Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে প্রধান বিচারপতি

প্রকাশিত:Thursday ২০ January ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২২৩জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: সস্ত্রীক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। এখন তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রথমেই প্রধান বিচারপতির স্ত্রী করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর প্রধান বিচারপতিরও করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রধান বিচারপতির সহধর্মিণী ডালিয়া ফিরোজ গত মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর গতকাল বুধবার রাতে প্রধান বিচারপতিও একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতিতে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতি মিলে আপিল বেঞ্চ পরিচালনা করছেন।

এদিকে, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ছাড়াও হাইকোর্ট বিভাগের ১৩ বিচারপতি করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসকে মোরশেদও করোনায় আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে আছেন।

দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে গত ৩০ ডিসেম্বর নিয়োগ পান হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। নতুন বছর থেকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন শুরু করেন।


আরও খবর



স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সব থেকে পরিবেশবান্ধব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  


গ্যাস ফুরিয়ে গেলে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আমাদের বিদ্যুৎ দেবে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।


বুধবার (১৮ মে) আওয়ামী লীগ আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।  


বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সভায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।


সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ বাংলাদেশ পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেল।


এর ভেতরে আমাদের কিছু নতুন আঁতেল আবার জুটেছে। একজন অর্থনীতিবিদ বলেই দিলেন আমরা যে, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছি এটা না কি অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ ক্ষতিকর।


আমরা প্রশ্ন হচ্ছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র এটা হচ্ছে সব থেকে পরিবেশবান্ধব। গ্যাস তো চিরদিন থাকে না। এক একটা কূপের তার তো সময় নির্দিষ্ট থাকে। তেলভিত্তিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ আমরা করি, অনেক খরচেরও ব্যাপার। যদি কোন দিন এমন হয় যে, আমাদের গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন আমাদের এই নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টই বিদ্যুৎ দেবে। 


আর এটা পরিবেশবান্ধবও একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানে বিনিয়োগটা বড় করে দেখা যায়। কিন্তু এর বিদ্যুৎ যখন উৎপাদন হবে আর এর বিদ্যুৎ যখন মানুষ ব্যবহার করবে আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বেশি অবদান রাখবে। 


আজ আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি বলেই সারা বাংলাদেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা যখন রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করলাম তখন কত সমালোচনা। আমরা যখন ডিজিটার বাংলাদেশ ঘোষণা দিলাম তখন কত সমালোচনা। এখন ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করেই আমাদের সমালোচনা করছে। তারা যে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন এটা কিন্তু আমরা দিচ্ছি। 


খালেদা জিয়ার আমলে, জিয়ার আমাল বা এরশাদের আমলে তাদের কি কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল। অধিকার ছিল, কতটুকু অধিকার ভোগ করতেন তারা। টক শো তারা করেই যাচ্ছেন, টক টক কথা বলেই যাচ্ছেন। তাদের তো গলাটিপে ধরি না, মুখ চিপেও ধরি না। বলেই যাচ্ছেন, সব কথা বলার শেষে বলে কথা বলতে দেওয়া হয় না। 


বিএনপির এক নেতা তো সারা দিন মাইক মুখে লাগিয়ে আছেন। সারাক্ষণ বলেই যাচ্ছেন। একবার কথা বলতে বলতে গলায় অসুখও হলো। চিকিৎসা করে তিনি আবার কথা বলছেন। কথা তো কেউ বন্ধ করছে না। তাদের আন্দোলনে যদি জনগণ সাড়া না দেয় সে দোষটা কাদের?


প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে যে, অর্থনীতিবিদ তিনি হিসাব দেখালেন তাকে আমি বলবো, তিনি কী এটা প্রকৃতপক্ষে জেনেই বলছেন, না কি না জেনেই বলছেন। আমি তার জ্ঞান নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলবো না কারণ তারা অনেক ভালো লেখাপড়া জানেন। 


কিন্তু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে একটি মানুষের বা একটা জাতি যে কতটুকু উন্নতি হতে পারে সে তো আজকের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নটা বাইরের লোকে দেখে কিন্তু তারা দেখে না চোখে।


পদ্মাসেতুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আরেকটি হচ্ছে পদ্মাসেতু, এই পদ্মাসেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনুস। কেন, গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকে উপদেষ্টা হতে। এমিরেটাস উপদ্ষ্টো হিসেবে থাকার জন্যে, আরও উচ্চ মানের। সেটায় সে থাকবে না, তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না। 


ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারবেন না ১০ বছর। গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে, তিনি মামলায় যে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনুস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাফুজ আনাম তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টেটমেন্টে, হেলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। হিলারি লাস্ট একেবারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তার শেষ কর্মদিবসে পদ্মাসেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। 


যাক একদিকে সাপে বর হয়েছে। বাংলাদেশের নিজের অর্থায়নে পদ্মাসেতু করতে পারে সেটা আজকে আমরা প্রমাণ দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এখানে একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন পদ্মাসেতু দিয়ে যে রেললাইন হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, এ টাকা তো ঋণ নিয়ে করা হচ্ছে এই ঋণ শোধ হবে কী করে কারণ দক্ষিণবঙ্গের কোনো মানুষ তো রেলে চড়বে না। তারা তো লঞ্চে যাতায়াত করে। তারা রেলে চড়তে যাবে কেন, এই রেল ভায়াবল হবে না। সেতুর কাজ হয়ে গেছে এখন সেতু নিয়ে আর কথা বলে পারছে না। রেলে কাজ চলছে, রেলের কাজ নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। আমার মনে হয় আমাদের সবার উনাকে চিনে রাখা উচিত। রেলগাড়ি যখন চালু হবে উনাকে রেলে নিয়ে চড়ানো উচিত।


পদ্মাসেতু নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আর খালেদা জিয়া বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু করা হচ্ছে। কারণ স্প্যান‌গুলো যে বসাচ্ছে ওটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানাচ্ছে ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসসরাও। তাদেরকে কী করা উচিত, পদ্মাসেতুতে নিয়ে যেয়ে ওখান থেকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি একটা এমডি পদের জন্য পদ্মাসেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয় তাকেও পদ্মানদীতে নিয়ে দুটা চুবনি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়, একটু চুবনি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত, তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। 



বড় অর্থনীতিবিদ জ্ঞানীগুণী তারা এই ধরনের অর্বাচীনের মতো কথা বলে কিভাবে, সেটাই আমার প্রশ্ন। মেগা প্রজেক্টগুলো করে না কী খুব ভুল করছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাই উৎক্ষেপণ করেছি, এতো টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট করে কি হবে এ প্রশ্নও কিন্তু তুলেছে তারা। অর্থাৎ বাংলাাদেশের জন্য ভালো কিছু করলেই তাদের গায়ে লাগে। কেন তারা কী এখনও সেই পাকিস্তানি জান্তাদের পদলেহনকারি খোসামোদি-তোসামোদি দল। 


গালিটালি দেই না, দেওয়ার রুচিও নাই তবু একটু না বলে পারি না পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী যেভাবে মেয়েদের ওপর নির্যাতন করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে, পেড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল সেই পাকিস্তানিদের পদলেহনকারি সারমেয়র দল এখনও বাংলাদেশে জীবিত। এখনও এরা বাংণাদেশে ভালো কিছু হলে এরা ভালো দেখে না। বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না। 


তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবো ভ্যাকসিনটা বিনা পয়সা দিয়েছি আমি, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছি। সে ভ্যাকসিন তো এরা নিয়েছেন, এটা তো বাদ দেয়নি। আমরা বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। বুস্টার ডোজও আমরা শুরু করেছি। তারা তো নিশ্চয় দুটো ডোজ নিয়েছে, বুস্টার ডোজও নিয়েছেন।


 বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন নিতে পারলো আর আমাদের উন্নয়নটা চোখে পড়ে না। এখন কি ভ্যাকসিন চোখেও দিতে হবে না কি সেটাই মনে হচ্ছে, তাহলে যদি দেখে, তাছাড়া দেখবে না। ম্যাগা প্রজেক্ট জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে।


 আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশের এই উন্নতি হচ্ছে। এর আগে, যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কি একটা দৃষ্টান্ত দেখাতে পারবে যে তারা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করে বা দেশের কোনো উন্নয়ন করেছে বা বিদেশে ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করেছে, করতে পারে নাই। বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের জাতি বানিয়েছিলেন, আজকে আমরা মর্যাদাশীল জাতি। আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করেছি।


বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেশি কথা বলে যাচ্ছে বিএনপি, এদের নেতৃত্ব কোথায়, নেতৃত্ব নাই। সব তো সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি দিয়ে নির্বাচনে জেতা যায় না। আর নির্বাচনে পরাজয় হবে জেনে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, কলুষিত করতে চায়। যারা একটু আমাদের জ্ঞানী-গুণী আঁতেলরাও উল্টোপাল্টা কথা বলেন তাদেরকেও বলবো দেশ চালাবার যদি ইচ্ছা থাকে তো মাঠে আসেন, ভোটে নামেন, কেউ ভোট কেড়ে নেবে না। আমরা বলতে পারি, আমরা ভোট কেড়ে নিতে যাই না। আমরা জনগণের ভোট পাই এবং আমরা পাবো কারণ আমরা জনগণের জন্য কাজ করেছি। সেজন্যই জনগণ আমাদের ভোট দেবে।


সবশেষে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক দিন পর মন খুলে কথা বললাম। এ সময় তিনি বলেন, আসলে এই করোনা ভাইরাস বন্দি করে রেখে দিয়েছে আমাকে। ২০০৭ সালে ছিলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে বন্দি। এখন আমি নিজের হাতে নিজেই বন্দি।


আরও খবর



ঈদে যদি চান ত্বকের জেল্লা ফেরাতে

প্রকাশিত:Monday ২৫ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৫৪জন দেখেছেন
Image

খবর প্রতিদিন ডেস্কঃ

ঈদ আসতে এখনো বেশ দেরি, চেষ্টা করুন আজ থেকেই খুব সাধারণভাবে হলেও ত্বকের জন্য একটু যত্ন নিতে। আর এজন্য অনেক সময় বা অর্থ ব্যয় করতে হবে না আপনাকে।


দেখুন, রান্নাঘরেই পেয়ে যাবেন, রূপচর্চার সব উপকরণ।  

ইফতার তৈরির সামগ্রী দিয়েই করে নিন ত্বকের যত্ন, আর পান পার্লারের দামি ফেসিয়ালের চেয়ে সুন্দর ত্বক- 


বেসন-হলুদ

দুই টেবিল চামচ বেসনের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি দুধ অথবা গোলাপ জল দিয়ে পেস্ট করে নিন।

রোদে পোড়া ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।  


মসুর ডাল-টমেটো 

মসুর ডাল বাটা ও সমপরিমাণ টমেটো পেস্ট মিলিয়ে নিন।  ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।  


মধু ও পাকা পেঁপে

পাকা পেঁপে চটকে নিন। সঙ্গে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। ত্বকে মেখে নিজের কাজগুলো করুন, শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।  


এছাড়া সারা বছর ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে- 

•    সপ্তাহে অন্তত একবার ভালো করে স্ক্রাবার দিয়ে মুখ স্ক্রাব করতে হবে। ঘরোয়া উপায়ে স্ক্রাবার তৈরি করে লাগাতে পারলে ভালো হয়, এতে কোনো পার্শপ্রতিক্রিয়া থাকে না।  

•    চালের গুঁড়া, টকদই, শসার রস এবং দুই-তিন ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাবার তৈরি করতে পারেন। সপ্তাহে নিয়মিত একবার ৫ মিনিট স্ক্রাবিং করলে ত্বকের মরা কোষগুলো চলে যাবে  

•    ডিমের সাদা অংশ ফেটে ব্ল্যাকহেডসের ওপরে  দিয়ে তার ওপর টিস্যু  পেপার  চেপে দিন। শুকিয়ে গেলে টেনে তুলে ফেলে মুখ ধুয়ে নিন 

•    লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে আস্তে আস্তে ত্বকে ঘষে লগাতে হবে। আধাঘণ্টা পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে। লেবু ব্ল্যাকহেডস দূর করতে সাহায্য করবে আর মধু ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করবে।  


নিয়মিত এভাবে যত্ন করলে ত্বকে খুব সহজে বয়সের ছাপ পড়বে না।  


আরও খবর

বুফে ইফতার

Sunday ১৭ April ২০২২




চট্টগ্রামে যুবকের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহরে একটি বাড়ির নালা থেকে যুবকের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।


সোমবার হালিশহর এইচ ব্লকের ১ নম্বর সড়কের ৪ নম্বর বাড়ির সীমানা প্রাচীরের পাশ থেকে মারুফ (২০) নামে ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।


হালিশহর সবুজবাগের আনন্দধারা হাউজিং এলাকায় নানীর সঙ্গে থাকতেন মারুফ। এই এলাকায় তিনি অটোরিকশা চালাতেন। 


হালিশহর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান,এইচ ব্লকের যে বাড়ির পাশ থেকে মারুফের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় সেটা পরিত্যক্ত ছিল।




আরও খবর



বেনাপোল স্থল বন্দর থেকে চারটি ওয়ান সুটার গান উদ্ধার

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৮৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল কাস্টম হাউজ থেকে অবৈধভাবে রাখা চারটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করেছে পুলিশ।


রবিবার (৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি তালাবদ্ধ রুমে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস একটি টিম কাস্টম হাউসে আসে। 


বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর পুড়ে যাওয়া মালামালের মধ্যে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখতে পায় পুলিশ।


সংশ্লিষ্টরা জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউসে অ্যান্টি শাখার পাশে পুরনো একটি অফিস রুম রয়েছে। তবে সেটি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ায় অব্যবহৃত কিছু মালামাল রেখে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। 


রবিবার সন্ধ্যায় ওই রুম থেকে আগুনের ধোঁয়া দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফোন দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আধাঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


 পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পায় পুড়ে যাওয়া পণ্যের মধ্যে চারটি ওয়ান শুটার গান রয়েছে। তবে কারা সেগুলো সেখানে রেখেছে তা জানা যায়নি।


এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউজ সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরা, অস্ত্রধারী আনসার ও আর্মড পুলিশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।  কারা কী উদ্দেশ্যে এ আগ্নেয়াস্ত্র সেখানে মজুত রেখেছিল তা খতিয়ে দেখা জরুরি।


আরও খবর



দেশবাসী কে ঈদের শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা

প্রকাশিত:Sunday ০১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ

দেশের মানুষকে  ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা,ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ব বিদ্যিলয় শাখার সাবেক নেতা, ডেমরা ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান বাবুল।




রবিবার (১ মে) প্রচার পত্র ও পোষ্টারের মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা সাইদুর রহমান বাবুল এ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।




ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা সাইদুর রহমান বাবুল বলেন, ‘এলাকার ও দেশের সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। একমাস সিয়াম সাধনার পর আবার এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ মানেই আনন্দ। আসুন, ঈদের আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নেই। যে যার অবস্থান থেকে ঈদুল ফিতরের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন। ঈদ মোবারক।’


আরও খবর