Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে গাড়ি বাড়াব : সড়ক সচিব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৯১জন দেখেছেন

Image

মারুফ সরকার,  স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চালু হওয়া বিআরটিসি বাসে যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে গাড়ি বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব আমিন উল্লা নুরী।
সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে বিরতিহীনভাবে ফার্মগেট (খামারবাড়ি সংলগ্ন) থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত রুটে বিআরটিসি বাস চলাচল শুরুর আগে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

সড়ক সচিব বলেন, সাধারণ মানুষের অনেক দিনের দাবি ছিল একটি বাস সার্ভিস চালু করার। ফার্মগেট গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, অনেক যাত্রী এখান থেকে যাতায়াত করে। ফার্মগেট একটি হাব। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিদিন সাড়ে ৭টা থেকে ফার্মগেট থেকে জসিম উদ্দিন বিআরটিসির আটটি বাস চলবে। যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে আমরা গাড়ি বাড়াব।

মোটরসাইকেল ও সিএনজি চলাচল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেতু কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে  মোটরসাইকেল আপাতত চলবে না। পুরোপুরি চালু হওয়ার পর বিষয়টি ভেবে দেখা হবে। পদ্মা সেতুতে প্রথমে দেওয়া হয়নি মোটরসাইকেল। পরে দেওয়া হয়েছে, অনেকেই পদ্মা সেতুতে উঠে ছবি তোলে, সেলফি নিচ্ছে, আমরা মানুষকে বারবার সতর্ক করছি। নিরাপত্তা বাহিনী বারবার সতর্ক করছে। মানুষের একটা আবেগ আছে, আর এটা তো এক্সপ্রেসওয়ে, এখানে দ্রুতগতিতে গাড়ি চলবে। মোটরসাইকেলের বিষয়ে সেতু কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।

‘পূর্বে আমাদের যে ভাড়া ছিল এখানে সে ভাড়া থাকবে। আমাদের টোল দেওয়া লাগলেও আমরা ভাড়া বাড়াব না। ফার্মগেট থেকে বিমানবন্দর যে ভাড়া আছে সে ভাড়াই থাকবে।’

বাসে ই-টিকিটিং চালুর প্রসঙ্গে সচিব বলেন, আমরা ই-টিকিটিং চালু করব না। আমরা চাইছি বিআরটিসিতে স্মার্ট কার্ড চালু করতে। যেটা বিআরটিসিতে চলবে, মেট্রোতে চলবে। কার্ড প্রস্তুত রয়েছে। এটা কার্যকর করতে একটু সময় লাগবে। একই কার্ড দিয়ে বিআরটিসি এবং এমআরটিসি চলবে।


আরও খবর



দুদকের মামলায় হাজিরা দিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড.ইউনূস আদালতে

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৪৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায়   হাজিরা দিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত হয়েছেন। শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় হাজিরা দিতে তিনি আদালতে হাজির হয়েছেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে তিনি আদালত প্রাঙ্গণে আসেন। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেনের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। তবে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য সময় চেয়ে আবেদন করেছেন ইউনূসের আইনজীবী।

এ মামলায় বিচার শুরু হওয়া ১৪ আসামি হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম, পরিচালক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, মো. শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও পরিচালক এস. এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান, শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক কামরুল হাসান ও প্রতিনিধি মো. মাইনুল ইসলাম।

গত ১২ জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেনের আদালত এ মামলায় আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। এর আগে গত ২ এপ্রিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আস সামছ জগলুল হোসেন। তিনি পরবর্তী বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ মামলাটি বদলির আদেশ দেন।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে ৫২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে ২ লাক্ষ ৫৬ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১০৩জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বুধবার ( ৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলা হলরুমে ইউএনও রকিবুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের বরাদ্দকৃত তহবিল থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। 

এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান আহাম্মদ হোসেন বিপ্লব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা স্যামিয়েল মার্ডি, আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি নিকেল বর্মনসহ কমিটির বিভিন্ন সদস্যরা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী প্রাইমারী স্কুলের ২৫ জন ছাত্র ছাত্রী মাঝে প্রত্যেককে ২৫০০ টাকা, হাইস্কুলের ছাত্র ছাত্রী ১৮ জনের মাঝে ৬ হাজার টাকা,  এবং কলেজ লেভেলের ৯ জন ছাত্র ছাত্রী মাঝে ৯ হাজার ৫ শত টাকা করে। মোট ৫২ জন ছাত্র ছাত্রীর মাঝে ২ লাক্ষ ৫৬ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। 

আরও খবর



তাহিরপুরে চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বৃদ্ধি : নৌকাসহ ৫জন গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৫২জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুরে দিনদিন বেড়েই চলেছে চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বাণিজ্য। সরকারের কোটিকোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাকারবারীরা প্রতিদিন ভারত থেকে অবৈধ ভাবে কয়লা ও চুনাপাথরসহ বল্ডার পাথর, গরু, ঘোড়া, মদ, গাঁজা, ইয়াবা, নাসির উদ্দিন বিড়ি, পেয়াজ ও চিনিসহ আরো বিভিন্ন প্রকার মালামাল ওপেন পাচাঁর করছে। পরে পাঁচারকৃত অবৈধ মালামাল থেকে পুলিশ, বিজিবি ও সাংবাদিকদের নাম ভাংগিয়ে সোর্স পরিচয়ধারী একাধিক মামলার আসামীরা উত্তোলন করছে লাখলাখ টাকা চাঁদা। সোর্সদের নেতৃত্বে চোরাচালান করতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে, নদীতে ডুবে ও গর্তে পড়ে এপর্যন্ত কয়েক হাজার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত সোর্সদের বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি আইনগত কোন পদক্ষেপ। তবে নৌ-পুলিশ সীমান্তের পাটলাই নদীতে অভিযান চালিয়ে ইঞ্জিনের নৌকাসহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- প্রতিদিনের মতো আজ রবিবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার চারাগাঁও সীমান্তের এলসি পয়েন্টের পাহাড়ি ছড়া দিয়ে চোরাকারবারী কাঞ্চন মিয়া, সোহেল মিয়া, দীপক মিয়া, আনোয়ার হোসেন বাবলুগং প্রায় ১২০মেঃটন কয়লা পাচাঁর করে একাধিক ডিপু ও তাদের বসতবাড়িতে মজুত করে। তার আগে ভোর ৫টায় উপজেলার বীরেন্দ্রনগর ও চারাগাঁও সীমান্তের লামাকাটা, সুন্দরবন, জঙ্গলবাড়ি, কলাগাঁও, বাঁশতলা ও লালঘাট এলাকা দিয়ে গডফাদার তোতলা আজাদের সোর্স রফ মিয়া, আইনাল মিয়া, লেংড়া জামাল, সাইফুল মিয়া, রিপন মিয়া, বাবুল মিয়া, রুবেল মিয়া ও হারুন মিয়াগং প্রায় ৩৫০মেঃটন পাচাঁরকৃত অবৈধ কয়লা ১২টি স্টিলবডি ইঞ্জিনের নৌকা দিয়ে নিয়ে যায়। এছাড়াও কলাগাঁও নদী থেকে প্রতিদিন অবৈধ ভাবে বালি ও পাথর বিক্রি করছে একাধিক মামলার আসামী সোর্স রফ মিয়া ও আইনাল মিয়া। এদিকে গত শুক্রবার (২৮জুন) বিকেলে সীমান্তের পাটলাই নদীর সোলেমানপুর নামকস্থানে পাচাঁরকৃত অবৈধ মালামাল বোঝাই নৌকা থেকে চাঁদা উত্তোলনের সময় নৌ-পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোর্স পরিচয়ধারী ফজলুল হক (৫২), হাবিবুর রহমান (৪৮), কহিনুর মিয়া (৩৮), কামরুল মিয়া (৩৫) ও এমরান মিয়া (৩২) কে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে বালিয়াঘাট সীমান্তের লাকমা ও লালঘাট এলাকা দিয়ে গডফাদার তোতলা আজাদ ও তার সোর্স জিয়াউর রহমান জিয়া, মনির মিয়া, ইয়াবা কালাম, হোসেন আলী, রতন মহলদার, কামরুল মিয়াগং প্রায় ২শ মেঃটন কয়লা পাচাঁর করে সীমান্তের বসতবাড়ি, নিলাদ্রী লেকপাড় ও দুধেরআউটা গ্রামে নিয়ে মজুত করাসহ টেকেরঘাট সীমান্তের বুরুঙ্গাছড়া ও রজনীলাইন এলাকা দিয়ে সোর্স আক্কল আলী, রুবেল মিয়া ও কামাল মিয়াগং প্রায় ৩হাজার মেঃটন চুনাপাথর ও ১হাজার মেঃটন কয়লা পাচাঁর করে বিজিবি ক্যাম্পের আশেপাশে অবস্থিত বিভিন্ন ডিপুতে মজুত করলেও এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এছাড়াও পাশের চাঁনপুর সীমান্তের নয়াছড়া, রাজাই, কড়ইগড়া ও বারেকটিলা এলাকা দিয়ে সোর্স জামাল মিয়া, নজরুল মিয়া, রুসমত আলী, জম্মত আলী, সাহিবুর মিয়া, বুটকুন মিয়া ও লাউড়গড় সীমান্তের জাদুকাটা নদী, সাহিদাবাদ, দশঘর ও পুরান লাউড়গড় এলাকা দিয়ে সোর্স বায়েজিদ মিয়া, জসিম মিয়া, নুরু মিয়া, নবীকুল, জজ মিয়াগং প্রতিদিন ভারত থেকে ওপেন পাচাঁর করছে গরু, ঘোড়া, কয়লা, পাথর, নাসির উদ্দিন বিড়ি, মদ, গাঁজা, ইয়াবা, চিনি ও পেয়াজসহ বিভিন্ন মালামাল। কিন্তু তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য নেওয়া হয়না কোন পদক্ষেপ।

এব্যাপারে টেকেরঘাট কোম্পানীর বিজিবির কমান্ডার দীলিপ বলেন- আমার এলাকা দিয়ে চোরাচালানের কোন খবর আমি পাইনা, পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চারাগাঁও বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার শফিকুল বলেন- আমাদের পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ ভাবে কোন মালামাল পাচাঁরের অনুমতি নাই। তাহিরপুর থানার ওসি কাজী নাজিম উদিন বলেন- থানা পুলিশের কোন সোর্স নাই। সীমান্ত চোরাচালান বন্ধের দায়িত্ব বিজিবির। তবে নৌ-পুলিশ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৫জনকে আটক করেছে জানতে পেরেছি। সুনামগঞ্জের টুকেরবাজার নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ আতাউর রহমান বলেন- সীমান্তের জাদুকাটা ও পাটলাই নদীসহ বিভিন্ন স্থানে মালামাল পরিবহনকারী নৌকায় চাঁদাবাজি হয় জানতে পেরেছি। আমরা অভিযান চালিয়ে ইতিমধ্যে নৌকাসহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছি। মামলা পক্রিয়াধীন রয়েছে। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



ফুলবাড়ীতে মাদকের জমজমাট ব্যবসা, ঝুকে পড়েছে যুবকরা

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দিন দিন বেড়েই চলেছে মাদক ব্যবসা। এতে ঝুকে পড়েছে যুবসমাজ। এলাকায় যেভাবে মাদক বিস্তার করছে তাতে জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন শ্রেণি পেশা মানুষ। এক সময় ফুলবাড়ীতে মাদকের অভিযান চললেও এখন তেমন কোন মাদক নিমূর্লে আর অভিযান চলেন না। ফুলবাড়ী উপজেলার পৌর শহরে ফেন্সিডিল এর পরিবর্তে ইয়াবা, গাঞ্জা সহ বিভিন্ন মাদকে ব্যবসা চলেছে। শিবনগর ইউপির পুরাতুন বন্দরে ও আদিবাসী পাড়া সহ বিভিন্ন স্থানে চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা। বিশেষকরে পুরাতুন বন্দরে প্রায় ডর্জন খানেক মাদক ব্যবসায়ী গড়ে উঠেছে। তার মধ্যে হাফিজুল ইসলাম, জলিল এরা পুরাতন মাদক ব্যবসায়ী এদের মাদক বিক্রি বন্ধ নেই। জলিলের বিরুদ্ধে ফুলবাড়ী থানায় ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রক দিনাজপুরে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এছাড়া আদালতে প্রায় ৭-৮টি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। একটি মামলায় সাজা হলেও হাইকোট থেকে জামিন নিয়েছিলেন। নতুন কয়েকজন এ পথে পা দিয়েছে। তারা ভ্রাম্যমানের মধ্যে এবং মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তা মাদক সেবীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। ফুলবাড়ীতে মাদকের ছড়াছড়ি হওয়ায় অগনিত মাদক সেবী দেখা যাচ্ছে এরা নেশার টাকা জোগাড় করতে না পারলে তারা বিভিন্ন চুরি ছিন্তায়ে জড়িয়ে পড়ছে। মাদকের ব্যবসায়ের মধ্যে ইয়াবা ট্যাবলেট এর ব্যবসা খুবেই বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে শিবনগর ইউপির দাদপুর, পুরাতন বন্দর, ফুলবাড়ী পৌরসভার কাজীবাড়ী রোড, পশ্চিম গৌরীপাড়া, কাঁটাবাড়ী, কাঁনাহার, জোলাপাড়া, আলাদীপুর ইউপির বারাই, কাজিহাল ইউপির শেখপাড়া, চমুক, আদিবাসী পাড়া সহ ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও শহরে ভয়াবহ মাদক ব্যবসা চলছে। এই ব্যবসায় অল্প দিনে অঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা। যদিও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কখনও এই মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে পারবে না। তার মধ্যেও অভিযান চালাতে হবে। কিন্তুফুলবাড়ীতে কেন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে না। মাঝে মধ্যে র‌্যাব ও জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রক তাদের সোর্স নিয়োগ করে অভিযান চালান। গত ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে তারা বেশ কিছু অভিযান চালিয়ে ১০-১৫টি মাদকের মামলা দিয়েছেন ফুলবাড়ী থানায়। ফুলবাড়ী থানা থেকে মাদক অভিযানের তথ্য দেওয়া হয় না সংবাদিকদেরকে পূর্বের ফুলবাড়ী থানার ইনচার্জ গন মাদক ব্যবসায়ী বা মাদকের চালান আটক করলে তা সাংবাদিকদের মাঝে প্রেস ব্রিফিং দিতেন, এখন আর তা দেখা যায় না। প্রচারের বিশ^াসী তারা নয়। ফুলবাড়ী সীমান্ত এলাকা হওয়ায় কিছু এলাকাদিয়ে মাদক ঢুকছে। সীমান্ত রক্ষীদের চোঁখ কে ফাঁকি দিয়ে এই মাদক ব্যবসা করছেন। বিশেষ করে ঘাসুরিয়া, দেশমা, কাঁটলা, চৌঠা, শিবপুর, হামলাকুড়ি দিয়ে মাদকের ব্যবসা চলছে। এখনে মাদক ব্যবসয়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা না হলে মাদক নির্মূল কঠিন হয়ে দাড়াবে। ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির পালপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর ইসলাম জানান, আমার পুত্র অন্তর সঙ্গীত এর সঙ্গে থেকে নেশায় আসক্ত হয়েছে। এখন সে নেশার টাকা জোগাড় করতে না পেরে আমাদের উপর অত্যচার করে। তাই এই এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া খুবিই দরকার। 

ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য নুরু জানান, মাদকে ছেয়ে গেছে, একাই আমার পক্ষে মাদক নির্মূল করা মোটেও সম্ভব নয়। ঐ এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম জানান, মাদক নির্মূল করতে প্রশাসনের সময় লাগে না কিন্তু প্রশাসন আটক করলেও তারা জামিন পেয়ে আবারও এসে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে কিভাবে নির্মূল হবে। ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এর সাথে মোবাইলফোনে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি জানান, ফুলবাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাদকের সাথে কেউ জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।

এ ব্যাপারে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের নেক দৃষ্টি কামনা করেছে ভূক্তভুগী এলাকাবাসী।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৩৬৬জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার: ছাত্রলীগের ভালো কাজগুলো বড় করে প্রচারের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত। বুধবার (২৬ জুন) শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে বিএসএল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেটের উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। 

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘৬৪টি বিশ্ববিদ্যালয়কে একত্রিত করে সমাজে একটি গঠনমূলক বার্তা পৌঁছে দেয়ার যে উদ্যোগ ছাত্রলীগ নিয়েছে তা আমি সাধুবাদ জানাই।’

তিনি আরো বলেন, ছাত্রলীগের কোনো অঘটন ঘটলে যেভাবে বড় করে প্রচার করা হয়, গণমাধ্যমের কাছে আমি আহ্বান জানাই, ছাত্রলীগের গঠনমূলক ও ভালো উদ্যোগগুলো আরও বড় করে প্রচার করুন।

আরাফাত বলেন, ছাত্রলীগকে বিতর্কিত করতেই কাজ করে স্বাধীনতাবিরোধী একটি অপশক্তি। ছাত্রলীগের এমন আয়োজনের মধ্য দিয়ে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছাড়ানো সম্ভব। স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বলে জানান তিনি।

আরও খবর