Logo
আজঃ রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে? কর্মীদের দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে হবে : প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশকে কত বিলিয়ন অনুদান-ঋণ দেবে চীন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী নাসিরনগরে খুনের মামলার বাদীর এখন দিন কাটছে আতংকে মধুপুরে ক্লিনিং স্যাটারডে কার্যক্রম অনুষ্ঠিত এবার কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বললেন আয়মান সাদিক ভারতে পাচার হওয়া ৫ বাংলাদেশি সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছে শিক্ষার্থীরাই হবে আগামী বাংলাদেশের কর্ণধার: ধর্মমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সামন্ত লাল সেন

সাইবার নিরাপত্তা বিল সংসদে পাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ২৯৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় সংসদে ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল’ ২০২৩ পাস হয়েছে। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রস্তাবিত আইনটি সংসদে উত্থাপন করেন। ৫ সেপ্টেম্বর বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা বিল জাতীয় সংসদে পেশ করেন তিনি।

সংসদের কার্যপ্রণালীবিধি অনুযায়ী, অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিলটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। স্থায়ী কমিটি যাচাই-বাছাই শেষে তাদের প্রতিবেদন সংসদে জমা দেয়।

এর আগে রোববার সাইবার নিরাপত্ত বিলের চূড়ান্ত রিপোর্ট সংসদে পেশ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

গত রোববার কমিটির পক্ষে সংসদীয় কমিটির সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক রিপোর্টটি উত্থাপন করেন। বিলটিতে ৩২ ধারা বাদ দেয়াসহ ৪২ ও ২১ ধারায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বিলটির ৩৪ ধারায় কিছু শব্দগত পরিবর্তন ও মিথ্যা মামলাজনিত শাস্তির বিধানাবলী আনা হয়েছে। এখানে কমিটি পরিস্কার করে বলেছে, (১) যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোনো ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ না জানিয়েও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহলে সেটি হবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন উক্ত ব্যক্তি মূল অপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রয়েছে সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কোনো ব্যক্তি যদি উপধারা (১) এর অধীন এই আইনের একাধিক ধারায় কোনো মামলা বা অভিযোগ করেন, তাহলে উক্ত ধারায় বর্ণিত অপরাধের মধ্যে মূল অপরাধের জন্য যার দণ্ডের পরিমাণ বেশি হয় সেই দণ্ডের পরিমাণ হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে। (৩) কোনো ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করতে পারবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) কয়েকটি সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে ৩২ ধারা বাতিলসহ বেশ কিছু সংশোধনী এনে সুপারিশ চূড়ান্ত করে কমিটি। বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন রহিত করে এই সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সাইবার নিরাপত্তা বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়। এরপর বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

এছাড়া বিলের ২১ ধারায় শব্দগত পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা ও প্রচারণা সংক্রান্ত অপরাধের কথা বলা আছে। এখানে ‘পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা বা’ এর স্থলে ‘পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক’ শব্দ প্রতিস্থাপন করা হবে। বিলের ৩২ ধারা বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই ধারায় অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট যুক্ত করা হয়েছিল।

ডিজিটাল মাধ্যমে কেউ অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টভুক্ত অপরাধ করলে তার সাজার বিধান করতে এটি যুক্ত করা হয়েছিল। বিলের ৪২ ধারায় বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া আছে পুলিশকে। এখানে সংশোধনী এনে বলা হচ্ছে, এই ধারায় সাব ইন্সপেক্টর পর্যায়ের কর্মকর্তার জায়গায় পুলিশ পরিদর্শক পর্যায়ের কর্মকর্তা বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবেন।

উত্থাপিত বিলের ৮ ধারায়ও সংশোধনী আনা হচ্ছে। ডিজিটাল মাধ্যম থেকে তথ্য–উপাত্ত অপসারণ ও ব্লক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে এই ধারায়। এখানে আগে বলা ছিল যদি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘প্রতীয়মান’ হয় ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত দেশের বা উহার কোনো অংশের সংহতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণার সঞ্চার করে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করবার জন্য, মহাপরিচালকের মাধ্যমে, বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।

এখানে প্রতীয়মান শব্দের জায়গায় ‘তথ্য–উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে’ প্রতিস্থাপন করা হবে।


আরও খবর



আইএমএফ ঋণের তৃতীয় কিস্তি পেল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৪৭জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক:বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি মার্কিন ডলার পেয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, বিশ্ব ব্যাংক ও ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) বি‌ভিন্ন আর্থিক সহায়তা ঋণের আরও ৯০ কো‌টি ডলার পে‌য়ে‌ছে বাংলাদেশ। সব মি‌লি‌য়ে বৃহস্প‌তিবার রাতে ২০১ কো‌টি ডলা‌রের ঋণ সহায়তার অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভে যুক্ত হয়েছে।

বৃহস্প‌তিবার (২৭ জুন) রা‌তে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থে‌কে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আইএমএফের পর্ষদ সভায় তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার অনুমোদন হয়। এর মধ্যে এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ) ও এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটির (ইএফএফ) ৯২ কোটি ৮০ লাখ ডলার এবং রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির ২২ কোটি ডলার রয়েছে।

এরও আগে গত ২৪ এপ্রিল ঋণ কর্মসূচির আওতায় তৃতীয় কিস্তির জন্য গত ডিসেম্বরভিত্তিক শর্ত বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণে আসে আইএমএফ মিশন। সংস্থাটির ডেভেলপমেন্ট মাইক্রোইকনোমিকস ডিভিশনের প্রধান ক্রিস পাপাগেওর্জিউর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল দুই সপ্তাহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক ও পর্যালোচনা কার্যক্রম শেষে গত ৮ মে এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশ সরকার এবং আইএমএফ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছেন।

বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ কমতে থাকার মধ্যে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশ। এর তিনদিন পর প্রথম কিস্তিতে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। এরপর গত ১৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলার ছাড় করা হয়। ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট সাতটি কিস্তিতে ঋণের পুরো অর্থ ছাড় করার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় কিস্তির পরবর্তীগুলোতে সমান অর্থ থাকার কথা ছিল। কিন্তু রিজার্ভ আরও কমে যাওয়ায় তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তিতে বেশি অর্থ চায় বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে বেশকিছু কঠিন শর্তের বাস্তাবয়ন ও আগামী আরও বড় সংস্কার কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় সংস্থাটি তৃতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ডলারের পরিবর্তে ১১৫ কোটি ডলার দিতে সম্মত হয়। তবে মোট ঋণের পরিমাণ এবং মেয়াদ একই থাকবে।


আরও খবর



টাঙ্গাইল জেলায় মধুপুর প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা শীর্ষে

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৩৯১জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ-টাঙ্গাইল জেলার মধুপুরে সহকারী পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে থানা ইনচার্জ, সহকারী কমিশনার ভুমি এবং এবার উপজেলার নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা(এও) আব্দুল হালিম ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের সামগ্রিক কর্মদক্ষতার বিবেচনায় জেলার শ্রেষ্ঠ শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন।রবিবার ৩০জুন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের আয়োজনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কায়সারুল ইসলাম এ পুরস্কার তুলে দেন।এ পুরস্কার মধুপুর উপজেলা প্রশাসনের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এমনটাই মনে করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জুবায়ের হোসেন। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



হানিফ ফ্লাইওভার কর্তৃপক্ষ ও ডিএমপি'র ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয় সভা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৯৩জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃহানিফ ফ্লাইওভার কেন্দ্রিক ট্রাফিক প্রেসার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ট্রাফিক ওয়ারি ডিভিশন, ট্রাফিক লালবাগ ডিভিশন এবং ট্রাফিক মতিঝিল ডিভিশনের কর্মকর্তাদের সাথে হানিফ ফ্লাইওভার এর নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ অরিয়ন গ্রুপের সাথে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ২৯ জুন এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান বিপিএম (বার) পিপিএম (বার)।সভা সঞ্চালনা করেন ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম।ওরিয়ন গ্রুপের পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব প্রদান করেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এরফানুল আজিম।

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের টিম ট্রাফিক। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম শর্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের নিমিত্তে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে সেতু, উড়াল সড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে এবং মেট্রোরেল। মহানগরীর মধ্য দিয়ে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করা স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের  অন্যতম একটি উপাদান। দেশের ৪০টি জেলার পরিবহন হানিফ ফ্লাইওভার কেন্দ্রিক যাতায়াত করে। ওরিযন গ্রুপ কর্তৃক হানিফ ফ্লাইওভারের  উপর দিয়ে চলাচলকারী পরিবহন থেকে আরএফআইডির মাধ্যমে টোল আদায়ের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হয়। উল্লেখিত তিনটি ট্রাফিক বিভাগের সমন্বয়ে প্রচারণা চালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তাছাড়া শীঘ্রই এক মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনের আয়োজন করা হবে। একটি নির্দিষ্ট সময় সকল পরিবহনের ক্ষেত্রে বেধে দেয়া হবে যাতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে সবাই আরএফআইডি কার্ড গ্রহণ করে। আলোচনায় ফ্লাইওভারের উপরের বাস যাতে যখন-তখন  লেন পরিবর্তন করতে না পারে, যেখানে সেখানে বাস পার্কিং করতে না পারে, যেখানে সেখানে যাত্রী উঠা-নামা করতে না পারে - সেজন্য সমন্বিতভাবে ড্রাইভ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি, যাত্রাবাড়ী মোড়ের  ফ্লাইওভারের নিচের আইল্যান্ড ভেঙে বাস চলাচলের রাস্তা প্রশস্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সাথে যৌথভাবে অপারেশন কন্ট্রোল রুম স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কুতুবখালি ফ্লাইওভার ইনকামিং এর রাস্তার  ফেন্সিং করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ট্রাফিক মতিঝিল বিভাগ এবং ট্রাফিক লালবাগ বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে ৫২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে ২ লাক্ষ ৫৬ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বুধবার ( ৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলা হলরুমে ইউএনও রকিবুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের বরাদ্দকৃত তহবিল থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। 

এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান আহাম্মদ হোসেন বিপ্লব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা স্যামিয়েল মার্ডি, আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি নিকেল বর্মনসহ কমিটির বিভিন্ন সদস্যরা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী প্রাইমারী স্কুলের ২৫ জন ছাত্র ছাত্রী মাঝে প্রত্যেককে ২৫০০ টাকা, হাইস্কুলের ছাত্র ছাত্রী ১৮ জনের মাঝে ৬ হাজার টাকা,  এবং কলেজ লেভেলের ৯ জন ছাত্র ছাত্রী মাঝে ৯ হাজার ৫ শত টাকা করে। মোট ৫২ জন ছাত্র ছাত্রীর মাঝে ২ লাক্ষ ৫৬ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। 

আরও খবর



কোটা ইস্যুতে ছাত্রলীগের দুই ক্যাম্পেইন চালু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার:সরকারি চাকরিতে 'কোটা' ইস্যু নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনা সংগ্রহ, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংবলিত লিফলেট বিতরণ, উন্মুক্ত আলাপন, যৌক্তিক উপায় গ্রহণ এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করার জন্য 'পলিসি এ্যাডভোকেসি' ও 'ডোর টু ডোর' ক্যাম্পেইন চালু করেছে ছাত্রলীগ। 

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সংগঠনটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়টি জানান। 

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সরকারি চাকরিতে 'কোটা' ইস্যু নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনা সংগ্রহ, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংবলিত লিফলেট বিতরণ, উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক উপায় গ্রহণ এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করার জন্য 'পলিসি এ্যাডভোকেসি' ও 'ডোর টু ডোর' ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবে।

'স্মার্ট বাংলাদেশ' গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিচালিত এই 'পলিসি এ্যাডভোকেসি' ও 'ডোর টু ডোর' ক্যাম্পেইন তারুণ্যের মধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নীতি প্রণয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমতাধর্মী সমাজ প্রতিষ্ঠা, গঠনমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পলিসি এ্যাডভোকেসির অভিজ্ঞতা, সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। 

এছাড়াও এতে বলা হয়, শনিবার হতে শুরু হতে হওয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের এই 'পলিসি এ্যাডভোকেসি' ও 'ডোর টু ডোর' ক্যাম্পেইনে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিথষ্ক্রিয়া, আলোচনা, মতামত গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যমান পরিস্থিতির একটি গ্রহণযোগ্য সুরাহা, যৌক্তিক সমাধান, জনদুর্ভোগ এড়ানো এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সংকল্পবদ্ধ।

উদ্ভূত পরিস্থিতির যৌক্তিক ও ইতিবাচক সমাধানের লক্ষ্যে শিক্ষার্থী বন্ধুদের যে কোনো মতামত লিখিত আকারে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ অথবা [email protected] (ইমেইল) এ প্রেরণের আহ্বান জানানো হলো।

এছাড়া 'পলিসি এ্যাডভোকেসি' ও 'ডোর টু ডোর' ক্যাম্পেইনের বিষয়ে সার্বিকভাবে জানাতে শনিবার বিকেল পাঁচটায়  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে 'মিট দ্য প্রেস'-এর আয়োজন করেছে সংগঠনটি।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর