিচালনা করতে হবে।এদিকে উপজেলা জুড়ে আলুর জমিতে রোপন করা ধান পেকেছে, ইতিপূর্বেই কাটা শুরু হয়েছে। রয়েছে শ্রমিক সংকটের কারনে বেকায়দায় কৃষকরা। ধান মাড়ায় হপার হারভেস্টাকর মেশিন এসেছে অর্ধশতাধিকের মত। একবিঘায় মেশিনে নিম্মে১৫০০ থেকে উর্ধ্বে ২ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। আর শ্রমিক দিয়ে ৬-৭ হাজার টাকা খরচ। কিন্তু মেশিনে খড় পাচ্ছেনা, আর শ্রমিক কাটা মাড়ায় করলে খড় পাচ্ছেন।এছাড়াও রোপা আমন রোপনের জন্য বীজ বহন শুরু হয়ে গেছে।গত বৃহস্পতিবার বীজ বপনের সময় বিহারইল মাঠে কথা হয় মাদারিপুর গ্রামের কৃষক সুফিয়ানের সাথে। তিনি জানান ১০ শতাংশের কিছু বেশি জমিতে স্বর্না জাতের ৪৫ কেজি বীজ বহন করছি। ৪৫ কেজি বীজ ভালো হলে ১০ বিঘা জমি রোপন করা যাবে। আমরা একটু আগাম বীজ বপন ও চাষ করে থাকি। তিনি আরো জানান বিঘায় ৪ কেজি বীজ লাগে। এক বিঘা জমিতে বীজ তৈরি থেকে উত্তোলন পর্যন্ত ৬-৭ হাজার টাকা খরচ হয়।ওহিদুল নামের আরেক কৃষক সাড়ে তিন মন বীজ বপন করেছেন।

সুফিয়ান, আব্দুল সহ একাধিক কৃষকরা জানান, এক মন বীজের ধান কিনতে হচ্ছে ১৭০০-১৮০০ টাকা দিয়ে। অথচ একমন ধান বিক্রি হচ্ছে ১হাজার টাকায়।  কৃষক যাবে কোথায়, কেজি প্রতি সারের দাম ৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। আবার পটাশ সার ১২০০-১৩০০ টাকা ছাড়া মিলছে না। সব দিক থেকে মরছে কৃষক। কিভাবে একজন প্রান্তিক কৃষক পথে বসবে সেটাই করা হচ্ছে।উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, আরো এক সপ্তাহ বোরো ধান কাটা চলবে। তারপর থেকে যেটা কাটা হবে সেটা আউশ হিসেবে ধরা হবে। রোপা আমনের লক্ষমাত্রা ২২ হাজার ৪০০ হেক্টর। সে মোতাবেক ১১২০ হেক্টর জমিতে বীজের লক্ষমাত্রা, সে অনুপাতে ৮০০ মে:টন বীজের প্রয়োজন। তবে খরতাপের কারনে অবশ্য শ্রমিকদের মারাত্মক কষ্ট হলেও কৃষকরা শুকনো ঝরঝরে ধান ঘরে তুলতে পারছেন। এবার বোরোতে বাম্পার ফলন হয়েছে, তবে ফড়িয়া সিন্ডিকেট দাম কমছে, সে বিষয়ে বিপনন বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে হাট বাজার, আড়ত ও চাতালে অভিযান পরিচালনা করবে।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




সিরাজগঞ্জে জাহান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৫৩জন দেখেছেন

Image
রাকিব সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:সিরাজগঞ্জ শহরের সুনামখ্যাত ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ জাহান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি- ২০২৪ খ্রীঃ পরীক্ষায় জিপিএ ৫- প্রাপ্ত মেধাবী ৪৬ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়  এবং  অভিভাবক সমাবেশ, বার্ষিক পুরস্কার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়। 

শনিবার (২৫মে) সকালে জাহান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে, ফজলুল হক রোডস্থ  নর্দান ফ্লাওয়ার মিলস্ লিমিটেড মাঠ প্রাঙ্গনে জাহান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে এই সংবর্ধনা প্রদানকালে ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট ও উপহার প্রদান করা হয়। 

জাহান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি মুনির আহমেদ এর সভাপতিত্বে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জাহান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরকার ছানোয়ার হোসেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জিপিএ- ৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও উপহার তুলে দেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  সিরাজগঞ্জ-২ (সদর - কামারখন্দ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ড. জান্নাত আরা তালুকদার হেনরী এসময়ে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন, দেশরত্ন, বঙ্গবন্ধকন্যা, জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন। প্রতিটি শিক্ষার্থীর মধ্যে দেশপ্রেম ও সততা থাকতে হবে। সুশিক্ষিত ও দক্ষ হয়ে  আজকের এই শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে সুনাগরিক হবে এরাই দেশের নেতৃত্ব দিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বে দেশ এগিয়ে যাবে। এজন্য নতুন প্রজন্ম বা শিক্ষার্থীদের আরও পড়া লেখায় বেশি মনোযোগী  হয়ে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভরশীল হতে হবে এবং  সাহিত্য- সংস্কৃতির ও ক্রীড়া চর্চায়  বেশি মনোনিবেশ করবে। সৃজনশীল হয়ে প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি সংবেদনশীল হতে হবে। নিজেকে পরিবর্তনের জন্য নিজের ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট। ভালো মানুষ হতে হবে। এজন্য মূল্যবোধ ও মানবিকতা থাকতে হবে। থাকতে হবে স্বপ্নজয়ের প্রতিজ্ঞা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, জেলা শিক্ষা অফিসার (অতি: দা:) আফছার আলী, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, মোঃ ছাকমান আলী, নর্দান ফ্লাওয়ার মিলস্ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইকবাল হোসেন, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর এবং জাহান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অন্যতম সদস্য মোঃ আব্দুল আলীম মন্ডল, মামুনুর রশিদ, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। 

এসময় অনুষ্ঠানে অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক সঞ্জয় গৌর, টি এম আসলাম উদ্দীন, সিমা রাণী, আফরোজা সুলতানা, শাপলা খাতুন, রাশেদুল ইসলাম ও শিক্ষক কেয়ামত আলী সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী, সকল শিক্ষার্থীরা  অভিভাবকগণ, সুধীজন,গুণীজন এবং সাংবাদিকেরা  উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



নওগাঁয় নিখোঁজের দুইদিন পর নদী থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:নিখোঁজের দুইদিন পর নওগাঁর বদলগাছীর ছোট যমুনা নদী থেকে স্বাধীন নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার ডাকবাংলো মোড়ের সালকালি নামক স্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শিশু স্বাধীন পার্শ্ববর্তী ধামুইরহাট উপজেলার  ইসবপুর ইউপির চকচৈতন‍্য গ্রামের জুয়েলের ছেলে। এর আগে স্বাধীন গত বুধবার দুপুর ১টার দিকে নিখোঁজ হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকেই ভেসে থাকা লাশটিকে স্থানীয়দের অনেকেই অন্য কোনো মৃত বলে মনে করে। এরপর দুপুর ১টার দিকে এলাকার মহিলারা নদীর পাশে গেলে ভাসমান লাশটি দেখতে পায়। তাদের কথা শুনে জেলেরা সাথে সাথে নদীতে নেমে শিশুর লাশটি নদীর পাড়ে তুলে আনে। এরপর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানালে এস আই নিহার চন্দ্র সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় গনমাধ‍্যম কর্মীদের দ্বারা বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায়  খোঁজখবর করলে শিশুটির পরিচয় মিলে।

নিহত স্বাধীনের বাবা জুয়েল বলেন, গত বুধবার দুপুরের দিকে আমার ছেলে নিখোঁজ হয়। তার বয়স ৩ বছর ২মাস। নদীর পাশে আমার বাড়ী হওয়ায় ইসবপুর ব্রীজ পর্যন্ত অনেক বার নদীতে খুঁজেছি। না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার এলাকায় মাইকিং করা হয়। হঠাৎ আজ বদলগাছী থেকে পরিচিত জনের মাধ্যমে জানতে পারি এখানে একটি বাচ্চার লাশ পাওয়া গিয়েছে এবং এসে দেখি আমার ছেলের লাশ।

এ ব‍্যপারে বদলগাছী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  মাহবুবুর রহমান বলেন, নিহত শিশুর লাশ পরিবার সনাক্ত করেছে। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




মাগুরার চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের বিচার ও আসামী গ্রেফতারের দাবিতে মিছিল ও মানববন্ধন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরার মহম্মদপুরে জোড়া খুনের আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মামলার  ৫ মাস অতিক্রান্ত হলেও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও  কাঙ্খিত অগ্রগতি না হওয়ায় নিহতের পরিবার এবং এলাকাবাসী  ক্ষোভ প্রকাশ করে এ মানববন্ধনে যোগ দেয়।

বুধবার ২৯ মে  দুপুরে মাগুরা প্রেসক্লাবের সামনে নিহতর পরিবার ও এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইমদাদুল হক ক্যাপ্টেন,  মামলার বাদী আবুল কালাম, নিহত সবুজের স্ত্রী আলেয়া খাতুন ও ছোট ভাই আব্দুল্লাহ।বক্তারা অভিযোগ করেন,মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ অজ্ঞাত কারণে নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

উল্লেখ্য, গ্রাম্য  দলাদলি কে কেন্দ্র করে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর রাতে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের পানিঘাটা গ্রামের সবুজ মোল্যা (৩০) ও তার আপন ভাই হৃদয় মোল্যা(১৭) কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ঐ গ্রামের পুকুর পাড়ে গলা কেটে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কালিমুল্লাহ জানান, পানিঘাটার দুই সহোদর সবুজ ও হৃদয় হত্যার পরদিন তার বড় ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা রুজু করেন। পুলিশ ইতিমধ্যে এজাহার ভুক্ত  ৪ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে। একজন আসামী ইতিমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

আরও খবর



অনন্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে টেকনো’র যুগান্তকারী এআই ফিচার

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:একটি ঝড়ো সকাল, কাজে তাড়াহুড়ো করে এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ করতে ভুলে যান এবং আপনার হাতের কাছে আপনার রিমোট খুঁজে পাচ্ছেন না। এখন আপনার হাতে থাকা টেকনো স্মার্টফোনের আইআর ব্লাস্টার দিয়ে এসি বন্ধ করতে পারবেন। ফলে, আপনি বিদ্যুৎ খরচ আর দুশ্চিন্তা এই দুই থেকেই মুক্ত থাকতে পারবেন। এরকম বহু এআই-নির্ভর প্রযুক্তি আমাদের দেখিয়ে দিচ্ছে আমরা কীভাবে দিনদিন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি এবং এর উপযুক্ত ব্যবহার আমাদের জীবনকে সহজ করে তুলছে।স্মার্টফোন প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে, আর ক্রেতাদের চাহিদাও যেন এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।

টেকনো’র মতো গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো সর্বাধুনিক এআই সক্ষমতা ব্যবহার করে ক্রেতাদের এসব চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। বিশেষ করে, স্মার্টফোন ফটোগ্রাফিতে উদ্ভাবনের ছোঁয়া লাগাতে টেকনো এর ক্যামন ৩০ সিরিজের জন্য সনির সাথে কোলাবেরেশন করেছে। এমনকি কম আলোতেও নিখুঁত ও ঝকঝকে ছবি তোলা নিশ্চিত করতে এই সিরিজে সনি সেন্সর ও পোলারএইস এআই ইমেজ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে।

পাশাপাশি, ব্যবহারকারীরা টেকনো’র এআই ইমেজ জেনারেটর (এআইজিসি) কাজে লাগিয়ে ৪৮০টি স্টাইলে ব্যক্তিনির্ভর (কাস্টমাইজড) এআই পোর্ট্রেট তৈরি করতে পারবেন। ব্যবহারকারীদের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে এলা ভয়েস অ্যাসিসট্যান্ট, এলা ট্রান্সলেটর, আস্ক এআই এবং এআই স্কেচ ড্রয়িংয়ের মত এআই ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে ক্যামন ৩০ সিরিজে।

এআই-নির্ভর স্মার্টফোনের চাহিদা প্রতিদিন বাড়ছে। আইডিসি’র ধারণা অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে ১৭০ মিলিয়ন এআই স্মার্টফোন বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর প্রযুক্তিপ্রেমী ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন পূরণের উপযোগী ডিভাইস তৈরি করার মাধ্যমে এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিচ্ছে টেকনো।


আরও খবর



বড়পুকুরিয়া ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার ঘরবাড়ী ফাটলের ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১২৬জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি হওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পাতরাপাড়া এলাকার ঘরবাড়ী ফাটলের ক্ষতিপূরন দ্রুত দেওয়ার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসী। গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংলগ্ন পাতরাপাড়া মোড়ে ক্ষতিপুরনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোঃ মুনতাসির আফসানি মুন্না। এ সময় উপস্থিত থেকে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, মোঃ মামুনুর রশীদ মামুন, মোঃ মনিরুজ্জামান, মোঃ আলমগীর হোসেন, মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন হিটলার, মোঃ আবুল কালাম আজাদ নুর মোহাম্মদ, মোঃ কিবরিয়া। সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার প্রায় শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। 

লিখিত বক্তব্যে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসী জানান,  আমাদের ২০০৯ সালে পেট্ট্রোবাংলার সাথে সমঝোতা স্মারকে ১০ দফা দাবী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই ১০ দফা চুক্তি এখনো বাস্তবায়ন করা হয় নাই। এই ১০ দফা চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।  আমাদের অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তিতে কে বা কাহারা পেশি শক্তি ব্যবহার করে সোলার প্রকল্প  এর নামে জোর জবরদস্তি করে দখল করার পায়তারা করছে। এতে খনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন ক্ষিপ্ত, যাহা সম্পর্কে আমরা কেউ অবগত নই।  জবরদখলের প্রতিবাদ করায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার অসহায় কিছু মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। আমরা সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি, এই মিথ্যা মামলা অতিদ্রুত প্রত্যাহার করা হউক।  এই এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি দেশে না আসা পর্যন্ত কোন প্রকার সোলার প্রকল্পের কার্যক্রম চালানো যাবে না।  অতিদ্রুত প্রায় ২যুগ থেকে পড়া থাকা একমাত্র চলাচলের রাস্তা মেরামত করতে হবে। জেলা প্রশাসক অফিসে আটকে থাকা কয়লা খনির অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণের বকেয়া টাকা সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ করতে হবে এবং হয়রানি বন্ধ করতে হবে।  কয়খনির কিছু কর্মকর্তা ও বহিরাগত কিছু অসাধু কোম্পানী স্থানীয় কিছু প্রতিনিধির সহযোগীতায় এই জমিতে ঘেরা বেড়া দিচ্ছে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। সাত দিনের মধ্যে আমাদের ফাটা ঘরবাড়ীর টাকা ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার জনগণের মাঝে প্রদান করতে হবে। এ সময় তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জ্বালানী মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর  দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারা বলেন, আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার জনগণের প্রতি সুদৃষ্টি দিয়ে দাবীগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের অনুরোধ জানাচ্ছি।

আগামী ০৭ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণসহ দাবী দাওয়া বাস্তবায়ন না হলে, কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪