Logo
আজঃ শনিবার ১৮ মে ২০২৪
শিরোনাম

তানোরে পরপর চার দিনে খড় ও ধানের পালায় আগুন!আতংক

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | ৩২০জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর:রাজশাহীর তানোর পৌর সদরে পূর্ব শুক্রতার জেরে পরপর চার রাতে একই সময়ে পাঁচজন কৃষকের খড় ও ধানের পালা পুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা বলে অভিযোগ উঠেছে। পৌর সদর ধানতৈড় গ্রামের বাসিন্দা পাড়ায় গত  সোম ও মঙ্গল এবং বুধ ও বৃহস্পতিবার  দিবাগত রাত ১২ টার পরে ঘটে আগুন লাগার ঘটনাটি। আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিস এসে নিয়ন্ত্রণ করেছেন।এঘটনায় ওই গ্রামের কৃষকরা চরম আতংকে পড়েছেন। সেই সাথে রাত জেগে পাহারা দেওয়া শুরু করেছেন। ফলে একের পর এক আগুন লাগা, ছিনতায় ও চুরির ঘটনায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে জনমনে। এতে করে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন, বিরাজ করছে অসন্তোষ,উঠেছে সমালোচনা।জানা গেছে, গত সপ্তাহে সোমবার পৌর সদর ধানতৈড় দক্ষিনপাড়া বা বাসিন্দা পাড়া গ্রামের আকতারের দুবিঘা খড়ের পালা ও তার ভাই বাক্কারের পরদিন মঙ্গলবার দুবিঘা জমির খড়ের পালায় আগুন দেয় দূর্বৃত্তরা। চার বিঘা জমির ধানের খড়ে নিম্মে হলেও ২২ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে।এর পর দিন বুধবার হানিফ নামের দরিদ্র কৃষকের দেড় বিঘা ধানের পালা পুড়িয়ে দেয়। ধানের পালার আগুনের খবরে হানিফ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। কারন দেড় বিঘা জমির ধান তার শেষ সম্বল। এতে করে তার প্রায় ৬০ হাজার টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। এদিকে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে কৃষক বেলাল ও ভাই হারুর ৫ বিঘা ধানের পালা পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তার ক্ষতি হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মত।ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক বাক্কার, আকতার জানান, কারো সাথে কোন দ্বন্দ্ব ফাসাদ নাই। অথচ খড়ের পালা পুড়িয়ে দেওয়া হল। গরু লালন পালন করি এবং খড় বিক্রি করে রোপা আমনের বীজ কিনে বপন করতাম। কিন্তু সবকিছুই ছাই হয়ে গেল।দরিদ্র কৃষক হানিফ কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ধানের পালায় আগুন না দিয়ে আমাকে পুড়িয়ে মারত। কারন সারা বছরের জীবিকা দেড় বিঘা জমির ধান। এত রোদ খরতাপ হল শ্রমিক না নিয়ে চাষাবাদ করলাম। পালা দেওয়া ধান পুড়ালো। তারা তো মানুষ রুপি জানোয়ার। এচিন্তায় খাওয়া দাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। 

বেলাল হারু জানান, প্রতি বছর এমন ঘটনা ঘটতেই আছে। আমাদের দু ভায়ের ৫ বিঘা জমির ধানের পালা পুড়িয়ে দিয়েছে। এক ছটাক ধান পাওয়া গেল না। ধান রোপন থেকে উত্তোলন পর্যন্ত প্রচুর কষ্ট করতে হয়। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ধান তুলে সেই ধান পুড়িয়ে দিলে কি অবস্থা ঘটে যার হয় সে জানে।ওই গ্রামের বাসিন্দা আনারুল জানান, লাগাতর চার রাতে একই সময়ে আগুন লাগিয়ে দরিদ্র কৃষকদের পথে বসানো হয়েছে। বিশেষ করে হানিফের শেষ সম্বল ছিল দেড় বিঘা জমির ধান। পুড়িয়া যাওয়ার পর থেকে সে মানষিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আগুন দেওয়ার আতংকে রাত জেগে পালাক্রমে পাহারা দিচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের সরকারী ভাবে সহায়তা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। তানাহলে দু:শ্চিন্তায় মারাও যেতে পারেন।আগুন লাগার ঘটনা নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস জানায়, আমরা রিপোর্ট দিয়েছি। এটা আক্রোশ মুলুক ভাবে আগুন লাগানো হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছি। তবে আমাদের তদন্ত চলমান রয়েছে।থানার তদন্ত ওসি মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগ হয়েছে কিনা আমার জানা নেই, ওসি স্যার ট্রেনিংয়ে আছে।সদ্য যোগদান কারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন বলেন, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মাধ্যমে থানায় অভিযোগ বা জিডি করতে হবে। এরপরে আমার পক্ষ থেকে যাযা করনীয় করা হবে।

আরও খবর



তানোরের গরুর গাড়ি মাটির বাড়ি ডাক বিভাগের বিশেষ খামে স্থান পেয়েছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

আব্দুস সবুর তানোর থেকে:সিলমোহরটিতে লেখা রয়েছে প্রদর্শনীর নাম, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের নাম, জিপিও রাজশাহী ও তারিখ।

প্রদর্শনী দেখতে আসা অনেকে এই বিশেষ খাম দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। গ্রামে যাঁদের শৈশব-কৈশোর কেটেছে, তাঁরা এই খামের গরুর গাড়িটির প্রতি স্মৃতিকাতরতা প্রকাশ করছেন।

এই ছবির চিত্রকর সুমন্ত কুমার। আজ থেকে ১০ বছর আগে কোনো একদিন তিনি তানোরের এক গ্রামে একটি মাটির বাড়ির পাশে বসেছিলেন তাঁর তুলিতে উঠে আসে গ্রামের গরুর গাড়ি, পেছনের মাটির বাড়ি ও মেঘাচ্ছন্ন আকাশ। খালি গাড়িটি বাড়ির আঙিনায় রেখে দেওয়া হয়েছে। গাড়ির কাছে খাবার খুঁটে খাওয়া কয়েকটি মুরগিও বাদ যায়নি। সবই এই বিশেষ খামের মাধ্যমে ধরে রাখা হয়েছে।পরে শিল্পী আর কিছুতেই গ্রামের নামটি মনে করতে পারলেন না। তবে বললেন, তাঁর নানার বাড়ি গ্রামে। গ্রামটি ঘিরে তাঁর শৈশবের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এ গ্রামের গরুর গাড়ির ছবিটি দিয়ে খামের ডিজাইন করে আসলে তিনি বরেন্দ্র অঞ্চলের একটি গ্রামীণ জনপদকে ধরে রাখতে চেয়েছেন।

মুঠোফোন আর ইন্টারনেটের যুগে ব্যক্তিগত চিঠি পাঠানো যখন প্রায় থেমেই গেছে, তখন রোববার রাজশাহীতে দুষ্প্রাপ্য ডাকটিকিটের এই প্রদর্শনীতে ডাকটিকিট বিক্রি আর চিঠি বুঝে নিতে খুবই ব্যস্ততা দেখা গেল ডাকবিভাগের কর্মীদের। বিকেল পাঁচটায় খোঁজ নিয়ে জানা গেল, সারা দিনে প্রদর্শনীস্থলের অস্থায়ী ডাক বিভাগ থেকে প্রায় দেড় হাজার খাম বিক্রি হয়েছে।

এই প্রদর্শনীতে সারা দেশের বাছাই করা ২৫ জন ডাকটিকিটের সংগ্রাহক তাঁদের সংগ্রহ প্রদর্শন করছেন। পাশাপাশি তাঁরা ডাকটিকিট বিক্রিও করছেন। প্রদর্শনীতে পাকিস্তান আমল থেকে বর্তমান সময়ের সব ডাকটিকিটই রয়েছে। বিশ্বের নানা দেশের দুষ্প্রাপ্য সব ডাকটিকিটও প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। দেয়ালে দেয়ালে প্রদর্শন করা হচ্ছে অনেক পুরোনো চিঠির খামও। বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ঘুরে ঘুরে এসব দেখছে। প্রিয়জনের কাছে চিঠি লিখছে।ঢাকার উত্তরা থেকে প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন ডাকটিকিটের সংগ্রাহক কাজী মাহবুবুর রহমান। স্বাধীনতার আগেও বাংলাদেশকে নিয়ে যে আটটি ডাকটিকিট ছাপানো হয়েছিল, তার সংগ্রহ রয়েছে মাহবুবুর রহমানের কাছে। ওই ডাকটিকিটগুলো ছাপানো হয়েছিল রুপির হিসাবে। ১০ পয়সা, ২০ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ রুপি, ২ রুপি, ৩ রুপি, ৫ রুপি ও ১০ রুপির ডাকটিকিটগুলোর কোনটিতে কোন বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা তিনি বর্ণনা করে জানাচ্ছেন।

ডাকটিকিট নিয়ে বসেছেন সাতক্ষীরার আহসান-আল-আমিন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট বের করে দেখালেন। এটি ২০ পয়সার। ডাকটিকিটের ওপরে উড়ছে ছয়টি পায়রা। ডাক বিভাগের অস্থায়ী পোস্ট অফিসে বর্তমান সময়ে প্রচলিত ডাকটিকিটগুলো প্রদর্শন করছে। সেখানে ডাকটিকিট বিক্রিও করা হচ্ছে।

বরেন্দ্র ফিলাটেলিক সোসাইটির সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উদয় শংকর বিশ্বাস বলেন, ‘এখানে আজ সবাই পোস্ট অফিসের মাধ্যমে চিঠি পাঠাচ্ছেন। যাঁরা চিঠি পাঠাচ্ছেন, এ অনুভূতিটা শুধু তাঁরাই বুঝতে পারছেন। আমরা আশা করছি, আজ যাঁরা চিঠি পাঠাচ্ছেন, তাঁদের একটা অভ্যাস তৈরি হবে।’


আরও খবর



পাঁকা আমের কাঁচা আটি

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ৭৬জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর( নীলফামারী) প্রতিনিধি:উত্তরের ১৬ জেলায় আম পাড়া শুরু না হলেও নীলফামারীর সৈয়দপুর বাজারে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো আমে সয়লাব হয়ে গেছে। আম পাকাশুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ১৮ মে থেকে নির্ধারণ করা হলেও সৈয়দপুরের আড়তে ২৮ এপ্রিল থেকে আম ওঠতে শুরু করেছে। অপরিপক্ক এসব আম নানা নামে ৩৬০০ থেকে ৪০০০ টাকা মন দরে বিক্রি করা হচ্ছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লাল মোহন নামে আমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা থেকে ১০০ টাকা, গোপাল ভোগ ১৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। অপরিপক্ক এসব আম কেমিক্যাল দিয়ে পাকানোর ফলে আমের উপরের অংশ হালকা হলুদ ও বেশ চকচকে। যা ক্রেতারাও কিনছেন রশালো  ও মিষ্টি ভেবে। 

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, এবার গরম আবহাওয়া ও বৃষ্টি না হওয়ার ফলে প্রায় গাছের আম ঝরে গেছে। একই সাথে আম বাড়তে সময় লাগবে।  যেসব গাছে আম আটক হয়েছে সেগুলি ১৮ মের আগে পরিপক্ক হওয়ার কথা নয়। কৃষি বিভাগের ঘোষিত  নির্ধারিত তারিখ ১৮মে ঘোষণা করা হলেও সৈয়দপুরের ফলের আড়ত ও খুচরা বাজারে কেমিক্যাল মিশিয়ে পাকানো আম বেচাকেনা চলছে জোরেশোরেই। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভুষন রায় বলেন, কৃষি বিভাগ ১৮মের পরে আম পাড়ার নির্দেশ দিলেও আমরা ২৩ মে’র আগে আম পাড়াতে নিরুৎসাহিত করছি। কারণ ১৮ মে’র মধ্যে আম পরিপুষ্ট হবে না।একই মতামত ব্যক্ত করেন নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচলক ডক্টর এসএম আবু বকর সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাজারে মে মাসের শেষের দিকে আসবে দেশি আঁঠির আম,আর জুন মাসের প্রথম দিকে নামবে গোপাল ভোগ, ল্যাংড়াসহ রংপুরের বিখ্যাত হাড়ি ভাংগা আম। তিনি বলেন,  বাজারের যে সব আম বিক্রি হচ্ছে সেগুলি কেমিক্যাল মিশিয়ে অথবা কিলিয়ে পাকানোর মত।

ক্রেতা সহ সাধারন মানুষ বলছেন বাজারের যে সব আম বিক্রি করা হচ্ছে সেগুলির উপরের অংশ হালকা হলুদ রং এর হলেও মিষ্টি নেই এবং আটি গুলি কাঁচা। অধিকাংশ আমই ১২ ঘন্টার মধ্যে শুকিয়ে যাচ্ছে। শহরের ১ নং রেল ঘুমটি এলাকার একাধিক ফল বিক্রেতা জানান, গিয়াস উদ্দিন নামের এক আড়তদার নাটোর ও শান্তাহার থেকে যেগুলি  আম আড়তে এনেছেন সেগুলির সবই অপরিপক্ক ও কেমিক্যালে পাকানো। ওই আড়তদার বিভিন্ন নামে আম বিক্রি করছেন  এবং দামও নিচ্ছেন অনেক বেশি। তারা বলেন অপরিপক্ক পাকা আম বিক্রির দায়ে রংপুর বিভাগের অনেকের জরিমানা করা হলেও গিয়াস নামের ওই আড়তদার দাপটের সাথেই বিভিন্ন ধরনের আম বিক্রি করে চলেছেন। সৈয়দপু ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব বাদশা মিয়া জানান, সৈয়দপুর শহরের ২/৩ জন আড়তদার খুলনা,নাটোর ও রাজশাহী থেকে আম নিয়ে আসছেন এবং এখান থেকে জেলার বিভিন্ন  বাজারে পাঠাচ্ছেন। কৃষি অধিদপ্তরের নির্ধারীত ১৮মে’র আগে যে গুলি আম বাজারে আনা হচ্ছে সেগুলির প্রায় সবই অপরিপক্ক পাকা আম।

জানতে চাইলে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ওয়াসিম বারি জয় বলেন অপরিপক্ক পাকা আঠালো আম খেলে পেটের পিড়া হবেই হবে। শিশু সহ বয়স্ক মানুষ ওইসব আম খেলে ডায়রিয়া সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। 


আরও খবর



হুয়াওয়ের ক্লাউড সেবা ব্যবহার করবে উৎকর্ষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | ৬০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:হুয়াওয়ের ক্লাউড সেবা ব্যবহার করবে অন্যরকম গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান উৎকর্ষ। এর মাধ্যমে কনটেইনার টেকনোলজির সাহায্যে দ্রুত ও দক্ষতার সাথে ব্যাকএন্ড সিস্টেমের কাজকে ত্বরান্বিত করবে প্রতিষ্ঠানটি। এ লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যতম তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে অন্যরকম গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান উৎকর্ষ ও কর্পোরেট প্রযুক্তি লিমিটেড।  

ঢাকায় হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন হুয়াওয়ের সাউথ এশিয়া ক্লাউড বিজনেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট লি ঝিফ্যাং ও উৎকর্ষের হেড অব ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলিজ আব্দুল হাদি। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির আওতায়, ক্লাউড কনটেইনার ইঞ্জিন (সিসিই ক্লাস্টার), ইলাস্টিক ক্লাউড সার্ভার (ইসিএস), ইলাস্টিক আইপি (ইআইপি) ও রিলেশন ডাটাবেসেস সার্ভিস (আরডিএস)-সহ উন্নতমানের ক্লাউড সেবা সরবরাহ করবে হুয়াওয়ে। এই সেবা উৎকর্ষের পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ডেটা বিশ্লেষণে সহযোগিতা করবে। এর ফলে কার্যকর কৌশলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। 

হুয়াওয়ের এই সলিউশন সিস্টেমের সক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবার নিশ্চয়তা দেবে। উন্নত ক্লাউড প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎকর্ষ পরিচালন সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্রুত গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ ও প্রয়োজন অনুযায়ী অফারের জন্য তথ্য বিশ্লেষণ করে গ্রাহক সেবার অভিজ্ঞতাকে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবে। 

সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ের সাউথ এশিয়া ক্লাউড বিজনেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট লি ঝিফ্যাং বলেন, “বাংলাদেশের বাজারে ক্লাউড প্রযুক্তির ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে এই সেবা প্রদানে হুয়াওয়ের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত হয়েছে। স্থানীয় ও বহুজাতিক কোম্পানির পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে হুয়াওয়ের ক্লাউড সেবা ব্যবহার হচ্ছে। আমার বিশ্বাস, এই চুক্তির ফলে উৎকর্ষ তাদের প্রতিষ্ঠানের সেবায় নতুন মাত্রা যোগ করার পাশাপাশি সহজ পরিচালন ও  দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হবে। আর গ্রাহক-বান্ধব মনোভাব নিয়ে হুয়াওয়ে তাদেরকে সর্বোচ্চ সেবার নিশ্চয়তা দেবে।”

উৎকর্ষের হেড অব ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলিজ আব্দুল হাদি বলেন, “বাংলাদেশের এডটেক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের সুনাম রয়েছে। আমরা সব সময় আমাদের সেবার মান বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছি।  বর্তমান ব্যবসায়িক বাস্তবতায় ক্লাউড সলিউশন আমাদের পরিচালন সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। সে কারণেই আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য হুয়াওয়ের মতো বিশ্বখ্যাত ক্লাউড সলিউশনকে বেছে নিয়েছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই সলিউশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের এডটেক প্লাটফর্মগুলোর মধ্যে উৎকর্ষ প্রযুক্তিগত দিক থেকে অনেক এগিয়ে থাকবে। একইসঙ্গে আমার বিশ্বাস, হুয়াওয়ের ক্লাউড ডিপার্টমেন্টের স্থানীয় টিম সর্বোচ্চ দক্ষতার সাথে আমাদেরকে নিয়মিত সেবা প্রদান করবে।“

ক্লাউড সেবা প্রদান করার জন্য উৎকর্ষ ছাড়াও এর আগে হুয়াওয়ে অন্যরকম গ্রুপ, রকমারি, টেকশপ ও প্রহরির সাথে সমঝোতা চুক্তি করেছে। বর্তমানে দেশের ১০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে ক্লাউড সেবা দিচ্ছে হুয়াওয়ে। এছাড়াও সরকারি, টেলকো ও বিভিন্ন বড় গ্রুপের চাহিদা অনুযায়ী হাইব্রিড ক্লাউড সলিউশন দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফ্রস্ট অ্যান্ড সালিভ্যান’স এমারজিং এশিয়া-প্যাসিফিক হাইব্রিড ক্লাউড মার্কেট রিপোর্ট ২০২২ অনুযায়ী, ক্লাউড সলিউশন প্রদানের দিক থেকে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে হুয়াওয়ে এগিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড ও হংকংয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আর সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার বাজারে রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে।


আরও খবর



বাড়ি ফেরা হলো না জাহিদের সড়কেই গেল প্রাণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ৩৮জন দেখেছেন

Image

মিজান, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃবাজার শেষে বাড়ি ফেরা হলো না জাহিদের।সড়কেই গেল প্রাণ। দিনাজপুর জেলার বিরামপুরে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (৫২) নামের একজন নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১৩ মে) রাত ৯ টার দিকে বিরামপুর পৌর শহরের কলাবাগানস্থ মোড় এলাকায় এ দূঘটনা ঘটে।

নিহত জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (৫২)বিরামপুর  উপজেলার ৭ নং পলিপ্রায়গ ইউনিয়নের টাঠকপুর (নয়াপাড়া) গ্রামের আয়েজ উদ্দিনের ছেলে।

নিহতের পরিবার জানান, নিহত জাহিদুল ইসলাম জাহিদ প্রতিদিনের ন্যায় বিরামপুর বাজার থেকে বাইসাইকেল যোগে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি পিকআপ ভ্যান তাঁর বাইসাইকেলে সজোর ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে। জরুরী বিভাগে চিকিৎসারত অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।  মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত করেন দায়িত্বরত চিকিৎসক ডাক্তার তাহাজুল ইসলাম।

বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার জানান, সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠায়। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পালিয়ে যাওয়া পিকআপ ভ্যানটি আটকের চেষ্টা চলছে। তবে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



মাগুরায় উপজেলা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ৪০জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:৬ষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে মাগুরা সদর ও শ্রীপুর উপজেলার ১৭৭ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বুধবার সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে ভোট গ্রহণ চলবে চলবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে মাগুরা সদর উপজেলার ১২০ টি ভোট কেন্দ্রে ৩ লক্ষ ২৩ হাজার ৫০৬ জন ভোট প্রদান করবেন। অন্যদিকে শ্রীপুর উপজেলার ৫৭ টি ভোট কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৫২ জন ভোটার। সকাল থেকেই কেন্দ্র গুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম। লক্ষ করা যাচ্ছে।মাগুরার দুইটি উপজেলায়  ৫১ টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুকিপূর্ণ/ গুরুত্বপূর্ণ  ঘোষনা করেছে জেলা পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে।ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন সে জন্য মাগুরায় ৬ স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব, বিজিবি,  আনসার সদস্য ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবে বলে জানিয়েছেন মাগুরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: মাসুদুর রহমান ।

আরও খবর