Logo
আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

যে বিএনপিকে চেনে না, সে কবরস্থানও চেনে না: মোশাররফ হোসেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩১৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক; বিএনপি এই দেশের ভালো চায় না। তারা অত্যন্ত খারাপ। তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হতে পারে না। বিএনপিকে যে চেনে না, সে কবরস্থানও চেনে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। আজ মঙ্গলবার কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিলের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন তিনি।

মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিএনপিকে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। তাদের প্রতিহত করতে হবে। যে হাত দিয়ে তারা আক্রমণ করবে, সে হাত ভেঙে দেবেন।

তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার দূরদর্শিতার কারণে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। তার হাতে রাষ্ট্র ক্ষমতা না থাকলে দেশ ধ্বংস হয়ে যেত।

বেলা ১১টার দিকে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সম্মেলন মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন- কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব-উল আলম হানিফ, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, সিরাজুল মোস্তফা, আমিনুল ইসলাম আমিন, বারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ স্থানীয় নেতারা।


আরও খবর



রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সাজেক যাবেন

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাঙ্গামাটি জেলার পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সেখানে যাবেন তিনি। থাকবেন ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক বরাবর রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের আপন বিভাগের প্রটোকল অফিসার মুহাম্মদ মামুনুল হকের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সাজেক সফরে যাবেন। সেখানে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান করবেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হচ্ছে।

এর আগে, গত বছরের ২০ থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনদিন রাষ্ট্রপতির সাজেক সফর করার কথা ছিল। তবে সে সময় সফরটি স্থগিত করা হয়। ওই সফরকে কেন্দ্র করে ১৮ থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ দিন সাজেকের সব কটেজ-রিসোর্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় সাজেক কটেজ মালিক সমিতি। তবে এবার কটেজ-রিসোর্ট বন্ধ বা খোলা রাখার বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।


আরও খবর



"সরকার ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে"

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন সরকার ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে বলে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সাউথ এশিয়ান কনস্টিটিউশনাল কোর্টস ইন দা টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি : লেসন ফ্রম বাংলাদেশ অ্যান্ড ইন্ডিয়া শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগকে স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাধীন বিচার বিভাগ, শক্তিশালী সংসদ ও প্রশাসন একটি দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আমরা নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষণা দিয়েছিলাম দেশের মানুষের ন্যয় বিচার নিশ্চিত করব। বিচারহীনতার সংস্কৃতি এ দেশ থেকে চিরতরে দূর করব। আমরা সেই কথা রাখতে পেরেছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এখন বিচার ব্যবস্থা অনেক ফাস্ট হয়েছে। মামলা জট কমেছে। মানুষ দ্রুত বিচার পাচ্ছে। ডিজিটাল থেকে বিচার বিভাগকে আমরা স্মার্ট করার চেষ্টা করছি।

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ধ্বংসে পঁচাত্তর পরবর্তী সামরিক শাসকের ভূমিকা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে বলেই উন্নয়ন অগ্রযাত্রা সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ড. ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিরা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিরাণ, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা, সংসদ সদস্য ও বিজ্ঞ আইনজীবীরা।


আরও খবর



জাপার সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পেলেন সালমা ও নাহার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় পার্টির (জাপা) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পেলেন সালমা ইসলাম ও নূরুন নাহার বেগম।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

জাপার যুগ্ম-দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলমের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় পার্টির পার্লামেন্টারি বোর্ড সালমা ইসলাম ও নূরুন নাহারকে মনোনয়ন প্রদান করেছে।


আরও খবর



রিপিয়ারিং কাজে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতি

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১০৬জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:ইচ্ছে মত অনিয়ম দূর্নীতি করছেন, প্রতিটি রিপিয়ারিং রাস্তার কাজে অনিয়মে ভরপুর, আবার সিন্ডিকেটে অগ্রিম লাভ দিয়ে কিনে করা হচ্ছে রিপিয়ারিং কাজ। অবস্থাটা এমন এলজিইডি ও কতিপয় ঠিকাদারেরা মিলেমিশে লুটপাট শুরু করেছেন। রাজশাহীর তানোরে প্রায় ৯৭০ মিটার রাস্তার রিপিয়ারিং কাজে যত্রতত্র ভাবে বেড তৈরি করে  কার্পেটিং করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার তালন্দ ইউনিয়ন (ইউপির)  মোহর ঘোড়াডুবি মোড় থেকে দরগা মোড় পর্যন্ত রাস্তার কার্পেটিং করা হচ্ছে। রিপিয়ারিং রাস্তা টি কিনে করছেন স্থানীয় যুবদল নেতা ঠিকাদার নজরুল ও আতিকুর রহমান লিটন এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ঠিকাদার ইয়াসিন। তারা দরপত্রে কাজ না পেলেও অগ্রিম কয়েক পারসেন্ট লাভ দিয়ে কিনে করছেন কাজ। স্থানীয় ঠিকাদার হওয়ার কারনে ইচ্ছে মত অনিয়ম দূর্নীতি ও নিম্মমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করলেও রহস্য জনক কারনে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ একেবারেই নিরব ভূমিকা পালন করছেন। এতে করে রাস্তার টিকসই নিয়ে সন্দিহান গ্রামের লোকজন।
স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটিতে ডাবলু বিএম করা হয়েছে পুরাতন খোয়া ও ভিজে মাটি দিয়ে। প্রাইম কোড করার পর প্রচুর ভাবে বালু মারা হয়েছে। যাতে কেউ বুঝতে না পারে। প্রাইম কোড করার সময় তেমন ভাবে রোলার মারা হয়নি, দেয়া হয়নি পানি। এজন্য পুরো রাস্তায় উঁচু নিচু হয়ে আছে।

মোহরগ্রামের বাসিন্দা মিলন, মাসুদ, মুকলেস, সাজাসহ অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে রাস্তার কাজ হয় এই প্রথম দেখলাম। বেডের বেশির ভাগ জায়গায়  খোয়াগুলো উঠে যাচ্ছে। ঠিকাদার সবার পরিচিত স্থানীয় ও তানোর সদরে বাড়ি। মুলত এজন্যই তাদেরকে  কেউ কিছুই বলতে পারেনা। অফিসের লোকজনদের দেখা পাওয়া যায় না। এত অনিয়ম দূর্নীতি করছে যা দিবালোকের মত পরিস্কার। কিন্তু সবাই নিরব। আমরা কৃষক, কাজের কি বুঝি, তারপরও যতটুকু বুঝি সে তুলনায় কাজের মান এত পরিমানে খারাপ বলা যাবে না। সরকার উন্নয়নের জন্য অধিক বরাদ্দ দিচ্ছেন, আর সেই বরাদ্দ লুটেপুটে খাচ্ছেন। কয়েক দিন পর আলু উত্তোলন শুরু হবে। আলু বহনকারী যানবাহন চলাচল করলেই রাস্তার বারোটা বেজে যাবে। আর বর্ষা মৌসুমে ঢল মারা পানি হলে পিচ থাকবে না। কারন পিচ ও বিটুমিন একেবারেই নাই বললেই চলে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মোহর ঘোড়াডুবি মোড় থেকে দরগা মোড়ের আগ পর্যন্ত বেড তৈরি করা আছে। বাকি কয়েক মিটার রাস্তার কার্পেটিং ভালো থাকার কারনে নাম মাত্র পরিস্কার করে তার উপরেই কার্পেটিং করার কারনে পিচ দেয়া হচ্ছে। যাতা মাতা ভাবে পরিস্কার করে যে পিচ দেয়া হচ্ছে শুধু পোড়া মবেলের গন্ধ বের হচ্ছে। ঘোড়া ডুবি মোড় থেকে বালাইনাশকের দোকানের সামনে ইউড্রেন করা হয়েছে। তার চারদিকে বাঁশ দিয়ে ঘিরা আছে এবং ইউড্রেনের দু'ধারে যত সামান্য খোয়া ফেলা আছে।

কয়েকজন দোকানীরা জানান, অনেক রাস্তার কাজ দেখেছি। কিন্তু এরকম রাস্তার কাজ আর দেখিনি। কার্পেটিং করার পর মুরগীর পায়ে উঠে যাবে পিচ খোয়া। জানা গেছে,  রাস্তার কাজের সামগ্রীর দাম অধিক বাড়তি। দিনের দিন পাথর ও বিটুমিনের দাম প্রচুর ভাবে বাড়ছে । দরপত্রে যিনি কাজ পান তার পক্ষে একশো ভাগ না সত্তর ভাগ সঠিক কাজ করা কষ্টকর ব্যাপার। তাহলে যারা কিনে কাজ করছেন কি পরিমানে দূর্নীতি করছে বুঝে নিতে হবে। বিশেষ করে কাজের দায়িত্বে থাকা কর্তা বাবুদের ম্যানেজ ছাড়া কিনে কাজ করা অসম্ভব। আর বিএনপি নেতা ঠিকাদার ইয়াসিন, যুবদল নেতা ঠিকাদার নজরুল ও লিটন এলজিইডিকে ম্যানেজ করে প্রতিনিয়তই কিনে এভাবেই  কাজ করে থাকেন। এটা কর্তৃপক্ষ ও তাদের মহা সিন্ডিকেট। তাছাড়া এসময় কিনে কাজ করা অসম্ভব। চল্লিশ  ভাগও সঠিক ভাবে কাজ করতে পারবেনা। এসব অসাধু কর্মকর্তাদের জন্যই সরকারের উন্নয়ন মুলুক কাজ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে, সেই সাথে স্থানীয় এমপিরও বদনামের সৃষ্টি হয়। 

ঠিকাদার নজরুল ও লিটনের কাছে কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোন রকমের কথা বলবেনা বলে সাব জানিয়ে দেন। কাজের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী শাহিন জানান, ৯৭০ মিটার রাস্তার রিপিয়ারিং কাজ হচ্ছে। দরপত্রে যে ঠিকাদার কাজ পেয়েছেন তার কাছ থেকে কত লাভ দিয়ে কিনে করছেন এবং কাজের বরাদ্দ কত জানতে চাইলে তিনি জানান পরে কথা বলছি বলে দায় সারেন তিনি।উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমানের ০১৭৪৯৪৫৭৯১৭ মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।নির্বাহী প্রকৌশলী নাসির উদ্দীনের ০১৭০৮১২৩২৩২ মোবাইল নম্বরে ফোন দেয়া হলে তিনিও রিসিভ করেন নি। 

আরও খবর



ডেমরায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৪৫জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃডেমরা নলছাটা এলাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফাতেমা রশিদ আইডিয়াল স্কুল -এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৪ পালন করা হয়েছে।আজ বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলা ভাষার জন্য অকাতরে প্রাণ বিলিয়ে দেওয়া ভাষা-শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক র‌্যালি ও সকল ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন জানাতে ফাতেমা রশিদ আইডিয়াল স্কুল এর শহিদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়।শোক র‌্যালি শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান করা হয়। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা হাজী মোঃ মনিরুজ্জামান।।এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি’সহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কমকর্তা,  কমচারী প্রমুখ।ফাতেমা রশিদ আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক এর সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, “ফেব্রুয়ারি মাস আমাদের জাতিসত্তার বিকাশে এক অনবদ্য সংযোজন। অসাধারণ আত্মত্যাগের এক বিশাল অর্জন। পৃথিবীর ইতিহাসে বাঙালি এক অনন্য জাতি। পৃথিবীতে খুব কম জাতি আছে যারা ভাষা, সংস্কৃতি রক্ত দিয়ে রক্ষা করেছে। 

“রক্ত দিয়ে বাঙালি নিজের রাষ্ট্র তৈরি করেছে, তার নিজস্ব সংস্কৃতিকে বিকশিত করছে, অসম্প্রদায়িক চেতনা তুলে ধরছে। একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। একুশের চেতনা হারিয়ে ফেলা যাবে না। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করতে হবে।”

এছাড়াও ডেমরা এলাকার নবমল্লিকা একাডেমী, এবং ডেমরা আইডিয়াল কলেজে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কর্মসূচি পালিত হয়।

প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে মহান শহীদ দিবস হিসেবে পালন হয়ে আসছে। তবে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে অমর একুশে এখন পালিত হচ্ছে সারা বিশ্বে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে। ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।


আরও খবর