Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

ভোটগ্রহণ ইভিএমে সহজ হয়: সিইসি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৩৭৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক; প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘ইভিএমে ভোটগ্রহণ সহজ হয়। এতে জাল ভোটের সুযোগ নেই। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও ইভিএমের ওপর প্রার্থী ও ভোটারদের আস্থা আছে। তা নাহলে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতেন না।

আজ সোমবার রাতে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন সিইসি। তার আগে তিনি রংপুর সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘রংপুর সিটি নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। এটা সফল করতে হলে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও কর্মীসহ সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

এসময় রংপুর নগরবাসীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘ভোটাররা কে কোন প্রার্থীকে ভোট দেবেন সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। আমরা সবার সহযোগিতায় কেবল ভোট প্রদানের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করব।

সিইসি বলেন, ‘প্রিসাইডিং অফিসাররা কোনো পক্ষপাত করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কেননা নির্বাচনে ভালো-মন্দ প্রিসাইডিং কর্মকর্তার ওপর নির্ভর করে। তারা তাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতার ব্যবহার করেন। নির্বাচন বন্ধ করা লাগলে বন্ধ করবেন। এটি করতে পারলে নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব।

গাইবান্ধার উপনির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচন বাতিলের ঘটনা এর আগে হয়েছে বলে মনে হয় না। যারা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ সময় নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.), নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, রংপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন, রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম, রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার নুরে আলম মিনা, রংপুরের জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মাগুরায় ৮ কেজি গাঁজাসহ সাথী খাতুন গ্রেফতার

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ  বিশেষ অভিযানে  ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে। আটক করেছে  মাদক ব্যবসায়ী সাথী খাতুন নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে। 


  • মাগুরার পুলিশ সুপার মোঃ মশিউদ্দৌলা রেজা, পিপিএম(বার) এর  মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং মাদক উদ্ধারে ব্যাপক অভিযান পরিচালনার নির্দেশে প্রদান করে। তারই আলোকে  জেলা গোয়েন্দা শাখার  অফিসার ইনচার্জের তত্বাবধানে  এসআই মোঃ আছাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে ১৬ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায়   মাগুরা থানার পৌরসভাস্থ ভায়নার মোড়ের দও ফিলিং স্টেশনের পূর্ব পাশে যাত্রী ছাউনীর সামনে  থেকে ৮  কেজি  গাঁজাসহ মাদকব্যবসায়ী সাথী খাতুন (২৪),  পিং-কিবলু ফকির, সাং-সত্যবানপুর, থানা-মাগুরা সদর, জেলা-মাগুরাকে গ্রেফতার করা হয়। 

  • এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮-এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও খবর



সাবেক ভিপি নুর হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বিচারকদের নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্যের কারণে হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে হাজির হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বিচারকদের নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্যের কারণে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হককে তলব করেন হাইকোর্ট। তাকে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন আদালত।

৭ ডিসেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে নুরুল হক নূরের বক্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড়ে এক সমাবেশে আদালতের বিচারকদের বিরুদ্ধে নুরুল হক নুর আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন। সেই প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনা হয়।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কালীপদ মৃধা বলেন, হাইকোর্ট নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দিয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে ১৭ জানুয়ারি তাকে আদালতে তলব করেছেন।


আরও খবর



মাগুরায় ১৫ টি পরিবারের বাড়িঘর ও গাছপালা গড়াই নদীগর্ভে বিলীন

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image
সাইদুর রহমান,(মাগুরা):জন বসতি এলাকা সংলগ্ন গড়াই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তলোন করায়  মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার গঙ্গারামখালী গ্রামের মালোপাড়া ও বিশ্বাসপাড়ার অন্তত ১৫টি পরিবারের সকল বাড়িঘর, গাছপালা ও ফসলী জমি  নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। হুমকির মুখে রয়েছে আরো অন্তত অর্ধ-শতাধিক পরিবারের বাড়ি-ঘর, গাছপালা ও ফসলী জমি। এ ঘটনায় এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।  

এলাকা পরিদর্শন করতে গেলে ভুক্তভোগী কুমারেশ চক্রবর্তী ও অন্যন্য ক্ষতিগ্রস্থরা জানান, নদী ভাঙন রোধ করার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ‘আলিয়ার রহমান’ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের নদী শাসন প্রকল্পের আওতায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে জি. ও ব্যাগ ভরার জন্য জনবসতি এলাকার নদীর নিচ থেকেই কিছুদিন আগে বালু উত্তোলন করে। এখান থেকে ববালু উত্তোলন ঝুকিপূর্ণ হওয়ায়   তাদের দূর থেকে বালু উত্তোলনের জন্য বলা হলেও তারা তা তোয়াক্কা না করে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখে। আর একারনে গত এক সপ্তাহ ধরে এলাকার বিভিন্ন বাড়ির ঘর ও উঠানে ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে  দিনরাত এক একটা ঘর, গাছপালা নদীর মধ্যে ভেঙে পড়ছে।  বর্ষা মৌসুম এলেই এ ভাঙনে পুরো গ্রাম নদীর নিচে চলে যাবে বলে অনেকেই মনে করছে। ক্ষতিগ্রস্থ মালো পাড়া ও বিশ্বাসপাড়ার বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, দিলীপ, শুকুমার, সুবোধ, মধুসূদন, নারায়ন, সঞ্জিত, বৈকুণ্ঠ, নিখিল, সরজিৎ, নীরোদের বাড়ি-ঘর গাছপালা সব নদীর মধ্যে চলে গেছে। এদিকে ফাটল ধরেছে অমরেশ, বিনয়, উজ্জ্বল, কালাচাঁদ, অমল, রবি, শ্যামল, সুবোল, তপন, গোপাল, কৃষ্ণ, অসিত, মনজিৎ, বিশ্বজিৎ, শৈলেন, সাধন, অচিন্ত্য, সুভাষ, রমেশ, শ্রীকান্ত, আনন্দ, হারাণসহ প্রায় ৫০টি বাড়ি।   বাড়ি-ঘর ছাড়াও গাছপালা ও চাষের জমি রয়েছে এর আওতায়। ক্ষতিগ্রস্থরা জানান,  এ অবস্থা নিয়ে তারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। চৌদ্দ পুরুষের বসতভিটা চোখের সামনে নদীর পেটে চলে যাচ্ছে, কিছুই করতে পারছেন না তারা। ক্ষতিগ্রস্থরা বারবার ঠিকাদার ও প্রশাসনের লোকজনকে বিষয়টি জানালেও তারা কোনো গুরুত্বই দেয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
তবে সংবাদ পেয়ে গত শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী,  উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছেন।  

এ বিষয়ে ঠিকাদারের প্রতিনিধি এরশাদ জানান, তারা বাঁধের কাজে ব্যবহারের জন্য বালু উত্তোলন করেছেন। কিন্তু তাদের ধারণা ছিলো না বিষয়টি এমন হবে। মাটি ধ্বসে পড়বে। এ বিষয়ে মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান সুজন জানান, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। নতুন করে জিওবি ব্যাগ দিয়ে বাঁধা হবে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা। যারা ঘর-বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন, তাদের ব্যাপারে প্রশাসন ব্যবস্থা নিবে বলেও তিনি জানান।

আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর সাথে একবার দেখা করতে চায় মোনায়েম

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৩জন দেখেছেন

Image

সাহিদা সাম্য লীনা ফেনী:ফেনী দাগনভূইয়ার সেই মোনায়েম ।দাগনভূইয়া ও ফেনীর অনেক সংবাদকর্মী তাকে চিনে জানে। ২০১৯ সালে সে সবার নজর কাড়তে সক্ষম হয়।দাগনভুইয়ার উজ্জীবক আর্ট স্কুলে তার শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন ভূইয়ার কাছে সে আর্ট শিখে।সেখান থেকেই মূলত তার উঠে আসা।

দাগনভূ ইয়ার কয়েকজন সাংবাদিক তাকে নিয়ে প্রচুর লেখালেখি করে। সে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিশেষ ভালবাসা অর্জন করে। ২০২১ সালে ফেনী জেলা পুলিশের আয়োজনে যেমন পুলিশ চাই শীর্ষক প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।

পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ জন্ম গ্রহণ করে।যারা তাদের মেধা দিয়ে চারপাশের মানুষকে তাক লাগিয়ে দেয়। জন্মগত ভাবে সেসব মানুষ হয়তো আর দশটা স্বাভাবিক মানুষের মতো সব অঙ্গ নিয়ে অর্থাৎ, হাত ,পা,চোখ নিয়ে আসতে পারে না। পৃথিবীতে আসলে আমরা তাদের নাম দেই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বা মানুষ। ফেনী দাগনভূইয়ায় সেরকম একটা শিশু সবার নজর কাড়ে সে আব্দুল মোনায়েম।বাবা হারা ছেলেটি বাবাকে অতটা দেখেনি। প্রবাস জীবনে বাবার বেশীরভাগ সময় কাটে।একদিন পৃথিবীও ছেড়ে দেয় সে বাবা।মোনায়েম পা দিয়ে ছবি একে জেলা উপজেলা পর্যায়ে হয়েছে শ্রেষ্ঠ । কখনো প্রথম, দ্বিতীয় ,কোনবার তৃতীয় ।প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে

সক্ষম হয় মোনায়েম । প্রধানমন্ত্রী একটি ছবি পছন্দ করেন। কে একেছে জানার পর জানলেন ছেলেটি পা দিয়েই একেছে ছেলেটির হাত নেই। প্রধানমন্ত্রী বিস্মিত হয়ে তাকে ভালবাসা স্বরুপ পুরস্কার দেন নগদ একলাখ টাকা ও একটি ঘর। যদিও তারা এখনো তাদের ভাড়া বাসাটাতেই বসবাস করছে। মোনায়েমের ইচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর সাথে একটু দেখা করার । যখন পুরস্কারের অর্থ আনতে গিয়েছিল তখন প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার দেখা হয়নি।

মোনায়েমের আক্ষেপ সে কেন প্রশাসণ থেকে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না আর ! সে একবার পুরস্কার পেয়েছে দেশের অনেক শিশুর ছবি থেকে প্রধানমন্ত্রী একটা ছবিকে পছন্দ করার

কারণে । সে তো এটা কোন প্রতিযোগিতায় জিতে অর্জন করেনি। তার ইচ্ছা তাকে সবসময় সব প্রতিযোগিতায় আকতে সুযোগ দেয়া। কারণ তার ছবি আকতে ভাল লাগে। মোনায়েম জানায় প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে আমাকে পুরস্কার পেতেই হবে এমন কথা নেই। প্রধানমন্ত্রী যে ঘরটা ওর মায়ের নামে দিয়েছে তা যদি ভূমিহীন ভাবে না দিয়ে তাদের নামে দলিল করে বা অন্যত্র দিয়ে দিত থাকার মতো হতো তাদের। যেখানে ওই ঘরটি দেয়া সেখানে তাদের জন্য একা বসবাস ঝুকিপূর্ণ হয় জানায় মোনায়েমের মা। মোনায়েম দুই হাত ছাড়া শিশু। তার অপর সন্তানটি ছোট ।এমন অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বাড়ি তার কাজে আসছে না। থাকতে হচ্ছে ভাড়া বাড়িতে। আত্বীয়স্বজন সহ বর্তমান

স্বামীর সহযোগিতায়। এমন কোন ইনকাম তাদের নেই যে ভাড়া বাসায় তাদের জীবন চলে যাবে। প্রশাসন যদি ব্যাপারটাকে উপলব্দি করেন তাহলে এই পরিবারটির উপকার হয়। মোনায়েম বড় হয়ে সিভিল ইন্জিনিয়ার হতে চায়। পাশাপাশি ছবি আ কাকে ভালবাসে সে। প্রধানমন্ত্রীর

৭৭তম জন্মদিনে মোনায়েম একটি চিঠি লিখে । কিন্তু সে চিঠির জবাব এখনো আসেনি। মোনায়েমের মনোবল দৃ। সুযোগ পেলে সে অনেকদূর যেতে পারবে।


আরও খবর



জাবিতে ধর্ষণকাণ্ডে দুই আসামির দোষ স্বীকার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী মামুনুর রশিদ মামুন ও তার সহযোগী মো. মুরাদ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়ার থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. মিজানুর রহমান আসামিদের আদালতে হাজির করে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।

যার প্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুজাহিদুল ইসলাম তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে, বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মামুনকে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে এবং মুরাদকে নওগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

এদিকে এ মামলার অপর চার আসামি- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাব্বির হাসান সাগর, ৪৬তম ব্যাচের সাগর সিদ্দিক ও ৪৫তম ব্যাচের হাসানুজ্জামানকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হোসেন আবাসিক হলের ৩১৭ নম্বর কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে বোটানিক্যাল গার্ডেনে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আসামি মোস্তাফিজ ও মামুনুর রশীদ মামুন।

ভিকটিমের স্বামী রাতেই বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ছয় জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।


আরও খবর