Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

যাত্রাবাড়ীতে যুবলীগের আয়োজনে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ২০ মে ২০23 | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৯০৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যুবলীগের আয়োজনে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।রাষ্টনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে ও স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ। 

শুক্রবার ১৯ শে মে সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী কাজলায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি।বিশেষ অতিথি ছিলেন,কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এমপি ঢাকা-৫ ও মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল,সাধারণ সম্পাদক  বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনয় ছিলেন এইচ এম রেজাউল করিম রেজা ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ।  

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, টানা ১৫ বছরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশকে এখন উন্নয়নশীল দেশের পথে নিয়ে এগিয়ে চলছে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার হাত ধরে প্রতিদিন উন্নয়ন হচ্ছে বাংলাদেশ। এই উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে  বিএনপি জামাতের দোসর'রা।সেই তারা দিন দিন দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করে চলেছে। তাই বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগকে এক হয়ে এই দোসরদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানান তিনি।সংসদ সদস্য কাজী মনু বলেন,জামায়াত বিএনপি এদেশকে ধংস করার যে পায়তারা করছে তা পারবে না। তাদের সে স্বপ্ন পুরন হবে না। তিনি জামাত বিএনপি'রকে উদ্দেশ্য করে বলেন তোমাদের জন্য  যুবলীগই যথেষ্ট। তোমরা সাবধান হয়ে যাও। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি'র বক্তব্যে মির্জা আজম বলেন, জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যে দলের জন্ম দিয়েছিল তারা আবার গনতন্ত্র শেখায়। এই জিয়া আমৃত্যু পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ক্ষতি করছে। বিএনপি'র আমলে আ’ লীগের ২৬ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল। তাদের ক্ষমতা কালে খুন ধর্ষন চাদাবাজি অগ্নিযোগ করে এদেশকে ৫ বার দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছিল। তাদের ভয়ে নারীরা ঘরে থাকতে পারেনি।

বিএনপি'র আমলে বাবার সামনে মেয়েকে, ছেলের সামনে মাকে ধর্ষন করেছিল। আওয়ামী লীগের আঞ্চলিক নেতাদের খুন করে আওয়ামী লীগকে পঙ্গু করতে চেয়েছিল এই বিএনপি । নির্মমভাবে খুন করেছিল খুলনার মনজুরুল  ইমামকে, গাজিপুরের জনপ্রিয় আওয়ামী লীগের নেতা আহসানুল হক মাষ্টারকে। এতে ও তারা ক্ষ্যান্ত হয়নি, তারা বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার উপরে ১৩ টি গ্রেনেট হামলা করেছিল।

এই বিএনপি, আওয়ামী লীগের নেতাদের খুন করে আবার সেই খুনের জন্য নেতাকর্মীদের সাক্ষী করতে চাপ প্রয়োগ করেছিল। আজ তারা গনতন্ত্র শিখায়।

তিনি আরো বলেন, তত্বাবধায়ক সরকার তো খালেদা জিয়া বিশ্বাস  করেননি। তিনি জোর করে নির্বাচন করে সরকার গঠন করেছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগের  আন্দোলনে সেই সরকার টেকেনি।     বিএনপি জামাত ২০১৫ সালে হঠাৎ করে স্কুল কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা শুরু করে। যেমন করেছিল তারাদের পূর্বপুরুষেরা। ৭১ সালে এদেশের মেধাকে ধ্বংস করতে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল।

আজম বলেন, তারা আজ বিদেশী প্রভুদের কোলে বসে শেখ হাসিনারকে বিদায় করতে ষড়যন্ত্র করছে। যা এদেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাদের সেই ষড়যন্ত্রের সাড়া এদেশের মানুষ কক্ষনো দিবে না । আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করবে বলে জানান।অনুষ্ঠানেও আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক, উপ দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রহমান, শামীম আহম্মেদসহ আওয়ামী যুবলীগের কয়েক হাজার নেতাকর্মীবৃন্দ।

এ সময় 'জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু' শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



যুক্তরাজ্যে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:যুক্তরাজ্যে বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও চলতি বছরের ৪ জুলাই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন ঋষি সুনাক।

বুধবার (২২ মে) স্থানীয় সময় বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করার আগে এ ব্যাপারে মন্ত্রীদের অবহিত করেন যুক্তরাজ্য প্রধানমন্ত্রী। তারপর তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী সপ্তাহে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

এর আগে রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে গিয়ে সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং নতুন নির্বাচন আয়োজনের জন্য রাজার কাছ থেকে অনুমতি নেন ঋষি সুনাক। রাজার কাছ থেকে অনুমতি পাওয়ার পর সেটি জনসম্মুখে ঘোষণা করেন তিনি।

ঋষি সুনাক নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা দিয়ে নিজ সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের কথা উপস্থাপন করেন। একই সঙ্গে ভোটারদের কাছে ভোটের আহ্বান করেন।

তিনি জানান- তাকে ভোট দিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা হলে ব্রিটেনের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন তিনি।

গত ১৪ বছর ধরে যুক্তরাজ্য শাসন করছে ঋষি সুনাকের দল কনজারভেটিভ পার্টি। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণাার পর অনেকেই ধারণা করছেন, এ নির্বাচনে ব্রিটেনে আবারও লেবার পার্টি ক্ষমতায় আসবে।


আরও খবর



সরকার আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর: শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৪৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য ও দায়িত্ব হলো নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, সমতা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারসহ মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা। বর্তমান সরকার আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৮ এপ্রিল) ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০২৪’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘স্মার্ট লিগ্যাল এইড, স্মার্ট দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় মুক্তির ঐতিহাসিক সংগ্রাম ও নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বঙ্গবন্ধুর প্রধান লক্ষ্য ছিল এমন এক শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, যেখানে সব নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং সুবিচার নিশ্চিত হবে। সেই লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের সংবিধানে তিনি মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে আইনের দৃষ্টিতে সমতা, আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার, গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ, সম্পত্তির অধিকারসহ ১৮টি মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত করেন। কিন্তু জাতির পিতার নির্মম হত্যাকাণ্ড, সামরিক শাসন এবং স্বৈরাচারী, গণবিরোধী ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির ক্ষমতা দখল জনগণের সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নকে বারবার দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে সব দুঃশাসন ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে বাংলাদেশকে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ করেছে। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব এবং এ সময়ে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উন্নীত করব। স্মার্ট বাংলাদেশে সরকারি কার্যক্রম ও সেবাগুলো হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, জ্ঞানভিত্তিক, বুদ্ধিদীপ্ত ও উদ্ভাবনী। টেকসই উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রায় ন্যায়বিচারে অভিগম্যতা নিশ্চিত করার জন্য ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’ সারা বাংলাদেশের আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থসামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান করছে। সরকারি আইনগত সহায়তাকে আরো টেকসই, উদ্ভাবনী, জনবান্ধব এবং পক্ষদের আইনগত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসকে ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির কেন্দ্রস্থল’ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধিতে লিগ্যাল এইড অফিসগুলো আইনগত পরামর্শ সেবা দিয়ে মামলাজট নিরসনে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমরা বদ্ধপরিকর। টেকসই উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্য, শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়নে সবার জন্য ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ সুগম করার জন্য আইন ও বিচার বিভাগ ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’র মাধ্যমে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। আমি বিশ্বাস করি, স্মার্ট লিগ্যাল এইড, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট সমাজ এবং সর্বোপরি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। সকলের সমন্বিত উদ্যোগেই অচিরেই সুশাসন নিশ্চিত করে আমরা বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে পরিণত করতে সক্ষম হব।


আরও খবর



পার্বত্যবাসীর কল্যাণে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, উন্নয়ন কাজে চেইন অব কমান্ড অনুযায়ী প্রত্যেকের কাজে সমন্বয় থাকা দরকার। পার্বত্য জেলা পরিষদ, আঞ্চলিক পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টায় সরকারের উন্নয়ন কাজকে গতিশীল রেখে যথাসময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

বুধবার (১৫ মে)  ঢাকার বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র-এর সভাকক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের খসড়া এপিএ’র উপর দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এসব কথা বলেন।  

পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি আরও বলেন, প্রতিবছর সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কাজে ভালো পারফরমেন্সের জন্য টার্গেট অনুযায়ী কাজের মান নির্ধারণ বা মেধাভিত্তিক নির্বাচন করে থাকে। তিনি বলেন, মেধাভিত্তিক স্কোর বা মান নির্ধারণ একটি সংস্থা, বিভাগ বা মন্ত্রণালয়ের জন্য বড় পুরস্কার। প্রত্যেক সংস্থাকে যথাসময়ের মধ্যে এপিএ’র কৌশলগত উদ্দেশ্য, কর্মসম্পাদন সূচক, কাজের লক্ষ্যমাত্রা ও প্রক্ষেপণ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা উচিত বলে মন্তব্য করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো.মশিউর রহমান এনডিসি-এর সভাপতিত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুই প্রু চৌধুরী অপু, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম এনডিসি, যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীগণ উপস্থিত ছিলেন। 

সভায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে কার্যপত্র উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম ও উপসচিব খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম।

এপিএ সংক্রান্ত কর্মশালায় কৃষি, পরিবেশ উন্নয়ন এবং ভৌত অবকাঠামো ও পর্যটন বিকাশ; বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণ ও আত্মকর্মসংস্থানমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাসকরণ ও জীবানযাত্রার মানোন্নয়ন; পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতির সংরক্ষণ; শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এরূপ পাঁচটি গ্রুপের কৌশলগত উদ্দেশ্যের মান ৭০ নম্বরের উপর আলোচনা হয়।

এর আগে সকালে একই জায়গায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এপ্রিল ২০২৪ সালের মাসিক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এডিপিভুক্ত ১৬টি প্রকল্প, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সহায়তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম স্থানীয় সরকার উন্নয়ন সহায়তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের জন্য উন্নয়ন সহায়তা বাবদ ৭৩৪ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রয়েছে বলে জানানো হয়। যার মধ্যে প্রকল্প সাহায্য থেকে পাওয়া গেছে ৩৪ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকা। প্রকল্পসমূহের চলতি বরাদ্দ ও ব্যয়ের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রকল্প/উন্নয়ন সহায়তা খাতে অনুমোদিত প্রকল্প ১৬টি  এবং উন্নয়ন সহায়তা ৩টির মোট বরাদ্দ ৭৩৪ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকার মধ্যে এপ্রিল ২০২৪ পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ৪৯.৭১ শতাংশ। যা একই সময়ে গত ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪১.৪১ শতাংশ।

আরও খবর



অ্যাকাডেমিক ব্যাংকিং সেবা ‘প্রাইমঅ্যাকাডেমিয়া’ চালু করলো প্রাইম ব্যাংক পিএলসি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের এক জায়গায় সকল ব্যাংকিং সেবা দিতে ‘প্রাইমঅ্যাকাডেমিয়া’ নামে একটি নতুন সেবা চালু করেছে প্রাইম ব্যাংক।

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নানানমুখী আর্থিক প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই ‘প্রাইম‌অ্যাকাডেমিয়া’ সেবাটি চালু করা হয়েছে। এই সেবার আওতায় রয়েছে যথাক্রমে: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য টিউশন ফি কালেকশন, স্টাফদের জন্য পেরোল ব্যাংকিং সেবা, বিশেষ সুবিধাসহ শিক্ষার্থীদের সেভিংস অ্যাকাউন্টস সেবা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য আকর্ষণীয় মুনাফা আয়ের সুবিধাসহ প্রতিষ্ঠানিক অ্যাকাউন্ট সেবা, শিক্ষকদের ইন্স‌্যুরেন্স সুবিধাসহ টিচার্স সেভিংস অ্যাকউন্ট সেবা, সন্তানের শিক্ষা নিশ্চিতে আর্থিক সুরক্ষার জন্য অভিভাবকদের জন্য ঋণ সুবিধা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও প্রসারে আর্থিক সহায়তা করতে প্রতিষ্ঠানিক ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা এবং বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ফাইল সেবা।

সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিলেটের স্বনামধন্য ব্লু বার্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রাইম‌অ্যাকাডেমিয়ার প্রথম গ্রাহক হিসাবে প্রাইম ব্যাংকের এই সেবা চালু করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্লুবার্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হুসনে আরা এবং প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর নাজিম এ. চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিনামা হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর নাজিম এ. চৌধুরী বলেন, ‘দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য এই ধরণের একটি ব‌্যতিক্রমী অর্থিক সেবা চালু করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ তরুণদের উন্নয়নের সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও পরিষেবাসহ উন্নত শিক্ষা প্রদানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সক্ষম করে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

ব্লুবার্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হুসনে আরা বলেন, ‘শিক্ষা খাতের উন্নয়নে এই ধরণের একটি সেবা নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য আমরা প্রাইম ব্যাংক পিএলস্রি কাছে কৃতজ্ঞ। সন্তানদের শিক্ষা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল প্রয়োজন মেটাতে এই সেবা আমাদের শিক্ষক এবং অভিভাকদের জন্য সত‌্যিই সহায়ক হিসেবে করবে।’

প্রাইমএকাডেমিয়া বিভিন্ন সুবিধা ও আর্থিক সক্ষমতা সরবরাহ করে এই খাতের আর্থিক চিত্র পরিবর্তন করতে প্রস্তুত। সকল স্কুলসহ বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই সেবার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করেছে, যা দেশব‌্যাপী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতির অংশ।


আরও খবর



যুক্তরাজ্যে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর সাম্রাজ্যের অনুসন্ধান চেয়ে রিট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রায় ২০ কোটি ব্রিটিশ পাউন্ড (২৭৭০ কোটি টাকা) মূল্যের ৩৫০টিরও বেশি সম্পত্তি কিনে যুক্তরাজ্যে রিয়েল এস্টেট সাম্রাজ্য গড়ে তোলার ঘটনায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী অনুসন্ধান চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. সালাউদ্দিন জনস্বার্থে এ রিটটি দায়ের করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

‘সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সাম্রাজ্য যুক্তরাজ্যে’- শিরোনামে জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের প্রথমাংশে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের ব্যক্তিগত আবাসিক রাস্তায় একটি সম্পত্তি ২০২২ সালে ১ কোটি ৩৮ লাখ ডলারে (১৫২ কোটি টাকায়) বিক্রি হয়। রিজেন্টস পার্ক এবং লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড থেকে পাথর ছোড়া দূরত্বে যুক্তরাজ্যের রাজধানীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ এলাকাগুলোর একটিতে সাদা টাউনহাউসের সারি। একটি সম্পত্তি বিপণন কোম্পানির আলোকচিত্রে দেখা যায়, এর মেঝে থেকে সিলিং পর্যন্ত জানালা, বেশ কয়েকটি ফ্লোরজুড়ে সর্পিল সিঁড়ি, রয়েছে থিয়েটার এবং ব্যায়ামাগার।

সম্পত্তি প্ল্যাটফর্মের হিসাবে বর্তমানে বাড়িটির দাম ১৮০ কোটি টাকারও (১.৩ কোটি পাউন্ড) বেশি। বাড়িটি বাংলাদেশের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের মালিকানাধীন।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দেশটির কোনো নাগরিক, বাসিন্দা এবং সরকারি কর্মচারী বছরে ১২ হাজার ডলারের (১৩ লাখ ১৭ হাজার টাকার) বেশি অর্থ দেশের বাইরে নিতে পারেন না। বাংলাদেশের আইনে করপোরেশনের বিদেশে তহবিল স্থানান্তরেও নানা বিধিনিষেধ রয়েছে। শুধু কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়।

সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ গত জানুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ বছর ভূমিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সাল থেকে তার মালিকানাধীন কোম্পানি প্রায় ২০ কোটি ব্রিটিশ পাউন্ড (২৭৭০ কোটি টাকা) মূল্যের ৩৫০টিরও বেশি সম্পত্তি কিনে যুক্তরাজ্যে রিয়েল এস্টেট সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। যুক্তরাজ্যের কোম্পানি হাউস করপোরেট অ্যাকাউন্ট, বন্ধকি চার্জ এবং এইচএম ল্যান্ড রেজিস্ট্রি লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে এ পরিসংখ্যান পেয়েছে বার্তা সংস্থা ব্লুমবার্গ।

ব্লুমবার্গের প্রায় আড়াই হাজার শব্দের অনুসন্ধানি প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মধ্য লন্ডনের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট থেকে শুরু করে ইংল্যান্ডে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের বৃহত্তম আবাস টাওয়ার হ্যামলেটস এবং লিভারপুলে ছাত্রদের আবাসন পর্যন্ত বিস্তৃত তার সম্রাজ্য। জাভেদের প্রায় ২৫০টি সম্পত্তি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রায় ৯০ শতাংশ নতুন অবস্থায় কেনা হয়েছে।


আরও খবর