সর্বশেষ

আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০২১

তিতাসগ্যাস সোনারগাঁও আবিকার মেজবাউর রহমান এবং ওসমানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোং লিঃ এর জোনাল বিক্রয় অফিস সোনারগাঁও এর কর্মরত সাবেক উপ-ব্যাবস্থাপক বর্তমানে জোনাল বিক্রয় অফিসের ব্যাবস্থাপক প্রকৌশলী মোঃ মেজবাউর রহমান এবং ইএসএস শাখার সিনিয়র অফিস সহকারী মোঃ   নানা রকমের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়াগেছে।এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তাদের প্রতি আইনগত ব্যাবস্থা নিতে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ন্ত্রী,বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব,দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান,পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরেই চিঠি পাঠানো হয়েছে।তাদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। প্রকৌশলী মোঃ মেজবাউর রহমান এই আবিকা অফিসের আওতাধীন পাঁচটি থানা,রুপগঞ্জ,আড়াইহাজার,সোনারগাঁও,বন্দর ও গজারিয়া নিয়ে গঠিত অফিসের প্রধান।জোনাল বিক্রয় অফিস সোনারগাঁও এর কর্মরত  জোনাল বিক্রয় অফিসের ব্যাবস্থাপক প্রকৌশলী মোঃ মেজবাউর রহমান ঠিকাদারী প্রতিষ্টান প্রিন্স ডকইয়ার্ড এন্ড শীপ বিল্ডার্স এর প্যাড ব্যাবহার করেই এই আবিকা অফিসের আওতাধীন পাঁচটি থানা,রুপগঞ্জ,আড়াইহাজার,সোনারগাঁও,বন্দর ও গজারিয়া এলাকার বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্টানের নতুন সংযোগ,লোডবৃদ্ধি ও লোডপুনঃবিন্যাসসহ সকল ধরনের কাজগুলো করে থাকেন। উক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ আব্দুল কাদের খান লিটন। এই লিটন ঠিকাদার ও ব্যবস্থাপক মেজাবাউর রহমান বাহিরের গুন্ডা বাহিনীর সহযোগিতা নিয়ে শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজগুলি করে থাকেন। অন্য ঠিকাদারকে সোনারগাঁও অফিসে কোন কাজ করতে দেওয়া হয় না।তিতাস গ্যাসের সকল ঠিকাদার জানে যে, সোনারগাঁও অফিসে গেলে কাদির বাহিনীর সন্ত্রাসীরা মারধর করে, ওখানে যাওয়া যাবে না।সন্ত্রাসী কাদিরের ভায়রা ঠিকদার লিটনের ঠিকাদারী লাইসেন্স এর ফিটার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকেন ও শাহিন খানের বাড়ীর কাজের লোক ২(দুই) জনকে তার ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ফিটার নিয়োগ দিয়াছেন। শাহিন খান হল কাদির বাহিনীর প্রধান প্রশ্রয়দাতা। প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমান শাহিন খানকে তার রুমে বসিয়ে রাখেন ওনার নিরাপত্তার জন্য ও মোঃ ওসমান কাদিরের জন্য চেয়ার কিনে এনে তার পাশে বসিয়ে রাখেন। প্রতিটি শিল্প প্রতিষ্ঠানে মিটার সংযোগ দেওয়ার সময় মিটারটি ৪০% স্লো করে কমিশনিং করা হয়। এই পর্যন্ত অনেক গুলো শিল্প প্রতিষ্ঠানে বাইপাস লাইন সংযোগ দিয়ে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমান ৪ বছর উপ ব্যবস্থাপক এর পদে সোনারগাঁও অফিসে ছিলেন। বর্তমানেও ব্যবস্থাপক এর দায়িত্ব নিয়ে দাপটের সাথে রাজ্য পরিচালনা করছেন।প্রকৌশলী মোঃ মেজবাউর রহমান এর প্রমোশন হওয়ার পর প্রকৌ: মোঃ সুজাত আলী (ডিজিএম-ভিজিল্যান্স)কে ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা ঘুষ দিয়ে জোবিঅ-সোনারগাঁও এর ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্বে আসেন। ভিজিল্যান্স এর ডিজিএম প্রকৌ: মোঃ সুজাত আলী সাহেব সাথে বর্তমান এমডি মহোদয়ের দহরম মহরম সম্পর্ক। এমনকি একই এলাকায় এ দুজনের বাড়ী। তাই প্রকৌ: মোঃ সুজাত আলী সাহেব বলেন যে, এমডি সাহেবকে আমি যাই বলি উনি তাই শুনেন।প্রকৌশলী মোঃ মেজবাউর রহমান, ব্যবস্থাপক (সোনারগাঁও) আকিজ সিমেন্ট এর এডভাইজার হিসাবে ৪ বৎসর আগে থেকেই কাজ করে আসছেন। আকিজ সিমেন্ট এর মিটার বিকল করে দিয়ে ফ্যাক্টরী ১টি অংশ বাড়াইয়া অনুমোদন ছাড়াই লোড ব্যবহার করছেন। এখনো আকিজ সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে অবৈধ গ্যাসের স্থাপনা রয়েছে।মেঘনা গ্রুপের কিছু প্রতিষ্ঠানে এই পর্যন্ত কোন অফিসার পরিদর্শন করতে পারেন নাই। ভিজিল্যান্স টিম যাওয়ার পর প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমান তাদেরকে ম্যানেজ করে, ভিজিল্যান্স টিমের মাধ্যমে স্থাপনাগুলি সঠিক আছে এমন রিপোর্ট তৈরি করান। মেঘনা গ্রুপে প্রতিটা আরএমএস এ এখনো বাইপাস লাইন বিদ্যমান রয়েছে। মেঘনা গ্রুপ এর ঠিকাদার হলেন মোঃ আবুল হোসেন, মেসার্স শিল্পী ট্রের্ডাস এর মালিক। ব্যবস্থাপক প্রকৌ: মোঃ মেজাবাউর রহমান যেই ভাবেই বলেন ঠিক সেই ভাবেই মোঃ আবুল হোসেন কাজগুলো করে থাকেন। এখনও মেঘনা গ্রুপের পাইপ লাইন নির্মাণ কাজ চলছে।ঠিকাদার তার সুবিধামত পাইপ লাইনটি নির্মাণ করেন অফিসের নিয়ম অমান্য করে।প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমান বসুন্ধরা পেপার মিলস, স্কয়ার ডাইং, সিনহাগ্রুপ, লিথুন ফেব্রিক্স, রুপসী ফেব্রিক্স, বন্দর ষ্টীল, মোনতাহার ষ্টীল সহ বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো হইতে মাসিক লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমানের ব্যাগের মধ্যে প্রতিদিন অফিস শেষে বাসায় ফেরার পথে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে যান। একেক সময় একেক রকমের গাড়ীতে চড়ে অফিসে আসেন।তিতাস গ্যাসের সকল জোনাল অফিস গুলোতে ইঞ্জিনিয়ার সাহেবরা শিল্প প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারী করেন। প্রতিটি কাজে ১ - ১.৫ কোটি টাকা নিয়ে কাজ করেন। বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারদের হাতে ৬৫% শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজ রয়েছে।তারই প্রেক্ষিতে ঠিকাদাররা কাজ পায় না। কাজ পেলেও ইঞ্জিনিয়াররা সঠিক নিয়মে ফাইল না লিখে উনাদের মনমতো ফাইল লিখেন। যাতে ফাইলটি অনুমোদন না হয়। ইঞ্জিনিয়ারদের ঠিকাদারী বন্ধ না হলে তিতাস গ্যাস এর সিস্টেম লস বাড়তেই থাকবে। প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমান ৫টি থানাকে অঙ্গরাজ্যের মতো করে পরিচালনা করছেন। এই রকম ঠান্ডা মাথার কলমচোর দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অফিস পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া ঠিক না, এরা দেশ ও জনগণের শত্রু।সোনারগাঁও-জোনাল বিক্রয় অফিসে প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমান কাজ করার জন্য গুন্ডা বাহিনী পালেন। যাতে এই অফিসে কোন ঠিকাদার না আসতে পারে।যেই কোন ঠিকাদার সোনারগাঁও অফিসে আসলে কাদির বাহিনী দিয়ে মারধর করে বের করে দেয়। শাহিন খান নামে একজন লোকাল শ্রমিক লীগের নেতা ম্যানেজারের রুমে সারাক্ষন বসে থাকেন। শাহিন খানের আপন বোনের জামাই হল কাদির। কাদির বাহিনী অসংখ্য ঠিকাদারকে অফিসের ভিতরে মারধর করেছেন। এই গুন্ডা বাহিনীকে ঠিকাদার লিটনের মাধ্যমে প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমান টাকা দিয়ে থাকেন। এই ম্যানেজারকে সরিয়ে ভালো সৎ ও সাহসী একজন ম্যানেজার সোনারগাঁও অফিসে দিলে সোনারগাঁও অফিসের অধীনে কোন অনিয়ম হবে না।প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমানের ব্যক্তিগত গাড়ীচালক আমানকে দিয়ে অবৈধ টাকাগুলো উঠায় এবং বিতরণ লাইন কাটা হলে আমান গিয়ে গ্রাহকের সাথে চুক্তি করে লাইনগুলি লাগানোর ব্যবস্থা করে দেয়। কেওঢালা, মদনপুর, বন্দর,নারায়ণগঞ্জ ১টি বিতরণ লাইন ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশ নিয়ে মোবাইল কোর্ট করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর এই ড্রাইভার আমান গিয়ে ৬ লক্ষ টাকা চুক্তি করে নিয়ে পুনরায় সংযোগটি লাগিয়ে দেন। এই ৫টি থানায় এখনো ২৫০ কিলোমিটার অবৈধ গ্যাস সংযোগ রয়েছে। প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমানের ড্রাইভারের মোবাইল এর রেকর্ড সংগ্রহ করা আছে। পরবর্তীতে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয় এর নিকট জমা দেওয়া হবে।রংধনু সিএনজি ফিলিং স্টেশন, গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ মিটারে অবৈধ হস্তক্ষেপের কারণে র‌্যাব-১১ এর টিম সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করেন। মিটারে হস্তক্ষেপ করার কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও মিটার অফিসে জমা হওয়ার পর ই এস এস শাখার মোঃ ওসমান, সিনিয়র অফিস সহকারী, মিটার পরিক্ষন পতিবেদন রিপোর্ট ভাল দেওয়ার জন্য চুক্তি করেন। ম্যানেজার প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমান সহ ২৭,০০,০০০/-(সাতাশ লক্ষ) টাকার বিনিময়ে মিটারে কোন হস্তক্ষেপ করা হয়নি বলে প্রতিবেদন দেন। পরবর্তীতে তারা রংধনু সিএনজির ফাইলটি লুকিয়ে রাখেন। যখন একজন কর্মচারী এটার বিষয় জানতে চায় তখন তড়িগড়ি করে সোনারগাঁও অফিস হতে প্রায় ৫০ কোটি টাকা জরিমানার প্রস্তাব দিয়ে ফাইলটি হেড অফিসে পাঠায়। ফাইল অনুমোদন হয়ে আসছে মালিকদের পত্র দেওয়ার কথা কিন্তু পত্র দিচ্ছেন না। পরে কর্মচারী এই ফাইলের দিকে নজর রাখেন যার জন্য পরে গ্রাহককে ১টি পত্র পাঠানো হয়। কিন্তু গ্রাহক বলে যে, আমরা কোন পত্র পাই নাই। তখন কর্মচারী তার মোবাইল থেকে দেখাল যে, এই যে আপনার ৫০ কোটি টাকার জরিমানার পত্র। তখন মালিক বলেন যে, আমাকে ২৭,০০,০০০/- (সাতাশ লক্ষ) টাকার বিনিময়ে প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমান ও সিনিয়র অফিস সহকারী মোঃ ওসমান মিটারে কোন অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি মর্মে এমন রিপোর্ট প্রদান করেন।উক্ত ঘটনার পর রংধনু সিএনজির মালিক প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমানের সাথে স্বাক্ষাৎ করলে ই এস এস শাখার কর্মরত সিনিয়র অফিস সহকারী মোঃ ওসমানসহ৭,০০,০০,০০০/-(সাত কোটি) টাকা চুক্তি করেন, যাতে এই ফাইল কোন জরিমানা ছাড়াই অনুমোদন এনে সংযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিবেন। বিস্তারিত আরো প্রমাণসহ বলা যাবে। এই রংধনু সি এন জির কাজের সাথে আরো কয়েকজন জড়িত আছে। পরবর্তীতে তাদের নামগুলো দেওয়া হবে।মোঃ ওসমান একজন সিনিয়র অফিস সহকারী হওয়া স্বত্তেও সে ২২ বৎসর যাবত সোনারগাঁও অফিসে ই এস এস শাখায় চাকুরী করেন। তাকে যখন বদলী করার কথা উঠে তখন সে অসুস্থ বলে মেডিক্যালের কাগজপত্র উপস্থাপন করেন। যেন তাকে এখান থেকে বদলী না করা হয়। কোন অফিসার তার কথা ছাড়া মিটার সীলও লাগানোর জন্য যেতে পারে না। মোঃ ওসমান সিনিয়র অফিস সহকারী হলেও গ্রাহকদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং আর্থিক লেনদেন তিনি নিজেই করে থাকেন। তারপর অফিসারদেরকে কিছু অর্থ দেয় কোন সময় দিতে অপারগতা দেখায়। জানতে চাইলে বলে যে, এইটা নেতার সুপারিশ এইটা এমডি স্যারের সুপারিশ এই বলে নিজেই টাকাগুলো আত্ত্বসাৎ করেন।মোঃ ওসমান সোনারগাঁও অফিসে তার শ্যালক (ওয়াসিম)কে চেয়ারটেবিলে বসিয়ে সকল ধরণের কাজগুলো তদারকি করান। আর মোঃ ওসমান মিটার টেম্পারিং করার জন্য ৪(চার) জন পারদর্শী লোক সবসময় তার সাথে রাখেন। তারা হলেন (১)মোঃ বাবুল, (২) মোঃ সাইফুল, (৩) মোঃ তুহিন, (৪) মোঃ রুহুল আমিন (কমান্ডার)। এই কমান্ডার হলো মোঃ মেজাবাউর রহমানের পূর্ব পরিচিত তাকে ইএসএস শাখা, প্রকৌ: মোঃ মেজবাউর রহমান দিয়েছেন। তাদের তত্ত্বাবধায়নে এই অফিসে কাজগুলো করে থাকেন। মোঃ বাবুল, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃতুহিন এই ৩(তিন) জন মিটার পরিক্ষণ প্রতিবেদন ও মিটার সীল করনের কাজগুলো মোঃ ওসমানের সহযোগিতায় করে থাকেন। মোঃ ওসমান অফিসের সময় মিটারস্থাপনের জন্য যেতে চায় না। সে অফিস এর পরে বিশেষ করে সন্ধ্যার পর মিটারগুলো লাগাতে যায়, যেন তার সাথে অফিস স্টাফ না যেতে পারে। এই হলো সোনারগাঁও জোনাল বিক্রয় অফিসের কিছু আংশিক চোরের বিবরণ। মোঃ ওসমান একজন সিনিয়র অফিস সহকারী হয়েও ষ্টোরের মালামাল গেইট পাশ স্বাক্ষর করা ও ডেমরা ভান্ডার হতে মালামাল উত্তোলনসহ মিটারের ক্যাসেট বিক্রি করার কাজ গুলো করেন। একজন অফিস সহকারীকে ভান্ডার রক্ষক এর দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন ২২ বছর যাবৎ। 




এই বিভাগের আরও খবর