Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর রাসেলস ভাইপার নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৮৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত এন্টিভেনম মজুদ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ।

আজ শনিবার সকাল ১০টায় সারাদেশের সিভিল সার্জন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, বিভাগীয় পরিচালক, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকদের সঙ্গে অনলাইন প্লাটফর্ম জুম মিটিংয়ে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালকদের সঙ্গে সর্পদংশন ও রাসেলস ভাইপার নিয়ে কথা বলেন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে খোজ খবর নেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাসেল'স ভাইপার নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি জনগণকে বলব আপনারা আতংকিত হবেন না। রাসেলস ভাইপারের যে এন্টিভেনম সেটা আমাদের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত মজুদ আছে। আমি পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছি কোনো অবস্থাতেই এন্টিভেনমের ঘাটতি থাকা যাবে না।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সর্পদংশনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে রোগীকে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া। অনতিবিলম্বে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

তিনি বলেন, সর্পদংশনের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা খুবই জরুরি। রোগীকে হাসপাতালে আনতে যাতে দেরি না হয় সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

সভায় স্বাস্থ্যসেবা স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ডা. রুবেদ আমিনসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



হাকিমপুরী জর্দার মালিক কাউছ মিয়া মারা গেছেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সোমবার (২৪ জুন) দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে হাকিমপুরী জর্দার মালিক মো. কাউছ মিয়া (৯৪) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হযরত আলী বেপারী। মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৮ ছেলে ও ৮ মেয়ে রেখে গেছেন কাউছ মিয়া।

নিহতের ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, আব্বা বার্ধক্যের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সম্প্রতি সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসার পর দেশে আনা হয়। পুরান ঢাকার বাসভবনে শয্যাশায়ী ছিলেন। শনিবার বিকেলে আব্বার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আজগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে দুনিয়া থেকে চির বিদায় নেন।

মঙ্গলবার বাদ যোহর আরমানী টোলা মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে মুজিববর্ষে জাতীয় পর্যায়ে সেরা করদাতাকে সম্মাননা প্রদান কার্যক্রমটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। হাজি মো. কাউছ মিয়া ১৯৩১ সালের ২৬ আগস্ট চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আব্বাস আলী মিয়া ও মা ফাতেমা খাতুন।

কিশোর বয়সেই তিনি চাঁদপুর শহরের ব্যবসায়ী হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেন। এ সময় তিনি ১৮টি ব্র্যান্ডের বিস্কুট, সাবান ও সিগারেটের এজেন্ট হন। ২০ বছর চাঁদপুরে ব্যবসা করার পর তিনি ১৯৭০ সালে নারায়ণগঞ্জে ব্যবসা শুরু করেন। তিনি ৪০টির বেশি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।


আরও খবর



পত্নীতলায় আদিবাসী পরিবারের উপর হামলা-ভাংচুর, আহতরা হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image

দিলিপ চৌহান, পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:পত্নীতলায় এক আদিবাসী পরিবারের উপর দফায় দফায় হামলা চালিয়ে বাড়ী-ঘর ভাংচুর ও নারী-পুরুষকে মারপিট করে লুঠতরাজ চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আহতরা পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।

জানাগেছে পত্নীতলায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে এক আদিবাসী পরিবারের ঘরবাড়ি ভাংচুর সহ খড়ের পালায় আগুন দিয়ে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে দুর্বৃত্তরা। এব্যাপারে থানায় গত মঙ্গলবার অভিযোগ হলে পুলিশি তদন্ত চলাকালীন সময়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবারও দুর্বৃত্তরা লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঐ পরিবারের উপর হামলা চালিয়ে বাড়ীঘর, দোকানঘর ভাংচুর করে লুটতরাজ করে এবং নারী সহ বৃদ্ধদের জখম করলে ঐ পরিবারের লোকজন দুর্বৃত্তদের হাত থেকে বাঁচার জন্য থানা ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উষ্টি গ্রামের আদিবাসী হরেন এর ছেলে শনিরাম (৪৩) তার পরিবারকে নিয়ে উষ্টি গ্রামে বসবাসরত অবস্থায় বাড়ির পাশে উষ্টি তকিপুর পুরাতন জামে মসজিদের জায়গা লীজ নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত সেখানে টিনের চালা দিয়ে মুদি দোকানের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।

এমতাবস্থায় প্রায় ছয় মাস পূর্বে তকিপুর হাটপুকুর এলাকার মৃত সানচ্চার ছেলে বিষ্ণু তিগ্যা সহ তার সঙ্গীরা শনিরামের ঐ জায়গা দখলের চেষ্টা করে ও শনিরাম সহ তার পরিবারকে বেধে মধ্যযুগিয় কায়দায় মারপিট, ভাংচুর ও লুটতরাজ চালায়। এ ব্যাপারে মামলা চলমান অবস্থায় গত মঙ্গলবার আবারো বিষ্ণু তিগ্যা (৪৪), একই এলাকার মৃত মংলুর ছেলে দিনেশ তিগ্যা (৩৫), মৃত শুকা তিগ্যার ছেলে রবীন্দ্রনাথ তিগ্যা (৪৮), রবীন্দ্রনাথের ছেলে সুজন তিগ্যা (২২), মৃত নবীন তিগ্যার ছেলে লিটন তিগ্যা (৩২), মৃত সুরেন তিগ্যার ছেলে দুলাল তিগ্যা (৫০), মৃত নবানুরের ছেলে মহাদেব (৩৬), মৃত সৃনাচ্চার ছেলে নরেশ তিগ্যা (৫১), মৃত সাঞ্চার ছেলে কালু তিগ্যা (৪১), বিষ্ণু তিগ্যার ছেলে রাজ কুমার (২০), মালেক হোসেন (৪৫), মৃত মানছা তির্গার ছেলে নকুল তিগ্যা (৩২), গবরা তিগ্যার ছেলে কালিপদ তিগ্যা (৫৫), মৃত হাকিম উদ্দিনের ছেলে সামসুল হক (৫৬), নেওয়ার ছেলে মালেক (৪৫) লাঠিসোটা, লোহার রড, হাসুয়া নিয়ে জোর পূর্বক ঐ জায়গা-জমি দখলের উদ্দেশ্যে শনিরামের উপর হামলা চালায়। শনিরামের চিৎকারে তার স্ত্রী মিনা সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছুটে আসলে তাদেরকেও আঘাত সহ শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে তাদের চিৎকার-চেঁচামেচিতে গ্রামের লোকজন ছুটে আসলে দুর্বৃত্ত বিষ্ণু সহ তার সঙ্গীরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এসময় দুর্বৃত্তরা শনিরামের বসতবাড়ি, দোকানের ফ্রিজ সহ অন্যান্য জিনিসপত্র ভাংচুর করে, খড়ের পালায় আগুন ধরিয়ে দেয়, ৩০টি আমের গাছ উপরে ফেলে এবং তার জমির চারপাশের বাঁশের বেড়া ভেঙ্গে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে মালামাল লুটতরাজ করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় শনিরাম পত্নীতলা থানায় উক্ত দুর্বৃত্তদের নামে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশের তদন্ত চলমান থাকা অবস্থাতেই আবারও বিষ্ণু তিগ্যা সহ তার সঙ্গীয়রা বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় শনিরামের পরিবারের উপর হামলা চালিয়ে গুরত্বর আহত করে, ভাংচুর ও লুটতরাজ চালিয়ে নারী ও বৃদ্ধদের জখম করে। আহতরা হলো, বক্স এর স্ত্রী আরতি (৩০), হরেন (৫৮), হরেন এর স্ত্রী মালতি (৫০) ও শনিরামের স্ত্রী মিনা (৩৫)।

এ ঘটনায় উষ্টির তকিপুর পুরাতন জামে মসজিদ কমিটির সহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে, দুর্বৃত্তদের দ্রুত বিচার দাবি করেন।

এ ব্যাপারে পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামীদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



মাগুরা বাস টার্মিনাল জলমগ্ন খানাখন্দে জনদূর্ভোগ চরমে

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার না করয় বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে জন দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।বাস টার্মিনালের সর্বত্র পনিতে সয়লাব হয়ে পানির উপর ভাসছে। আর যাবাহনসহ যাত্রী সাধারণ নিদারুন সমস্যার সম্মুখিন হয়ে বাধ্য হয়ে কাঁদা পানি মেখে পরিবহনে উঠতে বাধ্য হচ্ছে। মাগুরা পৌর সভা জনগনের সুবিধার্থে শহরের পাশে পারনান্দুয়ালীতে ২০০১ সালে  কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নির্মান করে। নির্মানের পর থেকে বাস টার্মনালের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন না করলে ও প্রতি বছর টোল আদায় ঠিকই নিলাম দেয়া হয়। প্রতিবছর ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার টোল বিক্রি করলেও তেমন কোন উন্নয়ন বা সংস্কার করা হয়না। যার ফলে টার্মনালের ভিতরে খানাখন্দ সৃষ্ঠি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। খানাখন্দে পড়ে যাতে বিপদ না হয় তার জন্য সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের পক্ষ থেকে লাল নিশান লাগান হয়েছে। খানাখন্দ আর পানািতে সয়লাব হয়ে পড়ায় যাত্রী সাধারণ কাঁদা পানির জন্য পরিবহনে উঠতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। মাগুরা বাস টার্মিনাল থেকে ঢাকা, চট্রগ্রাম, বরিশাল, কুয়াকাটা, সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার, সিলেট, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে পরিবহন চলাচল করে। দীর্ঘদিন ধরে বাস টার্মিনালের এ করুণদশা হলেও পৌর কৃতপক্ষ কোন নজর দিচ্ছেনা। মাগুরা বাস টার্মিনালের বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার থেকে বারবার আবেদন নিবেদন করলেও পৌর কতৃপক্ষ সংস্কার বা উন্নয়নের কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছেনা। এ ব্যাপারে মাগুরা পৌর সভার সচিব রেজাউল করিম   জানান, ২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে, যা একনেকে অনুমোদন হলেও অর্থ ছাড় না করায় প্রকল্পের কাজ করা যাচ্ছেনা। অর্থ প্রাপ্তির পর টার্মনালের সমস্যা থাকবেনা।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



পূর্বশত্রুতার জেরধরে গাবতলীতে অসহায় কৃষকের সীমানা প্রাচীর ও ঘরভাংচুর

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

আল আমিন মন্ডল বিপ্লব,বগুড়া সংবাদদাতাঃপূর্ব শত্রুতার জের ধরে বগুড়া গাবতলীর পল্লীতে অসহায় কৃষক আত্তাব হোসেনের দখলীয় বাড়ির সীমানা প্রাচীর ও টিনসেট ঘর ভাংচুর করেছে প্রতিপক্ষরা। ঘটনাটি ঘটেছে গতবুধবার কাগইলের আমলীচুকাই পূর্বপাড়া গ্রামে।

অভিযোগ সূত্র জানায়, কাগইলের আমলীচুকাই গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে অসহায় আত্তাব হোসেনের সঙ্গে একই গ্রামের মকবুল বেপারীর ছেলে মাসুদ মিয়ার সঙ্গে রাস্তার জমি নিয়ে বিবাদ চলে আসছিল। এর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বুধবার দুপুরে আত্তাব হোসেনের দখলীয় বাড়ির ২৪শতক জমির উপর নির্মিত সীমানা প্রাচীর ও ১টি টিনসেট ঘরভাংচুর করে প্রতিপক্ষ মাসুদ মিয়া সহ তার লোকজন। এতে করে আত্তাব হোসেনের প্রায় ৮০হাজার টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে আত্তাবের পরিবারকে ভয়-ভীতি ও হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার আত্তাব হোসেন বাদী হয়ে মাসুদ মিয়া (৩৫) কে প্রধান বিবাদী করে দুলো মিয়া (৪০), মোঃ তাজেল (২৫), তারাজুল ইসলাম (২৮), মোঃ মজনু (৩৫), সুমি বেগম (২৮), সাহেরা বেগম (৩০), নাছরিন বেগম (২৬) কে অভিযুক্ত করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, উক্ত জমিজমা নিয়ে ইতিপূর্বেও একাধিক ঘটনায় উভয়পক্ষই আদালতে মামলা ও থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



কোটা সংস্কারের দাবিতে সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের মানবন্ধন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image
জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:চলমান কোটা সংস্কার ও মেধাভিত্তিক নিয়োগে সরকারি পরিপত্র বহাল রাখার দাবির প্রতি একাত্মতা ঘোষনা করে নীলফামারীর সৈয়দপুরে মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বেলা ৩ টায় শহীদ ডাক্তার জিকরুল হক সড়কের জিআরপি মোড়ে ছাত্র আন্দোলনের’ ব্যানারে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মানববন্ধন করেন তারা।জুম্মার নামাজ শেষে বৈষম্য বিরোধী নানা ফেস্টুন ও ব্যনার নিয়ে উল্লেখিত স্থানে জড়ো হয় হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। চলমান আন্দোলনের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে, সুযোগের সমতা নিশ্চিতের দাবি জানান তারা। এই সময় বক্তব্য দেন মো: রিফাত, মো: শান্ত, সুজন ইসলাম, সিয়াম হোসেন প্রমূখ।আন্দোলনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে  বলেন, দেশ এখন স্মার্ট আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ থেকে প্রতিনিয়ত মেধাবীরা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে আসছে। আগামীর বাংলাদেশের কাণ্ডারি হবে দেশের মেধাবীরা। সেজন্য মেধার সর্বাত্মক সুযোগ বজায় রাখা কাম্য।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, দেশের সর্বস্তরে কোটা সংস্কার বিষয়ক যেসব আন্দোলন হচ্ছে তা যৌক্তিক। মেধার মুল্যায়ন না হলে দেশে শিক্ষার কমে যাওয়ার আশংকা অনেক। তাই মেধার মুল্যায়ন করতে হবে।  সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে। মেধার মূল্যায়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার জানান আন্দোলনকারীরা।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর