Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

নিটারিয়ানদের কেমন কেটেছে পহেলা বৈশাখ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৯০জন দেখেছেন

Image

মিঠুন দাস মিঠু, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, নিটার:বৈশাখ আর বাঙালি মিলেমিশে একাকার। তাই-তো পহেলা বৈশাখ নিয়ে উচ্ছ্বাসের শেষ নেই আপামর বাঙালির। নতুন বর্ষকে বরণ করে নিতে ভোরের নতুন সূর্য ওঠার মধ্য দিয়ে ১৪৩১ বঙ্গাব্দের প্রথম প্রভাতেই নানা এলাকায় নানান ধরনের আয়োজন হয়ে থাকে।

আজ রোববার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ,  ১৪৩১ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন। এ দিনটির মধ্য দিয়েই বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হলো নতুন আরেকটি বছর। এ দিনটিকে জাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (নিটার) এর শিক্ষার্থীরা কিভাবে দেখছেন, কিভাবে উপভোগ করেছেন বৈশাখি উৎসব তা তুলে ধরেছেন খবর প্রতিদিনের নিটার প্রতিনিধি- মিঠুন দাস মিঠু

                                                                             ‘‘পহেলা বৈশাখ: বাঙালির এক সার্বজনীন উৎসব”
বাঙালির আদি সাংস্কৃতিক পরিচয় বহনকারী অসাম্প্রদায়িক উৎসব পহেলা বৈশাখ, যা বাংলাদেশের জাতীয় উৎসব হিসেবেও পালন করা হয়ে থাকে। পহেলা বৈশাখ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য সর্বজনীন সাংস্কৃতিক আনন্দ-উৎসব। বাংলা নববর্ষের সঙ্গে ধর্মীয় কোনো অনুষঙ্গ নেই। সর্বজনীন লোকউৎসব হিসাবে পরিচিত পহেলা বৈশাখের এই দিনটি এই শোভাযাত্রা, মেলা, পান্তাভাত খাওয়া, হালখাতা খোলা, বর্ষবরণ করে পালন করা হয়। ষোড়শ শতাব্দীতে মুঘল যুগ থেকে শুরু হয় এই উৎসবের চল যখন সম্রাট আকবর ফসল কাটার মরশুমের উপর ভিত্তি করে ক্যালেন্ডার প্রবর্তন করেন, যা ছিল ইসলামি ও হিন্দু ক্যালেন্ডারের সমন্বয়। বাংলা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে আর্থিক বছর মিলিয়ে দেওয়ায় আকবরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এইদিন পরবর্তীকালে উৎসবে পরিণত হয়। বর্তমান পহেলা বৈশাখের এই দিনে আমাদের দেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আয়োজিত ‘‘মঙ্গল শোভাযাত্রায়” গ্রামীণ জীবন এবং আবহমান বাংলাকে ফুটিয়ে তোলা হয়। জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আবেদনক্রমে ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩০শে নভেম্বর বাংলাদেশের ‘‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’’ কে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। এইদিনে বাঙালি ব্যবসায়ী, দোকানদার বছরের সমস্ত হিসাব-নিকাশ শেষ করে নতুন হিসাবের খাতা খোলেন। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিসত্তাদের মধ্যে ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই ও চাকমাদের বিজু উৎসব এইদিন পালিত হয়। গ্রামগঞ্জে বৈশাখী মেলা বসে। কৃষিজ পণ্য, কুঠির শিল্প দ্রব্য, মৃৎ ও হস্তশিল্প দ্রব্য, আসবাবপত্র ইত্যাদি ক্রয়-বিক্রয়ের ধুম পড়ে সেসব মেলায়। যদিও তার প্রসার এখন কমে গিয়েছে। মেলার সময় নৌকাবাইচ, লাঠি খেলা, কুস্তির আসর, এমনকি মেলায় ষাঁড়ের লড়াই, মোরগের লড়াই, বলী খেলা ইত্যাদি বিনোদন ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান বসতো। তবে করোনার পরবর্তী বছর গুলোতে আয়োজিত অনুষ্ঠান গুলোয় ভাটা পড়লেও বাঙালির আনন্দ থেমে থাকেনি। সর্বজনীন এই উৎসবের এই দিনটি উদযাপন করার মাধ্যমে পুরনো বছরের সমস্ত দুঃখ গাঁথা কষ্টকে বিদায় জানিয়ে নতুনত্ব কে সাদরে গ্রহণ করে পৃথিবীর সকল প্রান্তে থাকা সকল বাঙালি।
অপরাজিতা অর্পা, ডিপার্টমেন্ট ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রথম বর্ষ)

                                                                                               ‘‘রঙ্গে ভরা বৈশাখ আবার আইলোরে”
ঋতুরাজ বসন্তের রঙের আভা যেতে না যেতেই গ্রীষ্মের শুরু। গ্রীষ্মের শুরু বলতেই মাথায় আসে পহেলা বৈশাখ। বছর ঘুরে নতুন সূর্যোদয়ে পুরোনো বছরের, পুরোনো দিনের সকল গ্লানি, সকল জড়া ধুয়ে মুছে নতুন্যত্বর বরণ। সম্রাট আকবরের সময়কাল থেকে ‘‘পহেলা বৈশাখ” উদযাপনের সূচনা। কালপরিক্রমায় যা একটি সামাজিক অনুষ্ঠানের রূপ নেয়। নববর্ষের অন্যতম প্রধান রীতি ‘‘হালখাতা”। প্রকৃতপক্ষে হালখাতা হল বাংলা সনের প্রথম দিনে দোকানপাটের হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া। নতুন বছরের উৎসবের সঙ্গে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির নিবিড় যোগাযোগ। গ্রামে মানুষ ভোরে ঘুম থেকে ওঠে, নতুন জামাকাপড় পরে এবং আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের বাড়িতে বেড়াতে যায়। কয়েকটি গ্রামের মিলিত এলাকায়, কোন খোলা মাঠে আয়োজন করা হয় বৈশাখী মেলার। মেলাতে থাকে নানা রকম কুটির শিল্পজাত সামগ্রীর বিপণন, থাকে নানারকম পিঠা পুলির আয়োজন। ইলিশ মাছ দিয়ে পান্তা ভাত খাওয়া ছাড়াও পুরনো একটি সংস্কৃতি হলো গ্রামীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন। এর মধ্যে নৌকাবাইচ, লাঠি খেলা কিংবা কুস্তি খেলা যার সবচেয়ে বড় আসরটি হয় চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে, যা ‘‘জব্বারের বলি খেলা” নামে পরিচিত। সোনারগাঁওয়ে ব্যতিক্রমী এক মেলা বসে যার নাম বউমেলা, এটি স্থানীয়ভাবে ‘‘বটতলার মেলা” নামেও পরিচিত।

রাজধানী ঢাকায় রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখে সূর্যোদয়ের পর পর এ অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দু সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের শিল্পীরা সম্মিলিত কণ্ঠে গান গেয়ে নতুন বছরের সূর্যকে আহ্বান জানান। স্থানটির পরিচিতি বটমূল হলেও প্রকৃতপক্ষে যে গাছের ছায়ায় মঞ্চ তৈরি হয় সেটি বট গাছ নয়, অশ্বত্থ গাছ। বন্দরনগরী চট্টগ্রামে পহেলা বৈশাখের উৎসবের মূল কেন্দ্র ‘‘ডিসি হিল পার্ক”। নগরীর অন্যান্য নিয়মিত আয়োজন শিশু প্রতিষ্ঠান ফুলকি’র তিনদিন ব্যাপী ‘‘ছোটদের বৈশাখী উৎসব” যার প্রারম্ভ হয় পহেলা বৈশাখের দুদিন আগে এবং শেষ হয় বৈশাখের প্রথম দিন সন্ধ্যায়।
অংকিতা পোদ্দার তিথি, ডিপার্টমেন্ট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রথম বর্ষ)

                                                                            ‘‘পহেলা বৈশাখ আসে আমাদের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যকে নিয়ে”
সৌর পঞ্জি অনুসারে বাংলা মাস পালিত হতো অনেক প্রাচীনকাল থেকেই। সম্রাট আকবর বেশি আলোচিত হলেও, বাংলা পঞ্জির উদ্ভাবক ধরা হয় আসলে ৭ম শতকের রাজা শশাঙ্ককে।  প্রধানত কৃষকদের খাজনাপাতি দেয়ার সুবিধার্থে এই সনের প্রবর্তন করা হয়। এ কারণে এই সনের আরেক নাম ‘‘ফসলি সন”। প্রথমে আকবরের পঞ্জিকার নাম ছিল “তারিখ-এ-এলাহী”। ধারণা করা হয় যে, বাংলা বারো মাসের নামকরণ করা হয়েছে বিভিন্ন নক্ষত্র থেকে। যেমন: বিশাখা নক্ষত্র থেকে বৈশাখ, জায়ীস্থা থেকে জৈষ্ঠ্য, শার থেকে আষাঢ়, শ্রাবণী থেকে শ্রাবণ এমন করেই বাংলায় নক্ষত্রের নামে মাসের নামকরণ হয়। এইদিন আব্বু বাসায় অনেক বড় বড় মাছ আনে। আব্বুর মতে, বছরের শুরুটা ভালো খাবার দিয়ে শুরু করলে সারা বছর ভালো খাবার খাওয়া যায়। চারদিকে ‘এসো হে বৈশাখ’, ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, ‘নোঙর ছাড়িয়া নায়ের দে রে মাঝি ভাই’ সহ বিভিন্ন গান শোনা যায়। নববর্ষের সময় মঙ্গল শোভাযাত্রা মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে নতুন বছরকে আমন্ত্রণ জানায়। আমি ও আমার আম্মু লাল পাড় এর সাদা সাড়ি এবং আব্বু ও আমার ছোট ভাই পাঞ্জাবি পরে। এইদিন আমরা সকালে পান্তা ভাত, ইলিশ মাছ ভাজা, হরেক রকম ভর্তা দিয়ে খাই। বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছা বাক্য হল “শুভ নববর্ষ”। যেটা আমারা সবাই সবাইকে বলি। আগে নববর্ষের মূল উৎসব ছিল হালখাতা। এটি পুরোটাই অর্থনৈতিক এবং গ্রামে-গঞ্জে ব্যবসায়ীরা নতুন বছরের শুরুর দিনে তাদের পুরনো হিসাব-নিকাশ সম্পন্ন করে হিসাবের নতুন খাতা খুলেন। এই উপলক্ষ্যে তারা তাদের নতুন-পুরনো খদ্দেরদেরকে আমন্ত্রণ জানান মিষ্টি মুখ করাতে। এই আমন্ত্রণ গ্রহন করতে এসে অনেক খদ্দের তাদের পুরনো দেনার পুরোটা বা কিছু অংশ শোধ করে নতুন খাতায় হিসাব হালনাগাদ করে। আমরা পুরো পরিবার বিকেলে মেলাতে যাই মেলাতে বিভিন্ন ধরনের দোকান বসে, তার মধ্যে হাতের নাকশা করার দোকান আমার সবচেয়ে প্রিয়। আমি সেখানে সবসময় হাতে নকশা করাই। তাছাড়াও সেখানে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঐতিহ্যবাহী খাবার পাওয়া যায় যেমন মুড়ি-মুরকি, খাজা-গজা, চিনির তৈরি হাতি, ঘোড়া, মাছ, পাখি আকৃতির নানা রকম মিষ্টি, হরেক রকমের পিঠা। মেলায় মুল আকর্ষন থাকে নাগরদোলা। যেটায় প্রতিবার আমি উঠি। মেলায় রং বেরঙের খেলনা পাওয়া যায়। খেলনা গুলো এতো সুন্দর যে যেটা দেখি সেটাই কিনতে ইচ্ছা করে। মেলায় আঞ্চলিক ও লোকগানের আসর, যাএাপাল, পুতুল নাচ। বাঁশিবিক্রেতা বাঁশি বাজিয়ে মুখর করে তোলে মেলা প্রাঙ্গণ। এছাড়াও গান, নাচ, আবৃত্তি, নাটক সহ সংস্কৃতিক আনুষ্ঠান হয়ে থাকে। বিকালে বিভিন্ন ধরনের খেলার ব্যবস্থা করা হয়। খেলা গুলোর মধ্যে নৌকাবাইচ, গরু-মোষের লড়াই, কাবাডি, মোরগ লড়াই থাকে। এভাবেই আমি পহেলা বৈশাখ উদযাপন করি। প্রায় সময় আমরা ভুলে যাই আমরা বাঙালি, আর আমাদের সংস্কৃতির কথা। তাই প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ এসে আমাদের ঐতিহ্যকে মনে করিয়ে দেয় ।
আফরোজা আলম তানি, ডিপার্টমেন্ট অফ কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রথম বর্ষ)

                                                                                                      ‘‘এসো হে বৈশাখ : ১৪৩১ বঙ্গাব্দ”
পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির সর্বজনীন একটি উৎসব। এই উৎসবে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালি অংশ নিয়ে থাকে। এই উৎসবের সময় দেশ নতুন করে সাজে, দোকানপাট থেকে শুরু করে বাসা বাড়ি রঙিন করে সাজানো হয় নতুন বছর বরণ করার জন্য। এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক মঙ্গল শোভাযাত্রা। এই শোভাযাত্রা কে ইউনেস্কো ২০১৬ সালে ‘‘মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য” হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। এছাড়াও, প্রতি বছর রমনা বটমূলে ঘটা করে মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে । সেখানে মাটির পুতুল, শাড়ি ও বিভিন্ন দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খাবার বিক্রি করা হয়। সবার কামনা থাকে, নতুন বছরটি যেন সুখময় ও শান্তির হয়। পহেলা বৈশাখের আয়োজন গুলোর মধ্যে অন্যতম ‘‘হালখাতা”। এদিনে গ্রাহকেরা দোকানিদের বাকি টাকা মিটিয়ে থাকে। তবে বর্তমানে বাংলা নববর্ষের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হল বৈশাখী মেলা। বিভিন্ন অঞ্চলে বৈশাখী মেলা আয়োজন করা হয়, গ্রামে গ্রামে আয়োজন করা হয় কবিগান, কীর্তন, গম্ভীরা গান, পুতুল-নাচের।
মো: লতিফুর রহমান লিহাদ, ডিপার্টমেন্ট অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রথম বর্ষ)


আরও খবর



নওগাঁর রাণীনগরে মাছ ধরতে গিয়ে নদীর পানিতে ডুবে এক জেলের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর রাণীনগরে মাছ ধরার সময় নদীর পানিতে ডুবে আনছার আলী প্রামানিক (৬৯) নামে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১০ মে) সকালে ছোট যমুনা নদীর তারাপালের দহ নামকস্থানে এ ঘটনাটি ঘটে।নিহত জেলে আনছার আলী রাণীনগর উপজেলার পার্শ্ববতি নওগাঁ সদর উপজেলার দড়িয়াপুর মৎস্যজীবি পাড়া গ্রামের মৃত-মোহর আলী প্রামানিকের ছেলে। 

পরিবারের বরাদ দিয়ে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়েদ বলেন, এদিন সকালে আনছার ও তার ছেলে জাল দিয়ে ছোট যমুনা নদীর আতাইকুলা তারাপালের দহ নামকস্থানে জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এ সময় নদীর পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। পরে আরো লোকজন মিলে খোঁজা খুজি করে আনছারের লাশ উদ্ধার করে বাড়ীদিতে নিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, আনছার মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। এ কারনেই মারা মারা যেতে পারে বলে ধারনা করছেন তিনি। তবে এ ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



বিরামপুরে ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

মিজান, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃদিনাজপুর জেলার বিরামপুর সরকারি খাদ্য গুদামে চলতি মৌসুমের বোরো ধান, চাল ও গম সংগ্রহ অভিযানের শুভ বভউদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ মে) সকালে চলতি মৌসুমের বোরো ধান, চাল ও গম সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন, দিনাজপুর-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক এমপি ।

সরকারি খাদ্য গুদামে ধান, চাল ও গম সংগ্রহের সময় উপস্থিত ছিলেন, বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন, বিরামপুর (চরকাই) খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান খন্দকার, বিরামপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি আকরাম হোসেন, বিরামপুর  প্রেসক্লাবের আহবায়ক সহকারী অধ্যাপক মশিহুর রহমান, যুগ্ম-আহবায়ক হাফিজ উদ্দিন সরকার, চাউল কল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হবিবর রহমান, সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অদৈত কুমার অপু, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মেজবাউল হক প্রমূখ।

বিরামপুর (চরকাই) খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান খন্দকার জানান, চলতি মৌসুমের বিরামপুর (চরকাই) খাদ্য গুদামে ৩২ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৫৮১ মেট্রিক টন ধান, ৪৫ টাকা কেজি দরে ৪ হাজার ৭৪০ মেট্রিক টন চাল ও ৩৪ টাকা কেজি দরে ২০ মেট্রিক টন গম ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।


আরও খবর



আর্জেন্টিনাকে প্রথম বিশ্বকাপ জেতানো কোচ মারা গেছেন

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৭৬জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:আর্জেন্টিনাকে প্রথম বিশ্বকাপ জেতানো কোচ সিজার লুইস মেনোত্তি (৮৫) মারা গেছেন।

সোমবার (৬ মে) আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) কিংবদন্তি এই কোচের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্সে’এক পোস্টে এএফএ লিখেছে, ‘আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন অত্যন্ত শোকের সঙ্গে বর্তমান জাতীয় দলের পরিচালক ও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুইস সিজার মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছে। বিদায় প্রিয় ফ্লাকো!

মেনোত্তির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের অধিনায়ক নিজের ইনস্টাগ্রাম একাউন্টে লেখেন, ‘আর্জেন্টিনার ফুটবলের অন্যতম কিংবদন্তি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবার এবং প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমান।

আর্জেন্টিনার জার্সিতে এখন তিনটি তারকা। তারকাখচিত এই জার্সি একসময় ফাঁকা ছিল। মেনোত্তির হাত ধরেই আর্জেন্টিনার জার্সিতে স্থাপিত হয় প্রথম তারকা। সময়টা ১৯৭৮। মেনোত্তি সেই আসরে প্রথমবারের মতো আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ উপভোগ করান।

আলবিসেলেস্তাদের বিশ্বকাপ জেতানোর পরই নিজের দায়িত্ব শেষ করে দেননি মেনোত্তি। পরের বছর অনূর্ধ্ব-১৯ দলকেও জিতিয়েছেন যুব বিশ্বকাপ। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে হারিয়ে বিশ্বজয় করেছিল ল্যাটিন আমেরিকার দেশটি। আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম যুব বিশ্বকাপ।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম,রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:পারিবারিক কলহের জেরে রফিকুল ইসলাম (৩৫)নামে এক মহেন্দ্র চালক গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে মারা গেছেন। গতকাল বুধবার (৮ মে) রাত দেড় টায় দিনাজপুর নেয়ার পথে রফিকুলের মৃত্যু হয়।

মৃত রফিকুল উপজেলা পদমপুর উত্তরগাও গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে। রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে রফিকুল তার স্ত্রী রিতা আকতারকে না জানিয়ে এক জনকে ১৯ হাজার টাকা ধার দেয়। এ নিয়ে তার স্ত্রী, ছেলে হৃদয়ের সাথে বাগবিতণ্ডা বাঁধে ।পরে গতকাল রাত ৯ টায় রফিকুল বাড়ির পাশে হাজ্বী মৌড় থেকে বাড়ি এসে না খেয়ে শুয়ে পড়ে। তার ছেলে ও স্ত্রী ভাত খেতে ডাকলে সে বলে আমি খাবোনা। এর পর তার অস্বাভাবিক আচরণ দেখে জিজ্ঞাসা করলে রফিকুল বলে আমি দুটি গ্যাস ট্যাবলেট খেয়েছি। 

এ কথা শুনে পরিবারের লোকজন সাথে সাথে তাকে রাণীশংকৈল উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে কর্মরত  চিকিৎসক তাকে দিনাজপুর এম এ আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রেফার্ড করেন। দিনাজপুর নিয়ে যাওয়ার পথিমধ্যে রফিকুল মারা যায়। পরদিন সকালে  খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ আরো বলেন, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে ।এ নিয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়।  

আরও খবর



আত্রাইয়ে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:নওগাঁর আত্রাইয়ে পাঁচুপুর ইউনিয় পরিষদের উদ্যোগে এসএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ২২৭জন কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সকালে উপজেলা অডিটোরিয়াম হল রুমে সংবর্ধণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্চিতা বিশ্বাস। পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যার খবিরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ মাহবুবুল হক দুলু, ওসি জহুরুল ইসলাম, অধ্যাপক দ্বীন মোহাম্মদ, অধ্যক্ষ আরিফুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও সঞ্চিতা বিশ্বাস শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রথম হাতিয়ার। এখন থেকেই তোমাদের লক্ষ নির্ধারন করে পড়া চালিয়ে যেতে হবে। উচ্চশিক্ষা মানুষের নৈতিকতা ও মূল্যবোধকে জাগ্রত করে।

অনুষ্ঠানে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও ফুল তুলে দেন।


আরও খবর