Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

যশোরে ৬ চোরা মোটরসাইকেল সহ আন্ত:জেলা চোর চক্রের পাঁচ সদস্য আটক

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৪২জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি :যশোরে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে আন্ত: জেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬টি চোরাই মোটরসাইকেল ও একটি মাস্টার চাবি উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার চিংড়ি খালি গ্রামের মজিদ সরকারের ছেলে ও উপশহর এ ব্লক এলাকার বাসিন্দা আল আমিন সরদার ওরফে আলমগীর, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামড়হুদা ইব্রাহিমপুর গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে সাগর আহম্মেদ নিলু ওরফে রাসেল, আলমডাঙ্গা উপজেলার গৌড়িহাদ গ্রামের মৃত আলউদ্দিন বাবুলের ছেলে শুভ, কান্তপুর গ্রামের মইনুল হকের ছেলে সেলিম রেজা ও কুষ্টিয়া দৌলতপুর জোয়াদ্দারপাড়ার মৃত জাকের মালিখার ছেলে আইয়ুব আলী
মালিখা।

ডিবির ওসি রুপন কুমার সরকার জানান, গত পহেলা আগস্ট যশোর সদর ‍উপজেলার গাজীর দরগাহ তেঘরিয়া গ্রামের জাহিদুল ইসলামের বাড়ি থেকে একটি পালসার মোটরসাইকেল চুরি হয়। যার একটি অভিযোগ আসে ডিবির কাছে। পরে বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে এলআইসি টিম। তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় পুলিশ এ ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে উপশহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে আল আমিনকে আটক করে। পরে তার কাছেথেকে একটি মোটরসাইকেল ও চুরির কাজে ব্যবহৃত মাস্টার চাবি উদ্ধার করা হয়। পরে আল আমিনের দেয়া তথ্যে কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় অভিযান চালায় ডিবির টিম।  পরবর্তিতে ওই চারজনকে আটক করা হয় একই সাথে আরও পাঁচটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। অভিযানে অংশ নেন এসআই আরিফ হোসেন এসআই রাজেশ দাশ দ্বয়, আব্দুল বাতেন সহঅন্যরা।

ডিবি আরও জানায়, আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। তারা চিহ্নিত চোর। এ ঘটনা মামলা হয়েছে।


আরও খবর



দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সব সময় অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ, কালিয়াকৈর:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের ১৭ কোটি মানুষের দেশ। কাজেই এই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা, আর্থসামাজিক উন্নতি করা এবং তাদের নিরাপত্তা বিধান করা এটাই আমাদের কাজ। সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মাদক এর হাত থেকে আমরা দেশকে রক্ষা করতে চাই। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান সব সময় অব্যাহত থাকবে। কাজেই সেদিকে লক্ষ রেখেই আমাদের আনসার বাহিনীর ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছেন এবং আগামীতেও করে যাবেন। তিনি সোমবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৪তম জাতীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সম্মৃদ্ধ খুধা দারিদ্র মুক্ত স্মার্ট সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবের স্বপ্ন আমরা পুরণ করবো। সেই সাথে সাথে ডেটা প্লান্ট ২ হাজার ১০০ তৈরি করে দিয়েছি। জলবায়ু অধিকার থেকে এই বদ্বীপ যাতে রক্ষা পায় প্রতি অঞ্চল অথ্যাৎ গ্রাম পর্যায় মানুষ যেন সুরক্ষিত থাকে, উন্নত জীবন পায় এবং প্রত্যেকে যেন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে আমাদের তরুণ সমাজ তারাই হবে স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নাগরিক স্মার্ট সৈনিক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই, আমাদের দেশ এগিয়ে যাক। আজকে আমরা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছি। সবচেয়ে বড় কথা হলো সাধারন মানুষের মধ্যে একটা আত্ববিশ^াস গড়ে উঠেছে। যেটা আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল। আত্ব বিশ^াস ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। আর সেটা আমরা আজকে করতে পেরেছি। যেকোনো অবস্থার মোকাবেলা করার মতো আমাদের সেই সক্ষমতা আছে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকটা গ্রামকে আমরা নিরাপদ করতে চাই। আমাদের গ্রামগুলোও স্মার্ট গ্রাম হিসেবে গড়ে উঠবে। সেখানে কোনো মানুষ দারিদ্র থাকবে না, কোনো মানুষ ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না। আমি ইতিমধ্যেই ভূমিহীন-গৃহনীন মানুষকে ঘর করে দিয়েছি। আমরা সেভাবে প্রত্যেকটা মানুষের জীবনযাপন উদযাপন এবং সুন্দরভাবে এগিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে আনসার বাহিনীকে আহবান করা হয় এবং তারা দায়িত্ব পালন করে। এখন বিভিন্ন দূতাবাস থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ বাহিনী অত্যান্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, যখন সেই ২০১৩ সাল, ২০১৪ সাল ও ২০২৩ সালেও অগ্নিসংস্ত্রাস, রেলে আগুন, রেললাইন কেটে ফেলে দেওয়া, মানুষকে হত্যা করাসহ বিএনপি জামায়াত জোট যে ধংবসাংক্তক কাজ করেছিল। সেখান থেকেও এ বাহিনী অত্যান্ত দক্ষতার সাথে রক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমরা আমাদের স্বাধীনতা পেয়েছি। ১৯৭১ সালে ২৬শে মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা দেন। তারপর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর মজিবনগরে স্বাধীন গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে মূখ্য রাষ্ট্রপতি ও তাজউদ্দিন আহমদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় আজকের যেটা মেহেরপুর সেখানে এই সরকার প্রথম শপথ গ্রহণ করে। আনসার বাহিনীর সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। জাতির পিতার ডাকে সারা দিয়ে হাজার হাজার আনসার বাহিনী তাদের হাতে যা কিছু ছিল সব নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন।

তিনি বলেন, প্রায় ৬১ লক্ষ সদস্য বিশিষ্ট আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহনীতে দুটি মহিলা ব্যাটালিয়ন একটি বিশেয়িত আনসার গ্রাম ব্যাটালিয়ন ৪২টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে। এখানে ১৬টি ব্যাটালিয়ন সদস্যরা পার্বতী এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা উত্তরণে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কত কষ্ট পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এখানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই আহত হয়েছেন অথবা শহীদ হয়েছেন। আমি তাদের কথাও স্বরণ করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যখন ১৯৯৬ সাল থেকে সরকারে এসেছি তখন থেকে আনসার বাহিনীর উন্নয়নের বিভিন্ন প্রদক্ষেপ নিয়েছি। আজকে এ বাহিনী শুধু দেশে নয় বিদেশে সব জায়গায় সুনাম অর্জন করে যাচ্ছে। এ বাহিনী গ্রাম পর্যায়েও কাজ করে থাকেন। আমরা গ্রাম উন্নয়নেও বিভিন্ন প্রদক্ষেপ নিয়েছি। আমার গ্রাম আমার শহর, আমার বাড়ি আমার খামারসহ বিভিন্ন কর্মসূচী প্রতিটি ক্ষেত্রে আনসার বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন কার্যক্রলাপ পরিচালনা করে যাচ্ছেন। তাছাড়া দুর্যোগ ও বিপাকে আনসার বাহিনী নেমে আসে এবং সহযোগিতা করে। কখনো ঝড়, বন্যা, ঘুর্ণিঝড়সহ যেকোনো দুর্যোগ প্রবল ঘটনা ঘটলে এ বাহিনী অত্যান্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যান।

আনসার বাহিনীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে আমরা পুরাতন আইন পরিবর্তন করে নতুন আইন করেছি। আনসার ব্যাটালিয়ন আইন ২০২৩ ইতিমধ্যে আমরা পাশ করে দিয়েছি। এতে করে অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের মতো প্রথম দিন থেকেই স্থায়ী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছি। এর পূর্বে আনসারদের স্থায়ী হতো না। আমি ১৯৯৬ সাল থেকে পর্যায়ক্রমভাবে এই স্থায়ী হওয়ার কাজ শুরু করি। এখন নতুন আইনে সেই সুবিধা করে দিয়েছি। উপজেলা আনসার কোম্পানী কমান্ডার, ইউনিয়ন প্লাটো কমান্ডার, ইউনিয়ন দলনেতা, ইউনিয়ন দলনেত্রীদের আইডি কার্ড প্রদান এবং বার্ষিক সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া আনসার সদস্যদের ভাতা বৃদ্ধি ও রেশম সামগ্রী উপকরণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নারী বিজিবি সদস্যদের মতো অত্যান্ত আধুনিক ডিজাইনের নতুন শাড়িও আমি প্রবর্তন করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আজকে আমরা বিশেষ করে ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর সরকার গঠন করি। দেশ পরিচালনা করে আজকে বাংলাদেশকে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় নিয়ে এসেছি। ২০২৬ সাল থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের যাত্রা শুরু হবে। তবে আমাদের আরো আন্তরিকতার সাথে কাজ করে এগিয়ে যেতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে যে স্মার্ট বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলবো। আমরা চাই আমাদের প্রত্যেকটা বাহিনী বিশেষ করে আনসার বাহিনীও সে স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে। দেশের উন্নয়নের সাথে একাত্ব হয়ে কাজ করে যাবে।

তিনি আনসার ভিডিপি সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি আপনাদের বলবো আপনাদের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবেন। সকলকে কঠোর ভাবে পরিশ্রম ও সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে। দেশের সর্ববৃহৎ বাহিনী হিসেবে আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন। জন নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে যেকোনো অশুভ তৎপরতা তা মোকাবেলা করতে হবে। সততা ও আন্তরিকতার সাথে আপনারা সেটা রুখে দাঁড়াবেন। জনগণ এবং বিনিয়োগের নিরাপত্তা, শান্তি পরিবেশ ধরে রাখা এটা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পূর্ব শর্ত স্থিতিশীল রাজনৈতিক অবস্থা ও অর্থনৈতিক পরিবেশ এবং গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা। কাজেই সেই পরিবেশ ধরে রাখার জন্য সকলকে আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ¦ এ্যাড. আ. ক. ম মোজাম্মেল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সিনিয়র সচিব, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, বিপিএএ, বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, পিএইচডি, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: নাজিম উদ্দিন, আনসার ও ভিডিপি একাডেমির কমান্ড্যান্ট মোঃ নূরুল হাসান ফরিদী, বাহিনীর উপমহাপরিচালকবৃন্দ, অন্যান্য কর্মকর্তা ও আনসার- ভিডিপি সদস্যবৃন্দ। এছাড়াও মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধান, সিনিয়র সচিববৃন্দসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানগণ, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ এবং আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দ।


আরও খবর



প্রবাসী স্বজন ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image

আজিজুল হক,মৌলভীবাজার থেকে:প্রবাসী স্বজন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ১২ দফা দাবি অবশ্যই যৌক্তিক, তবে এসব দাবি পূরণে বাংলাদেশ সরকার কাজ করছেন, এরই মধ্যে প্রবাসীদের অনেক দাবি পূরণও হয়েছে।

প্রবাসী স্বজন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে এসব কথা বলছিলেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিছবাহুর রহমান।

সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মৌলভীবাজার সদরের মামার বাড়ি রেস্তোরাঁয় আয়োজন করা হয় ওই আলোচনা সভা।

প্রবাসী স্বজন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে ও প্রধান উপদেষ্টা মুরাদুল হক চৌধুরীর সর্বাত্বক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম ইসলাম শেফুল।

সাধারণ সম্পাদক এস এম মেহেদী হাসানের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিছবাহুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ফজলুর রহমান, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ জেলার ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, প্রবাসী স্বজন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উপদেষ্টা আ হ জুবেদ প্রমুখ।

বক্তব্য রাখেন, সিলেট বিভাগ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ কুয়েতের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু সাইদ কুতুব উদ্দিন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা নুরে আলম জিকো, যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা এম এ কাইয়ূম তালুকদার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সারোয়ার আহমদ, মৌলভীবাজার জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সভাপতি জাফর ইকবাল, মনুকূল কাগজ প্রতিদিন এর সম্পাদক মোস্তাক চৌধুরী, মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব এর সভাপতি মাহমুদুর রহমান, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহিন আহমদসহ আরো অনেকে।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা আ হ জুবেদ,এসময় প্রবাসী এ সংগঠক প্রবাসীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১২ দফা দাবি তুলে ধরেন যথাক্রমে, 

১- প্রবাসে মারা যাওয়া সব বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনতে হবে।

২- প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রবাস থেকে ভোট প্রদানের সুযোগ।

৩- বিমানবন্দরে প্রবাসী হয়রানি বন্ধ।

৪- প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগ।

৫- প্রবাসী নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন ।

৬- জাতীয় বাজেটে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ ।

৭- বিদেশে কাগজপত্রবিহীন প্রবাসীদের বৈধকরণে সরকারের সহযোগিতা।

৮- বিদেশে প্রবাসীদের জন্য পর্যাপ্ত বাংলাদেশি দূতাবাস ও শ্রমকল্যাণ উইং স্থাপন।

৯- প্রবাসীদের প্রবাসী পেনশন স্কিম এর আওতাভুক্ত করতে হবে, নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা ছাড়া।

১০- সরকার কর্তৃক ঘোষিত ৫ শতাংশ প্রণোদনা বাস্তবায়ন।

১১- দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে হবে।

১২- অভিবাসন ব্যয় ১ লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ও প্রবাস ফেরতদের কর্মসংস্থান, সুদমুক্ত পর্যাপ্ত ঋণ সুবিধা দেওয়া।

মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ফজলুর রহমান বলেন,তিনি প্রবাসী ও প্রবাসীদের স্বজনদের কল্যাণে বরাবরই কাজ করে যাচ্ছেন, যখনই কোনো প্রবাসী তার কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন; তখনই সাধ্যমত কাজ করেছেন। ভবিষ্যতেও মৌলভীবাজার সদরের প্রবাসীরা কিংবা তাদের পরিবার গুলো যদি কোনো কারণে প্রয়োজন মনে করেন; তাহলে যেনো  তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন, বলেন পৌর মেয়র ফজলুর রহমান।    

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ জেলার ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রবাসীদের কল্যাণে বাংলাদেশ সরকার আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে আরো ভালো কাজ করছেন।

আয়োজক সংগঠনের ১২ দফা দাবির বিষয়ে জ্যেষ্ঠ এ কর্মকর্তা বলেন, নিঃসন্দেহে এই দাবি গুলো যৌক্তিক। তবে সরকার এসব দাবির অনেক গুলো পূরণ করেছেন, বাকি দাবি গুলো নিশ্চয় ক্রমান্বয়ে পূরণ করা হবে। 

তিনি বলেন, বিদেশে যাওয়ার আগে বাংলাদেশি নাগরিকরা যেনো অভিবাসন নিয়ম গুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করেন। এতে যেকোনো দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা গিয়ে সমস্যাগ্রস্থ হলে; তাঁকে সহযোগিতা করে থাকে বাংলাদেশ সরকার।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী স্বজন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ দেওয়া হয় ভুল চিকিৎসার শিকার কমলগঞ্জ উপজেলার ১০ বছর বয়সী এক অসহায় তরুণীকে।

পরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অকৃত্রিম বন্ধু, জনদরদি প্রবাসী নেতা হিসেবে পরিচিত, জালালাবাদ এসোসিয়েশন কুয়েতের সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ কমিউনিটি কুয়েতের আহ্বায়ক,প্রবাসী স্বজন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য মুরাদুল হক চৌধুরীকে প্রবাসীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিরলসভাবে কাজ করায় বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী - পেশার শতাধিক লোকজন ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে ছুটিতে আসা প্রবাসীরা যোগ দেন। 


আরও খবর



মিরসরাইয়ে ব্রাদার্স এলিভেন প্রিমিয়ার লীগের চ্যাম্পিয়ন ব্রাদার্স ডাইনামাইটস

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৪০জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:মিরসরাইয়ে ব্রাদার্স এলিভেন প্রিমিয়ার লীগের ১ম আসরের ফাইনাল সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার বিকেলে হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নিমতলা ব্রাদার্স এলিভেন স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল ব্রাদার্স এলিভেন প্রিমিয়ার লীগের উদ্যোক্তা শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে এবং রায়হান আল ফারুক ও জিয়াউল হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও এফ.আই.কে প্রোপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম খাঁন সিআইপি'র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এফ.আই.কে প্রোপার্টিজ লিমিটেডের ম্যানেজার দীন মোহাম্মদ, জিয়া উদ্দিন বাবলু, মোহাম্মদ আলী।
এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনা সদস্য মাঈন উদ্দিন, স্বপন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগ্রত প্রতিভার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আকতার হোসেন প্রমুখ।  

ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে ব্রাদার্স ডাইনামাইটস বনাম ব্রাদার্স ওয়ারিয়র। ব্রাদার্স ডাইনামাইটস টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৮৭ রানের টার্গেটের ফলাফলে ব্রাদার্স ডাইনামাইটস ১৫ রানে জয়লাভ করে। ম্যান অব দ্য ফাইনাল নির্বাচিত হয় বিজয়ীদলের সৈকত, ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হয় ব্রাদার্স ওয়ারিয়র্সের সোহরাব উদ্দিন সোহান, সেরা ব্যাটসম্যান ব্রাদার্স ডাইনামাইটসের আরাফাত, সেরা উইকেটরক্ষক ব্রাদার্স ওয়ারিয়র্সের আরিফ এলাহী, সেরা দর্শক রাসেল ইকবাল।

ফাইনাল খেলা পরিচালনা করেন মিঠুন নাথ, কাজী মিনহাজ উদ্দিন, রাহুল পালিত। ধারাভাষ্যে ছিলেন ফজলুল করিম। প্রিমিয়ার লীগের সদস্য সচিব ছিলেন কাজী মেহেদী হাসান ও প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মামুনুর রশীদ। ফাইনাল খেলার পৃষ্ঠপোষক ও সার্বিক সহযোগীতা করেনপ্রবাসী কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও এফ.আই.কে প্রোপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম খাঁন সিআইপি।

ব্রাদার্স এলিভেন প্রিমিয়ার লীগের আহবায়ক ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন জানান, যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে সামাজিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসার জন্য এবং মিরসরাইয়ের ক্রীড়াকে এগিয়ে নিতে অভিযান হিসেবে ১ম বারের মতো এই টুর্নামেন্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অজপাড়া গাঁ থেকে উদ্যমী ও ভালো মানের খেলোয়াড় বাছাই করার জন্য এই প্রয়াস।

প্রসঙ্গত, গত ৯ ফেব্রুয়ারী উক্ত প্রিমিয়ার লীগের উদ্বোধন হয়ে লীগ পদ্ধতিতে ম্যাচগুলো টানা চলছিল।


আরও খবর



মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. সাইফুল ইসলাম(২৪),নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

শনিবার (১০ফেব্রুয়ারি)রাত সাড়ে ১০টার  দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  মাটিরাঙ্গা থানার একটি চৌকস আভিযানিক দল  মাটিরাঙ্গা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে  মাটিরাঙ্গা থানাধীন মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডস্থ মাটিরাঙ্গা কোয়ার্টার পাড়া টু মাটিরাঙ্গা গার্লস স্কুল গামী কাচা রাস্তা সংলগ্ন জনৈক মো. ইউনুস আলীর বসত বাড়ির সামনে রাস্তার উপর হতে  ৩৩  পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. সাইফুল ইসলাম(২৪),কেগ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী- মো. সাইফুল ইসলাম (২৪),মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৪নং পৌর ওয়ার্ড আদর্শগ্রাম  এলাকার বাসিন্দা মো. নুরুল ইসলাম এর ছেলে।গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করে আসামীকে বিধি মোতাবেক  বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।


আরও খবর



ডলার সংকট নেই, রপ্তানি আয়ও কমেনি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ডলারের সংকট এখন ঠিক সেরকম নেই, রপ্তানি আয়ও খুব একটা কমেনি, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । দেশের অবস্থা অতোটা খারাপ নয়। সরকার সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে আমরা মনিটরিং বাড়িয়েছি। অনেক ক্ষেত্রে যতটা প্রয়োজন নয়, তার চেয়ে বেশি দিয়েও অনেকেই এলসি খুলে, কিন্তু ওই টাকাটা ফেরত আসে না। এ কারণে সরকার পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ব্লুমবার্গের মূল্য তালিকা দেখে, তা মনিটর করে এলসি খুলতে দেয়।

বিরোধী দলের চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস পরবর্তী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞায় পড়ে গেলাম। ফলে আমাদের কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমাদের কিছু খরচের ব্যাপারে মিতব্যয়ী হতে হয়েছে, কিছুটা সংকুচিত করতে হয়েছে।

রপ্তানি আয় খুব একটা কমেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব দেশে আমরা রপ্তানি করি, এমনকি যেগুলো খুব ধনী দেশ, তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে, বাজার সংকুচিত হয়েছে, সেখানে অর্ডার কমেছে। অর্থনৈতিকভাবে তারা খুব চাপে আছে, তাদের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তারই ফলে হয়তো কিছুটা কমেছে।’ তিনি বলেন, ‘রপ্তানি আয় বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিকল্প বাজার খুঁজে বেড়ানো, রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে ব্যবস্থা নিয়েছি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কৃষক যথাযথ উৎপাদিত পণ্যের মূল্য না পেলে সমস্যা হবে। মূল্য বাড়লে নির্দিষ্ট আয়ের মানুষ কষ্ট পাবে।

আওয়ামী লীগের সদস্য মো. আবদুল্লাহের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ করতে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা গত বছর ২৮ অক্টোবর থেকে সহিংস কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশে ৬ শতাধিক যানবাহনে ভাঙচুর করেছে। এরমধ্যে ১৮৪টি যাত্রীবাহী বাস, ৪৮টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ড ভ্যান, মালবাহী লরি ও কনটেইনার, ৩টি সিএনজি, ৪টি প্রাইভেট কার এবং ১১টি পিক আপ ভ্যান রয়েছে। এ ছাড়া সর্বমোট ৩২৮টি যানবাহন ও প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এরমধ্যে একটি বৌদ্ধ মন্দির (রাম-কক্সবাজাব, ৫টি ট্রেন, একটি নৌকা, ১৫টি মোটর সাইকেল, ৩টি লেগুনা, একটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস (মধ্যরামপুরা, ফেনী) এবং একটি অটোরিকশা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘ওই সময়ে নাশকতার ঘটনার ১৩ জন নিহত হয়েছে। অগ্নি-সন্ত্রাস, নাশকতা, অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড প্রভৃতি অপরাধে জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য দেশে দক্ষ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, বিচার ব্যবস্থা ও প্রচলিত আইন রয়েছে। হরতাল ও অবরোধের নামে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বিভিন্ন আইনী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো আহত হরতাল-অবরোধে ড্রাইভার, হেলপার, পুলিশ, বিজিবি, শ্রমিক, মুক্তিযোদ্ধাসহ বহু লোক নিহত, আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করিয়াছে এবং বিএনপি ক্যাডাররা অসংখ্য যানবাহন জ্বালিয়ে দিয়েছে।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য আলী আজমের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ায় গত ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৮টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এছাড়া ২৫টি আন্তর্জাতিক সংস্থা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের ৪১টি দেশ থেকে ১২৬ জন পর্যবেক্ষক দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে বাংলাদেশে আসেন। সরকারিভাবে ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ৪৫ জন এবং স্বাধীনভাবে ৭৯ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক এ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের ১৮ জন নির্বাচন কমিশনার ও তাদের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন। নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৮৪টি সংস্থার ২০ হাজার ৭৭৩ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন।’

প্রধানমন্ত্রী আলী আজমের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘সংবিধানের আলোকে গণতন্ত্র ও জনমানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকারাবদ্ধ। পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ন্যায় বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও আইনের মাধ্যমে একটি কার্যকর নির্বাচন কমিশনে পরিণত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন। কারণ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর ২০০৯ সালে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে সব প্রশাসনিক, আর্থিক, আইনি, রেগুলেটরি ও লেজিসলেটিভ এবং নীতি প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর