Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে আবারো নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৮০জন দেখেছেন

Image
লিয়াকত হোসাইন লায়ন,ইসলামপুর(জামালপুর) প্রতিনিধি।। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগকে জনগণের সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি। 

রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জামালপুরের ইসলামপুরে উপজেলার বাটিকামারী এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন ও সাধারণ জনগনের সাথে মত বিনিময় সভায় বাটিকামারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এলাকাবাসী আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে  বলেন, নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আছে বলেই আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আবারও আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন। একমাত্র নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নতি হয়। নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আসলে কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন হয়।

নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আছে বলেই ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ গেছে। দেশ ও জনগণের উন্নয়ন করতেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। নৌকা মার্কায় ভোট পেলে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয় সেটা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন। প্রতিটি কাজের লক্ষ্য দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। দেশের মানুষের উন্নতি করা।
তিনি আরো বলেন, একটি গোষ্ঠী দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলছে মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই আমাদের দেশ এগিয়ে যাক, এখানে একটা গোষ্ঠী আছে যারা সব সময় দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলে। জাতির পিতাকে হত্যা করে সেই খেলা শুরু হয়েছিল। বার বার ক্ষমতা দখল, হত্যা-ক্যু ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। তাই সকল ষরযন্ত্র উৎখাত করে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে আবারো নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে।
উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আঃ খালেক আকন্দের সভাপতিত্বে এতে জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুর রহমান শাহজাহান,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. আঃ সালাম, সহ সভাপতি শাহাদত হোসেন, মহিলা সম্পাদক শাহিদা পারভিন লিপি,পলবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান কমল প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

আরও খবর



রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে পটুয়াখালীতে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণের জন্য পটুয়াখালীতে পৌঁছেছেন । বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলাপাড়ার খেপুপাড়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন হেলিপ্যাডে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলার কলাপাড়া পৌর শহরের সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ মাঠে দুই হাজার দুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবেন। এ ছাড়া দুপুর দেড়টার দিকে কলাপাড়ার শেখ কামাল সেতু পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্মেলনকক্ষে বরিশাল বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৫টায় পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাড থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মে রাত থেকে ২৭ মে শেষ রাত পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড় রিমাল। এর প্রভাবে ঝড়, বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাসে দেশের বিভিন্ন জেলার মতো উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।


আরও খবর



রিয়েলমি সি৬৫ প্রি-বুকিং ক্যাম্পেইন বিজয়ী পেলেন ১ লাখ টাকার পুরস্কার

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৫৬জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:রিয়েলমি সি৬৫ প্রি-বুকিং ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীকে ১ লাখ টাকা পুরস্কার দিয়েছে তরুণদের জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। একটি আকর্ষণীয় লটারির মাধ্যমে এ অনন্য সুযোগ লুফে নিয়েছেন ভাগ্যবান বিজয়ী মোহাম্মদ আজিজুল হাকিম সামি। রিয়েলমি সি৬৫ ডিভাইসটি প্রি-বুক করার মাধ্যমে ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়েছিলেন সামি।

রিয়েলমি বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং ডিরেক্টর ড্যারেন ঝ্যাং ১ লাখ টাকার একটি চেক মোহাম্মদ আজিজুল হাকিম সামির হাতে তুলে দেন। এছাড়া, রিয়েলমি সি৬৫ কিনে ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়া অন্যান্য গ্রাহকদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে আরও পাঁচ জন ভাগ্যবান বিজয়ীকে নির্বাাচিত করা হয়। এসব বিজয়ী গ্রাহকরা পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ‘একটি কিনলে একটি ফ্রি’ অফার।

বাংলাদেশে রিয়েলমি সি৬৫ উন্মোচনের সময়, একটি আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে দেশজুড়ে থাকা রিয়েলমি’র অনুমোদিত আউটলেটগুলো থেকে গ্রাহকদের স্মার্টফোনটি প্রি-বুক করতে বলা হয়। সেখান থেকে নির্বাচিত বিজয়ীদের ১ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার এবং ‘একটি কিনলে একটি ফ্রি’ অফারের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিভিন্ন সময়ে অসাধারণ ফিচার উপস্থাপনের মাধ্যমে রিয়েলমি দেশের তরুণদের মনে ১ নম্বর কোয়ালিটি ব্র্যান্ড হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ৭.৬৪ মিলি মিটারের আল্টা স্লিম বডির স্টাইলিশ ফোনটি এই শ্রেণির সবচেয়ে পাতলা স্মার্টফোন। একই সঙ্গে ব্যবহারকারীকে এই ফোন দিচ্ছে চার বছর ল্যাগ-ফ্রি ব্যবহারের আত্মবিশ্বাস। এই শ্রেণির মধ্যে এটাই একমাত্র ফোন, যেটি টিইউভি-এসইউডি সার্টিফিকেশনের কাছ থেকে পেয়েছে জার্মান ৪-বছরের স্মুদ সার্টিফিকেশন। ডিভাইসের পারফরম্যান্স কোয়ালিটি নিশ্চিত করা হলে স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলোকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

একটি ম্যারাথন ব্যাটারির পাশাপাশি এই স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সক্ষমতা। মাত্র ৩০ মিনিটের চার্জেই স্মার্টফোনপ্রেমীরা পাচ্ছেন ৫০% পর্যন্ত চার্জিংয়ের সুবিধা। এতে আরও রয়েছে টিইউভি লো ব্লু লাইটের মতো হাই-এন্ড সেফগার্ডিং ফিচার, যার কারণে টানা ব্যবহারেও ফোন ব্যবহারকারীর চোখের ব্যথা (আই স্ট্রেইন) কম হবে। রিয়েলমি সি৬৫ স্মার্টফোনে রয়েছে আইপি৫৪ ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স এবং রেইনওয়াটার স্মার্ট টাচ ও একটি ৩৬০ ডিগ্রি সারাউন্ড অ্যান্টেনা ডিজাইনের মতো উদ্ভাবনী ফিচারসমুহ। এসব ফিচার ফোনের দীর্ঘস্থায়িত্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি ইউজার এক্সপেরিয়েন্সকেও আরও বাড়িয়ে তোলে।

রিয়েলমি বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং ডিরেক্টর ড্যারেন ঝ্যাং বলেন, “প্রতিটি নতুন ডিভাইস উন্মোচনের সঙ্গে সঙ্গে ব্র্যান্ডের স্বনামধন্য দীর্ঘস্থায়িত্ব ও নির্ভরযোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রিয়েলমি। বাজারে আনার পর সি৬৫ গ্রাহকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। ক্যাম্পেইনে ১ লাখ টাকা পুরস্কার বিজয়ী এবং পাঁচজন ‘একটি কিনলে একটি ফ্রি’ ডিল বিজয়ীদের আমি আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছি।”

১ লাখ টাকা পুরস্কারজয়ী মোহাম্মদ আজিজুল হাকিম সামি বলেন, “রিয়েলমি’র কাছ থেকে পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ টাকা পাব, এ বিষয়টি আমার জন্য পুরোটাই সারপ্রাইজ ছিল। একটি ফোন কিনে এমন ভাগ্যবান হব, এটা আমি ভাবতেই পারিনি। গ্রাহকদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য রিয়েলমি’র এই প্রচেষ্টাকে আমি স্বাগত জানাই। এই মুহুর্তে, আমি রিয়েলমি সি৬৫ ডিভাইসের অসাধারণ ফিচারসমূহ ব্যবহার করতে পেরেই খুশি, তার ওপর পোয়া বারো হিসেবে পুরস্কারের টাকা তো এসেছেই!”

ব্র্যান্ডের গ্রাহকদের বুঝতে পারে এমন একটি টেক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চায় রিয়েলমি। তাই ভবিষ্যতেও চমৎকার ডিভাইস বাজারে আনা এবং আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইন আয়োজন করা চালিয়ে যাবে সকলের প্রিয় এই স্মার্টফোন ব্র্যান্ডটি।


আরও খবর



অন্যায়ভাবে জমি দখল, মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করার প্রতিবাদে বোদায় মানববন্ধন

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৬জন দেখেছেন

Image

কুয়েল ইসলাম সিহাত,বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃপঞ্চগড়ের বোদায় অন্যায়ভাবে জমি দখল, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি প্রতিবাদে এবং ভূমিদস্যু তোয়ায়েল আহম্মেদ ও বোদা থানার ওসি মোজাম্মেল হকের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। শনিবার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার ময়দানদিঘী বাজারে ভূক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের ব্যানারে পঞ্চগড়-ঢাকা মহাসড়কের একপাশে দাড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। মানববন্ধনে ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্য আনসারুল ইসলাম, পারুল বেগম, শাপলা আক্তার, আর্ণিকা বেগম, শাহজাহান আলী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের জমকুড়াপাড়া এলাকার আনসারুল ইসলাম ও তার পরিবার দীর্ঘ ৭৫ বছর ধরে ক্রয়সূত্রে ২৪ বিঘা জমির মালিকানা লাভ করেন। তবে ওই জমি গত কয়েক বছর আগে স্থানীয় আনিসুর সহ তার পরিবারের সদস্যরা গাজীপুর জেলার তোফায়েল আহম্মেদ নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন। পরে এনিয়ে আদালতে মামলা গড়ায়। সম্প্রতি সেই জমি দখলে নিতে বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হককে ঘুষ দিয়ে তার উপস্থিতিতে কাটা তারের বেড়া দিয়ে জমি দখলে নেয় ভূমিদস্যু তোফায়েল। তবে রাতের আধাঁরে জমির কে বা কারা জমিতে দেয়া বেড়া ক্ষতিগ্রস্থ করেছে তার দায় চাপিয়ে দেয়া হয়েছে ভূক্তভোগী পরিবারের উপর। পরে এনিয়ে তোফায়েল বোদা থানায় সীমানা বেড়া ক্ষতিগ্রস্থ ও মালামার চুরির একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ মামলার আসামী ধরতে রাতের আধারে ভূক্তভোগীদের হয়রানী করছে। অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, হয়রানী বন্ধ সহ ভূমিদস্যু তোফায়েল ও বোদা থানার ওসি মোজাম্মেল হকের বিচার দাবী করেন বক্তারা। মানববন্ধনে ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্য আনসারুল ইসলাম বলেন, আমাদের জমি অন্যায়ভাবে দখলে নিয়ে আমাদের উপরই মালামাল চুরির একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ রাতে আমাদের ধাওয়া করছে। আমাদের পরিবারের কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকেও আসামী করা হয়েছে তাদের কারো এইচএসসি কারো অর্নাস পরীক্ষা চলছে। তারাও বাসায় থাকতে পারছেনা। আমরা আমাদের জমি ফিরিয়ে চাই। সেই সাথে অবৈধ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ভূমিদস্যু তোফায়েল ও বোদা থানার ওসি মোজাম্মেল হকের বিচার চাই। পরে মানববন্ধন শেষে একই দাবীতে ময়দানদিঘী বাজারে ভূক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা পঞ্চগড়-ঢাকা মহাসড়ক ঘন্টাব্যাপী অবরোধ করেন। এসময় মহাসড়কের দুই পাশে অর্ধশতাধিক যানবাহন আটকে পড়ে। পরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম ফুয়াদ ও বোদা হাইওয়ে থানার ওসি শরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভূক্তভোগীদের সাথে কথা বলে মামলার বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিলে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করেন ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। সব অভিযোগ অস্বীকার করে তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, আমার কাছে কোর্টের আদেশ আছে। আমি সেই আদেশের বলে জমিতে গেছি। কোর্ট আমাকে জমি দখল করে দিয়েছে। আপনারা চাইলে সব কাগজপত্র দেখতে পারেন। আর আমি কোন মিথ্যা মামলা করিনি। কাউকে হয়রানীও করা হচ্ছে না। আমার মালামাল চুরি হয়েছে আমি মামলা করবো না। এখানে কোন মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়নি। এ ব্যাপারে বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই ঘটনায় সকল কর্মকান্ড আইন অনুযায়ী করা হয়েছে। 


আরও খবর



একই কায়দায় যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতা হত্যাকান্ড, কবে বিচার পাবে পরিবার?

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ নেতা আল আমিনের নৃশংস হত্যাকান্ডের একদিন শুক্রবার পর্যন্ত পেরিয়ে গেলেও কোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ৯ বছর আগে একই স্থানে একই কায়দায় প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে যুবলীগ নেতা রফিকুলকে হত্যা করা হয়। সে বিচার শেষ না হতেই আবার ছাত্রলীগ নেতা হত্যা। কবে বিচার পাবে তাদের পরিবার? এমন প্রশ্ন ছুরছেন নানা মহলের মানুষ।

এলাকাবাসী, নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাবা মোতালেব হোসেন একজন সিএনজি চালক আর মা আছিয়া বেগম গৃহিনী। তাদের এক ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে আল আমিন সবার বড়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক ডিঙ্গিয়ে সবে মাত্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সরকারী কলেজে ডিগ্রিতে পা রেখেছে তাদের ছেলে। সে লেখাপড়া করে একটা ভাল চাকরি করবে ও তাদের দেখাশুনা করবে। কিন্তু বাবা-মায়ের সেসব স্বপ্ন যেন নিমিশেই শেষ হয়ে গেল। লেখাপড়ার পাশাপাশি আল আমিন ওই কলেজের দ্বাদশ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করতো। সেই ছাত্রলীগের রাজনীতিই কাল হলো আল আমিনের। গত বুধবার ওই কলেজের এইচএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে তাদের সঙ্গে অপর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কথা কাটাকাটি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর জেরে গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। এসময় কামরুল হাসান নামে অপর ছাত্রলীগ সদস্যকে কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে হত্যাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মোতালেব হোসেন বাদী হয়ে রাতে কালিয়াকৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কালিয়াকৈর পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ও ওই কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমন খান ও ওই কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানসহ ১৮জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো অনেককে আসামী করা হয়। কিন্তু হত্যাকান্ডের একদিন পেরিয়ে গেলেও হত্যাকারী কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে শুক্রবার ময়নাতদন্তের পর জানাযা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার মৃতদেহ দাফন সম্পূর্ণ করা হয়।

এর আগে গত ২০১৫ সালের ২১ আগস্ট একই স্থানে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলামকে একই কায়দায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। লাশ নিয়ে কালিয়াকৈর উপজেলার সাহেব বাজার এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও কালিয়াকৈর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে প্রতিবাদ সভা করে। ঘটনার পরের দিন নিহতের বড় ভাই আব্দুল মোতালেব মিয়া বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। কিন্তু রাজনৈতিক রেষারেষি ও তদন্তের হেরফেরে ওই মামলাটি তিনবার নারাজি দেওয়া হয়েছিল। এর ফাঁক-ফুকুর দিয়ে আড়ালে চলে যায় অনেক রাঘব-বোয়াল নেতা।

সর্বশেষ দীর্ঘদিন পর ওই মামলার চার্জসিট হলেও ৯ বছর ধরে ন্যায় বিচারের অপেক্ষায় তার পরিবার। ওই হত্যাকান্ডের বিচার শেষ হতে না হতেই একই কায়দায় আবার ছাত্রলীগ নেতা আল আমিনকে হত্যা। কবে বিচার পাবে তাদের পরিবার? এমন প্রশ্ন ছুড়ছেন নানা মহলের মানুষ। শুধু যুবলীগ নেতা রফিকুল ও ছাত্রলীগ নেতা আল আমিনই নয়, নাম জানা ও অজানা হত্যাকান্ডগুলো দীর্ঘদিন বিচারের জন্য ঝুলে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা জানিয়েছেন, কখনো লাশ নিয়ে সড়ক-মহাসড়কে বিক্ষোভ, অর্ধদিবস হরতাল কর্মসূচী, প্রতিবাদ সভা করলেও বছরের পর বছর ধরে চলে বিচার কার্য। ফলে হতাশায় ভুগছেন পরিবারের সদস্যরা।

নিহত ছাত্রলীগ নেতার মামা হারুন মিয়া জানান, ময়নাতদন্ত পর বিকেলে জানাযার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার মৃতদেহের দাফন সম্পূর্ণ করা হবে। তবে এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

অপর নিহত যুবলীগের নেতা রফিকুলের বড় ভাই আব্দুল মোতালেব মিয়া বলেন, আমার ভাইকে প্রকাশ্যে যেভাবে হত্যা করেছে, ঠিক একই কায়দায় ওই ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু অর্থের বিনিময়ে ভাই হত্যার মামলা থেকে অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে আমার ভাই হত্যার বিচার আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়েছি।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, আল আমিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এছাড়া ওই স্থানে যুবলীগ নেতা রফিকুল হত্যাকান্ডের বিষয়টি আমার জানা নেই।


আরও খবর



ফুলবাড়ীতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগদানের প্রতিবাদে বিক্ষোভসহ মানববন্ধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে তাদের মনোনিত ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগদানের উদ্যোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভসহ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারি-অভিভাবকসহ এলাকাবাসী।

সোমবার (১০ জুন) সকাল ১১ টায় ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউপির জয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারি-অভিভাবকসহ এলাকাবাসী বিদ্যালয় চত্বরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালনসহ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে দাবির সমর্থনে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মো. রায়হান আলী, সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মোছা. তাহেরা বেগম, সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মো. শাহানুর আলম, সহকারী শিক্ষক ওয়াহেদ আলী, সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলম, বিদ্যালয়ের জমিদাতা আফজাল তালুকদার, অভিভাবক মোহাম্মদ আলম, এজাজ ম-ল, শিক্ষার্থী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার, ফাহারিয়া আক্তার রিয়া, জান্নাতুন তাজরিন, মোহনা জান্নাত, ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ¯িœগ্ধা আক্তার ইতিমনি, তাজমুন নাহার রীতা সহ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

মানবন্ধন শেষে বিদ্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল প্রদর্শন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারি-অভিভাবকসহ এলাকাবাসী।

জয়নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মো. রায়হান আলী, সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মোছা. তাহেরা বেগম ও সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মো. শাহানুর আলম বলেন, ম্যানেজিং কমিটিকে পাশ কাটিয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্বাস উদ্দিন মন্ডল ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র রায় যোগসাজস করে সরকারি বিধি বহির্ভূতভাবে পার্শ্ববর্তী বিরামপুরের মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মামুনুর রশিদকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের পাঁয়তারা করছেন। গত ১৮/০৫/২০২৪ ইং তারিখের ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তে প্রধান শিক্ষকের পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও সেই সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এবং কমিটির কাউকে কোনো কিছু না জানিয়ে গোপনে মামুনুর রশিদকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আজ সোমবার (১০ জুন) সকাল ১০টায় দিন ধার্য করেন প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সভাপতি। এজন্য আবেদনকারিদের কাউকে মৌখিকভাবে আবার কাউকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারি-অভিভাবকসহ এলাকাবাসী বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছেন। এরই অংশ হিসেবে তারা অবৈধ প্রক্রিয়া মামুনুর রশীদকে প্রধান শিক্ষকের পদে নিয়োগের উদ্যোগ বন্ধসহ অবৈধ পন্থা অবলম্বনকারিদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভসহ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তবে বিক্ষোব ও মানববন্ধনের জন্য সকালে নিয়োগ পক্রিয়া স্থাগিত করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তবে বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ১১/০৬/২০২৪ ইং তারিখ মঙ্গলবার শেষ হয়ে যাবে। এ কারণে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক তড়িঘড়ি করে নিয়োগ পক্রিয়া শেষ করে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। 

বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার রিতু ও রিক্ত চন্দ্র রায় বলে, কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ে চাই না। মামুনুর রশিদকে নিয়োগ দেওয়া হলে তারা বিদ্যালয়ে তারা ঝুঁলিয়ে দেবেন বলে জানান। 

 অভিভাবক মোহাম্মদ আলম ও এজাজ ম-ল বলেন, কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে দেবে এলাকাবাসী। স্বচ্ছ ও সরকারি বিধি মোতাবেক একজন যোগ্য ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে হবে। এটা করা না হলে এলাকাবাসী বিদ্যালয়ে তালা ঝুঁলিয়ে দিতে বাধ্য হবেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র রায়কে তার ০১৩০৯ ১২০৪২৩ এবং ০১৭৬১ ৩৮১৮৭৯ নম্বরে মুঠোফোন একাধিকবার ফোন করা হলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্বাস উদ্দিন মন্ডলের ০১৭৪৭ ৫৪৭৭২৫ নম্বরের মুঠোফোনে ফোন করা হলে ফোনে গ্রহণ করেন’নি।

নিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার মহাপরিচালকের প্রতিনিধি বিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক মুঠোফোনে বলেন, ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে মৌখিকভাবে বলেছেন, তবে লিখিতভাবে এখনও জানাননি। ফলে এ বিষয়ে কোনো কিছু জানেন না তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূর আলম বলেন, মৌখিকভাবে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে বলা হলেও লিখিতভাবে কোনো কিছু বলা হয়নি। ফলে নিয়োগ হবে কি না তাও তিনি জানেন না।

জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, ওই বিদ্যালয়ে নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হিসেবে তাকে লিখিতভাবে কোনো কিছু জানানো হয়নি। ফলে তিনিও জানেন না নিয়োগ হবে কি না।


আরও খবর