Logo
আজঃ মঙ্গলবার ৩০ মে ২০২৩
শিরোনাম

প্রবাসী বাংলাদেশিদের অপরাধের দায় সরকার নেবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ মে ২০২৩ | ১৪৮জন দেখেছেন

Image

বাসস: প্রবাসী বাংলাদেশিদের তারা যেসব দেশে কাজ করেন সেসব দেশের আইন কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আইন ভঙ্গ করে কেউ কোনো অপরাধে যুক্ত হলে বাংলাদেশ তাদের বাঁচাতে ন্যূনতম প্রচেষ্টা চালাবে না বলেও সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ এমএইচ স্কুলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোনো ব্যক্তির অপরাধে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে এটা আর বরদাস্ত করা হবে না।’ তিনি বলেন, ‘যে দেশে থাকবেন সে দেশের আইন মেনে চলতে হবে। যেমন- আপনি কাতারে আছেন, এদেশের যেটা প্রচলিত আইন সেটা আপনাদের অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘কেউ যদি এই আইন ভঙ্গ করেন বা আইন ভঙ্গ করে কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন সেই দায় দায়িত্ব কিন্ত আমরা (সরকার) নেব না, কেউ নেবে না। যে দেশে অবস্থান করেন সেই দেশের আইন যদি না মানেন তাহলে সে দেশের প্রচলিত আইনে তার বিচার হবে এবং এটা সবাইকে মাথায় রাখতে হবে। কোন অপরাধির দায়িত্ব সরকার নেবে না।

‘কেউ যদি কোনো আপরাধে জড়িয়ে পড়েন তাহলে সেটা থেকে কিন্তু আমরা উদ্ধার করার কোনো চেষ্টা করব না, কোনো ব্যবস্থাও নেব না, সেটা স্পষ্ট বলে দিচ্ছি,’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এতে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়, একজনের জন্য অন্য মানুষগুলো কষ্ট পায়। তাদের বিপদ হয়। সেজন্য আমরা প্রশিক্ষণ দিয়েই লোক পাঠাতে চাই। যে প্রশিক্ষণটাও অনেকে ঠিকভাবে নেন না।

ট্রেনিংয়ের সময়কার টাকাটা নিয়ে অনেকে ঘুষ দিয়ে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেন মর্মে তথ্য রয়েছে বলেও জানান শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন, ‘সবাইকে এই বার্তাটা পৌঁছে দেবেন, এখানে কেউ যদি কোনো অপরাধ করেন সেই অপরাধের দায় দায়িত্ব বাংলাদেশ নেবে না। এটা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই। কারণ, আমাদের এসব কথা শুনতে হয়। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এবং প্রবাসে লোক পাঠাবার যে সুযোগটা আমরা পাই সে সুযোগটাও হারিয়ে যায়। আরও ১০টি মানুষের কাজের যে সুযোগটা থাকে সেটা তারা পায় না। একটি মানুষের অপরাধের জন্য অন্য মানুষ শাস্তি পায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়ায় আপনারাও বুক ফুলিয়ে বলতে পারেন আমার দেশ বাংলাদেশ। সেখানে কারও কোনো অপরাধের কারণে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে এটা কিন্তু মেনে নেওয়া যায় না। এটা সহ্য করা যায় না।

তিনি বলেন, ‘আজকে অন্তত এটুকু বলতে পারি দেশের মানুষের জন্য দুবেলা দুই মুঠো খাবার ব্যবস্থাটা করতে পেরেছি। তাদের জীবনমান উন্নত করার পদক্ষেপ নিয়েছি। গৃহহীনকে ঘরবাড়ি করে দিচ্ছি, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছি, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি, রাস্তা-ঘাট যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করেছি।

বৈধ পথে দেশে টাকা পাঠানোর জন্য প্রবাসীদের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সামান্য একটু বেশি পাওয়ার লোভে অনেক সময় বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। সেটা আপনাদের বিবেচনায় থাকা উচিত।’ এ সময় ধোকায় পড়ে বিদেশে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার না হয়ে তার সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে প্রশিক্ষণ নিয়ে বৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার জন্যও সবাইকে পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা।

সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে সবার কাছে দোয়া কামনা করেন সরকারপ্রধান। সেইসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় পুণর্ব্যক্ত করেন তিনি।


আরও খবর



আত্রাইয়ে পৃথক অভিযানে এ্যাম্পল ও হেরোইনসহ আটক-৩

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ৭৭জন দেখেছেন

Image
নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই(নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে মাদক বিরোধী পৃথক অভিযান চালিয়ে অবৈধ নেশা জাতীয় এ্যাম্পল ইনজেকশন  ও হেরোইনসহ তিন মাদক কারবারিকে আটক করেছে থানা পুলিশ।আটককৃতদের মঙ্গলবার সকালে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. তারেকুর রহমান সরকার জানান, মাদক বিরাধী অভিযানের অংশ হিসাবে সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের জয়ন মোল্লার ছেলে মঞ্জুর মোল্লা (৫১), আত্রাই উপজেলার ঘোষপাড়া গ্রামের মৃত আয়েন উদ্দিন শাহ্ ছেলে এমামুল শাহ(৩৫) এবং একই উপজলার ভঁরতেতুলিয়া গ্রামের মৃত খোরশেদ আলম খন্দকারের ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে বাবু(৩৪) কে আটক করা হয়। আটককালে তাদের কাছে থেকে ৪৫ পিচ অ্যামম্পল ও ১ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করে মঙ্গলবার সকালে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

আরও খবর



এ আর রহমানের গান বন্ধ করল পুলিশ, ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মে 2০২3 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ মে ২০২৩ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক: অস্কারজয়ী সুরকার, বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক এ আর রহমানকে মঞ্চে গাইতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। পুণেতে এমনই ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি।

এপ্রিলের শেষ দিনে রোববার পুণেতে ভারতীয় সংগীত তারকা এ আর রহমানের কনসার্ট ছিল। ওই দিন রাত ১০টায় স্টেজে ওঠেন তিনি। পরে কণ্ঠে যখন ‘ছাইয়াঁ ছাইয়াঁ’ গানটি ধরেন ঠিক তখনই গান বন্ধ করে দেওয়া হয় অস্কারজয়ী এ সুরকারের। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে জানা যায়, কিছু বুঝে ওঠার আগেই মঞ্চে উপস্থিত শিল্পীদের বাদ্যযন্ত্র বন্ধের নির্দেশ দেন পুণের এক পুলিশ কর্মকর্তা। মাঝপথে থামিয়ে দেওয়ায় তড়িঘড়ি করে মঞ্চ ছাড়েন রহমান। এ ঘটনার পর চিৎকার শুরু করেন দর্শকরা।

এ ব্যাপারে গায়কের সহকর্মী জানিয়েছেন, সংগীতশিল্পীর দিকে আঙুল তুলে গান বন্ধ করতে বলে পুলিশ। সেই ভিডিও এখন ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যা নিয়ে ঝড় উঠেছে সঙ্গীতাঙ্গনে।

ভিডিওতে দেখা যায়, মাত্রই গান শুরু করেছিলেন এর আর রহমান। হঠাৎ পুলিশ ঢুকে পড়ে সেখানে। পুলিশের এক কর্মকর্তা রহমানকে উদ্দেশ্য করে ঘড়ি দেখিয়ে গান থামাতে বলেন। রহমানও গান থামিয়ে দেন। আয়োজক এবং ব্যান্ডের বাকি সদস্যদের অনুষ্ঠান বন্ধ করার নির্দেশ দেন সেই পুলিশ কর্মকর্তা। সঙ্গে সঙ্গে দর্শকরা চিৎকার শুরু করেন। তারা আরও গান শুনতে চাইছিলেন। কিন্তু সেখানে বাধা আসে পুলিশের।

জানা গেছে, শোয়ের সময়ের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছিল রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত। কিন্তু নির্দিষ্টি সময় পেরিয়ে যেতেই পুলিশ হাজির হয়ে অনুষ্ঠান থামিয়ে দেয়। তবে এভাবে মাঝপথে গান বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা মেনে নিতে পারেননি অনেকে। নিন্দার ঝড় ওঠে নেটপাড়ায়। এমন এক বিশ্ববন্দিত শিল্পীর সঙ্গে কেন আরও একটু সংবেদনশীল আচরণ করা হলো না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

পুণের রাজা বাহাদুর মিল এলাকায় আয়োজিত এ কনসার্টে হাজারেরও বেশি দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে পুণে পুলিশের ডিসিপি (জোন ২) এস পাতিল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ আর রহমান শেষ গানটি গাইছিলেন। উনি খেয়াল করেননি সময় ১০টা পেরিয়ে গেছে। তাই অনুষ্ঠানস্থলে আমাদের যে পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন, বাধ্য হয়ে স্টেজে উঠে তাকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকার কথা মনে করিয়ে দেন। তখন অবশ্য শিল্পী গান বন্ধ করে দেন।’


আরও খবর



নাসিরনগরে ব্যবসায়ীর উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে পিটিয়ে মারাত্বক আহত করে টাকা ছিনতাই

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ১১২জন দেখেছেন

Image

আব্দুল হান্নান: জমি নিয়ে বিরোধ,পারিবারিক কলহ,পূর্বশত্রুতা ও মামলা মোকদ্দমার জের ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসির নগরে সফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যাগ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে মারাত্বক আহত করে তার সাথে থাকা ব্যবসার প্রায় সত্তর হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।বর্তমানে ওই ব্যবসায়ী ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পঞ্জা লড়ছে।ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি সদর ইউনিয়নের ধনকুড়া গ্রামে।তার পিতার নাম মৃত জারু মিয়া বলে জানা গেছে।ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল অনুমান চার ঘটিকার সময় উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নে সরাইল নাসিরনগর মহা সড়ককের উপর স্মশানের নিকট।

ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় সদর ইউনিয়নের ধনকুড়া গ্রামে তাদের বাড়ি সংলগ্ন একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতিবেশী আওয়াল মিয়া ও তার লোকদের সাথে বিরোধ আর মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল।গত মঙ্গলবার রাতে আওয়াল মিয়া ও তার লোকজন মিলে সফিকুলের চাচাতো ভাই মোঃ কুতু্ব উদ্দিনের একটি জায়গার উপর অন্যায় ভাবে রাতের অন্ধকারে জোর পূর্বক একটি ঘর নির্মান করে ফেলে।পরে থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আওয়াল মিয়ার অন্যায় ভাবে নির্মিত ঘরটি সরিয়ে ফেলে বলে এস আই শ্রীবাস চন্দ্র দাস জানায়।

ওই ঘটনার পর বুধবার নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকার এস আই শ্রীবাস চন্দ্র দাসের মাধ্যমে উভয় পক্ষের লোকজনকে থানায় ডেকে এনে পরবর্তীতে আর কেউ অন্যায় ভাবে কোন ঝগড়া করবেনা মর্মে উভয় পক্ষের লোকজনের কাছ থেকে মুচলেহা আদায় করে নেয়।কিন্তু আওয়াল মিয়ার লোকজন থানায় মুচলেহা দিয়েও পরবর্তীতে মুচলেহার  শর্ত ভঙ্গ করে ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলামেনর উপর সন্ত্রাসী ভাবে হামলা চালিয়ে মারপিট করে মারাত্বক ভাবে আহত করে তার সাথে থাকা ব্যবসার প্রায় সত্তর হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম জানায় বৃহস্পতিবার সকালে তিনি টমটম যোগে প্রায় এক লক্ষ টাকার মাল( ব্যাগ) নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে পার্শ্ববরাতী লাখাই উপজেলার ভুল্লা,লাখাই,মোড়াকরি,ফান্দাউক বাজারে বিক্রি করে অনুমান সত্তর হাজার টাকা কালেকশন করে আবারা ওই টমটম যোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।এ সময় ফান্দাউক স্মশানের নিকট আসা মাত্রই পূর্ব থেকে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র ধারলো দা,লাটি, লোহার রড ইত্যাদি নিয়ে ওৎপেতে বসে থাকা মোঃ আওয়াল মিয়া,কামাল মিয়া,সুকন মিয়া,জাবেদ মিয়া,আবেদ মিয়া হেকিম মিয়া,কাউছার মিয়া,রাসেল মিয়া।

সাদেক মিয়া সহ প্রায় চৌদ্দ জন লোক তার টমটমের গতিরোধ করে হর্তকিত ভাবে হামালা চালিয়ে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে সফিকুল ইসলামের মাথা ও ডান পা কুপিয়ে কেটে দেয়।তাছাড়াও রড দিয়ে পিটিয়ে বাম পা ও বাম হাত ভেঙ্গে ফেলে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্বক আঘাত করে মৃত ভেবে টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।পরে  টমটম চালক আর পথচারীরা মিলে সফিকুল ইসলামকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎস সফিকুলকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন।সফিকুলের অবস্থা আশংকা জনক হওয়া জেলা সদর হাসপাতাল ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।বর্তমানে সফিকুল ইসলাম ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



প্রটোকল প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশকে একঘরে করে দেবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ৭৪জন দেখেছেন

Image

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিদেশে গিয়ে উপযুক্ত প্রটোকল না পেয়ে, প্রতিশোধ হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের সুবিধা প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। প্রটোকল প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশকে একঘরে করে দেবে। সরকার শঙ্কিত হয়ে পশ্চিমা বিশ্বের সমালোচনা করছে। ত্রি-দেশীয় সফরের পর প্রধানমন্ত্রী চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

আজ মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক যৌথ সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দায়িত্বহীনভাবে ছয় দেশের কূটনীতিকদের অতিরিক্ত প্রটোকল প্রত্যাহার করেছে সরকার, এতে সংকট সৃষ্টি হবে। এটা বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করবে। বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতি করবে। এটা সুখকর কিছু বয়ে আনবে না।

সংসদ থেকে বিএনপি এমপিদের পদত্যাগ করা সঠিক নাকি ভুল ছিল এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সংসদ থেকে বের হয়ে আসা বিএনপির সঠিক সিদ্ধান্ত ছিলো। আর নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আওয়ামী লীগ কি করবে এটা নিয়ে ভাবছে না বিএনপি।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রিপন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ২০ মে ২০23 | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | ৬৩জন দেখেছেন

Image

জুলফিকার আলী,কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি:তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রিপন (৩৭) কে আটক করেছে র‌্যাব-৬ এর একটি দল। গ্রেফতারকৃত রিপন কলারোয়া পৌর সদরের হাসপাতাল সড়কের গফ্ফার এর ছেলে।  সে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। শুক্রবার (১৯ মে) দুপুরে র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা সদর কোম্পানি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে ১৮ মে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার নিজ বাড়ির খাটের নিচে বিশেষভাবে তৈরি করা সুড়ঙ্গ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত রিপন কলারোয়া হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তাকে কলারোয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সূত্র মতে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় গত ১৮ এপ্রিল বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৪জনকে যাবজ্জীবন ও ৪৪ জনকে ৭ বছর করে কারাদন্ডদেন আদালত। এর মধ্যে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত হন রিপন। তবে তিনি পলাতক ছিলেন। উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ১০টায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধর্ষণের শিকার এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফেরার পথে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা কলারোয়ায় দলীয় অফিসের সামনে একটি যাত্রীবাহী বাস (সাতক্ষীরা-জ-০৪-০০২৯)
রাস্তার ওপরে আড় করে দিয়ে তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। এতে আওয়ামীলীগের এক ডজন নেতা-কর্মী আহত হন।  এ ঘটনায় করা মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রæয়ারি তালা-কলারোয়ার বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জন নেতা-কর্মীকে ৪ থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা দেন সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবির। এছাড়া গত ১৪ জুন অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের অপর দুটি মামলায় চার্জ গঠন করা হয়। যার রায় ঘোষণা করা হয় গত ১৮ এপ্রিল।


আরও খবর