Logo
আজঃ Monday ২৭ June ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা নাসিরনগরে মুক্তিযোদ্বাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন পদ্মা সেতু দেখানোর কথা বলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ জুরাইনে পাশের বাড়ির উপড় ধসে পড়েছে সেই ঝুকিপুর্ন ভবনটি
কয়েকদিনের তীব্র গরমের পর রাজধানীতে নেমেছে ঝুম বৃষ্টি

স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজলো ঢাকা

প্রকাশিত:Saturday ১৬ October ২০২১ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
Image

 

 চৌধুরী বাগদাদ, ঢাকা :

কয়েকদিনের তীব্র গরমের পর রাজধানীতে নেমেছে ঝুম বৃষ্টি। শনিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকায় হঠাৎ বৃষ্টি নামে। এর আগে সন্ধ্যার পর থেকেই আকাশে মেঘের ডাক শোনা যাচ্ছিল।


সন্ধ্যার হঠাৎ বৃষ্টিতে অফিস শেষে ঘরমুখী মানুষ কিছুটা বিপাকেও পড়েন। এ সময় পথচারীদের হুড়োহুড়ি করে আশপাশের ভবনে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।


এর আগে শনিবার সকালে আবহওয়া অফিস জানায়, বৃষ্টি বেড়ে কিছুটা কমতে পারে গরম। একই সঙ্গে সারাদেশের ১৮টি জেলায় চলমান তাপপ্রবাহ কোথাও কোথাও থেকে দূর হতে পারে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেওয়ার সময় আশ্বিনের শেষদিনে গরমে পুড়ছিল প্রায় সারাদেশ।

‘মূলত বৃষ্টি না হওয়ার কারণেই এবার এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে দেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিতে শুরু হবে। দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি বিদায় নেয়। কোনো কোনো বছর এটা একটু দেরিতে হয়। এবার দেরি হচ্ছে, এবার মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি বিদায় নিতে ২২-২৩ অক্টোবর পর্যন্ত লেগে যাবে।

 

খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর



‘বাহার এলাকা না ছাড়লে ইসির কিছুই করার নেই’

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

আসন্ন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন সুষ্ঠু-সুন্দর করার স্বার্থে নির্বাচনী বিধি মোতাবেক স্থানীয় (কুমিল্লা-৬ আসনের) সংসদ সদস্য আ. ক. ম. বাহাউদ্দিন বাহারকে নির্বাচনকালীন এলাকা ত্যাগ করতে চিঠি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কমিশনের চিঠি পেয়েও আওয়ামী লীগ দলীয় এই এমপি এলাকা না ছাড়ায় অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। এমপি বাহার এলাকা না ছাড়লে ইসির কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

এমপি বাহাউদ্দিন বাহার সম্পর্কে সিইসি বলেছেন, আমরা যখন কাউকে রিকোয়েস্ট করি, উনাকে যদি আমরা বলে থাকি নির্বাচনী আচরণবিধিতে এটা আছে, আপনি যদি একটু সরে থাকেন, তাহলে নির্বাচনটা ভাল হয়। সে চিঠিটা আমরা প্রকাশ করেছি। এটাই তো একজন সংসদ সদস্যের জন্য এনাফ। এটাকে তো অনার করা লাগবে। যদি উনি কমিশনের চিঠিকে অনার না করেন আমাদের তো তেমন কিছু করার থাকে না।

রোববার (১২ জুন) নির্বাচন ভবনে সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সংলাপ শেষে সিইসি সাংবাদিকদের কাছে এ প্রতিক্রিয়া জানান।

কুসিক নির্বাচন ঘিরে এমপি বাহারের এলাকা না ছাড়া বিষয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমাদের কিছু আইনগত দিক আছে। কিছু ক্ষমতা আংশিক, কিছু পরিপূর্ণ। কুমিল্লায় যা বলা হয়েছে- সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নির্বাচনী এলাকায় থাকতে পারবেন না। সংসদ সদস্য (এমপি বাহার) এ আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে, আমরা উনাকে চিঠির মাধ্যমে এলাকা ছাড়তে বলেছিলাম। উনি এলাকা ছাড়েননি। উনি মামলা করেছেন, আমরা ফলাফল পাইনি।

সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সংলাপের বরাত দিয়ে সিইসি বলেন, সংলাপে অতিথিরা বলেছেন, বর্তমান সিস্টেমে কুসিকে খুব বেশি ভালো নির্বাচন করা সম্ভব নয়। তবে আমরা যদি দৃঢ় থাকি, আইন দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করি, তাহলে পরিস্থিতির অনেকটা উন্নয়ন সম্ভব।

সিইসি মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও ঐক্যমত না থাকলে কমিশনের একার পক্ষে ভালো নির্বাচন করা কষ্টকর হবে।

তিনি বলেন, সাবেক সিইসি রউফ সাহেব (বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুর রউফ) প্রার্থী অনুযায়ী নয়, দলভিত্তিক নির্বাচনের কথা বলেছেন। নির্বাচনে দেখা গেল যে অনেক আগে থেকে দলগুলো তাদের টোটাল প্রার্থীর নাম দিয়ে যাবে। সবাই তিনশ আসনে দিল। পার্টি ক, খ, গ, ঘ। যে যত ভোট পেয়েছে, সেভাবে আসন পাবে। এই ধরনের একটা সিস্টেম আছে। তবে এটা আমাদের বিষয় নয়। দলগুলোকেই দেখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান আইনি ও সাংবাধিনাকি কাঠামোর মধ্যে থেকেই আমাদের নির্বাচন করতে হবে। কেউ কেউ বলেছেন, একাধিক দিনে নির্বাচন করলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন সহজ হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। কেউ কেউ এতে সমস্যার দিকটিও উল্লেখ করেছেন। এ নিয়ে কোনো ঐক্যমত হয়নি। কাজেই একাধিক দিনে নির্বাচন করলে আমাদের জন্য অসুবিধাও হতে পারে। সেরকম প্রস্তুতিও আমাদের নেই।

রাজনৈতিক দলগুলোকে পরামর্শ দিতে সমস্যা কোথায়, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, এখনো দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করিনি। সবাই বলেছেন নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। নির্বাচন যদি ইনক্লুসিভ না হয়, নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাস্তব অর্থে থাকবে না। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনেকটা নষ্ট হয়ে গেছে। এ কালচারের মধ্যে কিছু ইতিবাচক গুণ আনতে হবে। দলগুলোর মধ্যে পরমত সহিষ্ণুতা ও ঐক্যমত না থাকলে কমিশনের একার পক্ষে খুব ভাল নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। এটা আমরা যেমন বলেছি, সংলাপে অতিথিরাও বলেছেন।

সিইসি জানান, শিগগির রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করবো। যখন মতবিনিমিয় করবো আমরা সাজেশন চাইবো। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরো ভালো পদ্ধতিগত কী পরিবর্তন আনা যায়, সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তা জানতে চাইবো। ব্যক্তি নয়, সিস্টেম যদি উন্নত করতে পারি, নির্বাচন অনেক বেশি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।


আরও খবর



দশ গোল দিয়ে ইতিহাস গড়লো নাইজেরিয়া

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২২ June 20২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

আফ্রিকান নেশন্স কাপের বাছাইয়ে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড গড়েছে নাইজেরিয়া ফুটবল দল। আসন্ন কাতার বিশ্বকাপে খেলার টিকিট না পেলেও, নিজেদের মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় যে তারা ফেবারিট- সেটি ভালোভাবেই বুঝিয়ে দিলো আফ্রিকান ঈগলরা।

সোমবার সাও তোমে ও প্রিন্সিপের মাঠে খেলতে গিয়ে ১০-০ গোলের ইতিহাসগড়া জয় পেয়েছে নাইজেরিয়া। আফ্রিকান নেশন্স কাপের বাছাইয়ে এতোদিন ধরে সর্বোচ্চ ৮ গোলের ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড ছিল ঘানা, কেনিয়া ও লিবিয়ার।

এছাড়া নিজেদের ফুটবল ইতিহাসেও সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়েছেন নাইজেরিয়ানরা। ১৯৫৯ সালের নভেম্বরে বেনিনের (তখন নাম ছিল দাহোমে) বিপক্ষে ১০-১ গোলে জিতেছিল ঈগলরা।

এবার সেই রেকর্ড ভাঙার ম্যাচে প্রথমার্ধে তিন গোল করেছে নাইজেরিয়া। পরে দ্বিতীয়ার্ধে তারা প্রতিপক্ষের জালে বল ঢুকিয়েছে আরও সাতবার। ম্যাচে একাই সাত গোল করেছেন নাপোলির স্ট্রাইকার ভিক্টর ওসিমেন।

ম্যাচের নয় মিনিটের মাথায় ওসিমেনের গোলেই লিড নেয় নাইজেরিয়া। পরে ৪৮, ৬৫ ও ৮৪ মিনিটে আরও তিন গোল করেন তিনি। এছাড়া জোড়া গোল করেছেন টেরেম মোফি (৪৩ ও ৬০ মিনিটে)।

বাকি চার গোলে স্কোরশিটে নাম তুলেছেন মোসেস সিমন (২৮), ওগেনেকারো এতেবো (৫৫), আদেমোলা লুকম্যান (৬৩) ও এমানুয়েল দেনিস (৯২)।

দশ গোলের এই জয়ের পর এ গ্রুপে দুই ম্যাচে পূর্ণ ছয় পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে নাইজেরিয়া। দুই ম্যাচে ১৪ গোল হজম করা সাও তোমে প্রিন্সিপে রয়েছে সবার নিচে।


আরও খবর



বন্যার্তদের পর্যাপ্ত ত্রাণ দেয়নি সরকার: ফিরোজ

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

বন্যাকবলিত এলাকায় সরকার পর্যাপ্ত ত্রাণ দেয়নি উল্লেখ করে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সাবেক সমন্বয়ক বজলুর রশিদ ফিরোজ জানিয়েছেন, বানভাসি মানুষের জন্য সরকার যে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে, তা মাথাপিছু মাত্র সাড়ে ৬ টাকা।

শুক্রবার (২৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর পুরোনো পল্টনে জোট আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ তথ্য জানান।

সিলেট ও সুনামগঞ্জসহ গুরুতর বন্যাকবলিত জেলাসমূহকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে ক্ষতিগ্রস্ত বানভাসিদের পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবিতে এ দিন সমাবেশ করে জোটটি।

সমাবেশে বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য একটা পরিকল্পনা ৫০ বছরেও আমাদের সরকারগুলো গ্রহণ করতে পারে নি। আমরা নাকি ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছি। কিন্তু এতো বড় একটা বন্যা আসবে, তার পূর্বাভাস সরকার দিতে পারে নি।

তিনি আরও বলেন, একটা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট আছে, সেটাও নাকি পূর্বাভাস দিতে পারে না। এই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ, উন্নয়নের বাংলাদেশ। ৪৫ লক্ষ বন্যাকবলিত মানুষের জন্য যে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে তা মাথাপিছু সাড়ে ৬ টাকা। এটা নাকি পর্যাপ্ত ত্রাণ!

সমাবেশে বক্তারা বলেন, যখন সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যাকবলিত মানুষ ভয়াবহ সংকটের মধ্যে আছে, তখন সরকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে জড়ো করে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করছে।

এই সরকার ২০১৮ সালে বিনা ভোটের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। তাই তাদের জনগণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই। এজন্যই আজ বন্যাকবলিত বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে জনগণের সঙ্গে তামাশা করছে তারা।

বক্তারা আরও বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোতে খাবার নেই, বিশুদ্ধ পানি নেই। দুর্গম এলাকাগুলোতে যথেষ্ট খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানো যাচ্ছে না। যা দেওয়া হচ্ছে, তাও যথেষ্ট নয়।

এ সময় লক্ষ লক্ষ লোক জমায়েত না করে, সেই জমায়েত করার টাকা দিয়ে বানভাসিদের সহায়তা দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

দেশে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি দরকার। অন্যথায় জনসাধারণের মুক্তি হবে না বলেও এ সময় মন্তব্য করেন বক্তারা।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক আবদুস সাত্তারের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মো. শাহ আলম, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্কসবাদী) বিধান দাস, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আবদুল আলী, বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা ও গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু প্রমুখ।


আরও খবর



স্বাধীন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন গঠনের দাবি ববি হাজ্জাজের

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেছেন, উন্নয়নের নামে মানুষের জীবনযাত্রা অসহনীয় করে তুলছে সরকার। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। দেশের চলমান মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী এবং স্বাধীন ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন’ গঠন অত্যন্ত জরুরি।

রোববার (৫ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাজ্জাদ হোসেন মানিক মিয়া হলে এনডিএমের আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বাড়লেও মূল্যস্ফীতিতে এর প্রভাব কম। ধানের মৌসুমেও পাইকারি ও খুচরা বাজারে চালের দাম বাড়ছে। সরকারি গুদামে গমের মজুত কমে আসায় আতঙ্কে রয়েছে সাধারণ মানুষ। মাছ-মাংসের বাজারে ক্রেতা কমেছে। উচ্চপর্যায়ের কর্মক্ষম একজন মানুষের দৈনিক পুষ্টি চাহিদা পূরণের ব্যয় বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

তিনি বলেন, সদিচ্ছার অভাবে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায় রাখতে এই সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তাই আপিল বিভাগের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে জনপ্রশাসন, নাগরিক সমাজ এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আমরা একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং স্বাধীন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন গঠনের প্রস্তাব করছি।

তিনি আরও বলেন, এই কমিশন চাপ কমানোর জন্য উচ্চ আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে। এই কমিশনের অনুমোদন ছাড়া কোনোভাবেই গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির মূল্য বাড়ানো যাবে না। অপ্রয়োজনীয় উন্নয়ন ব্যয় কমিয়ে আনা এবং কৃষিপণ্য কোথায় ভর্তুকি বাড়ানো যায় এসব ব্যাপারেও এই কমিশন সরকারকে সুপারিশ করবে। এছাড়া ব্যবসায়ী, সাধারণ জনগণ ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করে এই কমিশন সংকট মোকাবিলায় সরকারকে নিয়মিত সুপারিশ করবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- এনডিএমের যুগ্ম মহাসচিব মোমিনুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন নুরুজ্জামান হীরাসহ দলের নেতারা।


আরও খবর



গো-খাদ্যের চড়া বাজারের মধ্যে সিরাজগঞ্জে কমেছে ভুসির দাম

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

সিরাজগঞ্জে সব ধরনের গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় বেশ বিপাকে পড়েছিলেন খামারিরা। তবে আশার খবর হলো অন্য পশুখাদ্যের দাম এখনো বাড়তি থাকলেও জেলায় কমেছে ভুসির দাম। এতে কিছুটা স্বস্তিবোধ করছেন খামারিরা।

তবে খামারিদের দাবি, যদি ভুসির মতো অন্য সব গো-খাদ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে না আনা যায় তাহলে এই অঞ্চলের গবাদি পশুর খামারে ধস দেখা দেবে।

মঙ্গলবার (৭ জুন) সরেজমিনে সিরাজগঞ্জের কয়েকটি বাজারের পশুখাদ্যের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, ভুসির দাম বস্তাপ্রতি ৪০০ টাকা কমেছে। আগে এক বস্তা ভুসির দাম ছিল ১ হাজার ৯৫০ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫০ টাকায়।

তবে গম মাসখানেক আগে ৩২ টাকা কেজি বিক্রি করলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৪২-৪৫ টাকায়। খৈল আগে ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ৪৫ টাকা। প্যাকেটজাত দানাদার খাদ্য ছিল ১৮ টাকা কেজি, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৫ টাকা।

জেলার শাহজাদপুর উপজেলার উল্টাডাব গ্রামের কৃষক আফাজ উদ্দিন বলেন, আমার খামারে বর্তমানে ১০টি গরু আছে। এখান থেকে যা দুধ পাই তা স্থানীয় ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করি। কিন্তু খাদ্যের দাম বাড়াতে গরুকে ঠিকমতো খাবার দিতে পারছি না। তাই দুধ আগের চেয়ে কম হচ্ছে।

পোঁতাজিয়া গ্রামের খামারি আবুল কালাম বলেন, গম, ভুট্টা, খৈল, ময়দাসহ সব খাদ্যের দাম বেড়েছে। তবে দুই-তিনদিন হলো ভুসির দাম কমেছে। এতে আমরা যারা খামারি আছি তাদের একটু হলেও খাদ্য নিয়ে চিন্তা কমেছে। তবে ভুসির সঙ্গে আরও যেসব খাদ্যসামগ্রী রয়েছে সেগুলোর দাম কমলে খামারিদের খরচ কমবে।

বেলকুচি উপজেলার তামাই গ্রামের ফিরোজ হোসেন বলেন, প্রতিবছর কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কিছু গরু মোটাতাজা করে বিক্রি করে থাকি। এবছরও বেশ কয়েকটা গরু মোটাতাজা করছি। তবে খাবারের যে দাম তাতে খরচ বেড়ে গেছে। যা খরচ হয়েছে গরু বিক্রি করে তা তুলতে পারবো কী না তা নিয়ে চিন্তায় আছি।

jagonews24

সিরাজগঞ্জ সদরের হাজী গো-খাদ্য ভাণ্ডারের ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন হলো ভুসির দাম কমেছে। আগে প্রতি বস্তা ১ হাজার ৯৫০ টাকা বিক্রি করলেও এখন তা ১ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি করছি। তবে অন্য সব খাদ্যের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।

বেলকুচি উপজেলার মুকুন্দগাঁতি বাজারে গো-খাদ্যের পাইকারি বিক্রেতা আব্দুল হালিম বলে, ভুসি বাদে সব খাবারের দাম বেড়েছে। আমি সপ্তাহখানেক আগে প্রতি বস্তা ভুসি বিক্রি করেছি ১ হাজার ৯৫০ টাকায়। এখন তা বিক্রি করছি ১ হাজার ৫৫০ টাকায়।

একই বাজারের ভুসি ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমানে গো-খাদ্যের মধ্যে খৈল, গম, দানাদার খাবারের দাম চড়া রয়েছে। তবে দাম কমেছে ভুসির। বর্তমানে প্রতি বস্তা ভুসি আমরা ১ হাজার ৫৫০ টাকায় বিক্রি করছি। সামনে ভুসির দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার বলেন, গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় এ অঞ্চলের খামারিদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে আমরা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে খামারিদের সবসময় কাঁচা ঘাস খাওয়াতে পরামর্শ দিয়ে আসছি।


আরও খবর