Logo
আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ভ্রমণের সুযোগ মেষের, সদাচরণ করুন মকর

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৬৪জন দেখেছেন

Image

আইনগত ঝামেলা থেকে দূরে থাকুন। শারীরিক অসুস্থতাকে অবহেলা করবেন না। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। গোপন শত্রু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন।

বৃষ (২১ এপ্রিল-২০ মে)

শ্রমিক নেতাদের জন্য সময় অনুকূল থাকতে পারে। সাংগঠনিক কাজে সুফল পাবেন। কোনো আশা পূরণ হতে পারে। আর্থিক দিক ভালো যাবে। পেশাগত যোগাযোগ চালিয়ে যান।

মিথুন (২১ মে-২০ জুন)

কর্ম পরিবেশ অনুকূল থাকবে। কর্মস্থলে নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারবেন। বেকারদের কারো চাকরি হতে পারে। পিতৃস্বাস্থ্য ভালো যাবে। সামাজিক অবস্থান সুদৃঢ় হতে পারে।

কর্কট (২১ জুন-২০ জুলাই)

আধ্যাত্মিকতার প্রতি অনুরোধ করতে পারেন। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। সামাজিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকতে পারে। মন ভালো থাকবে। ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন।

সিংহ (২১ জুলাই-২১ আগস্ট)

ব্যবসায়িক দিক ভালো যাবে না। বিক্রয়-বাণিজ্যে লোকসান হতে পারে। কোনো প্রকার ঝুঁকি নিতে যাবেন না। কারো অসুস্থতার সংবাদে মন খারাপ হতে পারে। রিপুকে সংযত রাখুন।

কন্যা (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর)

পারস্পরিক সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখুন। অপরের প্রতি সদাচরণ করুন। রোমান্টিক প্রস্তাবে সাড়া পেতে পারেন। ব্যবসায়িক দিক ভালো যাবে। জলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যবসায় সাফল্য পেতে পারেন।

তুলা (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর)

শত্রুরা ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। শত্রুদের দুর্বল ভাবা ঠিক হবে না। নিজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। শরীর অসুস্থ হতে পারে। প্রয়োজনে চিকিৎসা নিন।

বৃশ্চিক (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর)

বিদ্যার্থীদের জন্য দিনটি শুভ। পড়াশোনায় মন বসাতে পারবেন। সন্তানের সাফল্য আনন্দদায়ক হতে পারে। সৃজনশীল কাজে অংশ নিতে পারেন। নিজের মনোভাব স্পষ্ট ভাবে প্রকাশ করুন।

ধনু (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর)

জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। আধ্যাত্বিক চিন্তা-চেতনায় সমৃদ্ধি আসতে পারে। মন ভালো থাকবে। মাতৃস্বাস্থ্য ভালো থাকতে পারে। কোনো সূত্র থেকে অর্থাগম হতে পারে।

মকর (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি)

আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে। প্রাপ্ত তথ্য ভালভাবে যাচাই করে নিন। অপরের প্রতি সদাচরণ করুন। পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে চলুন। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন।

কুম্ভ (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

পড়াশোনায় আনন্দ পাবে। বাড়িতে অতিথি সমাগম হতে পারে। প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার চেষ্টা করুন। মাথাব্যথায় ভুগতে পারেন। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য তাগাদা দিন।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

নিজেকে যথাযথভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করুন। সেক্ষেত্রে সাফল্য পেতে পারেন। নিজের উপর বিশ্বাস হারাবেন না। ভালো ব্যবহার দিয়ে কাজ আদায় করার চেষ্টা করুন। শরীর ভালো থাকতে পারেন।


আরও খবর



কলারোয়া সীমান্তে চান্দুড়িয়া বিজিবি ক্যাম্পের সম্মুখে অরক্ষিত অবস্থায় মল্লিক শাহ পীরের মাজার

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image
কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি:সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পশ্চিমে শেষ ভারত সীমান্তবর্তী চন্দনপুর ইউনিয়নের চান্দুড়িয়া বিজিবি ক্যাম্পের সম্মুখে ইছামতী নদীর পাড়ে অরক্ষিত অবস্থায় আছে মল্লিক শাহ পীরের মাজার ও পীরের দরগা। স্থানীয়রা এটাকে মল্লিক পীরের মাজার বা দরগা বলেই জানে। তবে ঠিক কত দিন পূর্বে মল্লিক শাহ এপার বাংলায় এসে ছিলেন বা তার বংশ পরিচয় সম্পর্কে সঠিক করে কেউ বলতে পারে না। তবে এই পীর কে নিয়ে অনেক অলৌকিক কাহিনি বা গল্প এখনো লোক মুখে প্রচলিত আছে। কলারোয়া উপজেলার ইতিহাস রচয়িতা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আবু নসর তার ” কলারোয়া উপজেলার ইতিহাস ” বইতে এই মল্লিক শাহ পীরের কথা উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় মনোবাসনা পূরণের উদ্দেশ্যে এই পীরের মাজারে মানত নিয়ে আসে। মাজারের আশ পাশে ঘণ বসতি গড়ে ওঠা বা গরু ছাগল বেঁধে রাখায় মাজারের পবিত্রতা ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে অনেকেই মনে করেন। স্থানীয়রা মনে করেন, ইতিহাস খ্যাত মল্লিক শাহ পীরের মাজার সংস্কার ও সুরক্ষিত করতে পারলে অনেক পর্যটকের আগমন ঘটতে পারে এই চন্দনপুরে পর্যটক আসতে পারে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে। এটি সংরক্ষনের জন্য স্থানীয় প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কাছে ইউনিয়নবাসীর দাবি করেছেন।

আরও খবর



মাদকনির্ভরশীলতা এবং মানসিক রোগীদের চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, ঢাকা:তারিখ : ১৭ই ফেব্রæয়ারী ২০২৪: মাদকনির্ভরশীলতা এবং মানসিক সমস্যাগ্রস্থ রোগীদের চিকিৎসায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং এর পাশাপাশি কাউন্সিলিংয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। চিকিৎসা কেন্দ্রে সঠিকভাবে ও নিয়মিত কাউন্সেলিংয়ে একজন রোগীর সুস্থতার সম্ভাবনা অনেকাংশে বৃদ্ধি করে। শনিবার (১৭ ফেব্রæয়ারী) সকাল ১১ টায় রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সভাকক্ষে আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসারত রোগীদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে “মাদকনির্ভরশীলতা ও মানসিক সমস্যাগ্রস্থ রোগীদের চিকিৎসা প্রক্রিয়া” বিষয়ক পারিবারিক সভায় এসব কথা বলেন অতিথিরা।

আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের কাউন্সেলর মেঘবতী সালমার সঞ্চালনায় সভায় বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের আবাসিক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ রাহানুল ইসলাম। তিনি সভার মূল আলোচ্য বিষয় উপস্থাপনা করেন। উপস্থাপনায় মাদকনির্ভরশীলতা কি, মাদকনির্ভরশীলতার সাথে মানসিক রোগের সর্ম্পক কি, মানসিক সমস্যার রোগীদের চিকিৎসায় কাউন্সেলিংয়ের বিভিন্ন দিক ও কেন্দ্রের কাউন্সেলিং সার্ভিস নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় তিনি বলেন, গবেষণা ভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় মাদকনির্ভরশীল এবং মানসিক রোগীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও পরিবারের সহযোগিতা অপরিসীম। চিকিৎসা পরবর্তীতে সুস্থ থাকতে কেন্দ্রের সাথে রোগীকে বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ত থাকা প্রয়োজন এবং একই সাথে রোগীর সমস্যার পর্যায়নুযায়ী দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা নিলে সুস্থ থাকার হার অনেক বৃদ্ধি পায়।

সভায় আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের কেন্দ্র ব্যবস্থাপক ফারজানা ফেরদৌসসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

তিন পদে লোক নিচ্ছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




১০ নির্দেশনা মানতে হবে বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিককে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারকে ১০ দফা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে । বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর পরিচালনার ক্ষেত্রে বর্ণিত শর্তাবলী আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

নির্দেশনাগুলো হলো

১. বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশ পথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

২. সব বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

৩. যে সব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে, কিন্তু শুধুমাত্র ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্স পাওয়া ছাড়া কোনেভাবেই নামে উল্লেখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না।

৪. ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটারগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধুমাত্র সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটারগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।

৫. বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যা সংখ্যা অনুযায়ী সব শর্তাবলী বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

৬. হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।

৭. হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।

৮. কোনো অবস্থাতেই লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ব্যতীত চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া যাবে না। বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসেডিউর করা যাবে না।

৯. সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

১০. নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশ্যই ‘Operation Theatre Etiquette’মেনে চলতে হবে।

এ নির্দেশনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরের মহাপরিচালকের অনুমোদন রয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর



মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে এমবিবিএস (মেডিকেল) ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন।

এর আগে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী দেশের ১৯টি পরীক্ষা কেন্দ্রের ৪৪টি ভেন্যুতে একযোগে চলে পরীক্ষা।

এবার সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ১০৪টি মেডিকেল কলেজের ১১ হাজার ৬৭৫টি আসনের জন্য এবার ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৪ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেন। ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে মোট আসন ৫ হাজার ৩৮০টি এবং বেসরকারি পর্যায়ে অনুমোদিত ৬৭টি মেডিকেল কলেজে মোট আসন ৬ হাজার ২৯৫টি।

এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম নম্বর (পাস নম্বর) গতবারের মতো এবারও ৪০ ছিল। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা হয়। লিখিত পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের কম পাওয়া শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য বিবেচনা করা হয়েছে।

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি থাকা দ্বিতীয়বার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ১০ নম্বর কাটা হয়। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় জেলা কোটা বাতিল। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নির্ধারিত সময়ে আসন পূরণ করা না গেলে সেসব আসনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাবেন। যেভাবে ফল জানা যাবে:- স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণার পর ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানা যাবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটেও ফলবিষয়ক তথ্য প্রকাশ করা হবে।

পাশাপাশি যেসব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বরে খুদেবার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেবে অধিদপ্তর।


আরও খবর



সড়ক দুর্ঘটনার বিভ্রান্তিকর পরিসংখ্যান নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে‘নিরাপদ সড়ক চাই’

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

কামাল হোসেন খানঃবাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার বিভ্রান্তিকর পরিসংখ্যান নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে  এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় 

সংবাদ সম্মেলনে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, দেশের যেসব সংগঠন বা সরকারি সংস্থা সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য প্রকাশ করছে তা ভিন্ন ভিন্ন হচ্ছে। এতে দেশের মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। আমরা বরাবরই বলে আসছি সরকার নিজ উদ্যোগে দুর্ঘটনার তথ্য প্রকাশ করুক। যদিও বিআরটিএ গত বছর থেকে এই তথ্য প্রকাশ করছে কিন্তু এর মধ্যে হাসপাতালের কোনো তথ্য নেই।

তিনি বলেন, পুলিশ সড়ক দুর্ঘটনার যে তথ্য প্রকাশ করে তাতে শুধু থানায় মামলার ঘটনা তুলে ধরা হয়। যদিও সব দুর্ঘটনায় মামলা হয় না। তাহলে আমরা এই তথ্য বিশ্বাস করবো কীভাবে। যেমন আমার স্ত্রী দুর্ঘটনায় মারা গেলে আমি কোনো মামলা করিনি।

তিনি বলেন, আমি আমার সংগঠন থেকে আর এ তথ্য প্রকাশ করবো না। আমাদের সেল চালু থাকবে নিজস্ব গবেষণার জন্য। তবে সরকারের প্রতি আহ্বান থাকবে বেসরকারি যে সমস্ত এক্সপার্ট আছে তাদের এই উদ্যোগের সঙ্গে সামিল করে একটা শক্তিশালী মনিটরিং সেল গঠন করার। এক্ষেত্রে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, যেহেতু সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান তুলে ধরার যে ধারা আমরা শুরু করেছি সরকার যদি আমাদের সাপোর্ট এবং আর্থিক বরাদ্দ দেয় তাহলে আমরাও সরকারের সাথে এ কাজটি সঠিকভাবে করতে পারবো এই বিশ্বাস আমাদের আছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বলতে চাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সড়ক দুর্ঘটনা বা রোডক্র্যাশকে প্রতিরোধযোগ্য একটি অসংক্রামক রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংবিধানের ১৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। এছাড়াও অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৩.৬ অর্জনে ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা বা রোডক্র্যাশে প্রাণহানির সংখ্যা ২৫ শতাংশ কমিয়ে আনার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি বৈশ্বিক পর্যায়েও ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘভুক্ত সদস্য দেশগুলো বিশ্বব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনা বা রোডক্র্যাশে নিহত ও আহতের সংখ্যা শতকরা ৫০ ভাগ কমিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য গ্লোবাল প্ল্যান ফর সেকেন্ড ডিকেড অব অ্যাকশন ফর রোড সেফটি ২০২১-২০৩০ এর আওতায় ৫টি স্তম্ভের কথা বলা হয়েছে।

সেগুলো হলো- বহুমুখী যানবাহন ও ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা, নিরাপদ যানবাহন, নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো, নিরাপদ সড়ক ব্যবহার, রোডক্র্যাশ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়াও সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য ৫টি আচরণগত ঝুঁকি যেমন, গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ না করা, সিট বেল্ট ব্যবহার না করা, মানসম্মত হেলমেট পরিধান না করা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং শিশুবান্ধব বিশেষায়িত আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা না করাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এসব পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ২০১০ থেকে ২০২১ সালে বেলারুশ, ব্রুনাই দারুসসালাম, ডেনমার্ক, জাপান, লিথুয়ানিয়া, নরওয়ে, রাশিয়ান ফেডারেশন, ত্রিনিদাদ, টোবাগো, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভেনিজুয়েলা রোডক্র্যাশে মৃত্যুহার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সরকার যদি নিজ উদ্যোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিআরটিএর মাধ্যমে সমন্বয় করে একটু শক্তিশালী মনিটরিং সেলের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রকাশ করে তাহলে জনগণের মধ্যে আর বিভ্রান্তি থাকবে না।


আরও খবর