Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকার সংলাপের কথা বলে জনদৃষ্টি ভিন্ন দিকে নিতে চায়: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৯৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সংলাপের কথা বলে জনদৃষ্টিকে সরকার ভিন্ন দিকে নিতে চায় চায় বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।  

‘বাংলাদেশে গণতন্ত্রের সংকট উত্তরণ প্রয়াসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা- একটি পর্যালোচনা’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় সভায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. শামসুল আলম সেলিম, অধ্যাপক ড. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল ও খান মো. মনোয়ারুল ইসলাম শিমুল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকে দেশের স্বাধীনতার ৫২ বছরেও আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর পদ্ধতি তৈরি করতে পারিনি। তবে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে গণতান্ত্রিক মানসিকতার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া; যিনি গৃহবধূ থেকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি সবার মতামতের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কারণ জনগণ তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি দলের কথা চিন্তা করেননি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কিন্তু ২০১১ সালে শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করেছেন। এরপর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেদিন গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘‘দেশকে অনিশ্চয়তা ও সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়া হলো’’।

তিনি বলেন, ‘আজকে বলব- আমাদের মধ্যে কেন জানি সাহসের অভাব। আসুন আমরা যে যেখানে আছি সাহস করে দাঁড়াই। আজকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলুন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার বলুন, সবকিছুকে অর্জন করতে হলে শক্তভাবে দাঁড়াতে হবে। আজকে সংকটটা কঠিন। জাতি হিসেবে আমাদের দুর্ভাগ্য যে, এখনো আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারিনি। পাকিস্তান বিভাজনের পর থেকে এখানে গণতন্ত্রের চর্চা হয়নি। বারবার গণতন্ত্র হোঁচট খেয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে যে দলটি ক্ষমতায় আছে তারা বারবার গণতন্ত্রের কথা বলে। কিন্তু সেই দলটির হাতে গণতন্ত্র বারবার নিহত হয়েছে। গণতন্ত্র আমাদের অস্থিতে মজ্জায় ছিল। যা আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ একে একে গণতান্ত্রিক সব অধিকার হরণ করেছে। তারা জরুরি অবস্থা, সামরিক আইন এবং শেষে বাকশাল কায়েম করেছিল।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র একসঙ্গে যায় না। মানুষ যা চায়, আওয়ামী লীগ তার উল্টো করে। তাদের চরিত্র হলো ফ্যাসিবাদী, তারা উগ্রবাদী। তারা অন্যকে কথা বলতে দেয় না। গত ১৪ বছর ধরে হিংসাত্মক কথা বলে আসছে। তারা হলো ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী রাজনৈতিক দল। তারা তো আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে মেরে বের করে দিয়েছে। তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ হলো ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী।

তিনি বলেন, ‘অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন একজন সৈনিক। তিনি হলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। যে কারণে বিএনপির মনোভাব হলো গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সুতরাং যারা রাজনীতির বাইরে আছেন বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে জড়িত, যারা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চান তারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ভুমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করি।

চলমান বিদ্যুৎ-সংকট প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তাদের নাকি বিদ্যুৎ ফেরি করে বিক্রি করতে হবে। তো ৩ ঘন্টাও তো বিদ্যুৎ মিলছে না। হাসপাতালে সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। কৃষিতে সেচ দেওয়া যাচ্ছে না। সবাইতো বিল দিচ্ছি। তাহলে টাকা গেল কোথায়? তারা তো কয়লা আনতে পারে না। আসলে তারা শুধু মিথ্যা কথা বলে। তাদের টাকা নেই, ডলারও নেই। জাতির কাছে তাদেরকে জবাবদিহি করতে হবে। কলকাতা- পশ্চিমবঙ্গে লোডশেডিং নেই। তাহলে আমরা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে কেন সেটা করতে পারলাম না?

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ডাইভারশন (ভিন্ন দিকে প্রবাহিত) খুব ভালো পারে। তারা একটি ইস্যু আরেকদিকে নিতে বেশ পটু। সংলাপ নিয়ে আওয়ামী লীগের তিন নেতা তিন রকম কথা বললেন। আসলে আমরা যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাব না, সেটা এবং বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এসব করছে।

সভায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের কাদের গণি চৌধুরী, ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক সাজেদুল করিম, অধ্যাপক মতিনুর রহমান, অধ্যাপক আখতার হোসেন, অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডি, অধ্যাপক আবুল হাশেম, অধ্যাপক আনিসুর রহমান, অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ, অধ্যাপক আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক শের মাহমুদ, অধ্যাপক মাসুমা হাবিব প্রমুখ।


আরও খবর



মাঝরাতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবাদে উত্তাল

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা করে মাঝরাতে প্রতিবাদ করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। এসময় মিছিল-স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।

সোমবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা দুটি আবাসিক হল থেকে বেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়কে মিছিল করে গ্রাউন্ডফ্লোরে জড়ো হন। এরপর বিক্ষোভ সহকারে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক ঘুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু ও শেরে বাংলা হলের মাঝখানের খোলা জায়গায় জড়ো হয়ে প্রতিবাদী স্লোগান দিতে থাকেন।

‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার-রাজাকার’, ‘কে বলেছে কে বলেছে, সরকার-সরকার’, ‘চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’ ইত‌্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন তারা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তারই প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক দেশের সরকার প্রধান এমন বক্তব্য দেওয়ায় আমরা হতবাক হয়েছি। আমরা তো আমাদের যৌক্তিক অধিকার নিয়েই আন্দোলন করছি। তিনি কোটা নিয়ে গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা ছাত্রসমাজের সাথে উপহাস।

এদিকে, রাত সাড়ে ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা হলে ফিরেছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ‌্যালয়ের প্রক্টর ড. মোঃ আব্দুল কাইউম।


আরও খবর



কোটা বাতিল আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১০৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কোটা বাতিল আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই। আন্দোলনের নামে যা করা হচ্ছে তার যৌক্তিকতা আছে বলে মনে করি না,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (৭ জুলাই) গণভবনে বেলা পৌনে ১১টায় গণভবনে যুব মহিলা লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা বাতিলের আন্দোলন হচ্ছে। কোটা বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে বহাল হয়েছে। পড়াশোনা বাদ দিয়ে ছেলেমেয়েরা আন্দোলন করছে। এর কোনো যৌক্তিকতা নেই।

মহিলা লীগের কর্মীদের পেনশন স্কিমে যোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য পেনশন স্কিম করা হয়েছে। জীবনের নির্ভরতার জন্য পেনশন। আমরা চাই সবাই একটু ভালোভাবে বাঁচুক।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় যেভাবে নিযার্তন করেছে তা নিন্দারও যোগ্য নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, দলটি ভোট চুরি করে মাত্র দেড় মাস টিকেছে। গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ২০০১ সালে ক্ষমতায় গিয়েছিল বিএনপি। ভোট চুরির অবপাদে ২ বার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তারা।

সরকারপ্রধান বলেন, বিএনপি সমাজের বোঝা, তাদের সন্ত্রাসী চেহারা মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। বিএনপি-জামায়াত যেন আর ক্ষমতায় ফিরতে না পারে, সেজন্য মানুষকে সচেতন থাকতে হবে।


আরও খবর



ডেমরায় ককটেল বিস্ফোরণ ফারদীন জুয়েলার্স এ ডাকাতি

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image

এন.এস.অর্ণব:- আজ রাত ১১টায়  ডেমরা, কোনাপাড়া ,আল-আমিন রোড মিনা বাজার সংলগ্ন স্বর্ণ ও এটিএম বুথের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।

আল আমিন রোড চৌরাস্তা সংলগ্ন ফারদীন জুয়েলার্স এ ডাকাতি হয়েছে।দোকানের মালিককে গুলি করে পালানোর  সময়২/৩ জনকে কোপানো হয়।

ডাকাতি করার সময় ককটেল বিস্ফোরিত হয়। আসে-পাসের পথচারী ৫/৬ জন আহত সহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর অবস্থা আশঙ্কাজনক।যারা সরাসরি গুরুতর আহত হয়েছে বোমায় বিস্ফোরনে স্থানীয় হাসপাতাল থেকে ফেরত দিয়েছে ,সবাইকে এম্বুলেন্সে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। 


প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনাস্থলে থেকে জানান,প্রায় দুই ঘন্টা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম। বেলকোনি থেকে শব্দ পেয়ে বের হলাম। দেখলাম কয়েকজনকে মেডিকেলে নিয়ে যাচ্ছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর ভিতরেই  দেখলাম আরেকজনকে নিয়ে আসল হাতের গোস্ত সহ নেমে গেছে আর শুধু রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে।


ডাকাতি গ্রুপে কয়েকজন ছিল। ওরা প্রথমে ফারিন জুয়েলার্স এর ভিতরে ডুকে তান্ডব চালায়। এর ভিতরে যখন বের হয়ে ব্যাগের ভিতরে করে স্বর্নালংকার সহ অন্যান্য জিনিস পত্র ডুকাতে ছিল ঠিক তখন ই এশিয়া টেক এর সামনে যে একটা ছেলে আখের রস বিক্রি করে ঐ ছেলেটা ব্যাগ থাবা দিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।

সাথে সাথে ওর হাতে কোপ দেয় এবং তারপরেও ও একজনকে ধরে ফেলে। এটা টের পেয়ে বাকিরা ১৫ সেকেন্ড এর ভিতর দুই-তিনটা ককটেল ছুড়ে অনেককে আহত করে । এখন ডেমরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে তদন্ত চলতেছে।তারা জানান,ঘটনার উদ্দেশ্য এবং সম্পূর্ণ ঘটনা পরিষ্কার নয়।

  -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সেনাপ্রধানের পুষ্পস্তবক অর্পণ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ধানমন্ডি ৩২ নং রোডের বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিদায়ী সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

শুক্রবার (২১ জুন) তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, বিদায়ী সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ধানমন্ডি ৩২ নং রোডের বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান জাতির পিতা এবং তার পরিবারের সদস্যসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শাহাদাতবরণকারী সকলের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন।

এসময় সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা, জেসিও ও অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মধুপুর বিদ্যুৎ অফিসের সংযোগ বিচ্ছিন্নকারী টিমের উপর গ্রাহকদের হামলা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৮৪জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইলের মধুপুরে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জোনাল অফিসের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের লক্ষ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে বিচ্ছিন্নকারী টিমের উপর গ্রাহকদের অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। 

এঘটনায় হারুন অর রশিদ নামের একজন লাইন ক্রু লেভেল-১ গুরুতর ভাবে আহত হয়ে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৭জুন) দুপুর ১২টার দিকে সরকারি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে মধুপুর জোনাল অফিসের মিটার টেস্টিং সুপারভাইজার শাহীনুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সংযোগ বিচ্ছিন্নকারী টিম অরণখোলা ও বেরিবাইদ এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে উত্তেজিত গ্রাহক এই হামলার ঘটনাটি ঘটায় বলে জানা যায়। 

এঘটনায় আহত লাইন ক্রু হারুন অর রশিদ জানান, বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের লক্ষ্যে আমরা বেরিবাইদ এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে বেরিবাইদ গ্রামের আবাসিক গ্রাহক শ্রী গিরিশ চন্দ্র বৈষ্ণবের ছেলে শ্রী গনেশ চন্দ্র বৈষ্ণব এবং অরণখোলা এলাকার বানবের ছেলে পবিত্র ও প্রান কুমার সহ আরও ১০/১২ জন লোক একত্রিত হয়ে আমাদের সাথে কুরুচিপূর্ণ আচরণ করতে থাকে এবং সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকার কারণ এবং বিদ্যুৎ ছাড়াই বেশি বিল কিভাবে আসে এসব বিষয় নিয়ে  আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। 

কথা কাটাকাটির এক পর্ষায়ে তারা আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। 

একপর্যায়ে আমাকে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর ভাবে আহত করে। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে টিমের অন্যান্য সদস্যগন ভয়ে দৌড়ে ঘটনা স্থল ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে মধুপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, এই প্রচন্ড গরমে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ বিহীন থেকে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। 

তারা আরও জানান, এ প্রচন্ড তাপদাহে জনজীবনে স্বস্তির একমাত্র মাধ্যম হলো বিদ্যুৎ যা আমরা দিনরাত মিলিয়ে ৩/৪ ঘন্টাও পাইনা। 

উক্ত এলাকার মোদি দোকানদার কাজিম শেখ জানান, আগে দিনরাত ২০ ঘন্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে যে বিল আসতো বর্তমানে ৪/৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ চালিয়ে তার থেকে বেশি বিল আসে। এছাড়া যতটুকু পাওয়া যায় সেখানে ভোল্টেজ থাকে খুবই কম যে কারণে দুই দিনেও একটি মোবাইলের ব্যাটারী ফুল চার্জ করা সম্ভব হয়না। 

এসব বিষয় নিয়ে অনেক দিন ধরেই মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এদিকে জুন মাস ব্যাপি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়, অনাদায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযান চলমান। 

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭জুন বৃহস্পতিবার অরণখোলা ও বেরিবাইদ এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনাটি ঘটে বলে এলাকাবাসি জানান। 

অত্র এলাকার বাসিন্দা শচীন চন্দ্র বৈষ্ণব জানান, কোরবানি ঈদের আগে থেকে শুরু করে টানা এক সপ্তাহ ১০মিনিটের জন্যও বিদ্যুৎ যায়নি তাহলে এখন সেই বিদ্যুৎ কোথায় গেলো। বিদ্যুতের জন্য ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা করতে পারে না, ফ্রীজে রাখা মাছ মাংস এবং অন্যান্য খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং করার কারনে বয়স্ক লোকজন অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী, বিদ্যুতের উর্ধতন কর্তৃপক্ষে নিকট অন্যান্য জেলা উপজেলার মতো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবি জানান।

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন মধুপুর জোনাল অফিসের ডিপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোঃ নুরুল আমিন এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

     -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর