Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬২ জন নিহত মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধানের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভূয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে করে শশুড় বাড়ী শিকলবন্দী জামাই! খাগড়াছড়িতে পুনাক কমপ্লেক্স এর উদ্বোধন করলেন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র হজ চলাকালীন ১৩০১ জন হজযাত্রীর মৃত্যু: সৌদি আরব সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার

স্থগিত হওয়া ১৯ উপজেলায় চলছে ভোট

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের ১৯টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে,ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে স্থগিত হওয়া ।

রোববার (৯ জুন) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। কোনো প্রকার বিরতি ছাড়াই বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।

এদিকে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসির জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মো. শরিফুল আলম জানান, এই ১৯টি উপজেলায় তৃতীয় ধাপে ২৯ মে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে নির্বাচনি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওইসব নির্বাচন স্থগিত করেছিল কমিশন। ওই এলাকা নির্বাচন উপযোগী হওয়ায় ভোট নেওয়া হচ্ছে।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় উপজেলায় ইভিএমে এবং বাকি ১৮ উপজেলায় ব্যালট পেপারে ভোট হচ্ছে।

ইসি জানিয়েছে, ১৯ উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৩০ জন প্রার্থী। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১১৯, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩২ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৯ জন রয়েছেন। এসব উপজেলায় কেন্দ্র রয়েছে ১ হাজার ১৮১টি ও ভোটার রয়েছেন ৩০ লাখ ৪৬ হাজার ৮৮ জন। ১৭৯টি কেন্দ্রে শনিবার ব্যালট পৌঁছেছে।

যেসব উপজেলায় ভোট হচ্ছে- খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া; বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা; বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া; পটুয়াখালীর পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকী; পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া; ভোলার তজুমদ্দিন ও লালমোহন; ঝালকাঠির রাজাপুর ও কাঠালিয়া; বরগুনার বামনা ও পাঠরঘাটা উপজেলা এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরী।


আরও খবর



জয়পুরহাটে বেশী মজুরীতেও মিলছেনা শ্রমিক, পানির নিচে ধান, বিপাকে চাষীরা

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাটঃজয়পুরহাটে আলুর পর একটু দেরীতেই রোপণ করা হয় বোরো ধান। অন্যান্য এলাকায় যখন পাকা ধান কাটাঁ শেষ পর্যায়ে, তখন এ জেলায় শুরু হয় বোরো ধান কাঁটা। বর্তমানে জয়পুরহাটে মাঠের পর মাঠ জুড়ে পড়ে আছে পাঁকা ধান। কয়েকদিনের ঝড়-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের পাকা ধান। এর সাথে দেখা দিয়েছে কৃষি শ্রমিকের সংকট। ঝড়-বৃষ্টির পর বেশী দামেও মিলছেনা কৃষি শ্রমিক। পাঁকা ধান নিয়ে বিপাকে পরেছে চাষীরা। অল্প সময়ের মধ্যে ফসল ঘরে তুলতে না পারলে পাকা ধান নষ্ট হয়ে যাবে, আবার ঝড়-বৃষ্টির সাথে শীলা বৃষ্টির কারনে পাকা ধান ঝড়ে গিয়ে ফলন কম হবে এমন শঙ্কায় দিন যাপন করছেন চাষীরা।  

চাষীরা জানান, গত কয়েকদিন ধরে কম-বেশী ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছেই। জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকের পাঁকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অধিকাংশ জমির ধান মাটিতে নুয়ে গেছে। ধান গাছ পানির নিচে ডুবে পঁেচ যাচ্ছে। অনেকেই শ্রমিক না পেয়ে ধানের আশা ছেড়ে দিয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৬৯ হাজার ৭শ২৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব জমিতে উচ্চফলনশীল (উফশী) এবং হাইব্রিড জাতের ধান হয়েছে। খাদ্য উৎপাদনের জেলা হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাট। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এবার ১২০ হেক্টর জমিতে কম চাষ হয়েছে। সে হিসেবে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩ লাখ মে.টন। এ পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ জমির ধান কাঁটা-মাড়াই হয়েছে। এখনও ৫৫ শতাংশ ধান মাঠেই আছে।

কৃষকরা জানান, এ এলাকায় আলু পর ধান রোপণ করা হয়। সে কারণে ধান পাকতে একটু দেরি হয়। এবারও ধান পাকতে দেরি হয়েছে। যে সময় মাঠের পর মাঠ জুড়ে ধান পাঁকে, ঠিক সেই সময়ই শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে। কৃষি শ্রমিকের সংকটের কারণে ধান কাঁটা যাচ্ছে না। বেশী টাকাতেও শ্রমিক মিলছেনা। গত কয়েকদিনের ঝড়-বৃষ্টির কারণে অনেকের ধান বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে। জমানো পানি অন্যত্র সরানোর কোনো উপায়ও নেই। আজ (৯জুন) রোববার সকালে জেলার কালাই পৌরশহরের নয়াপাড়া মাঠে গিয়ে কথা কৃষক সোহেল মিয়ার সাথে। তিনি জানান, মাঠের পর মাঠ জুড়ে ক্ষেতের ধান পেকে মাটিতে নুয়ে পড়েছে। কয়েকদিন ধরে ঝড়-বৃষ্টিও হচ্ছে। এ কারণে প্রায় সব জমিতেই পানি জুমে গেছে। সরানোর কোনো উপায় নেই। সবাই ধান কাটতে শ্রমিক খুঁজছে। এ কারনে শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে। গত বছর একবিঘা (৩৩ শতক) জমির ধান কাটতে শ্রমিকের মজুরি দিতে হয়েছিল ২ হাজার  ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা। এবার সেই একবিঘার ধান কাটতে মজুরি দিতে হচ্ছে ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। তারপরও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে অনেকেই জমির ধান ছেড়ে যাচ্ছে। কারন পানিতে ডুবে অনেকের ধান পঁচে গেছে।  

কালাই পৌরশহরের দোকানদারপাড়া মহল্লার কৃষক জয়েন উদ্দিন, পাঁচগ্রামের কৃষক রেজাউল করিম, ক্ষেতলাল উপজেলার মুন্দাইল গ্রামের কৃষক জেলহাজসহ বেশকয়েকজন কৃষক জানান, এবার ধানকাঁটা শ্রমিকের খুবই সংকট। এর আগে কখনও শ্রমিকের সংকট হয়নি। যদিও বাহির থেকে শ্রমিকের দল আসছে, তাদের নিয়ে গৃহস্থদের মধ্যে টানাহেচঁড়া শুরু হয়েছে। জমানো একহাটু পানি সাথে বজ্রপাতের আতঙ্কে শ্রমিক ও কৃষক উভয়ই মাঠে নামতে ভয় পাচ্ছেন। ফলে মাঠের ধান মাঠেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

বাগইল গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, পাকা ধান ঘরে তুলতে কৃষকরা পাগল হয়ে গেছে। বেশী দামেও মিলছেনা শ্রমিক। যাও মিলছে গত বছরের চাইতে এবার দ্বিগুন দাম দিতে হচ্ছে তাদের। এমনিতেই ধানের দাম কম। তিনি আরও বলেন, গত শুক্রবার চার বিঘা ধান কেটেছি ২০ হাজার টাকায় অথচ গত বছর এই চার বিঘার ধান কেটেছিলাম ১০ হাজার টাকায়। আবার ধানের দামও কম। এই যদি হয় তাহলে আমরা কৃষকরা যাবো কোথায়।    
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রাহেলা পারভিন বলেন, বৈরী আবাওহায়ার কারণে পুরোদমে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। আবওহায়া ভাল থাকলে আগামী ১০ দিনের মধ্যে ধান কাটা শেষ হবে। তিনি আরও বলেন, আগামীতে শ্রমিকের সংকট আরও দেখা দিবে। কারণ এ পেশায় নতুন করে আর কোন লোক আসবে না। আমরা কৃষকদের ধান কাটার যন্ত্রপাতী ভূর্তকিতে নিতে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি কৃষক এসব যন্ত্রপাতী সহজেই ক্রয় করবেন। তাহলেই এ সংকট থেকে পরিত্রান পাওয়া যাবে। অল্প সময়েই ফসল ঘরে ওঠবে।  

আরও খবর



দেশ ছেড়েছেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৬৯জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার: ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের বিপুল সম্পদের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর দেশজুড়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ঈদুল আজহার ছুটি শেষে তার সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করতে পারে দুদক।

এদিকে এরইমধ্যে আছাদুজ্জামান সস্ত্রীক দেশ ছেড়েছেন। গেল সপ্তাহে তারা আমেরিকায় গেছেন। আছাদুজ্জামান দেশটিতে বিভিন্ন সম্পত্তি গড়েছেন। বিনিয়োগ করেছেন বিভিন্ন খাতে। এছাড়া সেখানে তাদের ছোট ছেলে আসিফ মাহাদীন পড়াশুনা করেন।

জানা যায়, আছাদুজ্জামান নিজ নামে, স্ত্রী আফরোজা জামান, দুই ছেলে আসিফ শাহাদাত, আসিফ মাহদীন ও মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকার নামে দেশে প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়িসহ বিভিন্ন সম্পত্তি গড়ার পাশাপাশি আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশেও বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিয়োগ করেছেন।

সম্প্রতি, সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা আছাদুজ্জামানের দুর্নীতিলব্ধ আয়ে গড়া নানা সম্পত্তির খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। আছাদুজ্জামান তা বুঝতে পেরেই আগেভাগে গা ঢাকা দেন। একপর্যায়ে গেল সপ্তাহে সস্ত্রীক আমেরিকায় চলে যান।

এদিকে গণমাধ্যমে আছাদুজ্জামানের দুর্নীতির খবর আসার পর নড়েচড়ে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ঈদুল আজহার ছুটির পর তার বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত নিতে পারে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।

দুদক কমিশনার জহুরুল হক গণমাধ্যমকে বলেছেন, আছাদুজ্জামান মিয়ার সম্পদের তথ্য প্রকাশের খবর তাঁর নজরে আসেনি।... যদি সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের খোঁজ পাওয়া যায়, তাহলে দুদক ব্যবস্থা নেবে।

জানা যায়, আছাদুজ্জামান মিয়ার সম্পদের বাড়াবাড়ির বিষয়টি বেশ কয়েক বছর আগে নজরে এসেছিল দুদকের। শুরু হয় অনুসন্ধানও। তবে তা খুব একটা এগোয়নি। অনুসন্ধান না আগানোর পেছনে কারণও খুব একটা স্পষ্ট নয়।

তবে সংস্থাটির আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলছেন, ছুটির পর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। আস্থা নিয়ে পুলিশের উচ্চ পদে আসীনদের এমন কর্মকাণ্ডে, বাহিনীটিতে শুদ্ধি অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন এ জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

‘মিয়া সাহেবের যত সম্পদ’ নামে দৈনিক মানবজমিন একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর নতুন করে শিরোনামে এলেন আসাদুজ্জামান মিয়া। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের সম্পদের পাহাড়। অনেক সম্পদের নথি ধরে সরজমিনে সেসবের সত্যতা মিলেছে।

এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘রাজনৈতিক আশীর্বাদ ছাড়া এ ধরনের দুর্বৃত্তায়ন সম্ভব নয়। একদিকে প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ অবস্থান অপরদিকে রাজনৈতিক আশীর্বাদ একত্রিত হয়ে তাদের দুর্নীতি এবং অসামঞ্জস্য আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা আইনের সুরক্ষার পরিবর্তে ভক্ষক হয়ে গেছেন। তারা অপরাধ নিয়ন্ত্রক। তার মানে তারা জানেন কোন অপরাধ কীভাবে করতে হয়। এটা জেনে বুঝেই করেছেন ‘

‘তারা যে অসামঞ্জস্য অপরাধগুলো করেছেন প্রতিটি ক্ষেত্রেই কিন্তু এক ধরনের সহযোগী আছে। তাদের অনেকেই হয়তো জেনে বা না জেনে অংশীদার হয়েছেন। এ অবস্থায় সব অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা ছাড়া অন্য কোনো ম্যাজিক বুলেট নেই।’

আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল; মিরসরাইয়ে পানিতে ভেসে গেছে কোটি টাকার মাছ, বিদ্যুতবিচ্ছিন্ন ৯০ হাজার গ্রাহক

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে মিরসরাইয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে ফেনী নদীর জোয়ারের পানি ঢুকে মুহুরী প্রজেক্ট এলাকার ২৬ হেক্টর মৎস্য প্রকল্পের প্রায় কোটি টাকার মাছ পানিতে ভেসে গেছে। দমকা বাতাসে ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ১০ হেক্টর আউশ বীজতলা ও ১৮০ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজিক্ষেত নষ্ট হয়েছে।বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহক ।

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ো বাতাসে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে গ্রামীন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে এবং অসংখ্য বসতঘর ভেঙে গেছে। এছাড়া বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙেছে ৩৭ টি, তার ছিঁড়েছে ৩৪০ টি স্পটে, ক্রস আর্ম ভেঙেছে ৩৬ টি। উপজেলায় প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন। অতিবৃষ্টিতে ফেনী নদীর পানি ঢুকে মুহুরী প্রজেক্ট এলাকার ৩২ টি মৎস্য খামারের ২৬ হেক্টর পুকুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোটি টাকার কার্পজাতীয় মাছ পানিতে ভেসে গেছে। হাবিলদারবাসা এলাকায় সড়কে বড় গাছ ভেঙে পড়ে প্রায় ২০ ঘণ্টা বন্ধ ছিল ছাগলনাইয়া-করেরহাট সড়কে সবধরনের যান চলাচল। মঙ্গলবার দুপুরে গাছ কেটে সরানোর পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।উপজেলার মধ্যম ওয়াহেদপুর এলাকার কৃষক আব্দুল হান্নান বলেন, ‘এবার আমি প্রায় ৭০ শতক জমিতে বোরো আবাদ করেছি। ঘূর্ণিঝড়ের আগে ৩০ শতক জমির ধান কেটে বাড়িতে নেওয়া হয়েছে। বাকি ৩০ শতক জমির পাকা ধান পানিতে ডুবে রয়েছে। এতে ধান পচে গেলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।’চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর মিরসরাই জোনাল অফিসের এজিএম প্রকৌশলী উদয়ন দাশ গুপ্ত বলেন, এরইমধ্যে ১৮ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো ৫৪ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন রয়েছেন। লাইন চালু করতে মাঠে ১৮ টি টিম কাজ করছে। দু'একদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হয়ে যাবে আশা করি।বারইয়ারহাট জোনাল অফিসের ডিজিএম হেদায়েত উল্ল্যাহ বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে আমাদের ১২ টি খুঁটি ও ৮ টি ক্রস আর্ম ভেঙেছে। তার ছিঁড়েছে ৪০ টি স্পটে। ২৫ হাজার গ্রাহক এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ পাননি। লাইন স্বাভাবিক করতে ৬ টি টিম কাজ করছে।

সীতাকুণ্ড জোনাল অফিসের ডিজিএম পঙ্কজ চৌধুরী জানান, সীতাকুণ্ড জোনাল অফিসের আওতাধীন মিরসরাই উপজেলার ১০ হাজার গ্রাহক এখনো বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে উপজেলার ১০ হেক্টর আউশ বীজতলা পানিতে ডুবে গেছে ও ১৮০ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে। পরিপূর্ণ ক্ষয়ক্ষতি আগামী দুদু’য়েকদিনের মধ্যে নির্ধারণ করা যাবে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নাসিম আল মাহমুদ বলেন, মুহুরী প্রজেক্টের পুকুরগুলো পাশাপাশি লাগানো থাকায় পাড় থাকে একদম সরু। ফলে অল্প বৃষ্টিতে পাড় ভেঙে মাছ পাশের পুকুরে ভেসে যায়।


আরও খবর



কুয়েতে ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৩৫

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:কুয়েতের দক্ষিণাঞ্চলে একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ।

বুধবার (১২ জুন) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় মানগাফ শহরে এই অগ্নিকাণ্ড ও হতাহতের ঘটনা ঘটে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের নিকটবর্তী বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভবনে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য মেডিকেল দলগুলো তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে আহতদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য মেডিকেল দলগুলো তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও মন্ত্রণালয় আশ্বস্ত করেছে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রিমাল

পায়রা ও মোংলায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৪৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৯ নম্বর মহাপবিদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার (২৬ মে) সংস্থাটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-১০ এর মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে একই এলাকায় (১৯.৫০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৪০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি আজ (২৬ মে) সকাল ৬ টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৩০ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯৫ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে আজ (রোববার) সন্ধ্যা/মধ্যরাত নাগাদ মোংলার নিকট দিয়ে সাগর আইল্যান্ড (পশ্চিমবঙ্গ) খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করতে পারে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি শুরু হয়েছে।


আরও খবর