Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

স্বামীর কাছে যে ৫ জিনিস আশা করেন স্ত্রী

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
Image

বিয়ে সবার জীবনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিয়ের পরের জীবন সুখী করতে নারী-পুরুষ দুজনেরই সমান অবদান রাখতে হয়। এক্ষেত্রে সঙ্গীর ভালো-মন্দ, তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা কিংবা সুবিধা-অসুবিধা সব দিকেই অন্যজনের খেয়াল রাখতে হয়। তবেই দাম্পত্য সুখী হবে।

যদিও নারীরা সাধারণত একটু চাপা স্বভাবের হন। ফলে স্বামীর বিষয়ে বিভিন্ন কথা, আশা কিংবা ইচ্ছা মনেই পুষে রাখেন তারা। বিয়ের পর অনেক স্বামীই মনে করেন তারা স্ত্রীর মনের সব খবরই রাখেন। তবে এই ধারণা ভুল। কারণ নারীর মনের খোঁজ রাখা বেশ কঠিন।

jagonews24

সব নারীই তার স্বামীর কাছ থেকে কিছু জিনিস আশা করেন। যা অনেকে মুখ ফুটে বলতে চান না। তবে বুদ্ধিমান স্বামীরা ঠিকই স্ত্রীর মনের আশা বুঝে নেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক স্বামীর কাছে কোন আশা কোন আশা করেন স্ত্রী-

>> ঘরের কাজ দুজনেরই ভাগাভাগি করে নেওয়া উচিত। তবে অনেক স্বামীই ঘরের কাজে স্ত্রীকে সাহায্য করেন না। আর স্ত্রী হয়তো তাদেরকে মুখে বলতেও পারেন না ওই কথা। তাই অবসরে থাকলে স্ত্রীকে ঘরের কাজে সাহায্য করা উচিত সব স্বামীর।

jagonews24

>> অনেক পুরুষই নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেন কিংবা স্ত্রীর মতামতকে প্রাধান্য দেন না। এতে কিন্তু স্ত্রীর মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হতে পারে। তবে বুদ্ধিমান পুরুষরা কখনো স্ত্রীর মতামতকে এড়িয়ে চলেন না। সব স্ত্রীই চান তার স্বামী মনোযোগ দিয়ে কথা শুনবেন।

>> স্ত্রীকে হঠাৎ করে সারপ্রাইজ দেওয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও মজবুত হয়। স্বামীর কাছ থেকে সারপ্রাইজ প্রত্যাশা করেন কমবেশি সব স্ত্রীই। তাই স্বামীর উচিত এই বিষয়টি মাথায় রাখা।

jagonews24

>> ঘুরতে যেতে কে না পছন্দ করেন। আপনিও হয়তো পছন্দ করেন, তবে সময়ের অভাবে স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যেতে পারেন না! এই বিষয়টি কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সময় পেলেই স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো উচিত স্বামীর। এতে মনও ভালো থাকে আবার মানসিক চাপও কমে। স্বামীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার আশায় থাকেন অনেক স্ত্রী।

jagonews24

>> প্রতিটি মানুষের মধ্যেই প্রাধান্য পাওয়ার বাসনা থাকে। আপনার সঙ্গীর মধ্যেও এই আশা আছে নিশ্চয়ই। তাই সব বিষয়েই সঙ্গীকে প্রাধান্য দিন। অনেকেই স্ত্রীকে ছোট করে দেখেন। এমন মনোভাব সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য দায়ী হতে পারে।


আরও খবর



বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ হারানোর শীর্ষে ট্রাস্ট ব্যাংক

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ হারানোর শীর্ষস্থানটি দখল করেছে ট্রাস্ট ব্যাংক। বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির শেয়ার কিনতে আগ্রহী না হওয়ায় সপ্তাহজুড়েই এর দাম কমেছে। ফলে গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম কমার শীর্ষে ছিল প্রতিষ্ঠানটি।

গত সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার দাম কমেছে ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ। টাকার অঙ্কে প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ৪ টাকা ৯০ পয়সা। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে কোম্পানিটির শেয়ার দাম দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৮০ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ছিল ৩৯ টাকা ৭০ পয়সা।

সমাপ্ত বছরটিতে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল ৫ জুন। রেকর্ড ডেটের পর কোম্পানিটির শেয়ার দাম কমেছে।

লভ্যাংশ ঘোষণার পর গত ২৬ এপ্রিল কোম্পানিটি চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ এই তিন মাসে ব্যাংকটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ১ টাকা ১৯ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছিল ৯২ পয়সা।

এদিকে, দাম কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ কোম্পানিটির শেয়ার কিনতে আগ্রহী হননি। ফলে সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৬৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। এতে প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৩ লাখ ৮ হাজার টাকা।

ট্রাস্ট ব্যাংকের পরেই গত সপ্তাহে দাম কমার তালিকায় ছিল স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক। সপ্তাহজুড়ে এই কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে ৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। ৮ দশমিক ৬২ শতাংশ দাম কমার মাধ্যমে পরের স্থানে রয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স।

এছাড়া গত সপ্তাহে দাম কমার শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকা- শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ, কাট্টালী টেক্সটাইলের ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ, রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলসের ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ, বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপারের ৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ, তুং হাই নিটিংয়ের ৫ দশমিক ২৬ শতংশ এবং ইনটেক লিমিটেডের ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ দাম কমেছে।


আরও খবর



স্কুলপ্যান্ট না পরায় পরীক্ষায় বসতে দিলেন না শিক্ষক, করলেন মারধর

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় স্কুলপ্যান্ট ছাড়া পরীক্ষা দিতে যাওয়ায় ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ইন্দ্রজিৎ কুমার নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

শনিবার (৪ জুন) বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বলাডাঙ্গা গ্রামের সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, ‘শনিবার বেলা ১১টার দিকে আমরা পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করি। এ সময় কেন্দ্রটির দায়িত্বে থাকা বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক ইন্দ্রজিৎ কুমার ওই শিক্ষার্থীকে দাঁড়াতে বলেন। ইউনিফর্মের একাংশ (প্যান্ট) না পরে পরীক্ষা দিতে আসার কারণ জানতে চান। সে তার প্যান্ট বানাতে দিলেও না পাওয়ার বিষয়টি জানালেও ইন্দ্রজিৎ কুমার তাকে স্কেল দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে গলা ধাক্কা দিয়ে পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে বের করে দেন শিক্ষক।’

তারা আরও বলে, ‘পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে বের করার পরও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পড়ে থাকা একটি গাছের ডাল দিয়েও ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করেন ইন্দ্রজিৎ স্যার। এ সময় চিৎকারে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকরা ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।’

নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্র জানায়, ‘অভাব অনটনের সংসারে ঠিকমতো খাওয়া হয় না। করোনার কারণে দীর্ঘদিন স্কুল ছুটি থাকায় ইউনিফর্ম নষ্ট হয়ে গেছে। এরপরও পুরাতন ইউনিফর্ম পরেই নিয়মিত স্কুলে আসতাম। তবে এটা নিয়ে সহপাঠীরা হাসাহাসি করতো। উপায়ন্তর না পেয়ে বাবা দর্জির কাছে প্যান্ট তৈরি করতে দেন। কিন্তু দর্জি সময় মতো প্যান্ট না দেওয়ায় পরীক্ষার দিন অন্য একটি প্যান্ট পরে যাই।’

সে আরও বলে, ‘বিষয়টি আমি স্যারকে বারবার বলেছি। এরপরও তিনি কোনো কথা না শুনে বেধড়ক মারধর করেছেন। এ ঘটনায় আমার সহপাঠীসহ পরিবারের সদস্যরা প্রতিবাদ করলে তাদেরও মামলার হুমকি দেন।’

এ বিষয়ে নির্যাতিত ছাত্রের বাবা ও মা বলেন, ‘আমরা দিনমজুর। একবেলা কাজ জুটলে খাওয়া হয়। কাজ না জুটলে অনাহারে থাকতে হয়। আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মতো যেন সন্তানকে দিনমজুরের কাজ করতে না হয় এ জন্য ছেলেকে স্কুলে পড়াই। করোনার ছুটি থাকায় শহিদুলের জামা-প্যান্ট নষ্ট হয়ে যায়। এরপরও নষ্ট পোশাক পরে শহিদুল স্কুলে যেতো। তবে সহপাঠীরা সেটা নিয়ে হাসাহাসি করায় ছেলে একপর্যায়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।’

তারা আরও বলেন, ‘দর্জি প্যান্ট বানাতে দিলেও দেরি করে। এতে পরীক্ষার দিন সে ইউনিফর্মের শার্ট পরলেও প্যান্ট পরে স্কুলে যেতে পারেনি। এ অপরাধে ছেলেকে পরীক্ষার কেন্দ্রের ভেতরে থেকে মারধর করে বের করা দেওয়া হয়েছে। আমরা এর ন্যায় বিচার চাই।’

মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক ইন্দ্রজিৎ সরকার জাগো নিউজকে বলেন, ‘ইউনিফর্ম না পরে আসায় ওই শিক্ষার্থীকে অল্প মারধর করা হয়েছে। তবে নিউজ করার মতো ঘটনা ঘটেনি।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘এক শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়েছে বলে আমি জেনেছি। কালকে এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।’

সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জাগো নিউজকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীকে মারধরের বিষয় আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে তার অভিভাবকরা লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


আরও খবর



চাঁদপুরের সেলিম চেয়ারম্যানসহ ৩ জনকে কোটি টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণে দুর্নীতির দায়ে ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খান ও তার দুই সহযোগীকে এক কোটি টাকা জরিমানা করেছেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে সেলিম খানকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

সম্প্রতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতির পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে সেলিম খানকে। তিনি চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান।

শনিবার (৪ জুন) সকালে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল জানান, দলের নিয়ম-শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


আরও খবর



ম্যাক্সিম ফাইন্যান্সের এমডি-পরিচালককে জামিন দেননি হাইকোর্ট

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

মুদ্রা পাচার মামলায় বিচারিক আদালতে দণ্ডিত ম্যাক্সিম ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও একজন পরিচালককে জামিন দেননি হাইকোর্ট।

বুধবার (১৫ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিন ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের বেঞ্চ তাদের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন।

আদালতে এ দিন রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পী। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এ বিষয়ে সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পী জাগো নিউজকে জানান, বিচারিক আদালতের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির এমডি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও পরিচালক আমিরুল ইসলাম হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন। আজ আদালত তাদের জামিন না দিয়ে তাদের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন।

এর আগে, ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক সৈয়দা হোসনে আরা প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মফিজুল হকসহ ২১ জনকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- ম্যাক্সিম ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, খায়রুল বাশার সজল, আবদুল হান্নান সরকার, সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, এইচ এম আমিরুল ইসলাম, মো. ওলিয়ার রহমান, ফজলুর রহমান, মো. আসাদুজ্জামান (তপন), মোহাম্মদ সোলাইমান সরোয়ার, হারুন আর রশিদ, শেখ আবদুল্লাহ আল মেহেদী, সৈয়দ জাহিদুল ইসলাম, মনোয়ার হোসেন, এম এ সাদী, আসলাম হোসাইন, মেহেদী হাসান মোজাফ্ফর, ইমতিয়াজ হোসেন কাওসার ও মিজানুর রহমান।

আসামিদের প্রত্যেককে কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩০০ কোটি ৯৩ লাখ ১২ হাজার ৭৩৯ টাকার দিগুণ জরিমানা করা হয়। পরে দণ্ডিতরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, এমএলএম ব্যবসার নামে অতি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ৩০৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ম্যাক্সিম ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মফিজুল হকসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক নূর হোসেন খান। ২০১৪ সালের ১৯ মে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় এ মামলা করা হয়।

বিচারিক আদালতে রায়ের দিন দুদকের আইনজীবী এম এ হাসান জানিয়েছিলেন, ঢাকাসহ সারাদেশে ম্যাক্সিম ফাইন্যান্সের ১১৩টি শাখার মাধ্যমে ১৮ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয় ৩০৪ কোটি ১০ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। এই টাকা ম্যাক্সিম গ্রুপভুক্ত অন্য প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ দেখিয়ে স্থানান্তর ও রূপান্তর করে মানি লন্ডারিং করা হয়, যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪(২), (৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তিনি আরও জানান, গ্রাহকের আমানতের বিপরীতে প্রতি লাখে মাসে দুই হাজার টাকা ও আদায়কারীকে মাসে ৫০০ টাকা করে কমিশন দেওয়া হয়। ব্যবসা করে ওই হারে মুনাফা দেওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে নতুন গ্রাহকের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ পুরনো গ্রাহককে দেওয়া হতো। ম্যাক্সিম ফাইন্যান্স থেকে সংগ্রহ করা অর্থ বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হতো। ম্যাক্সিম ফাইন্যান্সের ১১৩টি শাখা থাকলেও সমবায় অধিদপ্তর থেকে অনুমতি নেওয়া হয় মাত্র ২৫টি শাখার। বাকি ৯৮টি শাখার কোনো অনুমোদন ছিল না।


আরও খবর



মালদ্বীপে স্ট্রোকে বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২৫ June ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

মালদ্বীপে স্ট্রোক করে মো. শাহজাহান নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে দেশটির ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে মারা যান তিনি।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানান, শাহজাহান অনিয়মিত অবস্থায় মালদ্বীপে কাজ করতেন। আজ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মালিকই দেশটির ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাহজাহানের দেশের বাড়ি কুমিল্লা জেলা, বুড়িচং উপজেলা আকাবপুর। তার মৃত্যুতে দেশটির বাংলাদেশ কমিউনিটিসহ পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আরও খবর