Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

শুধু বাবা-মায়েরাই পারে অটিজম শিশুদের গড়ে তুলতে

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১১৪জন দেখেছেন
Image

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের গড়ে তোলা শুধু বাবা-মায়ের দ্বারাই সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। তিনি বলেছেন, আমরা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে কাজ করি। কিন্তু একজন বাবা-মা যতটা হৃদয়ের স্পর্শ দিয়ে কাজ করেন, সেটা আমরা কখনোই করি না।

শুক্রবার (৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী কক্ষে অটিজমে আক্রান্ত শিল্পী আদিল হকের একক চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যেকটি উপজেলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে অনাদর অবহেলায় থাকা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা দেওয়া হয়। সরকার থেকে তাদের একটি মাসিক ভাতাও দেওয়া হয়। অটিজম শিশুদের বাবা-মায়েরাও এখন তাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেন।

আদিল হকের শিল্পকর্ম দেখে তিনি বলেন, শুধু তাকিয়ে দেখলাম সে কত সুন্দর করে এঁকেছে। আমি এক কলমও আঁকতে পারি না। সন্তানকে এমন বিশেষ গুণে গড়ে তোলার জন্য আদিলের বাবা-মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। আদিলকে বেড়ে ওঠার জন্য যেভাবে তারা সহযোগিতা করেছেন এটা শুধু বাবা-মায়ের দ্বারাই সম্ভব। আমরা বাহিরে যারা থাকি, সহজে তাদের হাতও ধরতে পারি না।

কে এম খালিদ বলেন, যে আদিল কথা বলতে পারতো না, চলতে ও ফিরতে কষ্ট হতো, সেই আদিলকে তার বাব-মা সমাজের উচ্চ পর্যায়ের নিয়ে গেছেন। এবার সুস্থতার কথাই বলেন বা মানবতার দিক থেকেই বলেন, আদিল আর বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন নয়, সে এখন খুব চাহিদা সম্পন্ন সন্তান। আমাদের মতো সুস্থ মানুষের চেয়েও তার চাহিদা অনেক বেশি। এই সফলতা শুধু বাবা-মায়ের কারণেই হয়েছে। আমরা আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এভাবে একটি সন্তানকে তুলে ধরেছেন।

চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন পর তিনি বিভিন্ন চিত্রকর্ম ঘুরে দেখেন। এসময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন- আদিল হকের মা ডা. লীডি হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন, ভাস্কর অধ্যাপক হামিদুজ্জামান খান প্রমুখ।


আরও খবর



পিপলস লিজিং লোপাটে শামসুল আলামিন গ্রুপও

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

# শামসুল আলামিন গ্রুপের যোগসাজশে সরেছে ২০৩৩ কোটি টাকা
# এতদিন আলোচনারই বাইরে ছিল শামসুল আলামিন গ্রুপ

পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (পিএলএফএসএল) আর্থিক ভিত ধ্বংস করে দেওয়ার পেছনে প্রতিষ্ঠানটির কর্নধার প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদার, সাবেক চেয়ারম্যান উজ্জ্বল কুমার নন্দী ও ক্যাপ্টেন (অব.) মোয়াজ্জেম হোসেনের জড়িত থাকার কথা সবার জানা। এ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ লোপাটে খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষস্থানীয় একাধিক কর্মকর্তা ও বড় এক ব্যবসায়ীর নামও ওঠে আসে উজ্জ্বল কুমার নন্দীর দেওয়া জবানবন্দিতে। প্রতিষ্ঠানটিকে পঙ্গু করার পেছনে সেসময়কার পরিচালনা পর্ষদও জড়িত থাকার কথা বলেন নন্দী।

তবে, এসব কিছুকে ছাপিয়ে এবার পিপলস লিজিংয়ের অর্থ লোপাটের পেছনে বেরিয়ে এসেছে শামসুল আলামিন গ্রুপের নাম। আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি থেকে আলামিন গ্রুপের মাধ্যমে সুকৌশলে দুই হাজার ৩৩ কোটি টাকা বের করে নেওয়া হয়েছে। গ্রুপটির নাম শামসুল আলামিন গ্রুপ। এ গ্রুপের মালিক রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন। তিনি পিপলস লিজিংয়ের পরিচালক ছিলেন। গ্রুপটির এ কর্মকাণ্ডে সহায়তা করেছেন পিপলস লিজিংয়ের তৎকালীন পরিচালক মতিউর রহমান ও ক্যাপ্টেন (অব.) মোয়াজ্জেম হোসেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে পিপলস লিজিংয়ের অর্থ লোপাটের পেছনে এ গ্রুপের জড়িত থাকার কথা।
আরও পড়ুন>> পিপলস লিজিংয়ের ২৫ ঋণখেলাপিকে গ্রেফতার করে হাজির করার নির্দেশ

প্রতিবেদন অনুসারে, নামি-বেনামি প্রতিষ্ঠান এবং আলমগীর শামসুল আলামিনের ছেলে, স্ত্রী ও আত্মীয়-স্বজনের নামে পিপলস লিজিং থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থঋণ নেওয়া হয়েছে, যা শেষপর্যন্ত খেলাপিতে পরিণত। সুদে-আসলে গ্রুপটির দায়ভার দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ১১৪ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন টিমের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, পিপলস লিজিংয়ের সাত পরিচালক ছিলেন— নার্গিস আলামিন, হুমায়ারা আলামিন, আরাফিন শামসুল আলামিন, মতিউর রহমান, ইউসুফ ইসমাইল, বিশ্বজিৎ কুমার রায় ও খবির উদ্দিন মিয়া। তাদের বেশিরভাগই আলমগীর শামসুল আলামিনের আত্মীয় এবং খুবই কাছের লোক। ২০০৩ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত নিয়ম ভেঙে ১৯৩ কোটি টাকা ঋণ এবং শেয়ার পোর্টফোলিওর বিপরীতে ২৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে শামসুল আলামিন গ্রুপ। সুদ-আসল মিলে যার বর্তমান স্থিতি ৫০০ কোটি টাকার বেশি।

ঋণ হিসাবের তথ্য সিআইবি (বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোর) ডাটাবেজে এবং সিএল বিবরণীতে রিপোর্ট করা হয়নি। আবার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে পর্ষদের অনুমোদন ছাড়াই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পর্ষদের অনুমোদনে ভুয়া কাগজ তৈরি করা হয়েছে। অধিকাংশ নথিতে ঋণের আবেদন, ঋণ গ্রহণকারীর ব্যবসায়িক প্রোফাইল, কেওয়াইসি, চার্জ ডকুমেন্টস ইত্যাদি সংরক্ষণ করা হয়নি। কোথাও আবার বেনামি ঋণ হিসাব সৃষ্টি করে সেখানে অর্থের জোগান দেওয়া হয়েছে, যা দ্বারা পরিচালকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঋণ সমন্বয় করা হয়েছে। অর্থাৎ এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর দ্বারা অনিয়মের ধারাকে আড়াল করা হয়েছে।

আরও পড়ুন>> পিপলস লিজিংয়ের বোর্ড চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন কামাল উল আলম)

পিপলস লিজিংয়ের অবসায়ন প্রক্রিয়া চলার সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে তথ্য চান হাইকোর্ট। আদালতের সেই নির্দেশের ভিত্তিতে ২০২০ সালে ডিসেম্বরে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে এত বেশি লুটপাট হয়েছে যে সুক্ষ্মভাবে তার হিসাব নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে যেসব দায়-দেনা ও দুর্নীতির কথা জানা গেছে প্রকৃতপক্ষে তা বহুগুণ বেশি।

হাইকোর্টে পাঠানো প্রতিবেদন অনুযায়ী, লুটপাটের দুই হাজার ৩৩ কোটি টাকার মধ্যে শামসুল আলামিন গ্রুপ ১৯৩ কোটি টাকা ঋণ হিসাবে নিয়েছিল। এর মধ্যে ১৬৯ কোটি টাকা সরাসরি ঋণ, আর বাকি ২৪ কোটি টাকা মার্জিন লোন। এসব ঋণের বেশিরভাগ অর্থ পরিশোধ করে দেওয়ার দাবি করেছেন আলমগীর শামসুল আলামিন।

তবে সূত্র বলছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে না জানিয়ে সুদ মওকুফের (৭৭ কোটি টাকা) অংককে পরিশোধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী বোর্ড সদস্যের সুদ মওকুফ করার কোনো সুযোগ নেই। সুদ মওকুফের সময় শামসুল আলামিন ছিলেন পিপলস লিজিংয়ের পরিচালক।

দুই হাজার ৩৩ কোটি টাকার মধ্যে বাকি এক হাজার ৮৪০ কোটি টাকার অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেমকে সামনে রেখে। এসব অর্থ লোপাটের জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দায়ী আলমগীর শামসুল আলামিন। কারণ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি জামানতবিহীন ঋণ দেওয়া যাবে না। যদি দেওয়া হয় এবং ঋণ দেওয়ার ফলে লোকসানের জন্য ওই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব পরিচালক যৌথভাবে এবং পৃথকভাবে ক্ষতিপূরণের জন্য দায়ী থাকবে।

আরও পড়ুন>> পি কে হালদারকে দেশে এনে বিচারের দাবি পিপলসের আমানতকারীদের

আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২০১০ সালে নামসর্বস্ব কোম্পানি জেনিথ হোল্ডিংস এবং জেফায়ার হোল্ডিংসকে ঋণ দেয় পিপলস লিজিং। এ দুই কোম্পানির নামে ১২৩ কোটি ৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পিপলস লিজিংয়ে থাকা ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ সমন্বয় করেন। ২০১৯ সালে লিপ্রো ইন্টারন্যাশনালের কাছে জমিটি বিক্রি করে ১২০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ঋণ পরিশোধ করেন। কিন্তু কোনো মুনাফা দেননি। জমি বিক্রির অর্থ নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করায় ২০১০ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ১৭ শতাংশ সুদ হিসাব করলে পিপলস লিজিং লিমিটেডের প্রায় ২৯৮ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। তবে, ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর জেনিথ হোল্ডিংস এবং জেফায়ার হোল্ডিংসের নেওয়া বিপরীতে ঋণের বকেয়া স্থিতি যথাক্রমে ২৩ কোটি ৪১ লাখ ২ হাজার ২৩৮ টাকা এবং ২৩ কোটি ৪০ লাখ ৭৭ হাজার ৬২৪ টাকার জন্য ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম এর দায়বদ্ধতা রয়েছে।

এছাড়া ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেমের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গ্রেট ওয়াল ল্যান্ড প্রোপার্টি লিমিটেডের অনুকূলে পাঁচ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করা হয়। ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে ওই ঋণের বকেয়া স্থিতি দাঁড়ায় ৭৭ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা এখনো অপরিশোধিত।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) অবহিত না করেই পিপলস লিজিংয়ের স্পন্সর শেয়ার বিক্রয় করা হয়। ই-সিকিউরিটিজের ১০০ টাকা মূল্যের এক লাখ ১৬ হাজার ৬৩১টি শেয়ার ৪৪৫ দশমিক ৫০ টাকা প্রিমিয়ামে মোট ছয় কোটি ৯৯ লাখ টাকায় ক্রয় করা হয়। কিন্তু কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি ই-সিকিউরিটিজ। মার্জিন লোনসহ ই-সিকিউরিটিজ সংশ্লিষ্ট অনিয়মের সঙ্গে জড়িত অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৮২৩ কোটি ৬ লাখ৩৫ হাজার টাকা। এ অনিয়মের সঙ্গে শামসুল আলামিন নিজেও জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন টিম।

পিপলস লিজিংয়ের অর্থে প্লেসমেন্টে এসএস স্টিল মিল্স লিমিটেডের ৬২ লাখ ৫৫ হাজার শেয়ার ক্রয়ের উদ্দেশ্যে ছয় কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেমের নির্দেশে পিপলস লিজিংয়ের অনুকূলে ৩১ লাখ ৩০ হাজারটি শেয়ার এবং অবশিষ্ট ৩১ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, ই-সিকিউরিটিজ ও গ্রেট ওয়াল ল্যান্ড প্রোপার্টিজ এবং তার ছেলে এহসান মোয়াজ্জেমের অনুকূলে বরাদ্দ করা হয়। হাইকোর্টের নির্দেশে বহু কাঠখড় পোড়ানোর পর সেই টাকা ফেরত দেন ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম। তাতেও পিপলস লিজিংয়ের ক্ষতির পরিমাণ ছিল আট কোটি ৬৩ লাখ।

ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম পিপলস লিজিংয়ের পরিচালনা পর্ষদে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় অনুমোদিত জামানতবিহীন ১০২টি ঋণের স্থিতি ছিল ৭৯০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যার পুরোটাই এখন খেলাপি। আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৯৩ এর ১৪(৪) ধারা অনুসারে ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম ওই ৭৯০ কোটি ৩৯ টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পরিচালকদের সঙ্গে যৌথভাবে এবং পৃথকভাবে দায়বদ্ধ। অভিযোগ রয়েছে এ অনিয়মের সঙ্গেও জড়িত শামসুল আলমিন।

শুরুর পর থেকে পিপলস লিজিং একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান ছিল। কিন্তু ২০১৩ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন সংশ্লিষ্টরা। অনিয়ম দুর্নীতি টের পেয়ে ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে পিপলস লিজিংয়ের পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এতেও নিস্তার পায়নি প্রতিষ্ঠানটি। নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে সমাজে অপরিচিত-দুর্নীতিবাজ এবং বিভিন্ন বেনামি কোম্পানির লোকদের পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত করা হয়। এরপর কোম্পানি থেকে অভিজ্ঞ ও যোগ্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি এবং মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে ন্যায্য পাওনা পরিশোধ না করেই অন্যায়ভাবে ক্রমাগত ছাঁটাই শুরু করে দেওয়া হয়। যোগ্যতা, সততা ও অভিজ্ঞতার বিচার না করে উচ্চপদস্থ পদে পর্ষদের পছন্দমতো লোক নিয়োগ দেওয়া হয়। যারা নতুন পরিচালকদের অন্যান্য কোম্পানির কর্মচারী ছিলেন।

এসব কর্মকাণ্ড চালাকালে পিপলস লিজিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন আলমগীর শামসুল আলামিনের আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ আরাফিন শামসুল আলামিন, হুমায়রা অলামিন, নার্গিস আলামিন, মতিউর রহমান এবং বিশ্বজিৎ কুমার রায়। এখন পিপলস লিজিংয়ের মামলাটি হাইকোর্টে বিচারাধীন।

এ বিষয়ে শামসুল আলামিন গ্রুপের চেয়ারম্যান আলমগীর শামসুল আলামিন জাগো নিউজকে বলেন, আমি সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম পিপলস লিজিংয়ে পুনর্গঠন করে আবারও আনতে। এটাতে অনেকেরই হয়তো হিংসে হয়েছে, এ কারণে আমার পেছনে লাগতে পারে। আমরা অনুমোদন অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করছি কি না সেটা হলো মূলবিষয়, আমরা কোর্টকেও জানিয়েছি। কোর্টের নির্দেশে আমরা পেমেন্ট করে যাচ্ছি। এটা প্রতি মাসেই পরিশোধ করা হচ্ছে। এত টাকা আমার কাছে পাওনা হবে, আরেকজনের কাছে এত, তাহলে তো পিপলস লিজিংয়ের টাকা ২০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। জানি না বাংলাদেশ ব্যাংক এ সম্বন্ধে নতুন করে যে তথ্য দিচ্ছে... আমি এ বিষয়ে আর মন্তব্য করতে চাই না। আপনারা পিপলস লিজিংয়ে যদি খবর নেন তাহলে জানতে পারবেন আমরাই একমাত্র গ্রুপ যারা সময়মতো পেমেন্ট করে যাচ্ছি।

এখন আপনার কাছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া কত? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আসলে আমি তো এটা পরিশোধ করি না। আমার স্টাফদের মাধ্যমে জানতে, এ মুহূর্তে ফিগারটা বলতে পারবো না। তবে, আপনি আমার সঙ্গে বসুন, সব ডকুমেন্ট দেখাতে পারবো।

আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, পুনরায় পিপলস লিজিংকে চালাতে বকেয়া পরিশোধ কীভাবে করবো, কীভাবে চালাবো, শেয়ার হোল্ডারদের কীভাবে দেবো, সববিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকে জানিয়েছি। মূল কথা হলো— আমি নিজেই একটা স্ট্রাকচার দিয়েছি যে পিপলস লিজিংকে আবারও চালাতে চাই, সেই কারণে অনেকেরই মাথাব্যথার কারণ হয়ে গেছি।


আরও খবর



অসহায়কে ঘর-ভ্যান দিলো ‘উই আর বাংলাদেশ’

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
Image

রাজবাড়ীর পাংশায় অসহায় এক পরিবারকে ঘর ও ভ্যান দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ভিত্তিক সামাজিক সংগঠন উই আর বাংলাদেশ। শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকালে ওই পরিবারকে নতুন ঘর, ভ্যান ও হুইল চেয়ার তুলে দেওয়া হয়।

সংগঠনের অ্যাডমিন কবিরুল সাগর জানান, উপজেলার কলিমহরের সাজুরিয়া গ্রামের রেজাউল করিমের পরিবারের ছয়জনের তিনজনই প্রতিবন্ধী। জরাজীর্ণ একটি ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করেন তারা। বিষয়টি জেরে আমরা তার সহযোগিতায় এগিয়ে আসি। সংগঠনের সদস্যদের পরিশ্রমে তাদের নতুন ঘর, একটি ভ্যান ও হুইল চেয়ার দিতে পেরেছি।

তিনি আরও জানান, আমরা প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ ও কর্মসংস্থান, ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন, রক্ত সংগ্রহ, অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানাবিধ সামাজিক কাজ করে আসছি। আশা করছি সে ধারা অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



মিউজিক ভিডিও শুটের সময় ৮ মডেলকে ধর্ষণ

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

মিউজিক ভিডিওর শুটিং সেটে জোর করে ঢুকে আটজন নারী মডেলকে ধর্ষণ করেছে একদল বন্দুকধারী। এসময় সেটে থাকা পুরুষদেরও নগ্ন করে তাদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয় দুষ্কৃতরা। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের কাছে ঘটেছে বর্বরোচিত এ ঘটনা। খবর এএফপির।

দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ মন্ত্রী ভেকি সেল বলেছেন, গত বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) জোহানেসবার্গের পশ্চিমে ক্রুগারসডর্প শহরের উপকণ্ঠে ওই শুটিং সেটে হামলা চালায় প্রায় ২০ জন সন্দেহভাজন বন্দুকধারী। মিউজিক ভিডিও শুটের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় মডেল ও ক্রুদের আক্রমণ করে তারা।

মন্ত্রী জানান, ভুক্তভোগী নারীদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তিনি বলেন, এক নারীকে ১০ জন এবং আরেকজনকে আটজনে মিলে গণধর্ষণ করেছে দুষ্কৃতরা। এমনকি পুরুষদেরও কাপড়চোপড় খুলে নেওয়া হয় এবং তাদের জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয় বন্দুকধারীরা।

ভেকি জানান, এ ঘটনায় তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। তিনি বলেন, দেখে মনে হচ্ছে তারা বিদেশি নাগরিক, মূলত ‘জামা জামা’।

দেশটিতে অবৈধভাবে খনিজ সম্পদ উত্তোলনকারীদের ‘জামা জামা’ বলা হয়। এদের বেশিরভাগই জিম্বাবুয়ে অথবা মালাউইর অভিবাসী।

দক্ষিণ আফ্রিকান প্রেসিডেন্ট সাইরিল রামাফোসা এক সম্মেলনে বলেছেন, অপরাধীদের গ্রেফতার ও মোকাবিলা করতে পুলিশ মন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ধর্ষণের ঘটনা খুবই কম প্রকাশ্যে আসে বলে অভিযোগ রয়েছে। তারপরও দেশটিতে প্রতি ১২ মিনিটে একটি করে এ ধরনের অপরাধ পুলিশের কাছে রিপোর্ট করা হয়।

সূত্র: এনডিটিভি


আরও খবর



নিয়মিত অধিনায়ক ও তারকা অলরাউন্ডারকে ছাড়াই ওয়ানডে খেলবে জিম্বাবুয়ে

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে এবার ওয়ানডের অপেক্ষায় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। তবে তার আগে একপ্রকার দুঃসংবাদই পেলো স্বাগতিকরা। ওয়ানডে সিরিজে নিয়মিত অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিনকে পাচ্ছে না জিম্বাবুয়ে।

হ্যামস্ট্রিংয়ের পুরোনো ইনজুরির কারণে ওয়ানডে সিরিজের দলে রাখা হয়নি আরভিনকে। তার জায়গায় ওয়ানডে সিরিজে নেতৃত্ব দেবেন রেগিস চাকাভা। এছাড়া তারকা অলরাউন্ডার শন উইলিয়ামসও ব্যক্তিগত কারণে সিরিজটি থেকে ছুটি নিয়েছেন।

উইলিয়ামসন ও আরভিনের জায়গায় ওয়ানডে দলে নেওয়া হয়েছে তাকুদওয়ানাশে কাইতানো ও তারিসাই মুসাকান্দাকে। এছাড়া টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডের বাকি ১৩ জনের সবাই ওয়ানডে দলেও নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন।

শুক্রবার শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বাংলাদেশ সময় দুপুর সোয়া ১টায় হবে প্রথম ম্যাচ। এরপর রবি ও বুধবার একই মাঠে, একই সময়ে মাঠে গড়াবে শেষ দুই ম্যাচ।

ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়ের স্কোয়াড
রায়ান বার্ল, রেগিস চাকাভা (অধিনায়ক), ব্র্যাডলি ইভান্স, লুক জঙউই, ইনোসেন্ট কাইয়া, তাকুদওয়ানাশে কাইতানো, ওয়েসলে মাধভের, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, টনি মুনিয়োঙ্গা, তারিসাই মুসাকান্দা, রিচার্ড এনগারাভা, ভিক্টর নিয়ুচি, সিকান্দার রাজা ও মিল্ডন শুম্বা।


আরও খবর



আয়ু বাড়ানোর যন্ত্র আসছে!

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

আর কোন চিন্তা নেই। ম্যানিনজাইটিস, পার্কিনসন, আলঝেইমার এমনকি ক্যান্সার। সব ভালো হয়ে যাবে। ১৫০ বছরের অধিক গড় আয়ু হবে মানুষের। সেই প্রযুক্তি এখন মানুষের হাতের মুঠোয় এসে গেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার স্নায়ু শল্য চিকিৎসা বিজ্ঞানী গেরি হেইট আবিষ্কার করে ফেলেছেন এই বায়োচিপ।

কেমন চিপ? সিলিকন প্রযুক্তিবিদ্যার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে জীবদেহের আনুষঙ্গিক বস্তুকণা। অর্থাৎ হার্ডওয়্যারের সঙ্গে নরম কোষকলার সমন্বয় সাধন করা হয়েছে। এই চিপ মস্তিষ্কে স্থাপন করার সঙ্গে সঙ্গে এমনিতেই বন্ধ হয়ে যায় পার্কিনসন বা কম্পন রোগ।

বিজ্ঞানী হেইট এটি পরীক্ষা করেছেন সাইবর্জ নামে জনৈক রোগীর মস্তিষ্কে। ৭৯ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি শার্টের বোতাম খুলতে এবং লাগাতে পারতেন না। এখন তিনি দিব্যি তা লাগাতে পারছেন। নিজে নিজে আপন মনে সব কিছুই করতে পারছেন। ১৫ বছর পর স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে কেঁদে ওঠেন তিনি।

বিজ্ঞানী গেরি হেইট বলেন, যাদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা অকেজো, কিংবা দূর্বল হয়ে গেছে। এমন একটি সিলিকন চিপ তাদের মস্তিষ্কে বসানোর সঙ্গে সঙ্গেই ফিরে পাচ্ছে নব জীবনের প্রাণ-চাঞ্চল্য। এখন দরকার কেবল পর্যাপ্ত টাকা-কড়ি। একজন মানুষের মগজে এই চিপ স্থাপন করতে ২০ হাজার ডলার খরচ পড়বে। তবে এতে রোগীর জীবনে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে, সে তুলনায় অর্থটা খুব অল্পই বলা চলে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই চিপ আসলে সুবিন্যস্ত এবং দ্রুতগতি সম্পন্ন মাইক্রোপ্রসেসর। যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করে। আকস্মিক শক্তি বা বেগকে বৈদ্যুতিক কমান্ডে রূপান্তর করে। স্নায়ুতন্ত্রের সঙ্গে সংযুক্ত এর ইলেকট্রিক কমান্ড শরীরের মাংসপেশীকে কার্যকরভাবে উদ্দীপ্ত ও প্রভাবিত করে। রোগী চলৎশক্তি ফিরে পায়।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে এই প্রাণ প্রযুক্তি গবেষণার বাস্তব পরীক্ষা হয়েছে। এখন এটি খুব সহজে বাণিজ্যিক প্রসারতাও পেতে যাচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন চিপস গবেষণা কেন্দ্রের ল্যাবরেটরিতে দেখা যায়-এই ক্ষুদ্র চিপ ডিএনএ থেকে ক্যানসার কোষ বিচ্ছিন্ন করতে পারে। যার ফলে খুব সহজে, দ্রুত গতিতে এবং নিখুঁতভাবে নিরাময় সম্ভব মেনিনজাইটিস এর মতো ভয়ানক রোগ।

এই চিপ ধ্বংসপ্রাপ্ত কোষকলা এবং ইন্দ্রিয় অঙ্গ নতুন করে সৃষ্টি করে। দেখতে মুচমুচে পাতলা বিস্কুটের মতো। তবে এতটাই ছোট যে কড়ে আঙ্গুলের আগায় রাখা যায়। এই চিপটিই প্রাণের রাসায়নিক পরিবর্তন সমূহের পূঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সরবরাহ করে। প্রকাশ করে জেনেটিক কোড। আর তাতেই নিরাময় করা সম্ভব হবে ক্যান্সারের মত জটিল জটিল রোগ।

রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইবারনেটিকস প্রফেসর কেভিন ওয়ার উইক এরই মধ্যে হাতে বসিয়েছেন এই মাইক্রোচিপ। এই চিপে আছে সম্প্রচার যন্ত্র। রিডিং ক্যাম্পাসে তার হাঁটাচলার সময় স্বয়ক্রিয়ভাবে তার কক্ষের দরজা খুলে যাচ্ছে। কম্পিউটারও জানান দিচ্ছে প্রফেসরের উপস্থিতির কথা।

তবে এই প্রযুক্তি গ্রহণ করতে ইচ্ছুকদের অবশ্যই সার্জনের অনুমতি নিতে হবে। কারণ মানুষকে তো আর প্রযুক্তির দাস হতে দেয়া যায় না। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়েইনফরমেটিকস অধ্যাপক ওয়াল্টার গিলবার্ট বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যেই আমরা পার্সোনাল ডিএন এর অনুক্রম অ্যান্ড্রয়েড গেজেটে ধারণ করে নিয়ে ঘুরে বেড়াবো। যা রোগ নির্ণয় করবে। রোগ নিরাময়ে কি করতে হবে তা অনলাইনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাৎলে দেবে সঙ্গে সঙ্গে।’

তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন- ধরা যাক, হঠাৎ দেখা গেলো, কারো মস্তিষ্কের নিউরন ঠিকঠাক মত সাড়া দিতে পারছে না। তার মানে হার্ট যেভাবে পাম্প হওয়ার কথা সেভাবে হচ্ছে না। এই চিপে থাকা কৃত্রিম নিউরন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঙ্গে সঙ্গে সঠিক সংকেত প্রেরণ করে। আর এতে হার্ট ফেইল রুখে দেয়। অর্থাৎ পুনরায় হার্ট তার সঠিক ছন্দ পথ খুঁজে পায়। এভাবে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি আর থাকবে না। আর তখন মানুষের আয়ু বেড়ে যাবে ১৫০ বছরের বেশি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এরই মধ্যে ব্যাপক আকারে তৈরি হচ্ছে এই মাইক্রোচিপ। এজন্য সিলিকন চিপ কারখানা স্থাপিত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ এরই মধ্যে ‘মটোরোলা’র সঙ্গে এই চিপ উৎপাদনে চুক্তি সম্পাদন করেছে। চীন-রাশিয়া নয়, হয়তো আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্রই নিয়ন্ত্রণ করবে এই লাভজনক জীবন রক্ষাকারী স্বাস্থ্যগত অবকাঠামোর ভবিষ্যত বাজার।


আরও খবর