Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

যশোরে সড়ক দূঘর্টনায় পিতা পুত্রসহ ৩ জন নিহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মে 2০২3 | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৪৩জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান : যশোরের কেশবপুর-চুকনগর মহাসড়কের বুজতলা নামক স্থানে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে পিতা পুত্রসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার রাত ৮টার
দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বেতগ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে জাহাঙ্গীর জোয়ার্দার (৪৫) ও তার ছেলে মোস্তাইন (১২), একই উপজেলার মালঞ্চী গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে মোস্তফা (২২)।

কেশবপুর থানার ওসি মফিজুল ইসলাম জানান, রাত ৮টার দিকে যশোরের কেশবপুর-চুকনগর মহাসড়কের বুজতলা নামক স্থানে দুই মোটরসাইকেলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে দুইজনের মৃত্যু হয়। আরেকজনকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে পিতাপুত্র রয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিনজনের লাশ কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




আমাদের শিশুরাও পিছিয়ে থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্ব প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের শিশুরাও পিছিয়ে থাকবে না। আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান দিয়ে আমরা তাদের গড়ে তুলব,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 

মঙ্গলবার (৪ জুন) প্রধানমন্ত্রী বিকেলে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতির পিতার ৯৯তম, শততম, ১০১তম, ১০২তম, ১০৩তম এবং ১০৪তম জন্মবার্ষিকীর প্রতিযোগিতার বিজয়ী ৩০৪ প্রতিযোগীর মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ২০০৮ সালে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ব। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি। এখন আমাদের ঘোষণা হলো, ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। সেজন্য আমরা স্কুলে স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব করে দিয়েছি, কম্পিউটার ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার করে দেওয়া হয়েছে। যেখানে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি তথা ডিজিটাল সিস্টেমের প্রসার আমরা ঘটাচ্ছি। প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে আমাদের ছেলে-মেয়েরা পিছিয়ে থাকবে কেন? তাদেরও সেভাবে একটি আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন জাতি হিসেবে গড়ে তুলব। আর ২০৪১-এর যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’, আজকের শিশু ও তরুণরাই হবে সেই স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার।

তিনি বলেন, তোমরাই বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেভাবেই আমরা দেশকে গড়তে চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার শিশুদের সুরক্ষায় অনেক আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত বিনামূল্য পাঠ্যপুস্তক প্রদান করছে। বৃত্তি-উপবৃত্তি দিচ্ছে, উচ্চ শিক্ষায় বৃত্তি দিচ্ছে। বিভিন্ন জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফ্যাশন ডিজাইন, অ্যারোস্পেস, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে বিভিন্ন বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছে। পাশাপাশি বিভাগীয় পর্যায়ে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠারও উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের গৃহীত এসব পদক্ষেপের ফলে আজ স্বাক্ষরতার হার, যা ২০০৬ সালে মাত্র ৪৫ ভাগ ছিল, বর্তমানে ৭৬ দশমিক ৮ ভাগে উন্নীত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান এবং দুঃস্থদের সহায়তার জন্য তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করেছি।

তিনি এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত সেই ধানমন্ডির বাড়ি, যেখান থেকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল, সেটিকে জাদুঘরে পরিণত করেছেন উল্লেখ করে বলেন, শেখ মুজিব তো জনগণের ছিলেন। কাজেই ওই বাড়ির ওপর এখন আমাদের অধিকার নেই। সেখানে মানুষের অধিকার। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদানের একটি হলোগ্রামও করা হয়েছে। বাড়িটিতে সেই স্মৃতি ধরে রাখার চেষ্টা হয়েছে যেখান থেকে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, বসবাস করেছেন এবং শেষে সপরিবারে তাকে নির্মমভাবে হত্যাও করা হয়েছিল। কাজেই সেই বাড়ি আমরা দু’বোন ব্যবহার করব না, এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতি ও বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হাশেম খান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।


আরও খবর



জাতীয় ঈদগাহে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৫৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবারের ঈদ জামাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে,বলেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান। ঈদকেন্দ্রিক সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই। তবে সবকিছু মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে।

রোববার (১৬ জুন) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সারাদেশের মতো ঢাকা মহানগরীতেও যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ জামাতে রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা নামাজ আদায় করবেন। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পাঁচটি জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে সব জামাতের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য পার্কিং ও ডাইভারশন থাকবে। পোশাকধারী পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পেট্রলিং, সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিংসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাবের পেট্রোল টিম দায়িত্ব পালন করবে। আশা করি ঈদের জামাত সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সারাশহরে প্রায় ২৫ লাখ পশু কোরবানি হবে। পশু কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে যে ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে, নগরবাসীকে সেই নিয়মকানুন মেনে চলার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। বর্জ্য অপসারণে সিটি কর্পোরেশনকে সহায়তা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, চামড়া ব্যবস্থাপনার জন্য এবার সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে সেখানে কাজ করবে। কোনোভাবে যাতে চামড়া পাচার হতে না পারে, দালাল ফড়িয়া চক্র যাতে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব থানা কেন্দ্রিক সেই ব্যবস্থাপনা থাকবে। যে কেউ এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে আমরা তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানাচ্ছি। যারা ঈদের জামাতে নামাজ পড়তে আসবেন তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, আপনার কোনো ধরনের দাহ্য বস্তু, বিস্ফোরক জাতীয় বস্তু ও ধারালো কিছু নিয়ে আসবেন না। বাংলাদেশের চামড়া প্রসেসিং এলাকা ঢাকা জেলার সাভারে। ঢাকাকেন্দ্রিক যে চামড়া সেগুলো কালই সেখানে যাবে। আর ঢাকার বাইরেরগুলো সাত দিনের মধ্যে সেখানে আসবে। এ কাজ যাতে সুন্দরভাবে করা হয়, সেজন্য ডিএমপি সহায়তা করবে।

চাঁদাবাজির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা এরইমধ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি, অনেককেই গ্রেপ্তার করেছি। পরে এ ধরনের কাজ যারা করবেন, তারা সতর্ক হবেন এবং ভবিষ্যতে এসব থেকে তারা নিবৃত থাকবেন। আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। আমরা সব সময় সর্বাত্মক এবং সর্বোচ্চ ব্যবস্থাটাই নিয়ে থাকি। এবারও সেটি করা হয়েছে। জঙ্গি হামলার সুনির্দিষ্ট কোনো থ্রেট নেই, তারপরেও আমরা সবকিছু মাথায় রেখেই আমাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজিয়েছি।


আরও খবর



গাজায় গনহত্যা বন্ধ ও ফিলিস্তিন মুক্ত করার দাবিতে সমাবেশ প্রতিবাদ মিছিল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইসরাইলি আগ্রাসন রুখে দাঁড়াও" শ্লোগানকে সামনে রেখে গণকমিটি মাগুরা জেলা শাখার উদ্যোগে  মঙ্গলবার ৪ জুন সকাল ১০টায় নোমানী ময়দানের সেগুনবাগিচায় ফিলিস্তিন সংহতি সমাবেশ, প্রতিবাদী মিছিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। 

গণকমিটি মাগুরা জেলার আহ্বায়ক এটিএম মহব্বত আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসুর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণকমিটি মাগুরা জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নজরুল ইসলাম ফিরোজ, যুগ্ম আহ্বায়ক এটিএম আনিসুর রহমান, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী মাগুরা জেলা শাখার সভাপতি বিকাশ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন মাগুরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রূপক আইচ। সমাবেশ শেষে সুর সপ্তক, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, লালন একাডেমি, লালন ঘর, লোক সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র প্রতিবাদী গণসঙ্গীত পরিবেশন করে। 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৯৪৮ সাল থেকে প্রতিদিন ফিলিস্তিনের জনগণের জীবন, সম্পদ, জমি কেড়ে নেওয়া, অধিকৃত অঞ্চলে নতুন নতুন ইসরায়েলি বসতি স্থাপন করার ফলশ্রুতিতে ফিলিস্তিনের জনগণ আজ নিজ দেশে পরবাসী হয়ে পড়েছে। আর এবার বিগত ৭ মাস ধরে ফিলিস্তিনের উপর ইসরায়েলী নৃশংস গণহত্যা অব্যাহত রয়েছে। এই হামলায় ইতিমধ্যে ৪২ হাজারের উপর মানুষের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছে ৭০ হাজারের অধিক মানুষ। নিহতদের মধ্যে রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার শিশু। এই ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যেও হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আশ্রয়কেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। দেখা দিয়েছে তীব্র খাবার, ওষুধ, বিশুদ্ধ পানির সংকট। 

বক্তাগণ আরও বলেন, যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতা ও মুক্তিকামী মানুষের আন্দোলনের মুখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শান্তি আলোচনার প্রস্তাব করা হচ্ছে। কিন্তু ইসরাইল যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাবে রাজি হয়নি। বর্তমানে ও রাফা এলাকায় ইসরাইলি আগ্রাসনে ৬০ জন ফিলিস্তিনি নিহতের ঘটনা ঘটেছে।  খোদ তেল আবিবে যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে হাজার হাজার মানুষের মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এখন বিশ্বব্যাপী আন্দোলন-ই পারে ইসরাইলকে যুদ্ধ বিরতিতে বাধ্য করতে। 

সমাবেশ থেকে শ্লোগান উচ্চারিত হয়; গাজায় গণহত্যা বন্ধ কর, ফিলিস্তিন মুক্ত কর; মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ, ইসরাইলি জায়নবাদ ধ্বংস হোক নিপাত যাক । 

আরও খবর



সিয়ামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১১৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় মো. সিয়াম হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হক তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

সোমবার (৩ জুন) আদালত সূত্র থেকে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে রোববার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি সিয়ামের বিরুদ্ধে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদন গ্রহণ করে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। নেপালে পলাতক সিয়ামের বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিনে। তিনি আক্তারুজ্জামানের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।


আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক এর জীবন যুদ্ধ চলে ভ্যানের প্যাডেলে স্বীকৃতি সনদ আজ ও মেলেনি

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:লুঙ্গি পেঁচিয়ে পরে শক্ত হাতে অস্ত্র ধরে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম সেদিন তো ফুলপ্যান্ট  পরনে ছিল না এখন কেন জাতীয় মুক্তি যোদ্ধা কাউন্সিলে প্রবেশ করতে এসে ফুলপ্যান্ট ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না?  মুক্তিযোদ্ধা সাময়িক সনদ পত্র প্রাপ্তীর জন্য জামুকায় গিয়ে এমন বিড়ম্বনার শিকার মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক । দিনাজপুর জেলার  পার্বতীপুর উপজেলার খাগড়াবন্দ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক এর জীবিকা নির্বাহ হয় ভ্যানের চাকায়। ২০১৩ সালের ২২ নভেম্বর অনলাইনে মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে গেজেট ভুক্তির জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি যার ডিজিআই নং১০২৮৭৩( উএষ১০২৮৭৩) এবং পার্বতীপুর উপজেলার ক্রমিক নম্বর ০৩।  মুক্তি যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সাময়িক মুক্তি যোদ্ধা সনদ প্রাপ্তীর আবেদন করেছেন যার আবেদন ডকেট নং ৪৮৯২ তারিখ ০৮/১১/১৪ইং।  মুক্তি যোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত তালিকা পার্বতীপুর ক্রমিক নম্বর ৫৫ । এতো দালিলিক প্রমাণাদী আগলে রেখে ও মুক্তি যোদ্ধার তালিকায় তার নাম গেজেট ভুক্ত হয় নাই । তথাপি অপ্রতিরোধ্য প্রত্যাশায় ভ্যানের চাকায় জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেকের। জানা গেছে পার্বতীপুর উপজেলার ১০ নং হরিরামপুর ইউনিয়নের খাগড়াবন্দ গ্রামের মৃত্যু নাজিম উদ্দীনের পুত্র আব্দুল মালেক ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মাতৃভূমি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান কে পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার দের কবল থেকে দেশকে স্বাধীন করার জন্য ভারতের ৭ নং সেক্টরের উত্তর অঞ্চল হামজাপুর ( পথিরাম)ইয়থ ক্যাম্পে ১ লা জুন ১৯৭১ যোগদান করেন এবং উক্ত ক্যাম্পে  একমাস প্রশিক্ষন গ্রহন শেষে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আমবাড়ী ফুলবাড়ি ভবানীপুর আনন্দ বাজার বদরগনজ যুদ্ধে অংশ নেন। তার এফ এফ নং ১১৭১। তার প্রকৃত সহযোদ্ধা মোঃ কায়ছার আলী গেজেট নং ৬৩৯ লালমুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৭২ (০১৭২১২১৫৮৪০) মোঃ আজিজুল হক গেজেট নং ৫৮৭ লাল মুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৪৪ (০১৭৮৫৩৭৬১৪৭) মোঃ আঃ লতিফ গেজেট নং ৬২৮ লাল মুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৩৯ (০১৭৮৩৩৭৬৪৪৬) মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে গেজেট ভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন।  মুক্তি যুদ্ধ কালীন সময়ে তিনি ৭ নং সেক্টরে থ্রি নাট. থ্রিজি ৩০৩ রাইফেল পরিচালনা করেন। যুদ্ধ কালীন সময়ে তার অধিনায়ক ছিলেন এম এ জি ওসমানী এবং কমান্ডার কাজী নুরুজ্জামান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র সমর্পন করেছিলেন তিনি। এলাকার মুক্তি যোদ্ধা মরহুম মোতালেব মন্ডল এবং সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দীন ও তার সহযোগী ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র জমা দেওয়ার পরের দিন দিনাজপুর মিলিশিয়া ক্যাম্পে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি হয় এবং ২৫ শে জানুয়ারী ১৯৭২ তিনি ন্যাশনাল মিলিটারি ট্রেনিং একাডেমি রাজশাহী সদর রাজশাহী এর কমান্ডেন্ট ডিএস ডিললোন (ক্যাপ্টঃ)তাকে ছাড়পত্র প্রদান করেন। মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক মাসিক ৫০ টাক সহায়তা অনুদানে তথ্য দাতা হিসাবে বামনহাট ইয়ুথ রিসিভসন ক্যাম্প কুচবিহারে ০৩ /০৫/৭১ ইং হতে ২৬/৫/১৯৭১ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন মর্মে কাস্টমস অফিসার ইনচার্জ ইয়ুথ রিসিপশন ক্যাম্প বামনহাট কোচবিহার দিনহাটা কর্তৃক স্বাক্ষরিত অর্ডার শিটে উল্লেখ আছে। মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র জমা দেওয়ার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজশাহী সদর মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন থাকায় হাসপাতাল থেকে ফিরে দেখেন তার নাম বাদ গেছে। পরবর্তী সময়ে অনলাইনে আবেদন করেছেন তিনি দৃঢ় আশাবাদী মুক্তি যোদ্ধা তালিকায় তার নাম অবশ্যই গেজেট ভুক্ত হবে। স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন।


আরও খবর