Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস

প্রকাশিত:Sunday ১০ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৩৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার প্রভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের তিন বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস রয়েছে।


রোববার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস থেকে আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, গভীর সঞ্চালনশীল মেঘের প্রভাবে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী (২৩-৪৩ মিলিমিটার) থেকে ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার) বর্ষণ হতে পারে।


অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে।


এই অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, রংপুর ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। একই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী (২৩-৪৩ মিলিমিটার) থেকে ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার) বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।


এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে ঘণ্টায় এ সময় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কিলোমিটার।


মঙ্গলবার নাগাদ আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।


রোববার দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে, ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে সৈয়দপুরে, ৫৮ মিলিমিটার।


আরও খবর



‘শব্দদূষণ মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন’

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

শব্দদূষণ মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, নির্মাণ কাজও শব্দদূষণের জন্য দায়ী। ম্যাস পিপলকে (গণমানুষ) সচেতন করে এবং সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে সমন্বিত কাজের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান বলেও জানান তিনি।

শনিবার (১১ জুন) জাগো নিউজের কনফারেন্স রুমে ‘শব্দদূষণের বিরূপ প্রভাব ও প্রতিকার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

জাগো নিউজের ডেপুটি এডিটর ড. হারুন রশীদের সঞ্চালনায় বৈঠকে উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা শব্দদূষণের বিভিন্ন দিক ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করেন।

এসময় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মো. মুনিবুর রহমান বলেন, নিঃসন্দেহে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা শব্দদূষণে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। উন্নত দেশগুলোতে যারা গণপরিবহন চালান তাদের বেশিরভাগই শিক্ষিত। আমাদের দেশে যারা গণপরিবহন বা সেমি হায়ার লেভেলে যারা গাড়ি চালান তারা একেবারেই কম শিক্ষিত বা অক্ষরজ্ঞানশূন্য। এজন্য তাদের জাজমেন্ট, অ্যাডুকেশন ও সেন্সিবিলিটি লেভেল সম্পর্কে ভেবে দেখা দরকার।

তিনি জানান, রাজধানীতে যানবাহন নিয়ন্ত্রণের টেকনিক্যাল বিষয়গুলো শুধুমাত্র সিটি করপোরেশন দেখে। সার্বিক বিষয়ে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শের আহ্বান জানান তিনি। শব্দদূষণ কমাতে ঢাকা শহরে ইউলুপ এবং যানচলাচলের জন্য স্পেস বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। একইসঙ্গে রাজধানীতে যথাস্থানে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের কথা বলেন তিনি।

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি ও বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, শব্দদূষণ নিরব ঘাতক। আমাদের শহরে নীরব ঘাতকের সরব উপস্থিতি রয়েছে। শব্দদূষণ সবচেয়ে বেশি হয় যানবাহন থেকে। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নির্মাণকাজ। ঢাকা শহরে সবচেয়ে বেশি শব্দদূষণ এলাকার মধ্যে আছে জিরো পয়েন্ট ও পল্টন এলাকা। এছাড়া গুলশান-২ এ দূষণের মাত্রা বেশি।

তিনি বলেন, একটি ভবনের সঙ্গে আরেকটি ভবনের যে দূরত্ব থাকা দরকার ছিল গুলশানে সে দূরত্ব রাখা হয়নি। এছাড়া ইট ও কংক্রিটের পাশাপাশি গ্লাস ব্যবহার করার কারণে এসব জায়গায় অনেক বেশি ইকো (প্রতিধ্বনি) হয়। এছাড়া উচ্চবিত্তের এলাকা হওয়ার কারণে তারা অল্প যানযটেই অস্থির হয়ে পড়েন এবং হর্ন বাজিয়ে থাকেন। এসব কারণে সেখানে শব্দদূষণ বেশি হচ্ছে। সম্মিলিতভাবে পজিটিভ মেন্টালিটি নিয়ে এগিয়ে আসলে শব্দদূষণ কমে যাবে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে জাগো নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কে এম জিয়াউল হক বলেন, শব্দদূষণ নিয়ে আমরা একাধিক সংবাদ প্রকাশ করেছি। পরিবহনের কারণে সবচেয়ে বেশি শব্দদূষণ হচ্ছে। এই দূষণের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী ট্রাফিক পুলিশ ও শিক্ষার্থীরা। অতিরিক্ত শব্দদূষণের কারণে ট্রাফিক পুলিশে কর্মরতরা ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ডিউটি শেষ করে যখন বাসায় যান, তখন তারা স্বাভাবিক কাজ করতে পারেন না। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের প্রায় ৬৫ শতাংশের শ্রবণশক্তি কমে গেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হেমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল বলেন, আমি লিভার বিশেষজ্ঞ, এজন্য সাধারণত লিভারের বাইরে পেটের সমস্যার ক্ষেত্রেও কথা বলি না। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে, শব্দদূষণ একটি সর্বজনীন সমস্যা। আমরা আমিত্বে ভুগি। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে সর্বজনীনভাবে যেটা ভালো, সেদিকটা দেখতে হবে। আইন প্রণয়ণ করে শব্দদূষণ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব না। এ সমস্যা সমাধানে সবার দায়িত্ব ও সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়াম্যান আবু নাসের খান বলেন, শব্দদূষণের সঙ্গে অনেককিছু যুক্ত। আমাদের ইকোসিস্টেমের দিকে চিন্তা করতে হবে। আইন বাস্তবায়নকারীদের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে। শব্দদূষণ কমাতে সমন্বিত পরিকল্পনা করার কথা বলেন তিনি।

‘শব্দদূষণ মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন’

মনোবিজ্ঞানী নুজহাত ই রহমান বলেন, আমাদের বডি সিস্টেম শব্দকে এক ধরনের বিপদ মনে করে। দীর্ঘসময় ধরে শব্দ মানে যেকোনো সময় বিপদ আসতে পারে। প্রচণ্ড যানজটে আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে এক ধরনের হিংস্র অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি বলেন, হর্ন বাজানোর সঙ্গে একজন গাড়িচালকের জীবিকাও জড়িত। কারণ ধীরে গাড়ি চালালে তার আর্থিক ক্ষতি হবে। শব্দদূষণের সমস্যা সমাধানে তিনিও সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সহকারী পরিচালক মো. শহীদুল আজম বলেন, হাইড্রোলিক হর্ন ক্ষতিকর এবং দূরপাল্লার রুটের যানবাহনে এ হর্ন বেশি ব্যবহার হয়। আমরা মাঝে মাঝে অভিযান চালিয়ে হাইড্রোলিক হর্ন খুলে নেই। কিছুদিন পর আবারও চালকরা তা ব্যবহার করা শুরু করেন। যেহেতু হাইড্রোলিক হর্ন আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা নেই, তাই তারা সহজেই তা ব্যব হার করতে পারেন। এটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলেও তিনি জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, আমি যাত্রীদের অধিকার নিয়ে কাজ করছি, তবে শব্দদূষণ নিয়ে কাজ করা হয়নি। শব্দদূষণে রাস্তার আশপাশের দোকানদাররাও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ অবস্থায় জাগো নিউজের এ আয়োজনকে তিনি সাধুবাদ জানান। এ অবস্থার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে কাজ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকের শুরুতেই শব্দদূষণ নিয়ে গবেষণামূলক প্রতিবেদন থেকে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক তৌহিদুজ্জামান তন্ময়।

গোলটেবিল বৈঠকটি জাগো নিউজের ফেসবুক পেজ ও ইউটিব চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে। আয়োজনের সহযোগিতায় ছিল দেশীয় ব্র্যান্ড ‘দুরন্ত বাইসাইকেল’। শব্দদূষণের বিরুদ্ধে তারা সম্প্রতি ‘শব্দত্রাস’ শিরোনামে সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে।


আরও খবর



ডেঙ্গু বিস্তার রোধে ৪ মাস ভ্রাম্যমাণ আদালত চালাবে ডিএসসিসি

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

ডেঙ্গু বিস্তার রোধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১০টি অঞ্চলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকেলে নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে মশক নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত পাক্ষিক পর্যালোচনা সভায় ডিএসসিসি মেয়র এ নির্দেশ দেন।

পর্যালোচনা সভায় মেয়র বলেন, ঢাকাবাসীর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ডেঙ্গুর বিষয়ে সচেতন নন। আমরা তাদের যতই উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করি না কেন, তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন না। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর হতে হবে। সে জন্যই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে আমরা আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করবো। ঢাকাবাসীকে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে রক্ষা করতে কাল (১৫ জুন) থেকে আগামী চার মাস এ অভিযান চলবে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণই এখন মুখ্য কাজ উল্লেখ করে শেখ ফজলে নূর তাপস আরও বলেন, মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে আমাদের পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করতে হবে। অলিগলি থেকে শুরু করে অপরিচর্যিত ছাদবাগানের দিকে নজর দিতে হবে। তাছাড়া কোনো স্থাপনায় মশার প্রজননস্থল থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে যেকোনো উপায়ে সেখানে প্রবেশের অনুমতি নিয়ে প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।

পর্যালোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, সচিব আকরামুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফজলে শামসুল কবির ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারাসহ আরও অনেকে।


আরও খবর



ঢাকায় যাদের জমি-ফ্ল্যাট আছে সবাই কালো টাকার মালিক: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

ঢাকা শহরে যেসব ব্যক্তির জায়গা-জমি বা ফ্ল্যাট আছে তারা সবাই ‘কালো টাকার মালিক’ বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ অবস্থার জন্য সরকার এবং সিস্টেমকেই দায়ী করেন তিনি।

বুধবার (১৫ জুন) দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারি অর্থনৈতিক ও ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়ালি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, পাচার করা টাকা যখন দেশে ফেরত আসবে, আমরা মনে করি তখন সেটার একটি অংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হবে। বিভিন্ন শিল্প-কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ হবে। এ প্রত্যাশায় আমরা সেদিকে নজর দিচ্ছি।

পাচার করা টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ বিষয়ে কোনো চাপে আছেন কি না- জানতে চাইলে মুস্তফা কামাল বলেন, আমি কোনোভাবে চাপে নেই। আমি যা বলেছি তা আমি করবো। আমি অর্ধেক রাস্তা থেকে ফিরে আসি না। আমি যখন রেমিটেন্সের ওপর প্রণোদনা দিয়েছি তখন অনেক সমালোচনা ছিলো। বলা হয়েছিল টাকা আসবে না, কিছু হবে না, টাকা পাচার হবে। কিন্তু এসেছে, শুধু আসেইনি ঐতিহাসিক রেকর্ডও হয়েছে।

কালো টাকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় যাদের জায়গা-জমি বা ফ্ল্যাট আছে তারা সবাই কালো টাকার মালিক। এজন্য সরকার দায়ী, আমাদের সিস্টেম দায়ী। গুলশান এলাকায় কেনা কোনো জমির যে দাম দেখিয়ে রেজিস্ট্রি করা হয় জমির প্রকৃত দাম তারচেয়েও বেশি। কিন্তু বেশি দামে তো রেজিস্ট্রি করতে পারবেন না। প্রত্যেকটা মৌজার জন্য দাম ঠিক করে দেওয়া আছে, এর বেশি দামে রেজিস্ট্রি করা যাবে না। সুতরাং যেটি পারা যাবে না, কালো টাকা তো সেখানেই হয়ে আছে। কে কালো টাকার বাইরে আছে?

তিনি বলেন, কিন্তু যখন বিদেশে পাচার হওয়া কালো টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করি তখন বলা হচ্ছে, সরকার নাকি কালো টাকাকে সাদা করার প্রশ্রয় দিচ্ছে। আমি বারবার বলি অপ্রদর্শিত টাকা। এখানে লাজ-লজ্জার কিছু নাই। সরকার এজন্য দায়ী। আমিও একসময় দায়িত্বে ছিলাম। ঢাকা শহরে জমির দাম বাড়ানো যায় কি না সেটা নিয়ে চিন্তা করলেও শেষ পর্যন্ত দাম বাড়াতে পারিনি। যে দাম ছিলো সে দামই আছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে, যে ফ্ল্যাট দুই কোটি টাকায় রেজিস্ট্রি হচ্ছে সেই ফ্ল্যাটের প্রকৃত দাম ১০ কোটি টাকা। ফলে সরকার বাড়তি রেজিস্ট্রেশন ফি পাচ্ছে না। এখানেই কালো টাকার উত্থান হচ্ছে। এ বিষয়গুলো সবাইকে বুঝতে হবে। ঢাকা শহরে যার জায়গা আছে কিংবা যে ব্যক্তি জায়গা কিনেছেন তিনিই শুধু বলতে পারবেন, কত টাকায় রেজিস্ট্রি হয়েছে এবং জায়গার প্রকৃত বাজার দর কত।

কালো টাকা ফেরত আনা নিয়ে বিভিন্ন মহলের সমালোচনার জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাস্তবতার সঙ্গে মিল রেখে আমরা কোনো আলাপ-আলোচনা করলে সেটি বস্তুনিষ্ঠ হয়।


আরও খবর



বাঁশখালীতে অস্ত্রসহ গণধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২৫ June ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে একটি ওয়ান শ্যুটার গানসহ মো. এহসান (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার (১৩ জুন) বিকেলে বাঁশখালীর চাম্বল এলাকা থেকে গণধর্ষণ মামলার এ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার এহসান চাম্বল গ্রামের মৃত আবদুল মোতালেবের ছেলে। এসময় তার কাছ থেকে একটি ওয়ান শ্যুটার গান, দুইটি রামদা এবং দুইটি ছোরা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নূরুল আবছার বলেন, গ্রেফতার এহসান ওই এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তিনি চাম্বল এলাকায় অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সঙ্গেও জড়িত। এলাকার লোকজন তার অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। এর আগেও তাকে অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগও রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকেলে চাম্বল এলাকা থেকে তকে গ্রেফতার করা হয়।

এহসানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে দুইটি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ আইনে দুইটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাকে বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান মো. নূরুল আবছার।


আরও খবর



বাড়তে পারে গ্যাসের দাম, ঘোষণা রোববার

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
Image

আবাসিক ও শিল্পসহ সব খাতে গ্যাসের দাম সমন্বয় করে নতুন দাম চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। রোববার বিকেলে (৫ জুন) ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের নতুন দাম ঘোষণা করবে বিইআরসি।

শনিবার (৪ জুন) বিইআরসির সচিব খলিলুর রহমান খান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, রোববার (৫ জুন) বিকেল তিনটায় ভোক্তা পর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের নতুন মূল্য ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গেলো ২১ মার্চ রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোর দাম বাড়ানোর বিপরীতে গণশুনানি করে বিইআরসি। ওই শুনানিতে গ্যাসের দাম ১১৭ শতাংশ, অর্থাৎ এক চুলা ৯২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা, দুই চুলা ৯৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০০ টাকা করার প্রস্তাব করার বিপরীতে দুই চুলা ৯৭৫ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮০ টাকা এবং এক চুলার ট্যারিফ ৯২৫ থেকে বাড়িয়ে ৯৯০ টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ করে বিইআরসি।


আরও খবর