Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

উন্নয়ন অব্যহত রাখতে শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতেই হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৬৩জন দেখেছেন

Image
লিয়াকত হোসাইন লায়ন,ইসলামপুর(জামালপুর) প্রতিনিধি:ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান এমপি বলেছেন-চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান পরিবর্তন করে দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।‘যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি, তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছে। প্রতি মুহূর্তে তাদের বাধা অতিক্রম করতে হচ্ছে। উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার চেস্টা করছে। উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে সকল বাধা অতিক্রম করে আবারো জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলার মসনদে বসাতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বুধবার বিকালে জামালপুরের ইসলামপুর যমুনার দূর্গম চরাঞ্চল বেলগাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্দ্যোগে সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক কে জয়যুক্ত করা কর্মী সভাবেশে মন্নিয়া বাজারস্থ মাঠে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন,শেখ হাসিনার আমলে দেশের যত উন্নয়ন হয়েছে- তা ইতিহাসযোগ্য। এর আগে কোন সরকার এত উন্নয়ন করতে পারেনি। যমুনার তলদেশ দিয়ে সাব মার্সেবুল ক্যাবলের মাধ্যমে যমুনার দূর্গম চরে প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছেন, বয়স্কভাতা,বিধবাভাতা,স্বামী পরিতেক্ত ভাতা,যত্ন প্রকল্পের ভাতা, উপজেলার গ্রামেগঞ্জে রাস্তাঘাট, সেতু কালভার্টে, বন্যা আশ্রয়ন কেন্দ্র,স্কুল কলেজের ভবন, সকল উন্নয়ন সমাপ্তের পথে। যা একসময় মানুষ কল্পনাই করতে পারেনি। সরকার যেখানে যা প্রয়োজন সব করছে। 
সকল প্রকার উন্নয়ন দিয়ে গ্রামকে শহরে রূপান্তর করা হয়েছে। শেখ হাসিনার অদম্য শক্তি, সাহস, মনোবল ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বিশ্ববাসী অবাক বিস্ময়ে দেখে। তাই স্সার্ট বাংলাদেশ গড়তে সকলকে বিভেদ ভূলে নৌকাকে বিজয়ী করার আহবান জানান।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহানশাহ সরকারের সভাপতিত্বে চেয়ারম্যান আঃ মালেকের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. আঃ সালাম,সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার জাকিউল হক,আঃ খালেক আকন্দ,মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শাহিদা পারভীন লিপি,ত্রাণ সম্পাদক সালাউদ্দিন শাহ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
এতে উপজেলা,ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এতে অংশ নেন।

আরও খবর



খাগড়াছড়িতে সোতোকান কারাতে সামার ক্যাম্প উদ্বোধন করলেন: পুলিশ সুপার মুক্তা ধর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:খাগড়াছড়িতে সোতোকান কারাতে সামার ক্যাম্প-২০২৪ এর উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।

বুধবার (৫ জুন) দুপুরের দিকে খাগড়াছড়িতে সোতোকান কারাতে একাডেমীর আয়োজনে সোতোকান কারাতে সামার ক্যাম্প-২০২৪ এর উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।

প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে আত্মরক্ষার প্রয়োজনীয়তা ছড়িয়ে দিতে ও আত্মরক্ষার কৌশল সম্পর্কে জানাতে কারাতে সামার ক্যাম্প-২০২৪ এর আয়োজন করা হয়েছে। 

এসময় খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস)  মোঃ জসীম উদ্দিন পিপিএম, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন এর প্রশিক্ষক  মইনুল হোসেন, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন এর জজ (বিচারক)  অপু আহমেদ, জেলা ক্রীড়া অফিসার আফাজ উদ্দিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক ধুমকেতু মারমা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক আজাহার আলী সহ কারাতে প্রশিক্ষণার্থী, সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

প্রধান অতিথি,র বক্তব্যে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার)বলেন, বর্তমান সময়ে নিজের নিরাপত্তা রক্ষা। একই সঙ্গে নিজের আত্মবিশ্বাস এবং শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করার অন্যতম একটি নিয়ামক হল ‘কারাতে’।  দৈনন্দিন জীবনে চলার পথে বিভিন্ন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে আত্মরক্ষার বিকল্প নেই। দেশের কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আত্মপ্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টিতে কারাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলে আত্মরক্ষা সহজেই করা যায়। ইতিপূর্বেও আমরা খাগড়াছড়ি পুলিশ লাইন্স হাই স্কুল মাঠে কিশোর-কিশোরীদের মানসিক ও শারীরিকভাবে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কারাতে প্রশিক্ষণ এর আয়োজন করেছি যা এখনো চলমান আছে।

আরও খবর



ইংল্যান্ড সুপার এইটের আশা বাঁচিয়ে রাখল

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:ইংল্যান্ড ৪১ রানে নামিবিয়াকে হারিয়ে সুপার এইটের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে । বৃষ্টির কবলে দুইবার পড়া ম্যাচে ১০ ওভারে ইংল্যান্ডের করা ৫ উইকেটে ১২২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে নামিবিয়া করতে পেরেছে ৩ উইকেটে ৮৪ রান।

সুপার এইট নিশ্চিত করতে হলে সকাল সাড়ে ৬টায় শুরু হতে যাওয়া অস্ট্রেলিয়া-স্কটল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ইংল্যান্ডকে। এই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া জয় পেলে সুপার এইট নিশ্চিত হবে ইংলিশদের। কোনো কারণে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হলেও বাদ পড়তে হবে জস বাটলারের দলকে।

অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে ১২২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করে নামিবিয়া। রানের চাপ অনেক বেশি হওয়ার কারণে শেষ পর্যন্ত আর পেরে ওঠতে পারেনি তারা। উদ্বোধনী জুটিতে ৪৪ রান করেন দুই ওপেনার মাইকেল ফন লিনজেন ও নিকোলাস ডেভিন। ১৬ বলে ১৮ রান করে ডেভিন রিটায়ার্ড হার্ট হন।

তিনে নেমে ডেভিড ওয়াইজে ১২ বলে ২৭ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। আর লিনজেন করেন ২৯ বলে ৩৩ রান। শেষ পর্যন্ত নামিবিয়াকে থামতে হয় ৮৪ রানে।

এর আগে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার। সেটি হলে দেশে ফেরার টিকিট কাটতে হতো বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। শেষ পর্যন্ত ইংলিশদের দুর্দশার বৃষ্টি থেমেছে। ৩ ঘণ্টা অপেক্ষার পর খেলা শুরু করেছেন আম্পায়াররা। প্রথম পর্যারে ২০ ওভারের খেলা নামিয়ে আনা হয় ১১ ওভারে। ৮ ওভার খেলা হতেই ফের হানা দেয় বৃষ্টি। যে কারণে আরও ১ ওভার কমিয়ে তা ১০ ওভার করা হয়।

ইংল্যান্ড টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায়। দলীয় ২ রানে ওপেনার জস বাটলারের (৪ বলে ০) উইকেট হারানোর পর ১৩ রানের মাথায় ফিল সল্টের (৮ বলে ১১) উইকেটও হারায় ইংলিশরা।

জনি বেয়ারেস্টো ও হ্যারি ব্রুক এরপর ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। নামিবিয়ার বোলারদের তুলোধুনো করে ৩০ বলে ৫৬ রানের জুটি করেন তারা। ১৮ বলে ৩১ রানের ইনিংস বেয়ারেস্টো আউট হলে জুটি ভাঙে।

তৃতীয় উইকেটের জুটি ভাঙলে ইংলিশদের ব্যাটিং ক্ষিপতা যেন আরও বেড়ে যায়। চতুর্থ জুটিতে মঈন আলি আর হ্যারি ব্রুক মিলে করেন ১৩ বলে ৩৮ রান। ৬ বলে ১৬ রান করেন আউট হন অলরাউন্ডা মঈন।

এরপর ব্যাট করতে নামা লিয়াম লিভিংস্টোন করেন ৪ বলে ১৪ রান। ইনিংসের শেষ বলে রানআউটের শিকার হন তিনি। ২০ বলে ৪৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিতই থেকে যান ব্রুক।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে সেই স্বর্ণের মাটির স্তুপ পরিক্ষা ও স্ক্যান করার নির্দেশে দুই সদস্যের কমিটি গঠন

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের কাতিহার রাজোর এলাকার আরবিবি ইট ভাটার স্তুপ করা মাটি পরীক্ষা,অনুসন্ধান ও স্ক্যান করার নির্দেশসহ দুই সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। গত ২ জুন বাংলাদেশ ভুতাত্বিক জরিপ অধিদপ্তর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন শাখা ঢাকার ভুতত্ব পরিচালক কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

স্বর্ণ পাওয়ার বিষয়টি গুরত্বসহকারে নিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি মেহেদী হাসান বাংলাদেশ ভুতাত্বিক জরিপ অধিদপ্তরে আরবিবি ইটভাটার মাটির পূর্বের স্থানসহ বর্তমান স্থান পরীক্ষা,অনুসন্ধান ও মাটি স্ক্যানের আবেদন করে। সেই পেক্ষিতে এ অফিস আদেশ দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। চিঠিতে উল্লেখ্য করা হয়েছে, সহকারী পরিচালক ভুতত্ব আনোয়ার সাদাৎ মুহাম্মদ সায়েম ও মোহাম্মদ আল রাজীকে আগামী ৩জুন থেকে ৫জুন অথবা প্রকৃত যাত্রার তারিখ হতে তিনদিনের মধ্যে প্রকৃত ঘটনার তথ্যসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। 

এর আগে আজকের পত্রিকাসহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ইটভাটায় স্বর্ণের খোজে কোদাল নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এর পরে দিনে রাতে ইটভাটার মাটির স্তুপে অতিরিক্ত মানুষের সমাগম হওয়ায়। আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় গত ২৫ মে ইটভাটায় ১৪৪ ধারা জারী করে রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন। এরপর থেকে সেখানে পুলিশি পাহারায় চৌকি বসানো হয়। এতে সাধারণ মানুষ ইটভাটায় ভিড়তে পারে না। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি মেহেদী হাসান বলেন, যেহেতু ওই ইটভাটার মাটি ঐতিহাসিক এলাকা থেকে কাটা হয়েছে। এবং মানুষের মুখে মুখে স্বর্ণ পাওয়ার বিষয়টি চাউর হয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয় ভাবে এটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদি কোন ধরনের স্বর্ণ পাওয়া যায়। তাহলে সেটি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।

রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) রকিবুল হাসান বলেন, বাংলাদেশ ভুতাত্বিক জরিপ অধিদফতর এর নির্দেশে মাটির পরীক্ষা করা হবে বলে জানতে পেরেছি। তারা আসলে উপজেলা প্রশাসন থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

আরও খবর



জয়পুরহাটে বেশী মজুরীতেও মিলছেনা শ্রমিক, পানির নিচে ধান, বিপাকে চাষীরা

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাটঃজয়পুরহাটে আলুর পর একটু দেরীতেই রোপণ করা হয় বোরো ধান। অন্যান্য এলাকায় যখন পাকা ধান কাটাঁ শেষ পর্যায়ে, তখন এ জেলায় শুরু হয় বোরো ধান কাঁটা। বর্তমানে জয়পুরহাটে মাঠের পর মাঠ জুড়ে পড়ে আছে পাঁকা ধান। কয়েকদিনের ঝড়-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের পাকা ধান। এর সাথে দেখা দিয়েছে কৃষি শ্রমিকের সংকট। ঝড়-বৃষ্টির পর বেশী দামেও মিলছেনা কৃষি শ্রমিক। পাঁকা ধান নিয়ে বিপাকে পরেছে চাষীরা। অল্প সময়ের মধ্যে ফসল ঘরে তুলতে না পারলে পাকা ধান নষ্ট হয়ে যাবে, আবার ঝড়-বৃষ্টির সাথে শীলা বৃষ্টির কারনে পাকা ধান ঝড়ে গিয়ে ফলন কম হবে এমন শঙ্কায় দিন যাপন করছেন চাষীরা।  

চাষীরা জানান, গত কয়েকদিন ধরে কম-বেশী ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছেই। জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকের পাঁকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অধিকাংশ জমির ধান মাটিতে নুয়ে গেছে। ধান গাছ পানির নিচে ডুবে পঁেচ যাচ্ছে। অনেকেই শ্রমিক না পেয়ে ধানের আশা ছেড়ে দিয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৬৯ হাজার ৭শ২৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব জমিতে উচ্চফলনশীল (উফশী) এবং হাইব্রিড জাতের ধান হয়েছে। খাদ্য উৎপাদনের জেলা হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাট। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এবার ১২০ হেক্টর জমিতে কম চাষ হয়েছে। সে হিসেবে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩ লাখ মে.টন। এ পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ জমির ধান কাঁটা-মাড়াই হয়েছে। এখনও ৫৫ শতাংশ ধান মাঠেই আছে।

কৃষকরা জানান, এ এলাকায় আলু পর ধান রোপণ করা হয়। সে কারণে ধান পাকতে একটু দেরি হয়। এবারও ধান পাকতে দেরি হয়েছে। যে সময় মাঠের পর মাঠ জুড়ে ধান পাঁকে, ঠিক সেই সময়ই শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে। কৃষি শ্রমিকের সংকটের কারণে ধান কাঁটা যাচ্ছে না। বেশী টাকাতেও শ্রমিক মিলছেনা। গত কয়েকদিনের ঝড়-বৃষ্টির কারণে অনেকের ধান বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে। জমানো পানি অন্যত্র সরানোর কোনো উপায়ও নেই। আজ (৯জুন) রোববার সকালে জেলার কালাই পৌরশহরের নয়াপাড়া মাঠে গিয়ে কথা কৃষক সোহেল মিয়ার সাথে। তিনি জানান, মাঠের পর মাঠ জুড়ে ক্ষেতের ধান পেকে মাটিতে নুয়ে পড়েছে। কয়েকদিন ধরে ঝড়-বৃষ্টিও হচ্ছে। এ কারণে প্রায় সব জমিতেই পানি জুমে গেছে। সরানোর কোনো উপায় নেই। সবাই ধান কাটতে শ্রমিক খুঁজছে। এ কারনে শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে। গত বছর একবিঘা (৩৩ শতক) জমির ধান কাটতে শ্রমিকের মজুরি দিতে হয়েছিল ২ হাজার  ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা। এবার সেই একবিঘার ধান কাটতে মজুরি দিতে হচ্ছে ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। তারপরও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে অনেকেই জমির ধান ছেড়ে যাচ্ছে। কারন পানিতে ডুবে অনেকের ধান পঁচে গেছে।  

কালাই পৌরশহরের দোকানদারপাড়া মহল্লার কৃষক জয়েন উদ্দিন, পাঁচগ্রামের কৃষক রেজাউল করিম, ক্ষেতলাল উপজেলার মুন্দাইল গ্রামের কৃষক জেলহাজসহ বেশকয়েকজন কৃষক জানান, এবার ধানকাঁটা শ্রমিকের খুবই সংকট। এর আগে কখনও শ্রমিকের সংকট হয়নি। যদিও বাহির থেকে শ্রমিকের দল আসছে, তাদের নিয়ে গৃহস্থদের মধ্যে টানাহেচঁড়া শুরু হয়েছে। জমানো একহাটু পানি সাথে বজ্রপাতের আতঙ্কে শ্রমিক ও কৃষক উভয়ই মাঠে নামতে ভয় পাচ্ছেন। ফলে মাঠের ধান মাঠেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

বাগইল গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, পাকা ধান ঘরে তুলতে কৃষকরা পাগল হয়ে গেছে। বেশী দামেও মিলছেনা শ্রমিক। যাও মিলছে গত বছরের চাইতে এবার দ্বিগুন দাম দিতে হচ্ছে তাদের। এমনিতেই ধানের দাম কম। তিনি আরও বলেন, গত শুক্রবার চার বিঘা ধান কেটেছি ২০ হাজার টাকায় অথচ গত বছর এই চার বিঘার ধান কেটেছিলাম ১০ হাজার টাকায়। আবার ধানের দামও কম। এই যদি হয় তাহলে আমরা কৃষকরা যাবো কোথায়।    
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রাহেলা পারভিন বলেন, বৈরী আবাওহায়ার কারণে পুরোদমে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। আবওহায়া ভাল থাকলে আগামী ১০ দিনের মধ্যে ধান কাটা শেষ হবে। তিনি আরও বলেন, আগামীতে শ্রমিকের সংকট আরও দেখা দিবে। কারণ এ পেশায় নতুন করে আর কোন লোক আসবে না। আমরা কৃষকদের ধান কাটার যন্ত্রপাতী ভূর্তকিতে নিতে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি কৃষক এসব যন্ত্রপাতী সহজেই ক্রয় করবেন। তাহলেই এ সংকট থেকে পরিত্রান পাওয়া যাবে। অল্প সময়েই ফসল ঘরে ওঠবে।  

আরও খবর



উপকূলীয় এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:লঞ্চসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপকে কেন্দ্র করে উপকূলীয় এলাকায়। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌরুটগুলোতে চলাচল করা লঞ্চ ও অন্যান্য নৌযানের ব্যাপারে এখনও এমন কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

শনিবার (২৫ মে) বিকেলে সংবাদমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন।

তিনি বলেছেন, বঙ্গোপসাগরে যে গভীর নিম্নচাপটি সৃষ্টি হয়েছে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেজন্য আমরা ইতোমধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সেজন্য উপকূলীয় এলাকায় সব ধরনের লঞ্চ এবং নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে নদীবন্দরগুলোতে চলাচল করা লঞ্চের জন্য এমন কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সেটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একইসঙ্গে বিআইডব্লিউটিএর সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অপরদিকে সাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ এবং সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের ভবনের ৬ষ্ঠ তলায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমে সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত থেকে আবহাওয়া অফিস, কর্তৃপক্ষের সকল নদীবন্দরে স্থাপিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, বন্দরের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা, নদীবন্দরের বিভিন্ন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা এবং ড্রেজার বেইজের নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখবেন।

নিয়ন্ত্রণ কক্ষে যোগাযোগ করার জন্য টেলিফোন নম্বর +৮৮০২২২৩৩৫২৩০৬ ও মোবাইল নম্বর ০১৯৫৮৬৫৮২১৩ ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছে।


আরও খবর