Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

থানা হচ্ছে না তেঁতুলতলা মাঠে

প্রকাশিত:Thursday ২৮ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২৭৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠের মালিকানা পুলিশের থাকলেও সেখানে থানা ভবনের নির্মাণকাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।


বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।


তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালে আমরা ওই জায়গাটির জন্য এপ্লাই (আবেদন) করেছিলাম। তবে খোঁজ নিয়ে দেখলাম ওই এলাকায় খেলার জায়গা নেই। প্রধানমন্ত্রীও পরামর্শ দিয়েছেন, যেহেতু খালি জায়গা নেই, বিনোদনের কিছু নেই সেজন্য তিনি বলেছেন পুলিশের জমি সেভাবে থাকুক। কোনো কনস্ট্রাকশন যেন না হয়। যেভাবে চলছে চলতে থাকুক। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।’


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জায়গাটি তো পুলিশেরই। প্রাচীর যতটুকু হয়েছে সেভাবেই। আগে যেভাবে ব্যবহার হতো সেভাবেই এলাকাবাসী ব্যবহার করবেন। প্রাচীর খুব বেশি হয়নি। যদি কোনো অসুবিধা হয় আমরা দেখবো। কিন্তু জায়গাটি পুলিশের, পুলিশেরই থাকবে। রক্ষণাবেক্ষণ পুলিশ করবে।


কলাবাগান থানা কোথায় হবে জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খান বলেন, সেটা আমরা দেখবো। ভবিষ্যতের কথা ভবিষ্যতে। এখন আপাতত কিছু হচ্ছে না। নির্মাণ কাজ তো অবশ্যই বন্ধ থাকবে। খেলার মাঠের জন্য উপযোগী জায়গা সেটি নয়। যেভাবে ইউজ করা হচ্ছিলো, সেই এলাকার লোক যেভাবে ইউজ করছে সেভাবেই থাকবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে।


আরও খবর



চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৭৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

করোনার কারণে দুই বছর হয়নি শতবছরের ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা। এবার স্বল্প সময়ের প্রস্তুতিতে আয়োজিত হচ্ছে এ মেলা। যেখান থেকে বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষ এক বছরের গৃহস্থালি টুকিটাকি সংগ্রহ করেন। বলা হয়ে থাকে সুঁই থেকে ফুলশয্যার খাটও মেলে জব্বারের বলীখেলায়।  



জীবন বলী চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে জব্বারের বলীখেলা। খেলাকে ঘিরে আগের দিন ও পরের দিন বৈশাখী মেলা।তিন দিনের এ মেলার শেষ দিন মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল)। দূরদূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা কম লাভে, কেনা দামেই ছেড়ে দিচ্ছেন পণ্যসামগ্রী। এ সুযোগে কিনে নিচ্ছেন ক্রেতারা।


সরেজমিন দেখা গেছে, মাটির তৈরি ছোট-বড় ব্যাংক, ফুলদানি, কাপ-পিরিচ, জগ-গ্লাস, ধর্মীয় নানা স্মারক বিক্রি হচ্ছে বেশি। হাতপাখা, মুড়ি-মুড়কি, বাঁশি, শিশুদের খেলনা, টমটম গাড়ি, নারীদের ইমিটেশনের গহনা, শীতলপাটি, ফুল ও ফলের চারা, বাঁশের শলার তৈরি মাছ ধরার চাই (ফাঁদ), ডালা, কুলা, দা-বঁটি, প্লাস্টিকের ফুলসহ বাহারি সব জিনিস কিনতে আসছেন মানুষ।      




আবদুল জব্বার স্মৃতি কুস্তি প্রতিযোগিতা ও মেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এম জামাল হোসাইন বলেন, মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) দিনগত রাত ১২টায় জব্বারের বলীখেলাকে ঘিরে তিন দিনের বৈশাখী মেলা শেষ হবে। ভোরের মধ্যে সড়কের আশপাশ থেকে সব দোকানপাট উঠে যাবে।   


ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা ও মেলাকে ঘিরে বলীখেলা কমিটি, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।  



আরও খবর



জোড়া লাগানো হলো হাতের কব্জি

অপারেশন করে জোড়া লাগানো হলো সেই পুলিশ সদস্যের হাতের কব্জি

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৪০জন দেখেছেন
Image

এ.আর হানিফঃ

গ্রেফতার অভিযানে গিয়ে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আসামির দায়ের কোপে বিচ্ছিন্ন হওয়া পুলিশ সদস্য জনি খানের হাতের কব্জি টানা ১০ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় জোড়া লাগানো হয়েছে। ঢাকার আল মানার হাসপাতালে এ অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।


সাতকানিয়া থানার এসআই ভক্ত চন্দ দত্ত সোমবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসআই ভক্ত চন্দ দত্ত বলেন, রোববার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে অস্ত্রোপাচার শুরু করে সোমবার বেলা ১১টার দিকে শেষ হয়। জনি খানের অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। আল মানার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. সাজেদুর রেজা ফারুকীর নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক এ অস্ত্রোপাচার সম্পন্ন করেন।


রোববার সকালে লোহাগাড়া থানার পদুয়া ইউনিয়নের লালারখিল এলাকার মৃত আলী হোসেনের ছেলে কবির আহমদকে (৩৫) গ্রেফতারে অভিযান চালায় পুলিশ। লোহাগাড়া থানার এসআই ভক্ত চন্দ্র দত্ত, এএসআই মজিবুর রহমান, কনস্টেবল জনি খান ও শাহাদাত হোসেন পুলিশ পিকআপ করে এ অভিযানে যান।


পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কবির আহমদ ধারালো দা দিয়ে পুলিশ সদস্য জনি খানের হাতে কোপ দিয়ে পালিয়ে যান। এতে তার হাত থেকে কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতানে নেওয়া হয়। পরে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য র্যাবের হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় পাঠানো হয়।


এদিকে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় প্রধান আসামি হামলাকারী কবির আহমদের স্ত্রী রুবি আকতারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে বান্দরবানের সীমান্তবর্তী এলাকা লামা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


আরও খবর



সিলেটে বন্যা কবলিত মানুষের খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট

সিলেটের বন্যা কবলিত এলাকা গুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট

প্রকাশিত:Friday ২০ May ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

 বন্যায় সিলেট নগরীর অর্ধেকাংশ নিমজ্জিত পানিবন্দি হয়ে আছেন লাখ লাখ মানুষ। এতে কোথাও খাদ্য সংকট, কোথাও সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।

বেশিরভাগ বন্যা কবলিত মানুষ মানবেতর দিন পার করছেন।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-২’র অধীস্থ নগরের উপশহরের বিভিন্ন ব্লক, তেররতন, সুবহানীঘাট, যতরপুর, মেন্দিবাগ, চালিবন্দর, মাছিমপুর, ছড়ারপাড় এলাকা তলিয়ে আছে। উপশহরে অবস্থিত বিদ্যুতের সাব স্টেশনও গত ৫ দিন ধরে পানির নিচে তলিয়ে গেছে তাই অন্ধকারে নিমজ্জিত এখানকার লোকজন।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-৩’র অধীনস্থ দক্ষিণ সুরমা এলাকাও বন্যা কবলিত।

পানিতে তলিয়ে থাকায় এলাকাগুলোয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত। তাই স্থানীয় লোকজন সুপেয় পানির সঙ্কটে পড়েছেন।

নগরের মেন্দিবাগ এলাকায় অবস্থিত সিটি করপোরেশনের পানি বিশুদ্ধকরণ (ওয়াটার ট্রিটমেন্ট) প্লান্টও তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি আরও চারটি পাম্পও তলিয়ে যাওয়ায় পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে এসব এলাকার জনগণও সুপেয় পানি পাচ্ছেন না।

সিলেটের অন্তত ১০টি উপজেলার শতাধিক গ্রাম বন্ধ্যা কবলিত। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব এলাকার প্রান্তিক পর্যায়ের লোকজন।

নিত্যদিনের উপার্জনের সংসার চালানো লোকগুলো বন্যায় আটকে পড়ায় তাদের আয়-রোজগারে প্রভাব পড়েছে। তাছাড়া আশ্রয় কেন্দ্রে রান্নার ব্যবস্থা নেই। শুকনো খাবারের পাশাপাশি তাদের রান্না করা খাবারও বেশি প্রয়োজন।

ভোগান্তিতে পড়েছে নগরের শাহজালাল উপশহর, শেখঘাট, কলাপাড়া, সোনাপাড়া, মেন্দিবাগ, মাছিমপুর, ছড়ার পার, চালিবন্দর কানিশাইল, মণিপুরি রাজবাড়ী, তালতলা, জামতলাসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

সরেজমিন দেখা গেছে, সিলেটে বন্যা কবলিত উপজেলাগুলোর প্রান্তিক পর্যায়ের লোকজনের কাছে সেসব সেবা পৌঁছাচ্ছে না। ফলে খাদ্যের পাশাপাশি সুপেয় পানির সংকটে রয়েছেন বন্যা কবলিত গ্রামীণ জনপদের লোকজন।


আরও খবর



সমুদ্রে মৎস্য আহরণকারী ১০ হাজার নৌযানে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন হচ্ছে

প্রকাশিত:Wednesday ১১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ১০৬জন দেখেছেন
Image

ঢাকা, ১১ মে ২০২২ (বুধবার)

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে।


এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সম্প্রতিক সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানি না হয় সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে।


মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাঠ পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের তালিকা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে হালনাগাদ করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। প্রকৃত মৎস্যজীবী ছাড়া সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে সমুদ্রগামী জেলেদের এ বছর পর্যাপ্ত ভিজিএফ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।


সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও জেলেদের বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় আইন প্রয়োগে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।। এ ধরনের পরিস্থিতি সাধারণ জেলেরা করে না। এখানে কিছু দুর্বৃত্ত এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। 


নিষিদ্ধকালে মাছ সংরক্ষণ ও বিপণনের কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে সম্পৃক্তদের এটা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে।  একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের যেভাবে, যত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সবটুকু করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা প্রদান করবে।


আরও খবর



নৌকায় করে মালেয়শিয়া যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা

সমুদ্র সৈকত থেকে ১২জন রোহিঙ্গা নারী ও শিশুর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মিয়ানমারের সমুদ্রের একটি সৈকতে ১৪ জন রোহিঙ্গার মৃতদেহ পাওয়া গেছে। 


স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে সোমবার (২৩ মে) এমনটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।


 

 স্থানীয় একজন রোহিঙ্গা অ্যাক্টিভিস্ট জানান, পশ্চিম মিয়ানমার থেকে নৌকায় করে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন রোহিঙ্গারা।


মিয়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুন থেকে ২০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত প্যাথেইন জেলার পুলিশের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল তুন শোয়ে বলেন, চৌদ্দটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে।


  নৌকার মালিকসহ ৩৫জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিয়ানমার রেসকিউ অর্গানাইজেশন প্যাথেইনের সদস্য বলেন, রোববার (২২ মে) আটজন রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।


 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন রোহিঙ্গা অ্যাক্টিভিস্ট জানান, নিহতদের মধ্যে ১২ জন নারী ও দুই শিশু রয়েছে। নৌকাটি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুথিডাং, মংডু এবং সিত্তওয়ে শহর থেকে লোকদের নিয়ে যাচ্ছিল।


 

২০১৭ সালে সেনা অভিযানের জেরে মিয়ানমার থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে যায়। এদের মধ্যে বেশিরভাগই বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। প্রতি বছর শত শত রোহিঙ্গা সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা চালায়।


আরও খবর