Logo
আজঃ মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

ভূমি অফিসের পাশেই নদীর জায়গা দখল করে বালুর ব্যবসা

প্রকাশিত:বুধবার ০১ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ২৬৯জন দেখেছেন

Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ 

ব্রাহ্মণাবড়িয়া জেলার সরাইলে চলছে অবৈধ বালুর ব্যবসা। পাকশিমুল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ২০০ গজের মধ্যে তিতাস নদীর তীরবর্তী স্থানে অবৈধভাবে জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ভূমি দস্যুরা। তবে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব বলছেন,এমন কিছু তার চোখে পড়েনি। 


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় আকবর আলী তিতাস নদীর উপর পাকশিমুল-অরুয়াইল সেতুর পাশে দীর্ঘদিন ধরে নদীর প্রায় ২০ শতাংশ জায়গা দখল করে বালুর ব্যবসা পরিচালনা করছেন। দখলকৃত জায়গাটি বিএস খতিয়ান অনুযায়ী তিতাস নদীর। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাত্র ২০০ গজের মধ্যে ব্যবসা চলমান থাকলেও বাধা দিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েবের যোগ-সাজসে ব্যবসাটি চালিয়ে যাচ্ছেন ভূমি দস্যুরা। অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনায় অভিযুক্ত আকবর মিয়া জানান, জায়গাটি তিনি দখল করেননি।


রউফ মিয়া নামক এক ব্যক্তির কাছ থেকে বছর প্রতি ১০ হাজার টাকা মূল্যে ভাড়া নিয়েছেন। এ বিষয়ে পাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জায়গাটি নতুন বিএস অনুযায়ী সম্পূর্ণ তিতাস নদীর মালিকানাধীন। এই বিষয়ে একাধিক বার আপত্তি জানানো হয়েছে। স্থানীয় ভূমি অফিসের নায়েবকে জানালেও বিষয়টি নিয়ে তিনি কোন পদক্ষেপ নেননি।’ তবে পাকশিমুল ভূমি অফিসের নায়েব আব্দুল কুদ্দুস জানান ভিন্ন কথা।


তিনি এ প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, ‘অবৈধ জায়গায় বালুর ব্যবসা হচ্ছে এমন কিছু আমার চোখে পড়েনি।’ তিনি বিষয়টি নিয়ে উপজেলার সহকারী কমিশনার’র (ভূমি) সঙ্গে কথা বলতে পরামর্শ দেন। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে অবগত নন বলে জানান সরাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা প্রিয়াঙ্কা। তিনি  বলেন, ‘খোঁজ খরব নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



দরিদ্র শিশুদের মুখে হাসি ফুটালো ফ্রেন্ডশিপ-৯৮, করেরহাট

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:ইহান উদ্দিন ইমনের বাবা নেই। মা কোনভাবে সংসারের ঘানি টানছেন। সংসারের অভাব অনটনের কারণে ঈদে ভালো জামাকাপড় পরিধানের সুযোগ হয়না। প্রথম শ্রেনীতে পড়–য়া ইমন ফ্রেন্ডশিপ-৯৮, করেরহাটের উপহার পাঞ্জাবী, পায়জামা ও টুপি পেয়ে খুশিতে আতœহারা। ইমনের মতো তানভীর হোসেন, সাব্বির হোসেন, আরিফ হোসেন সিফাত, সাইদুল ইসলাম, ইমরান হোসেন নিশাত, শুভ, আশরাফুল ইসলাম রিফাত, নাজিম উদ্দিন জিসান, আরিব হোসেন, জাহান ইসলামের মুখে হাসি ফুটিয়েছে ফ্রেন্ডশিপ-৯৮, করেরহাট। সবসময় ব্যতিক্রমী আয়োজন করে আলোচনায় থাকা ফ্রেন্ডশিপ-৯৮, করেরহাট শুধু দরিদ্র শিশুদের ঈদ উপহার দেয়নি, আয়োজন করে ইফতার মাহফিলের। এতে সর্বস্তরের প্রায় ২ শত মানুষ অংশগ্রহণ করে। শুক্রবার করেরহাট ইউনিয়নের গেড়ামারা ছাদেক কোম্পানি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনির্বাণ যুব ক্লাবের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিল ও ঈদ উপহার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফ্রেন্ডশিপ-৯৮, করেরহাটের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি দীন মোহাম্মদ, সহ-সভাপতি একরামুল হক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক শামসুদ্দীন নয়ন, যুগ্ম অর্থ সম্পাদক নেজাম উদ্দিন, ধর্মীয় সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সদস্য আলমগীর হোসেন, মোরশেদ আহমদ, অনির্বাণ যুব ক্লাবের সভাপতি সরোয়ার উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক শামীম ওসমান প্রমুখ। এছাড়া ফ্রেন্ডশিপ-৯৮, করেরহাটের উদ্যোগে গেড়ামারা ছাদেক কোম্পানি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেঝে নির্মাণের জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান এবং সম্বলহীন দরিদ্র ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।


আরও খবর



পানি নিষ্কাশনের মুখে নন্দন পার্কের বাঁধ, উৎসবেও জলবদ্ধতায় দুর্ভোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ২৫জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পানি নিষ্কাশনের মুখে ঈদের আগে নন্দন পার্কের মাটির বাঁধে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ফলে ঈদ ও বৈশাখী উৎসবে পার্কে রমরমা ব্যবসা হলেও চরম দুর্ভোগে পড়েন প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ। নিজেরা মেশিন দিয়ে সেচে কোনরকমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলেও বৃষ্টি হলে ঘরে ঘরে আবজনা-ময়লাযুক্ত পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা করছেন দুর্ভোগে পড়া মানুষ গুলো। এখান থেকে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান চান গ্রামবাসী। এলাকাবাসী, ভুক্তভোগী পরিবার ও নন্দন পার্ক কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বড়ইছুটি গ্রামে প্রায় দেড়শতাধিক বাড়িতে প্রায় ৫ হাজার লোকের বসবাস। এসব বাসা-বাড়ির আবর্জনা- ময়লাযুক্ত পানি যুগের পর যুগ ধরে কৃষি জমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হতো। কিন্তু উপজেলার বাড়ইপাড়া ও বড়ইছুটি এলাকার পাশ^বর্তী ঢাকার সাভার উপজেলার কৃষি জমি ভরাট করে গড়ে উঠেছে নন্দন পার্ক নামে একটি বিনোদন কেন্দ্র। এর মধ্যে বেশির ভাগ জমিই বড়ইছুটি গ্রামের মানুষের। এছাড়াও ওই পার্কের বিরুদ্ধে চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কের পাশে বনবিভাগের জমিও জবর-দখলের অভিযোগ রয়েছে। ওই পার্কের পশ্চিম পাশে সীমানা প্রাচীর ঘেষে অবস্থিত বড়ইছুটি গ্রামটি। স্থানীয়দের সহযোগীতায় ওই পার্ক প্রতিষ্ঠা হলেও র্দীঘদিন ধরে পার্কের এক পাশ দিয়ে এসব বাসা-বাড়ির আবর্জনা-ময়লাযুক্ত পানি নিষ্কাশন হয়ে আসছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ঈদের আগে ওই পানি নিষ্কাশনের মুখে উচু মাটির বাঁধ দেয় নন্দন পার্ক কর্তৃপক্ষ। ফলে আবর্জনা-ময়লাযুক্ত পানিতে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। একমাত্র রাস্তাসহ বাসা-বাড়িতে ঢুকে পড়ছে আবর্জনা-ময়লাযুক্ত পানি। ওই পানি ঠেকাতে কেউ ঘরের পাশে দেয় বাঁধ, আবার কেউ উঠানের পানি সেচে ফেলছেন বাইরে। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই গ্রামবাসী। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন শিশু ও রোগীরা। সৃষ্টি হচ্ছে মশা, মাছিসহ বিভিন্ন রোগ-বালাই। এর সমধান চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন গ্রামবাসী। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে কোনো সমস্যার সমাধান করা হয়নি। এর সমাধান চেয়ে বিক্ষোভ করেছে গ্রামবাসী। এরই মধ্যে চলে আসে বড় দুটি উৎসব ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখ। এ দুটি উৎসবে ওই পার্কে রমরমা ব্যবসা হলেও পার্কের বাধের কারনে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।দুর্ভোগে পোহাচ্ছেন ওই গ্রামের ইফাজাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা, আফাজ উদ্দিন মোল্লা স্কুল এনড কলেজ, মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মসুল্লি ও কারখানার শ্রমিকরা। তাদের ঘরে যেন নেই দুটি উৎসবের আমেজ, আছে চরম দুর্ভোগ আর হতাশা।নিজেদের উদ্যোগে মেশিন দিয়ে সেচে কোন রকমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলেও বৃষ্টি হলে ঘরে ঘরে আবর্জনা-ময়লাযুক্ত পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা করছেন দুর্ভোগে পড়া মানুষ গুলো।স্থানীয় জালাল উদ্দিন, সিলুম উদ্দিন, ফয়সাল সরকার, লিয়াকত সরকারসহ অনেকেই বলেন, এখানে আমাগো বাপ-দাদার বাড়ি। এ পর্যন্ত ময়লাযুক্ত পানি এ দিক দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে নন্দন পার্কের বাঁধের কারণে এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এছাড়াও আগে এ জমি নন্দন পার্কের ছিল না, পরে কিনে নিয়েছে। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা না করে বাঁধ দেওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছি। দুটি উৎসবেও আমাদের মধ্যে কোনো আমেজ নেই। ভাড়াটে মর্জিনা বেগম বলেন, আমি এখানে ৫ বছর ধরে ভাড়া থাকি। আগে এ রকম ময়লাযুক্ত পানির কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু পার্কের বাঁধের কারণে ময়লাযুক্ত পানির জলাবদ্ধতা হচ্ছে। ওই পানি আমাদের একটি ঘরেও ঢুকে যায়। ওই পানি সেচে কোন রকমে ঘরে থাকি। আবার ভরে গেলে আবার সেচে ফেলি। এছাড়া টয়লেট ও টিউবয়েলেও যেতে পারি না। দুর্গন্ধে খাওয়া-দাওয়াও করতে পারছি না। তবে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগে এই জলাবদ্ধতা থেকে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান চান গ্রামবাসী।

এব্যাপারে নন্দন পার্ক কোম্পানি সচিব খাইরুল ইসলাম জানান, আবর্জনা-ময়লাযুক্ত পানি পার্কে ঢুকে যাচ্ছে। এতে পার্কের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এর সমাধানের জন্য দুই বছর ধরে চেষ্টা করতেছি। সেই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছি। কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না। আমাদের জমি এভাবে কতদিন ফেলে রাখবো। তাই মাটি দিয়ে বাঁধ দিয়ে আমাদের জমি উন্নয়ন করতেছি। ইউএনও স্যার পরিদর্শন শেষে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন। আমরাও তাদের সাথে আছি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন শাকিল মোল্লা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সব ধরণের বজ্রপানি ঐদিক দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে নন্দন পার্কের বাঁধের কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে পার্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে অফিসিয়াল ভাবে বক্তব্য দিতে রাজি নন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহম্মেদ।


আরও খবর



দুইবারের ব্যর্থতার পর তৃতীয়বারে সফল নিটারের মারুফ

প্রকাশিত:সোমবার ০১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

লাবিবা সালওয়া ইসলাম:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি অনুষদের শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাভারের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ (নিটার) এর ইইই ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী রবিউল ইসললম মারুফ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ হতে "ডেভলপমেন্ট অফ অ্যান্টিগ্র্যাভিটি ডিভাইস ইউজিং আর্টিফিশাল ইন্টেলিজেন্স" শীর্ষক গবেষণার উদ্ভাবনের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের অবশিষ্ট অনুদান লাভের চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে, যা একটি মঞ্জুরিপত্রের মাধ্যমে তাকে অবগত করা হয়েছে।

গত ৩১শে মার্চ, রোজ রবিবার তৃতীয় দফায় গবেষণা মূল্যায়নের পর মারুফকে মঞ্জুরিপত্রের অনলাইন কপি প্রেরণ করা হয়। এই মূল্যায়ন এর আগে ২ বার যথাক্রমে ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি এবং ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল সন্তোষজনক অগ্রগতি মূল্যায়ন লাভ করেনি। অনেক জ্ঞানী ব্যক্তিত্ব তার প্রজেক্ট অসমাপ্ত রেখেই শেষ করার পরামর্শ দিলেও, সে ইচ্ছেশক্তি দিয়ে কাজ চালিয়ে যায়। গত ৩১শে জানুয়ারি, ২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়নকারীর সাক্ষাৎকার এবং প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ভার্চুয়ালি গ্রহণ করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী জানান, বর্তমানে তিনি জনাব কামরুল আলম খান, অধ্যাপক, পদার্থবিদ্যা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর তত্ত্বাবধানে গবেষণা করছেন এবং গবেষণা বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি পেপার পাবলিশ করেছেন; কিন্তু হাই-ভোল্টেজ পাওয়ার সাপ্লাই এর অভাবে মূল কাজটি এখনো করতে পারেননি। তবে ইতিমধ্যে বিদেশ হতে তা সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন; যা শীঘ্রই পাওয়া যাবে। সার্বিক পর্যালোচনায় প্রকল্পের অগ্রগতি সন্তোষজনক বিবেচিত হয়নি। এমতাবস্থায়, প্রকল্পের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে পরবর্তী মূল্যায়নে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। উক্ত মূল্যায়নে সন্তোষজনক বিবেচিত হলেই পরবর্তী কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়টি বিবেচনা করা যায়। এছাড়া প্রকল্পের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে ড. মো: শাহেদুল আলম, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যানেজমেন্ট, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি কে প্রকল্পের মেন্টর হিসেবে মনোনয়নের সুপারিশ করা হয়। গত ২০২৩ সালের ১১ই এপ্রিল তারিখের সভায় মূল্যায়ন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়নকারীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী জানান, তিনি বিদেশ হতে হাই ভোল্টেজ পাওয়ার সাপ্লাই আনলেও কাজ করার জন্য যথাযথ ল্যাব এর সাপোর্ট পাচ্ছেন না। এ বিষয়ে আইসিটি বিভাগের মাধ্যমে বুয়েট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হলেও তারা তা প্রদানে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সার্বিক পর্যালোচনায় প্রকল্পের অগ্রগতি সন্তোষজনক বিবেচিত হয়নি। এমতাবস্থায় কিছু শর্তারোপে প্রকল্পের অগ্রগতি উল্লেখ্যযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে পরবর্তী মূল্যায়নে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। 

সর্বশেষ ৩য় ধাপেই তার কাজ মূল্যায়ন কমিটির নজরে সন্তোষজনক অগ্রগতি লাভ করে এবং ৩১ মার্চ, ২০২৪ তারিখে অবশিষ্ট ২য় কিস্তি অনুদান লাভের মঞ্জুরিপত্র পায়।

দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর এমন সফলতায় আপ্লুত হয়ে মারুফ বলেন, "আলহামদুলিল্লাহ। দীর্ঘ ২.৫ বছর পরে আমি চেকের অবশিষ্ট পাচ্ছি।আসলে লেগে থাকতে পারলে যেকোনো কষ্টের একটা শ্রমফল আছে, যা আমি আজ পেয়েছি। এখন সৃষ্টিকর্তার কৃপায় উদ্ভাবনটি পরবর্তী ধাপে সফলভাবে এগিয়ে যাওয়াটাই আগামির লক্ষ্য।"


আরও খবর



পরীক্ষামূলক ট্রেন ১ঘন্টা ৪০ মিনিটে ভাঙ্গা থেকে যশোরে পৌঁছালো

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:পরীক্ষামূলক ট্রেন প্রায় ৮০ কিলোমিটার গতিতে ভাঙ্গা থেকে যশোরের রুপদিয়া রেলস্টেশন পর্যন্ত  ছুটে আসলো। একটি ব্লাস্ট ট্রেন শনিবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ট্রায়াল হিসেবে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে ছেড়ে আসে। ট্রেনটি সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে যশোরের রূপদিয়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়। ট্রেনটি প্রায় ১০ মিনিট স্টেশনে অবস্থান করার পর ফের ভাঙ্গার দিকে রওনা হয়।

রেল কতৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই ট্রেনের ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে। এ পথে বাণিজ্যিক ট্রেন আগামী জুন মাস নাগাদ চলাচল শুরু হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এ রেলপথ নির্মাণ করার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা । ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত ব্রডগেজ ওই রেলপথে ভাঙ্গা, কাশিয়ানী এবং যশোরের পদ্মবিলা ও সিঙ্গিয়াতে রেলওয়ে জংশন থাকছে। এছাড়া নগরকান্দা, মুকসুদপুর, মহেশপুর, লোহাগড়া, নড়াইল এবং যশোরের জামদিয়া ও রূপদিয়ায় রেলস্টেশন হয়েছে। কাজের অংশ হিসেবে শনিবার ও রোববার দু’দিন ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত বিভিন্ন গতিতে ট্রেন চালিয়ে নির্মাণ অবস্থা পরীক্ষা করা হবে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

ট্রায়ালের অংশ নেওয়া রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান, ভাঙ্গা থেকে যশোর অংশের ৮৭ দশমিক ৩২ কিলোমিটার পথ ৮৪ কিলোমিটার বেগে পাড়ি দিয়েছেন তারা। পথে কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি।  এ রুটে আগামী জুনের মধ্যেই বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

রেলওয়ের সূত্রটি আরো জানান, এ প্রকল্প শেষের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত। মাঠপর্যায়ে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে। ২০১৬ সালের ৩ মে একনেকে ‘পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প’ নামে এটির অনুমোদন হয়। এ প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা।

পরীক্ষামূলক ট্রেনের চালক আব্দুল মান্নান বলেন, সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে আমরা ভাঙ্গা স্টেশন থেকে ছেড়ে আসি। সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে যশোরের রূপদিয়া স্টেশনে পৌঁছাই। পথে কোন সমস্যা হয়নি।

ট্রেনের সহকারী লোকোমাস্টার হাসান মতিউর রহমান বলেন, ৬০ তেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ট্রেনটি ভাঙ্গা থেকে যশোরে এসেছে। এতে সময় লেগেছে এক ঘন্টা ৪০ মিনিট। ফিরে যাওয়ার সময় আরও ২০ কিলোমিটার বেশি গতিতে যাবে। এরপর যাত্রী নিয়ে যে ট্রায়াল ট্রেন ১২০ কিলোমিটার বেগে আসবে বলে তিনি জানান।

যশোর রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার আয়নাল হাসান বলেন, এই ট্রেন যশোরবাসীর জন্যে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের উপহার। ট্রেনটি ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে যশোরে আসে। যাওয়ার সময় আরও বেশি বেগে যাবে। আগামী জুন মাস নাগাদ এ রুটে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হতে পারে।


আরও খবর



ইবির নতুন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৪১জন দেখেছেন

Image
সাব্বির খান, ইবি প্রতিনিধি:ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল।  

শনিবার (৩০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের এইচ. এম আলী হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। এতে তিনি সদ্য বিদায়ী ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.  শেলীনা নাসরীন-এর স্থলাভিষিক্ত হন। 

অফিস আদেশ ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ. এম. আলী হাসান জানান, 'ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে শনিবার (৩০ মার্চ) থেকে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহকে পরবর্তী ০১ (এক) বছরের জন্য উপাচার্য মহোদয় নিয়োগদান করেছেন। এ অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বিধি মোতাবেক সুযোগ সুবিধা পাবেন।'

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে, সে বিষয়ে আমি পূর্ণ যত্নবান থাকবো। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে আন্তরিকভাবে কাজ করার চেষ্টা করবো।'

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির পরিচালক ছিলেন।

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরীন দীর্ঘদিন একান্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে ছাত্র উপদেষ্টা দায়িত্ব পালন করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কর্তৃপক্ষ।

আরও খবর