Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

টেষ্টে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Monday ১১ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৭৬জন দেখেছেন
Image

স্পোর্টস ডেস্কঃ

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে লজ্জাজনকভাবে হেরে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টে বড় ব্যবধানে হারার পর দ্বিতীয় টেস্টে ৩৩২ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয় মুমিনুল হকের দল।


ব্যাটারদের ব্যর্থতার কারণে এমন পরাজয় মেনে নিতে পারছেন না সমর্থকরা। কিন্তু মুমিনুল হক বলছেন উল্টো কথা। তিনি সবাইকে দল হিসেবেই প্রত্যাশা করতে বলেছেন।

দুই টেস্টের মধ্যে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাহমুদুল হাসান জয়ের সেঞ্চুরি ছাড়া বাংলাদেশের তেমন উল্লেখযোগ্য অবদান নেই। বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিংয়েও ব্যর্থ সফরকারীরা। এই ব্যর্থতা মেনে না নিয়ে উল্টো বাংলাদেশি অধিনায়ক বলেছেন সব সেশনেই ভালো খেলতে হবে এমন কোনো কথা নেয়। দলের আরও উন্নতি দরকার বলেও মনে করছেন তিনি।


সোমবার (১১ এপ্রিল) ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল হক বলেন, 'টেস্ট ক্রিকেট এমন একটা খেলা যেখানে আপনাকে প্রতিদিন উন্নতি করতে হবে দলগতভাবে। আপনি এক সেশন ভালো খেললে হবে না আবার পাঁচদিনের মধ্যে তিনদিন ভালো খেললে হবে না। আপনার পাঁচদিনে পাঁচদিন ভালো খেলতে হবে। আপনি একটা-দুইটা সেশন ভুল করতে পারেন। কিন্তু প্রত্যেকটা সেশন ভালো খেলতে হবে। এসব জায়গায় আমাদের আরো উন্নতি করতে হবে। ’


বাজেভাবে হারের কারণে দলকে দুষছেন সমর্থকরা। দ্বিতীয় টেস্টে লড়াইয়ের ছিটেফোটাও ছিল না বাংলাদেশের মধ্যে। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৮০ রানে গুটিয়ে গেছে তারা। অথচ মুমিনুল বলছেন ভিন্ন কথা। দলের থেকে অতিরিক্ত প্রত্যাশা রাখায় নাখোশ তিনি। এছাড়া হোয়াইটওয়াশ হলেও দল আগের যায়গায় আছে বলেই মনে করেন তিনি।


আরও খবর



১৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বিকেএসপিতে খাবার খেয়ে ১৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ

প্রকাশিত:Saturday ১৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) কক্সবাজারের রামু আঞ্চলিক কেন্দ্রে খাবার খেয়ে ১৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।  তবে বর্তমানে তারা সবাই শঙ্কামুক্ত।


জানা গেছে, শুক্রবার (১৩ মে) রাতের খাবার খাওয়ার পর থেকে ওই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে।


ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বিকেএসপির কক্সবাজার আঞ্চলিক কেন্দ্রের উপ-পরিচালক আখিনুজ্জামান রুশু।


তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশুরা এখানে আসছে। নতুন জায়গা আর আবহাওয়ায় খাপ খাইয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে।


হয়তো কোথাও না কোথাও সমস্যা  হয়েছে, যে কারণে ১০-১২ জন অসুস্থ হয়ে গেছে।


তিনি বলেন, অসুস্থ শিশুদের মধ্যে বেশির ভাগ সুস্থ হয়ে গেছে, চিকিৎসকেরা বলেছেন অন্যরাও শংকামুক্ত।


"আমরা ধারণা করছি, আবহাওয়াজনিত কারণে শিশুরা অসুস্থ হতে পারে। এছাড়াও ক্রিকেট ও ফুটবল খেলে এমন ৮০ জন শিক্ষার্থী অস্থায়ীভাবে আছে। " বলেন উপ-পরিচালক।


রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া  বলেন, শুক্রবার রাত থেকে অসুস্থ শিশুরা হাসপাতালে আসা শুরু করে। শুক্রবার ও শনিবার দুইদিনে ১৩ শিশু ভর্তি হয়েছে। সেখান থেকে দুইজন সুস্থ হয়ে চলে গেছে। অন্যদের অবস্থাও শংকামুক্ত।



আরও খবর



পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে

রুপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনৈতিক লাভ এনে দেবে

প্রকাশিত:Friday ২০ May ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রূপপুরে চলছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ। ২০২৩ থেকে এখানকার প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যেতে পারে, সেই লক্ষ্যে চলছে কার্যক্রম। সংশ্লিষ্টদের আশা এটি একদিকে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করবে অন্যদিকে দ্বিগুণের বেশি অভ্যন্তরীণ রিটার্ন দেবে সরকারকে।২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন এ প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা।

প্রকল্পটিতে ৯০ শতাংশ রাশিয়ার ঋণ, বাকি ১০ শতাংশ ব্যয় করবে বাংলাদেশ সরকার।

উৎপাদনে গেলে রাশিয়াকে প্রতি বছর ঋণ শোধ করতে হবে ৫৬৫ মিলিয়ন বা সাড়ে ৫৬ কোটি ডলার। এত বড় অংক দেখে কেউ কেউ এটিকে সাদা হাতির প্রকল্প বলছেন। কিন্তু এমন অভিযোগ নাকচ করে সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটা শ্বেত হস্তীর প্রকল্প নয়, বরং উন্নয়নের মাইলফলক।



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকল্পের দুটি রিঅ্যাক্টর চালুর পর প্রতি বছর কিস্তি পরিশোধ করতে হবে (৫৬ কোটি ডলার)। প্রকল্পের রিটার্ন থেকে কিস্তির অর্থ উঠে এলে ভর্তুকির দরকার পড়বে না।

পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প প্রসঙ্গে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমম বলেন, প্রতি বছর অভ্যন্তরীণভাবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে রিটার্ন আসবে সাড়ে ৯ শতাংশ। প্রকল্প ঋণের সুদ ১ থেকে ২ শতাংশের বেশি হবে না। তার মানে বাংলাদেশ এই প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক লাভবান হবে।

তাছাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বিদ্যুতের জন্য রূপপুরের কোনো বিকল্প নেই।


প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, প্রকল্পের দুটি রিঅ্যাক্টর থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট, যার সমান ২৪ লাখ কিলোওয়াট বা ইউনিট।

এক ইউনিট বিদ্যুৎ যদি পাঁচ টাকায় বিক্রি করা হয়, তাহলে এক ঘণ্টায় আয় হবে এক কোটি ২০ লাখ টাকা। একদিনে ২৪ ঘণ্টা হিসেবে দৈনিক আয় আসবে ২৮ কোটি ৮০ লাখ। বছরে ১০ হাজার ৫১২ কোটি আয় হবে। যদি ডলার হিসাব করা হয়, তাহলে বার্ষিক আয় দাঁড়াবে এক হাজার ২৩৬ মিলিয়ন ডলার, যেখানে ঋণ শোধ করতে হবে ৫৬৫ মিলিয়ন ডলার।


অন্যদিকে প্রতি মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি ব্যয় হবে সাড়ে ৪ থেকে ১১ দশমিক ২ মার্কিন ডলার এবং মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড অপারেশন ব্যয় হবে প্রতি মেগাওয়াটে ৮ থেকে ১৪ ডলার। এই দুই ধরনের ব্যয় মিলিয়ে প্রতি মেগাওয়াটে গড় খরচ হবে ১৬ থেকে ১৮ ডলার।


দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদনে না গিয়ে যদি ৯০ শতাংশও উৎপাদন হয়, তাহলে এর ব্যয় কমে দাঁড়াবে ৩৪০ মিলিয়ন ডলারে। পাশাপাশি আয়ও কমে দাঁড়াবে এক হাজার ১১২ মিলিয়ন ডলারে। এ হিসাবে বছরে প্রকল্প থেকে মোট আয় হবে এক হাজার ১১২ ডলার এবং ব্যয় হবে ৩৪০ মিলিয়ন ডলার। আয় থেকে ব্যয় বাদ দিয়ে বছরে ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় থাকবে প্রকল্প থেকে।


কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতি বছর কমপক্ষে ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার লাভ হলে



আরও খবর



চট্টগ্রামে যুবকের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহরে একটি বাড়ির নালা থেকে যুবকের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।


সোমবার হালিশহর এইচ ব্লকের ১ নম্বর সড়কের ৪ নম্বর বাড়ির সীমানা প্রাচীরের পাশ থেকে মারুফ (২০) নামে ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।


হালিশহর সবুজবাগের আনন্দধারা হাউজিং এলাকায় নানীর সঙ্গে থাকতেন মারুফ। এই এলাকায় তিনি অটোরিকশা চালাতেন। 


হালিশহর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান,এইচ ব্লকের যে বাড়ির পাশ থেকে মারুফের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় সেটা পরিত্যক্ত ছিল।




আরও খবর



যাত্রাবাড়ীতে মৃত্যুর আগে ঘাতক প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ কেটে নিল তরুণী

প্রকাশিত:Thursday ০৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৪৩৩জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন কোনাপাড়া আরা বাড়িতে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে এনে মুসকান বেগমকে (৩০) ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে তার প্রেমিক। মৃত্যুর আগে প্রেমিকের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেছে ওই নারী।


বৃহস্পতিবার (৫মে) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘাতক জাহাঙ্গীর কে দুপুরে আহত অবস্থায় আটক করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


ঘটনার বিবরণে জানা গেছে যাত্রাবাড়ী থানা ধীন কোনাপাড়া আরাবারি বাগিচা রোড এর সারওয়ার জাহান এর সপ্তম তলার ভাড়াটিয়া মামুনের বাসায় তার বন্ধু জাহাঙ্গীর মুসকান কে স্ত্রী পরিচয় বেড়াতে নিয়ে আসেন।


তারা ওই ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দিনভর এক সাথে থাকেন। তাদের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে নিহত মুসকান চাকু দিয়ে ওই তরুণের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। এবং ওই চাকু দিয়েই জাহাঙ্গীর উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে মুসকান কে হত্যা করে।


পরে বন্ধু মামুন বাইরে থেকে ফ্ল্যাটে তালা মেরে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে  যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ এসে আহত তরুণ কে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।এবং নিহত তরুনীর মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পোস্টমর্টেম এর জন্য নিয়ে যান



ঘাতক জাহাঙ্গীর নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলার বাজুর বাগ গ্রামের রফিক উদ্দিনের ছেলে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।


এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিতে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।


আরও খবর



কিডনি বেচা-কেনার দায়ে সাতজন গ্রেফতার

মানুষের কিডনি বেচা-কেনার দায়ে সাতজন গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটের কালাই ও পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে কিডনি বেচাকেনা চক্রের সঙ্গে জড়িত ৭ দালালকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ।  


শনিবার (১৪ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানিয়েছেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।


 গ্রেফতার দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন- কালাই উপজেলার থল গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে সাহারুল ইসলাম (৩৮), একই উপজেলার উলিপুর গ্রামের ফরিদুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ হোসেন ওরফে চপল (৩১), জয়পুর বহুতি গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মোশারফ হোসেন (৫৪), ভেরেন্ডি গ্রামের জাহান আলীর ছেলে শাহারুল ইসলাম (৩৫), জয়পুর বহুতি গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে মোকাররম হোসেন (৫৩), দূর্গাপুর গ্রামের মৃত বছির উদ্দিন ফকিরের ছেলে সাইদুল ইসলাম ফকির (৪৫) ও পাঁচবিবি উপজেলার গোড়না আবাসনের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৪০)।  

  

পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার রাতে জয়পুরহাটের কালাই ও পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।


 


তিনি বলেন, দালালরা দীর্ঘদিন ধরে জয়পুরহাটের মাত্রাই ও উদয়পুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার নিরীহ, ঋণগ্রস্ত ও হতদরিদ্র মানুষদের ফুসলিয়ে টাকার লোভ এবং অল্প সময়ে বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে নারী এবং পুরুষদের কিডনি বিক্রি করাতেন। এসব নিরীহ মানুষরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দালালদের খপ্পরে পরে প্রথমে ৪-৫ লাখ টাকার চুক্তিতে তাদের মূল্যবান কিডনি বিক্রি করে দেন।


পরে ভারত ও দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে তাদের কিডনি দিয়ে নামমাত্র চিকিৎসা নিয়ে যখন দেশে ফেরেন, তখন দালালরা বিমান বন্দরেই তাদের হাতে ১-২ লাখ টাকা ধরিয়ে দিয়ে সেখান থেকে বিদায় করেন।


পরবর্তীকালে কিডনি দাতারা নিজের অঙ্গ বিক্রি করে ঝুঁকি নিয়ে জীবন অতিবাহিত করলেও লাভবান হচ্ছেন এসব দালালরা।


আবার নিজের কিডনি বিক্রি করে প্রতারিত হয়ে নতুন করে দালাল বনে যাচ্ছেন কোনো কোনো কিডনি দাতারা।  


তিনি আরও জানান, গ্রেফতার দালালরা কিডনি বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবদে স্বীকার করেছেন। কিডনি বেচাকেনা প্রতিরোধে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।  


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা হোসেন, সদর সার্কেল মোসফেকুর রহমান, পাঁচবিবি সার্কেল ইশতিয়াক আলমসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।


জানা যায়, বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫শ জনেরও বেশি অভাবী মানুষ তাদের শরীরের একটি করে কিডনি বিক্রি করেছেন। আর এসব ঘটনায় ১৫টি মামলায় এ পর্যন্ত ১২১ জনকে আসামি করা হলেও গ্রেফতার হয়েছে মাত্র ৪৭ জন।   



আরও খবর