Logo
আজঃ রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে? কর্মীদের দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে হবে : প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশকে কত বিলিয়ন অনুদান-ঋণ দেবে চীন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী নাসিরনগরে খুনের মামলার বাদীর এখন দিন কাটছে আতংকে মধুপুরে ক্লিনিং স্যাটারডে কার্যক্রম অনুষ্ঠিত এবার কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বললেন আয়মান সাদিক ভারতে পাচার হওয়া ৫ বাংলাদেশি সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছে শিক্ষার্থীরাই হবে আগামী বাংলাদেশের কর্ণধার: ধর্মমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সামন্ত লাল সেন

দেশে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু টিকার সফল গবেষণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ২৮৩জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :দিন যাচ্ছে আর ভয়ানক হয়ে উঠছে ডেঙ্গু। চলতি বছরেই এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু এবং হাসপাতালে ভর্তি বিগত বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। ডেঙ্গু নিয়ে যখন সারদেশের মানুষ যখন আতঙ্কিত ঠিক তখনই আশার খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)। ডেঙ্গু টিকার গবেষণা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।    

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন দাবি জানিয়েছে আইসিডিডিআরবি। সম্প্রতি দ্য ল্যানসেট ইনফেকশাস ডিজিজেস জার্নালে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউভিএম) লার্নার কলেজ অব মেডিসিনের সঙ্গে আইসিডিডিআরবি পরিচালিত এই যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরনের বিরুদ্ধেই উপযোগী এই টিকা। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘টিভি-০০৫’।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গবেষণায় ব্যবহৃত এক ডোজের ডেঙ্গু টিকা টিভি-০০৫ মূল্যায়ন করে দেখা গেছে যে, এটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রয়োগের জন্য নিরাপদ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সক্ষম।

গবেষকরা জানান, ২০১৫ সালে ডেঙ্গু ইন ঢাকা ইনিশিয়েটিভ (ডিডি) নামক গবেষণাটি শুরু করেন আইসিডিডিআর,বি এবং ইউভিএমের ভ্যাকসিন টেস্টিং সেন্টারের গবেষকরা। এই সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল ডেঙ্গু টিকার উন্নয়নে বাংলাদেশকে সম্পৃক্ত করা। ২০১৫ থেকে ক্লিনিকাল ট্রায়াল, ল্যাবরেটরি পরীক্ষণ অবকাঠামো এবং প্রারম্ভিকভাবে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব অধ্যয়ন সংশ্লিষ্ট গবেষণার জন্য আইসিডিডিআর,বিতে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা তৈরি করা হয়। 

দ্য ল্যানসেট ইনফেকশাস ডিজিজেসে প্রকাশিত এই গবেষণাটি একটি দৈবচয়ন ভিত্তিক এবং ফেজ-২ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। এর মাধ্যমে টিভি-০০৫ টেট্রাভ্যালেন্ট লাইভ-অ্যাটেনুয়েটেড ডেঙ্গু টিকার নিরাপত্তা, ইমিউনোজেনিসিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির সক্ষমতা এবং তিন বছর পর্যন্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার স্থায়িত্বের অবস্থা মূল্যায়ন করা হয়েছে। গবেষকরা ২০১৬ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের (বয়স ১- ৪৯ বছর) ১৯২ জন স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণকারীকে চারটি ভাগে ভাগ করে ৩ঃ১ অনুপাতে টিভি-০০৫ টিকা বা প্লাসিবো প্রদান করেছেন। এরপর তারা পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করেছেন।

এতে আরও বলা হয়েছে, টিকা দেওয়ার পরে বেশিরভাগ স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে চারটি ডেঙ্গুর সেরোটাইপের অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। যারা আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন তাদের অ্যান্টিবডির পরিমাণ বেশি পাওয়া গেছে। যদিও গবেষণাটির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করার জন্য ডিজাইন করা হয়নি। তবে এখন পর্যন্ত টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ডেঙ্গু সংক্রমণের কোনো ঘটনা শনাক্ত করা যায়নি। গবেষণালব্ধ এই ফলগুলো ডেঙ্গুপ্রবণ জনগোষ্ঠীতে ব্যাপকহারে টিভি-০০৫ ডেঙ্গু টিকা ব্যবহারের জন্য উপযোগী করে তোলার পাশাপাশি, তৃতীয় ধাপের কার্যকারিতা ট্রায়াল পরিচালনার জন্য সমর্থন জোগাড় করতে সহায়তা করবে।

জানা গেছে, ২০০৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের (এনআইএইচ) তৈরি ডেঙ্গু টিকার মূল্যায়ন করে আসছে ইউভিএমের ভ্যাকসিন টেস্টিং সেন্টার। ইউভিএম টিমের নেতৃত্বে রয়েছে প্রফেসর বেথ কির্কপ্যাট্রিক। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মেরি ক্লেয়ার ওয়ালশ, ক্রিস্টেন পিয়ার্স, ডোরোথি, শন ডিয়েল ও মারিয়া কারমোলি। তাদের ডেঙ্গু টিকা প্রোগ্রামটি ইউভিএম ভিটিসি এবং এনআইএইচের ভাইরাল ডিজিজেস ল্যাবরেটরির সিনিয়র গবেষক স্টিফেন হোয়াইটহেড (যিনি একজন ভাইরোলজিস্ট এবং টিভি-০০৫ টিকার উদ্ভাবকদের একজন) এবং জনস হপকিন্স স্কুল পাবলিক হেলথের আন্না ডারবিন এমডির সঙ্গে একটি দীর্ঘ পারস্পরিক সহযোগিতার ফসল।

আইসিডিডিআর,বি-র সঙ্গে এই সহযোগিতামূলক কাজের আগে, ইউভিএম ভিটিসি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কয়েক ডজন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা পরিচালনা করেছে, যা মূলত ডেঙ্গু টিকার একক ও টেট্রাভ্যালেন্ট ফর্মুলেশন এবং কনট্রোলড হিউম্যান চ্যালেঞ্জ মডেলের ছিল। আইসিডিডিআর,বি-গবেষকদের মধ্যে প্রধান গবেষক হিসেবে রয়েছেন সিনিয়র বিজ্ঞানী রাশিদুল হক। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মো. শফিউল আলম, সাজিয়া আফরিন ও মো. মাসুদ আলম।

এ বিষয়ে আইসিডিডিআর,বির গবেষক ড. রাশিদুল হক বলেন, একটি কার্যকর এবং টেট্রাভালেন্ট ডেঙ্গু টিকা বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব গুরুতর হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের মানুষের অংশগ্রহণে টিভি-০০৫ টিকার গবেষণা করতে পেরে আমরা গর্বিত। আশা করি আমাদের কাজ ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে একটি কার্যকর টিকা প্রাপ্তির বিষয়টিকে ত্বরান্বিত করবে।


আরও খবর



তানোরের নারায়নপুর স্কুল অনিয়ম দুর্নীতিতে নিমজ্জিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়ন (ইউপির) নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয় অনিয়ম দুর্নীতির আতুর ঘরে  নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশে মাধ্যমিক পর্যায়ের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন বেহাল দশা দেখে যে কেউ শিঁউরে উঠবে। একটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমান কোনো সুযোগ-সুবিধাও এখানে নাই। মাটির টিনের ঘরে পড়ছে পানি,ধসে গেছে দেয়াল। পানি হলেই শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে পারেনা। অথচ কয়েক মাস আগে চারটি নিয়োগ দিয়ে প্রায় ৮০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু তীল পরিমান স্কুলের উন্নয়ন হয়নি। এতে করে দিনের দিন কমতেই আছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ফলে অভিভাবক মহলের দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক স্কুল টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এমনটাই প্রত্যাসা। 

সরেজমিন গত ৩০ জুন রোববার দুপুরে দেখা গেছে, স্কুলে মাত্র ৯জন শিক্ষার্থী রয়েছে, তবে সকল শিক্ষক-কর্মচারী উপস্থিত ছিলো না। স্কুলে কমনরুম নাই, শিক্ষক আছে কম্পিউটার নাই, লাইব্রেরিয়ান আছে লাইব্রেরী নাই, বঙ্গবন্ধু কর্নার ও বিজ্ঞানাগার নাই, মানসম্মত টয়লেট ও নলকুপ নাই, সিমানা প্রাচীর ও খেলার মাঠ নাই, বেড়া-তাঁটির ঝুঁকিপূর্ণ  মাটির ঘরে পড়ানো হচ্ছে।শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পড়ালেখা করছে।

জানা গেছে, বিগত  ১৯৯২ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় রাজনৈতিক নেতার ইচ্ছে পুরুণে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিগত ১৯৯৪ সালে এমপিওভুক্তকরণ করা হয়। স্কুলে শিক্ষক রয়েছে ১২ জন ও কর্মচারী ৫ জন। কম্পিউটার শিক্ষক  নিজেই কম্পিউটার চালাতে পারে না বা দক্ষ নয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তারা দীর্ঘদিন ধরে কম্পিউটার শিক্ষা (হাতে-কলমে) অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তারা বলেন, সরেজমিন তদন্ত করলেই এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে। এছাড়াও স্কুুুলে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস নেয়া হয় না।এঘটনায় এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে স্কুলের বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র তুলে গত বৃহস্প্রতিবার এলাকাবাসি ডাকযোগে স্থানীয় সাংসদ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, কম্পিউটার পরিচালনা করতে না পারলেও সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের  যোগসাজশে বসে বসে সরকারি বেতন-ভাতাসহ  সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছেন শিক্ষক যেটা নীতিমালা পরিপন্থী।সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, নীতিমালায় বলা আছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার শিক্ষককে ওয়েবসাইট তৈরীসহ (অনলাইন)-এর যাবতীয় কাজ করতে হবে।এছাড়াও কম্পিউটার শিক্ষক 

নিয়োগের নীতিমালায় স্পষ্ট বলা আছে সরকার অনুমোদিত চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি {নেকটার}, জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি {নেকটার বগুড়া}, ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি মেহেরপুর, যুবউন্নয়ন অধিদপ্তর {মশরপুর নওগাঁ} এসব প্রতিষ্ঠান থেকে সার্টিফিকেট অর্জনকারীদের এমপিওভুক্ত করা যাবে বলে জানান ডিআইএ কর্মকর্তারা। এক সহকারী শিক্ষক বলেন, শিক্ষক  কম্পিউটার পরিচালনা করতে না পারায় স্কুলের সিংহভাগ  কাজ বাইরে থেকে করতে হয়। এতে একদিকে প্রতিষ্ঠানের যেমন অতিরিক্ত অর্থ খরচ হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি প্রতিষ্ঠানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাইরের মানুষের কাছে চলে যাচ্ছে। তিনি  বলেন, কয়েকটি পদে জনবল নিয়োগ দিয়ে স্কুলের উন্নয়নে ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। কিন্ত্ত একটি টাকারও উন্নয়ন কাজ না করে প্রধান শিক্ষক এসব টাকা নয়ছয় করেছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, 
কম্পিউটার শিক্ষক সব কাজ পারে না এই অভিযোগ সঠিক নয়,তবে স্কুলে কম্পিউটার রুম না থাকায় বাইরে থেকে কাজ করতে হয়, যেটা অনেক স্কুল করে থাকে। আর নিয়োগ কিভাবে হয় কারা দেয় সেটা সবাই জানে নিয়োগে কোনো আর্থিক লেনদেন হয়নি।এবিষয়ে লাইব্রেরিয়ান তৌহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, স্কুলে লাইব্রেরী না থাকলে সেই দায় তো তার নয়।এবিষয়ে স্কুলের সভাপতি কাউসার আলী  বলেন, তিনি নামেই সভাপতি স্কুলের কোনো বিষয়ে তাকে সেইভাবে কিছু জানানো হয় না। এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর



গ্লোবাল কনটেস্টে অংশ নিয়ে চীনে যেতে পারবেন রিয়েলমি ফ্যানরা

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৬৬জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:আকর্ষণীয় এক গ্লোবাল কন্টেস্ট নিয়ে হাজির হলো তরুণদের জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। প্রতিযোগিতায় জয়ী ২০ জনকে দেওয়া হবে চীনের শেনঝেনে রিয়েলমি’র প্রধান কার্যালয় ঘুরে দেখার সুযোগ। আর এই পুরো ভ্রমণে অংশগ্রহণকারীকে খরচ করতে হবে না একটি টাকাও।

এই কন্টেস্টে অংশ নিতে, রিয়েলমি ব্যবহারকারীদের নিজেদের পছন্দের যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রিয়েলমি প্রযুক্তি নিয়ে তাদের সবচেয়ে সুন্দর কোনো মুহুর্তের ঘটনা পোস্ট করতে হবে। এক্ষেত্রে #realmecooltech ও #CoolTechwithrealme হ্যাশট্যাগগুলো ব্যবহার করতে হবে।

এছাড়া, রিয়েলমি ব্র্যান্ডকে ট্যাগ করার পাশাপাশি গ্রাহকদের তিনজন বন্ধুকেও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য নির্বাচিত করতে হবে।

সেরা ২০টি গল্প পোস্ট করা ব্যক্তিরা একদম বিনামূল্যে জিতে নেবেন চীনের শেনঝেনে রিয়েলমি’র প্রধান কার্যালয়ে ভ্রমণের সুযোগ। শহর ঘুরে দেখার সময় বিজয়ীদের আরও একটি বিশেষ ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’ ট্যুরের সুবিধা দেবে রিয়েলমি। আর তা হলো- রিয়েলমি’র গবেষণা ও উন্নয়ন এবং উৎপাদন কার্যক্রমগুলো সরাসরি ঘুরে দেখার সুযোগ।

এর বাইরে, রিয়েলমি ম্যানেজমেন্ট টিমের সঙ্গে কথা বলার অনন্য সুযোগও পাবেন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বিজয়ীরা।

আগামী ০৫ জুলাই, ২০২৪ তারিখের মধ্যে অংশগ্রহণকারীদের গল্পগুলো জমা দিতে হবে।

ভবিষ্যতে গ্রাহকদের জন্য চমৎকার অফার প্রদানের পাশাপাশি আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইন আয়োজন করা চালিয়ে যাবে সকলের প্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে, ভিজিট করুন রিয়েলমি’র ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/realmeBD -এ। 


আরও খবর



মসজিদের টাকা আত্মসাত কারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে মসজিদে সরকারি অনুদানের টাকা আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপির) চকপ্রভুরাম জামে মসজিদে ঘটে রয়েছে এমন ঘটনা। এঘটনায় চকপ্রভুরাম গ্রামের আব্দুস সাত্তার বাদি হয়ে ওয়ার্ড মেম্বার লুৎফর রহমান ও মসজিদ কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন সহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে গত ৩০ জুলাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে ওই মেম্বারের বিরুদ্ধে  হেয়ারিংবন্ড রাস্তা ও মসজিদের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর ইয়াহিয়া নামের এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে এলজিইডি অফিসের এসও শাহিন সালাম তদন্ত আসেন। তারপর থেকেই টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি প্রকাশ পায়। কিন্তু সেই ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে পড়েন মেম্বার সহ তাদের অনুসারীরা। 

অভিযোগে উল্লেখ, গত মাসের ২৮ জুন শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে গ্রামের মাতবর শের শাহ ঘোষণা দেন ২৯ জুন শনিবার এশার নামাজের পরে মসজিদের আয় ব্যয়ের হিসাব নেয়া হবে। সে মোতাবেক শনিবার এশার নামাজ পর ফয়েজের বাড়িতে হিসাব নেয়ার জন্য গ্রামের লোকজন উপস্থিত হন। এসময় মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ শহিদুল মাস্টার ২০২৩ সাল থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত হিসাব দেয়। কিন্তু সরকারি অনুদানের টাকা পাননি বলে অবহিত করেন। এঅবস্থায় মসজিদ কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন উপস্থিত গ্রামবাসী কে জানায় ২০২৩ সালে সরকারি অনুদানের ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ২০২৪ সালে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মেম্বার লুৎফর রহমান সহ আমি উত্তোলন করি। উপস্থিত গ্রামবাসী সেই টাকা চাইলে মোবাইলে মেম্বারের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। মেম্বার তার অনুসারীদের পাঠিয়ে উপস্থিত গ্রামবাসী সহ মাতবরকে গালমন্দ করে উপস্থিত রেজুলেশন খাতা ছিড়ে ফেলে নানা ধরনের হুমকি ধামকি দেন।

মসজিদ কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আগামী রোববার গ্রামে বসে মিমাংসা করা হবে।মেম্বার ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি লুৎফর রহমান বলেন, মসজিদের টাকা আত্মসাত করা হয়নি। তারপরও আমি মসজিদে দেড় লাখ টাকা দিতে চেয়েছি। আপনি হিসাব নিকাশে উপস্থিত না হয়ে পালিয়ে যান জানতে চাইলে তিনি জানান আমি পালায়নি যে অভিযোগ করেছে তারাই পালিয়েছে। 

অভিযোগ কারী আব্দুস সাত্তার বলেন, গ্রামের লোকজন ভোট দিয়ে মেম্বার বানিয়েছেন, মেম্বার হয়ে মসজিদের টাকা আত্মসাত করছেন। এর চেয়ে লজ্জার আরকি হতে পারে। আমিসহ গ্রামবাসীর দাবি অভিযোগ টি আমলে নিয়ে মেম্বারসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। যাতে করে মসজিদ বা আল্লাহর ঘরের টাকা আত্মসাত করতে কেউ সাহস না পায়।
থানার এসআই মজিবুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে গিয়ে মেম্বার সহ গ্রামের লোকজন বসে মিমাংসা করবে বলেছে এবং আগামী রবিবার ও সোমবার পর্যন্ত সময় নিয়েছেন। 

আরও খবর



মধুপুরের এক মাদকসেবীকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | ১৭১জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ-

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন আউশনারা গ্রামে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শান্তি বিনষ্টের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এক মাদকসেবিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।সোমবার (২৪জুন) বিকাল ৪টার দিকে আউশনারা গ্রামে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শান্তি বিনষ্টের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্তকে সহিংস অবস্থায় দেখা যায় এবং তল্লাশিঅন্তে তার কাছে গাঁজার পুরিয়া পাওয়া যায়।


অভিযুক্তকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ (একশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন মধুপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া। তিনি যোগদান করেই মধুপুরে মাদক নিয়ন্ত্রণে এক বিশাল ভুমিকা রাখলেন। তার এই সাহসী ভুমিকার কারণে মধুপুর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, এমন পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে মাদক বিক্রি এবং মাদক সেবন উভয়ই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে।এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেছেন  মধুপুর থানার চৌকস পুলিশের একটি দল।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৭৩জন দেখেছেন

Image

মোঃআবু কাওছার মিঠু রুপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ- নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কাঞ্চন পৌরসভার নির্বাচনে মোবাইল ফোন মার্কা প্রতীকের প্রচার প্রচারণা জমে উঠেছে ব্যাপকভাবে। এদিকে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন মেয়র প্রার্থী রফিক জগ মার্কা ও মেয়র প্রার্থী দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা মোবাইল ফোন মার্কায়। তারই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগের মনোনীত মোবাইল ফোন মার্কার মেয়র প্রার্থী দেওয়ান আবুল বাশার বাদশার পক্ষে গতকাল বিকাল ৩ টার দিকে রুপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী এইচ এম ইমরান হোসেন উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কুশাব, নলিরটেক, নলপাথর এলাকায় কয়েকশ নেতা কর্মী নিয়ে কাঞ্চন পৌরসভার সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে মোবাইল ফোন প্রতীক মার্কায় তাদের মূল্যবান ভোট চেয়ে গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণাসহ লিফলেট বিতরণ করেন। 


পরে কাঞ্চন পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের ভোটারদের উদ্দেশ্যে রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী এইচ এম ইমরান হোসেন বলেন, রূপগঞ্জ আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী দেওয়ান আবুল বাসার বাদশাকে যদি আপনারা মোবাইল মার্কা প্রতীকে আপাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন তা হলে আপনাদের কাঞ্চন পৌরসভার যে কাজগুলো স্থগিত রয়েছে সে কাজগুলো দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা সম্পূর্ণ করবে এবং আপনারা কাঞ্চনবাসীরা সুখে-দুখে যেকোনো সময় কাছে পাবেন দেওয়ান আবুল বাশার বাদশাকে।


তাই আপনারা কাঞ্চন পৌরসভা বাসি সবাই দেওয়ান আবুল বাসার বাদসাকে মোবাইল ফোন মার্কা প্রতীকে আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আপনাদের কাঞ্চনবাসীর কাজ করার সুযোগ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ।

      -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর