Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

টানা দ্বিতীয়বার বর্ষসেরা ক্রিকেটার স্মিথ-মুনি

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ২৬৭জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক : টানা দ্বিতীয় বছর অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা পুরুষ ক্রিকেটারের পুরস্কার অ্যালান বোর্ডার মেডেল জিতলেন স্টিভেন স্মিথ। তার মতো দেশটির নারী কিপার-ব্যাটার বেথ মুনিও পরপর দুই বছর জিতলেন নারী ক্রিকেটের বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার বেলিন্ডা ক্লার্ক অ্যাওয়ার্ড।

পুরস্কারের জন্য বিবেচিত সময়ে (২০ জানুয়ারি ২০২২ থেকে ২১ জানুয়ারি ২০২৩) ১০ টেস্ট, ১৭ ওয়ানডে ও ২০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। এই সময়ে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৫৫.২৫ গড়ে ১ হাজার ৫৪৭ রান করেছেন স্মিথ। ৯টি ফিফটির সঙ্গে তিনি সেঞ্চুরির দেখা পান তিনবার।

সোমবার সিডনিতে জমকালো ‘অ্যাওয়ার্ড নাইট’ অনুষ্ঠানে ২০২২ সালের বর্ষসেরা ক্রিকেটারদের পুরস্কৃত করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।বিজয়ীরা নির্বাচিত হয়েছে খেলোয়াড়, আম্পায়ার ও সংবাদ মাধ্যমের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভোটে।

স্মিথ আরও একটি রেকর্ড গড়লেন। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো অ্যালান বোর্ডার মেডেল জিতলেন এই ব্যাটার। এর আগে ২০১৫, ২০১৮ ও ২০২১ সালে এই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন তিনি। রিকি পন্টিং ও মাইকেল ক্লার্কের পর তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে চারবার এই মেডেল পেলেন স্মিথ। ২০০০ সালে এই পুরস্কার শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত কেউ পাঁচ বার এই সাফল্য পায়নি।


ডানহাতি ব্যাটার স্মিথ ১৭১ ভোট পেয়ে বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ট্রাভিস হেড (১৪৪ ভোট) ও ডেভিড ওয়ার্নারকে (১৪১ ভোট) পেছনে ফেলেছেন । যেখানে সেরা পাঁচে আরও ছিলেন মার্নাস লাবুশেন (১৩৮) ও উসমান খাওয়াজা (১৩২)।


বেলিন্ডা ক্লার্ক পুরস্কার পাওয়া মুনি। ১২৯ ভোট নিয়ে তিনি পেছনে ফেলেছেন অধিনায়ক মেগ ল্যানিং (১১০) ও অলরাউন্ডার তাহলিয়া ম্যাকগ্রা (৯৫)। বিবেচিত সময়ে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৬৯.৩১ গড়ে ১ হাজার ১০৯ রান করেছেন মুনি। এক সেঞ্চুরির পাশাপাশি ৯টি ফিফটি করেন তিনি। তার চেয়ে বেশি রান করতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার আর কোনো নারী ক্রিকেটার। তার হাতে উঠেছে মেয়েদের বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটারের পুরস্কারও।


এদিকে ছেলেদের ক্রিকেটে উসমান খাজা শেন ওয়ার্ন বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন। ২২ ভোট নিয়ে পেছনে ফেলেছেন লাবুশেন (২০) ও স্মিথকে (১৮)। বিবেচিত সময়ে ৭৮.৪৬ গড়ে ১ হাজার ২০ রান করেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। এছাড়া কমিউনিটি ইমপ্যাক্ট পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।


বর্ষসেরা ছেলেদের ওয়ানডে ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। স্মিথের সমান ২৫ ভোট পেলেও টাইব্রেকারের মাধ্যমে ওয়ার্নারের হাতে ওঠে এই পুরস্কার। টি-টোয়েন্টিতে বর্ষসেরা পুরুষ ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন মার্কাস স্টয়নিস। আর এই সংস্করণের সেরা নারী ক্রিকেটার হয়েছেন তাহলিয়া ম্যাকগ্রা।


ছেলেদের তরুণ উদীয়মান সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার ‘ব্র্যাডম্যান ইয়াং ক্রিকেটার’ নির্বাচিত হয়েছেন ২৪ বছর বয়সী পেসার ল্যান্স মরিস। এছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটের বর্ষসেরা ক্রিকেটার হয়েছেন মাইকেল নেসার।


আরও খবর



জয়পুরহাটে বৃষ্টির মধ্যেই তিন উপজেলায় ভোট গ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যে দিয়ে জয়পুরহাটের কালাই,ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর  উপজেলায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে।বুধবার  সকাল ৮টা থেকে ১০৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এ ভোটগ্রহণ।নির্বাচনে তিন উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

নির্বাচন অফিস জানায়, তিনটি উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৭৬৯ জন। এর মধ্যে কালাই উপজেলায় এক লাখ ২২ হাজার ৭৩৬ জন, ক্ষেতলালে ৯৫ হাজার ১৯১জন ও আক্কেলপুর উপজেলায় এক লাখ ২২ হাজার ৮৮২ জন ভোটার রয়েছেন। 

এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কেন্দ্রগুলিতে আনসার-ভিডিপি ও পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে।
জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মো. ফজলুল করিম বলেন,  নির্বাচনে এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

আরও খবর



সদরে আনারুল, মুজিবনগরে মিলু

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১২০জন দেখেছেন

Image
মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর:মেহেরপুর-১ আসনের অর্ন্তভুক্ত ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে সদর ও মুজিবনগর উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই নেতা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। পরাজিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের পাচঁজন নেতা। 

প্রথম ধাপে আজ বুধবার উপজেলা নির্বাচনে মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও আমদহ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনারুল ইসলাম ৩০ হাজার ৪১৬ ভোটের ব্যবধানে  জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম শাহীনকে পরাজিত করেন।

মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমাম হোসেন মিলু আনারস প্রতিক ১৭ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুজিবনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম তোতাকেে এক হাজার ৯৬৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে। রফিকুল ইসলাম ভোট পেয়েছেন ১৫ হাজার ১০০।

এদিকে সদর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাশেম আলী চশমা প্রতীকে, ভাইস চেয়ারম্যান পদে লতিফুন্নেছা বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

অন্যদিকে মুজিবনগর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে বি.এম জাহিদ হাসান রাজীব টিউবয়েল প্রতীকে তকলিমা খাতুন কলস প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন।

মুজিবনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩৫ টি ভোট কেন্দ্রে ৭টি অস্থায়ী বুথ সহ ২৩৬ টি বুথে একযোগে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট ভোটার ৮৫ হাজার ২৫৯ জন। এর মধ্যে ৪২ হাজার ৫৩৮ জন পুরুষ এবং ৪২ হাজার ৭২১ জন নারী ভোটার।

আরও খবর



মানবতা ও মহৎ গুণের অধিকারী কাফরুল থানার ওসি ফারুকুল আলম

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ২৩জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:ডিএমপি মিরপুর বিভাগের  কাফরুল  থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) ফারুকুল আলম সম্পর্কে যতটাই জানা যায় ততটাই যেন মানবতার এক বিরল দৃষ্টান্ত লক্ষ্যনীয়। মানুষের বিপদে পাশে থেকে সর্বদা সাহায্য সহোযোগিতার করার মাধ্যমে এক মহৎ গুণ ফুটে ওঠে তার চরিত্রে। 

বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত এই (ওসি) সাধারণ মানুষের জন্য সর্বদাই কাজ করে থাকেন । রাত যত গভীর হওয়া হোক না কেন তার ফোনে কল দিয়ে তাকে পাইনি এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। 

তিনি তার চাকুরী জীবনের শুরু থেকেই মানুষকে আলোর পথে আনতে বিভিন্ন মহৎ কর্মকাণ্ড নিজেই পরিচালনা করে এসেছেন। 

অনেক অসহায় দরিদ্র শিশুদেরকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে তাদের পড়াশোনার খরচ বহন করে চলেছেন তিনি।

কাফরুল থানাকে একটি রোল মডেল থানা  পরিণত করার জন্য তিনি দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি কাফরুল থানা এলাকার তাই সকল রাস্তা কে সিসি ক্যামেরার আওতায় এনেছেন। এদিকে তীব্র তাপদাহে  যখন মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল তখন তিনি সাধারণ মানুষের জন্য পানি ব্যবস্থা করেন।

আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক এর জীবন যুদ্ধ চলে ভ্যানের প্যাডেলে স্বীকৃতি সনদ আজ ও মেলেনি

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ২৭জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:লুঙ্গি পেঁচিয়ে পরে শক্ত হাতে অস্ত্র ধরে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম সেদিন তো ফুলপ্যান্ট  পরনে ছিল না এখন কেন জাতীয় মুক্তি যোদ্ধা কাউন্সিলে প্রবেশ করতে এসে ফুলপ্যান্ট ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না?  মুক্তিযোদ্ধা সাময়িক সনদ পত্র প্রাপ্তীর জন্য জামুকায় গিয়ে এমন বিড়ম্বনার শিকার মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক । দিনাজপুর জেলার  পার্বতীপুর উপজেলার খাগড়াবন্দ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক এর জীবিকা নির্বাহ হয় ভ্যানের চাকায়। ২০১৩ সালের ২২ নভেম্বর অনলাইনে মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে গেজেট ভুক্তির জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি যার ডিজিআই নং১০২৮৭৩( উএষ১০২৮৭৩) এবং পার্বতীপুর উপজেলার ক্রমিক নম্বর ০৩।  মুক্তি যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সাময়িক মুক্তি যোদ্ধা সনদ প্রাপ্তীর আবেদন করেছেন যার আবেদন ডকেট নং ৪৮৯২ তারিখ ০৮/১১/১৪ইং।  মুক্তি যোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত তালিকা পার্বতীপুর ক্রমিক নম্বর ৫৫ । এতো দালিলিক প্রমাণাদী আগলে রেখে ও মুক্তি যোদ্ধার তালিকায় তার নাম গেজেট ভুক্ত হয় নাই । তথাপি অপ্রতিরোধ্য প্রত্যাশায় ভ্যানের চাকায় জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেকের। জানা গেছে পার্বতীপুর উপজেলার ১০ নং হরিরামপুর ইউনিয়নের খাগড়াবন্দ গ্রামের মৃত্যু নাজিম উদ্দীনের পুত্র আব্দুল মালেক ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মাতৃভূমি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান কে পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার দের কবল থেকে দেশকে স্বাধীন করার জন্য ভারতের ৭ নং সেক্টরের উত্তর অঞ্চল হামজাপুর ( পথিরাম)ইয়থ ক্যাম্পে ১ লা জুন ১৯৭১ যোগদান করেন এবং উক্ত ক্যাম্পে  একমাস প্রশিক্ষন গ্রহন শেষে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আমবাড়ী ফুলবাড়ি ভবানীপুর আনন্দ বাজার বদরগনজ যুদ্ধে অংশ নেন। তার এফ এফ নং ১১৭১। তার প্রকৃত সহযোদ্ধা মোঃ কায়ছার আলী গেজেট নং ৬৩৯ লালমুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৭২ (০১৭২১২১৫৮৪০) মোঃ আজিজুল হক গেজেট নং ৫৮৭ লাল মুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৪৪ (০১৭৮৫৩৭৬১৪৭) মোঃ আঃ লতিফ গেজেট নং ৬২৮ লাল মুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৩৯ (০১৭৮৩৩৭৬৪৪৬) মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে গেজেট ভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন।  মুক্তি যুদ্ধ কালীন সময়ে তিনি ৭ নং সেক্টরে থ্রি নাট. থ্রিজি ৩০৩ রাইফেল পরিচালনা করেন। যুদ্ধ কালীন সময়ে তার অধিনায়ক ছিলেন এম এ জি ওসমানী এবং কমান্ডার কাজী নুরুজ্জামান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র সমর্পন করেছিলেন তিনি। এলাকার মুক্তি যোদ্ধা মরহুম মোতালেব মন্ডল এবং সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দীন ও তার সহযোগী ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র জমা দেওয়ার পরের দিন দিনাজপুর মিলিশিয়া ক্যাম্পে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি হয় এবং ২৫ শে জানুয়ারী ১৯৭২ তিনি ন্যাশনাল মিলিটারি ট্রেনিং একাডেমি রাজশাহী সদর রাজশাহী এর কমান্ডেন্ট ডিএস ডিললোন (ক্যাপ্টঃ)তাকে ছাড়পত্র প্রদান করেন। মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক মাসিক ৫০ টাক সহায়তা অনুদানে তথ্য দাতা হিসাবে বামনহাট ইয়ুথ রিসিভসন ক্যাম্প কুচবিহারে ০৩ /০৫/৭১ ইং হতে ২৬/৫/১৯৭১ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন মর্মে কাস্টমস অফিসার ইনচার্জ ইয়ুথ রিসিপশন ক্যাম্প বামনহাট কোচবিহার দিনহাটা কর্তৃক স্বাক্ষরিত অর্ডার শিটে উল্লেখ আছে। মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র জমা দেওয়ার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজশাহী সদর মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন থাকায় হাসপাতাল থেকে ফিরে দেখেন তার নাম বাদ গেছে। পরবর্তী সময়ে অনলাইনে আবেদন করেছেন তিনি দৃঢ় আশাবাদী মুক্তি যোদ্ধা তালিকায় তার নাম অবশ্যই গেজেট ভুক্ত হবে। স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন।


আরও খবর



মির্জাপুরে বিয়ের দাবিতে এক মেয়ের বাড়িতে আরেক মেয়ে হাজির!

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাঁশতৈল ইউনিয়নের  ইন্নত খা চালা গ্রামের দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়ের সাথে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া আরেক মেয়ের সাথে ফেসবুকে পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উভয়ই মেয়ে জেনেও তারা প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। ১৮ মে শনিবার রাজশাহীর মেয়ে মির্জাপুর বাঁশতৈল গ্রামে চলে আসে এবং বিয়ের দাবি করে। খবর পেয়ে বাঁশতৈল গ্রামবাসী  এবং মেয়ের পরিবার মিলে মেয়েকে নারী পাচারকারী সন্দেহে আটক করে রাখে। বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হেলাল দেওয়ান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা রাজশাহীর মেয়ের পরিবারের কাছে খবর পাঠিয়েছিলাম। মেয়ের পরিবারের লোকজন আসলে তাদের জিম্মায় মেয়েকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। 


আরও খবর