Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

মাথায় হাত তানোরের আলু চাষিদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৪০০জন দেখেছেন

Image

আব্দুস সবুর, তানোরগত মৌসুমে লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে লাভের আশায় আলু রোপন করেন রাজশাহীর তানোর উপজেলার কৃষকরা। কিন্তু সেই আশায় পড়েছে হতাশার মেঘ। প্রতি বিঘায় ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের। যদিও বাজারে প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম আকাশ ছোয়া। তাহলে কৃষকের কঠোর পরিশ্রম অধিক খরচের এবং ঝুকিপূর্ণ আলুর বাজার কেন এত কম এমন হাজারো প্রশ্ন চাষীদের। কারা এই সিন্ডিকেট করে কৃষকদের পথে বসাতে মরিয়া,কে নিয়ন্ত্রণ করছে বাজার, কারা দাম কমাচ্ছে বাড়াচ্ছে এধরনের প্রশ্নের কোন উত্তর খুজে পাচ্ছেনা কৃষকরা।


অথচ আগাম আলু ১৮-১৯ টাকা কেজি দরে জমি থেকই বিক্রি করেছেন কৃষকরা। দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ছে, কীটনাশক সারের সিন্ডিকেটের শেষ নেই। বিশেষ করে রোপনের সময় দ্বিগুণ দামে কিনতে হয়েছে পটাশ সার। এতে করে যে কোন বছরের তুলনায় বিঘায় ১৫-১৮ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হয়েছে, সেচের খরচও বাড়তি। অথচ আলু ১১ টাকা ৫০ পয়সা, ১২ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে হচ্ছে। নেই বহিরাগত আলু কেনা ব্যবসায়ীরা। ফলে চরম হতাশায় ভুগছেন আলু চাষিরা, দাম কম থাকায় কপালে জমেছে চিন্তার ভাজ

আলু চাষি লুৎফর জানান, প্রতিবার ৯০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করি। গত মৌসুমে আগাম বিক্রির জন্য লোকসান কম হয়েছিল    লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে এবারও ৭৫ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছি। আলু তোলা শুরু হয়েছে। সবকিছুর বাড়তি দাম। প্রতি বিঘায় ৫৫-৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং লোকসান হবে বিঘায় ১৪-১৫ হাজার টাকা করে


চান্দুড়িয়া ইউপির গাগরন্দ গ্রামের গোলাম রাব্বানী জানান  গত মৌসুমে  ১২০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করে লাখ টাকা লোকসান হয়। এবারো একই পরিমান জমিতে লাভের আসায় আলু চাষ করি, বাজারে যে দাম  তাতে ২০-২৫  লাখ টাকা  লোকসান গুনতে হবে। তিনি পাচন্দর ইউপির বিনোদপুর মাঠে আলু চাষ করেছেন। আলু উত্তোলন চলছে। কীটনাশক সার সেচের অতিরিক্ত খরচ। বাজারে প্রতিটি জিনিসের দাম দ্বিগুণ হলেও আলুর বাজারে চরম ধস। 


মাহবুর রহমান মিঠু নামের আরেক চাষি জানান গতবার ১৩৫  বিঘা জমিতে লোকসান হয়েছিল ১০ লাখ টাকা। সেই লোকসান নিয়ে লাভের আসায় পুনরায় একই পরিমান জমিতে চাষ করি। কিন্তু এবার খরচের টাকাও উঠবেনা। তিনি পাচন্দর ইউপির কচুয়া মাঠে আলু চাষ করেছেন এবং উত্তোলন চলছে পাচন্দর ইউপির চিমনা গ্রামের কৃষক  শাপিউল জানান  গতবার বিঘা জমিতে আলু করে  লাখ টাকা লোকসান হয়। লাভের আসায় বিঘা জমিতে আলু চাষ করে খরচের টাকাও উঠছে না


একই গ্রামের ওমর জানান গতবার ২০ বিঘা জমিতে প্রচুর  লোকসান হয়েছিল। এবার কমিয়ে ১০ বিঘা জমিতে চাষ করে পুরোটায় লোকসান হবে মনে হচ্ছে।একাধিক আলু চাষিরা জানান, আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণ করে হিমাগার মালিক সমিতি। তারা ইচ্ছেমত দাম নির্ধারন করে। তাদের সিন্ডিকেটের কারনে পথে বসতে হচ্ছে আমাদের। 


প্রতিদিন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে অথচ আলুর দাম নাই। তিনমাস কঠোর পরিশ্রম করার পর আলু উঠে। লাভের জন্য চাষ করা হয়। একমাস আগে আলুর বাজার ছিল ১৮-১৯ টাকা কেজি। সেই বাজার কমে ১১-১২ টাকা কেজিতে নেমেছে। আলু রোপনের সময় দ্বিগুন দামে সার কীটনাশক কিনতে হয়েছে। যেখানে বিঘা জমিতে খরচ হত ৪০-৪৫ হাজার টাকা, আর এবার ৫৫-৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।


সার কীটনাশকের বাড়তি দামের কারনে পর্যাপ্ত দিত না পারায় বিঘায় ১২-১৪ বস্তা ফলন কম হচ্ছে। আলুর বাড়তি দাম হলে কৃষি দপ্তরের বিপনণ বিভাগ হৈচৈ ফেলে দেয়। এখন দাম কম চাষিরা পথে বসছে আর তারা নিরবতা পালন করছে। এক কথায় কৃষক মরল কি বাচল সেটা কারো আসে যায় না। অথচ এই কৃষকরাই দেশে খাদ্য ঘাটতি ফেলতে দেয়নি। আর এদের নিয়েই মহা সিন্ডিকেট। কে শুনে কার কথা। আবার গভীর নলকূপ অপারেটরদের তো আছেই সেচ নিয়ে কারসাজি। বিদ্যুতের দাম বাড়তি বলে বিঘায় ১৫০০-২০০০ টাকা সেচ হার নিচ্ছে। যেখানে বিঘায় উর্ধ্বে ৪০০ টাকার বেশি সেচ হার লাগবেনা। এখানেও বেপরোয়া নৈরাজ্য


গাগরন্দ গ্রামের আলু চাষি মুসলেম জানান, গতবার ৩০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করে লাখ ৭০ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে। এবারও ৩০ বিঘা জমিতে আলুর চাষ করেছি। কয়েকদিন পর তোলা শুরু করব। বর্তমান বাজার অনুযায়ি ৩০ বিঘাতে লাখ ৫০ হাজার টাকা লোকসান হবে। এভাবে লোকসান হলে আত্মহত্যা ছাড়া উপায় থাকবে না। আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণ করে হিমাগার মালিক সমিতি। তাদের কাছে কৃষি বিপণন বিভাগ জিম্মি হয়ে আছে। তারাই যেটা করবে সেটাই সঠিক। তবে বিবিন্ন ভাবে খোজ নেওয়া হচ্ছে কোন অবস্থাতেই দাম বাড়বেনা, কিন্তু কমার সম্ভবনাই বেশি। 


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, এবারে উপজেলায় ১৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। যা দেশের তৃতীয়। নিয়মিত মনিটরিং করার জন্য রোগবালা কম ছিল। দাম তো নির্ধারন করা কৃষি অফিসের কাজ না। এজন্য বিপণন বিভাগ রয়েছে। তবে বাজারে যে দাম আছে হিমাগারে রাখলে পরে দাম পাবে বলে মনে করেন তিনি



আরও খবর

হিলিতে ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪




শেষ পর্যন্ত কে থাকছেন নির্বাচনী মাঠে, 'মনির' না 'বাবুল?'

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৩৩জন দেখেছেন

Image

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে কে থাকছেন 'মনিরা' না 'বাবুল' এই প্রশ্নটি এখন হাটে মাঠে বাজারে চায়ের দোকানে সাধারণ মানুষের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে। নির্বাচন ইশতেহার ঘোষণার পর থেকেই চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে রেজাউল করিম বাবুলের নাম শোনা যাচ্ছিল এর কয়েকদিন পর এস এম মোজাহিদুল ইসলাম মনির এর নাম চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচার হতে থাকে। এই দুই প্রার্থীই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বাছাই পর্বে এসে ঋণখেলাপীর কারণে রেজাউল করিম বাবুলের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। এরই মধ্যে গত ২০ মে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। এসএম মোজাহিদুল ইসলাম মনির কাপ পিরিচ প্রতীক পান। বাবুল আদালতে আইনের শরণাপন্ন হন। ২২ মে বুধবার পর্যন্ত আদালতে কোন সূরা না হওয়ার কারণে বাবুলের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা বন্ধ থাকে। অপরদিকে প্রতীক পাওয়ার পরও মনির কে জোরালোভাবে নির্বাচনী প্রচার করতে দেখা যায় না। নির্ভর যোগ্য সূত্রে জানা যায়, মির্জাপুরের জনৈক প্রভাবশালী নেতার ইচ্ছা, রেজাউল করিম বাবুলকে দিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করানো। কিন্তু আইনী জটিলতায় বাবুল আটকে থাকায় মনিরকে 'স্ট্যান্ডবাই' রাখা হয়েছে। কোন কারনে বাবুল আইনি প্রক্রিয়ায় হেরে গেলে তখন এস এম মোজাহিদুল ইসলাম মনিরকে নির্বাচনী মাঠে নামিয়ে দিবেন। এই তথ্য যদি সত্য হয় তাহলে, 'মনির' না 'বাবুল' এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আরো কয়েকটা দিন সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে। অন্যদিকে আরো দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী ব্যারিস্টার তাহরীম হোসেন সীমান্ত এবং ফিরোজ হায়দার খান তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। 


আরও খবর



মানুষের পাকা রাস্তার চাহিদা বেড়েছে,কাঁচা রাস্তায় মানুষ চলতে চায়না: রাণীশংকৈলে এমপি হাফিজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image
রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃমানুষের পাকা রাস্তার চাহিদা বেড়েছে, কাঁচা রাস্তায় মানুষ চলতে চায়না। কিন্তু রাস্তা করতে গেলে কেউ একহাত রাস্তা ছাড়তে চায় না এটা হতে পারেনা। শনিবার (৪মে) ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় দুটি পাঁকা রাস্তা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরজিপি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাফিজউদ্দীন আহম্মেদ এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, কাজে অভিজ্ঞ লোককে নির্বাচিত করবেন এলাকার উন্নয়ন হবে।

আরজিপি স্কুল হইতে রাঘপপুর এবং সখের টাউন হউতে মোড়ল হাট পর্যন্ত পৃথক ২কিঃমিঃ রাস্তা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাতীয় পাটির ইউনিয়ন সভাপতি একেএম ফজলুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা রকিবুল হাসান, থানা অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা,প্রকৌশলী আনিসুর রহমান,জাতীয় পাটির আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম,যুগ্ন আহবায়ক আবু তাহের,ইউপি চেয়ারম্যান শরৎ চন্দ্র রায়,বীরমুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক,ইটভাটা মালিক আইনুল হক প্রমুখ।

আরও খবর



হোমনায় ডা. রাশেদের মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৫০জন দেখেছেন

Image

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:কুমিল্লার হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. রাশেদুল ইসলামের মৃত্যুতে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

গতকাল মঙ্গলবার বেলা দুইটায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে দোয়া, মিলাদ ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুছ ছালাম সিকদার। স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন মরহুম ডা. রাশেদুল ইসলামের বন্ধু হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. জহিরুল ইসলাম ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শহিদুল্লাহ। এতে মরহুমের সহকর্মী ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্খীরা উপস্থিত ছিলেন। দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন হাসপাতাল মসজিদের ইমাম মাওলানা আবদুল আজিজ।

ডা. রাশেদুল ইসলাম ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ভারত ও বাংলাদেশে চিকিৎসাধীন থেকে গত ১৫ মে রাত সাড়ে তিন টায় ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি স্ত্রী, ১ মেয়ে ২ ছেলে, ভাই বোনসহ অসংখ্য শুভাকাঙ্খী রেখে গেছেন।


আরও খবর



আদম তমিজিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:এবার চেক ডিজঅনারের মামলায় হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজি হকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন টাঙ্গাইলের আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর থানা আমলি আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল মোহসীন এই আদেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন– আদম তমিজি হকের স্ত্রী নুসরাত আক্তার হক, তার আরেক স্ত্রী লিজা আক্তার হক, হক ফুডের জিএম (ফিন্যান্স অ্যান্ড একাউন্টস) মো. রেজাউল করিম এবং সিনিয়র জিএম (বিডি অ্যান্ড লজিস্টিকস) মুশফাকুর রহমান।

বাদীপক্ষের আইনজীবী এম এ মালেক আদনান জানান, ঢাকার মাহবুব গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান কেবিসি এগ্রো প্রোডাক্টস (প্রা.) লিমিটেডের সঙ্গে হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবসা ছিল। ব্যবসায়িক লেনদেনে হক ফুড ১৯ লাখ ৪৫ হাজার ৩০০ টাকা বকেয়া করে। আসামিরা এ বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য কেবিসি কোম্পানিকে দুটি চেক দেন। কিন্তু চেক দুটি ব্যাংক কর্তৃক ডিসঅনার হয়। পরে কেবিসি কোম্পানির পক্ষে ইমরান হোসেন (ম্যানেজার রিকভারি) বাদী হয়ে ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর হক ফুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজি হকসহ পাঁচজনকে আসামি করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলি আদালতে মামলা করেন।

তিনি আরও জানান, বিচারক মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমনের আদেশ দেন। কিন্তু আসামিরা আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একইসঙ্গে আগামী ২১ আগস্ট মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে।


আরও খবর



রূপগঞ্জের জাঙ্গীর-ভিংরাবো সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ)সংবাদদাতা:বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি,সাবেক মন্ত্রী, বর্তমান সংসদ সদস্য ও রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীকের নির্দেশে রূপগঞ্জের জাঙ্গীর-ভিংরাবো সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল ৪ মে শনিবার রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ছালাউদ্দিন ভুঁইয়া এ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ মোমেন, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাছুম চৌধুরী অপু, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন দোলন, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মজিবুর রহমান লিটন, আওয়ামীলগি নেতা শাহনাজ আহমেদ, বদরুদ্দিন, রূপগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদিন ডিপটি, যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন, মোবারক হোসেন, মাহবুবুর রহমান, মফিজুর রহমান, আব্দুস ছাত্তার ভুঁইয়া, ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান, পনির হোসেন, সমাজসেবক মোবারক হোসেন প্রমুখ। 

পরে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। 

 -খবর প্রতিদিন/ সি.ব         


আরও খবর