Logo
আজঃ বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
শিরোনাম

সরকার সংলাপের কথা বলে জনদৃষ্টি ভিন্ন দিকে নিতে চায়: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ২০৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সংলাপের কথা বলে জনদৃষ্টিকে সরকার ভিন্ন দিকে নিতে চায় চায় বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।  

‘বাংলাদেশে গণতন্ত্রের সংকট উত্তরণ প্রয়াসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা- একটি পর্যালোচনা’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় সভায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. শামসুল আলম সেলিম, অধ্যাপক ড. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল ও খান মো. মনোয়ারুল ইসলাম শিমুল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকে দেশের স্বাধীনতার ৫২ বছরেও আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর পদ্ধতি তৈরি করতে পারিনি। তবে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে গণতান্ত্রিক মানসিকতার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া; যিনি গৃহবধূ থেকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি সবার মতামতের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কারণ জনগণ তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি দলের কথা চিন্তা করেননি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কিন্তু ২০১১ সালে শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করেছেন। এরপর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেদিন গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘‘দেশকে অনিশ্চয়তা ও সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়া হলো’’।

তিনি বলেন, ‘আজকে বলব- আমাদের মধ্যে কেন জানি সাহসের অভাব। আসুন আমরা যে যেখানে আছি সাহস করে দাঁড়াই। আজকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলুন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার বলুন, সবকিছুকে অর্জন করতে হলে শক্তভাবে দাঁড়াতে হবে। আজকে সংকটটা কঠিন। জাতি হিসেবে আমাদের দুর্ভাগ্য যে, এখনো আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারিনি। পাকিস্তান বিভাজনের পর থেকে এখানে গণতন্ত্রের চর্চা হয়নি। বারবার গণতন্ত্র হোঁচট খেয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে যে দলটি ক্ষমতায় আছে তারা বারবার গণতন্ত্রের কথা বলে। কিন্তু সেই দলটির হাতে গণতন্ত্র বারবার নিহত হয়েছে। গণতন্ত্র আমাদের অস্থিতে মজ্জায় ছিল। যা আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ একে একে গণতান্ত্রিক সব অধিকার হরণ করেছে। তারা জরুরি অবস্থা, সামরিক আইন এবং শেষে বাকশাল কায়েম করেছিল।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র একসঙ্গে যায় না। মানুষ যা চায়, আওয়ামী লীগ তার উল্টো করে। তাদের চরিত্র হলো ফ্যাসিবাদী, তারা উগ্রবাদী। তারা অন্যকে কথা বলতে দেয় না। গত ১৪ বছর ধরে হিংসাত্মক কথা বলে আসছে। তারা হলো ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী রাজনৈতিক দল। তারা তো আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে মেরে বের করে দিয়েছে। তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ হলো ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী।

তিনি বলেন, ‘অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন একজন সৈনিক। তিনি হলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। যে কারণে বিএনপির মনোভাব হলো গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সুতরাং যারা রাজনীতির বাইরে আছেন বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে জড়িত, যারা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চান তারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ভুমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করি।

চলমান বিদ্যুৎ-সংকট প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তাদের নাকি বিদ্যুৎ ফেরি করে বিক্রি করতে হবে। তো ৩ ঘন্টাও তো বিদ্যুৎ মিলছে না। হাসপাতালে সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। কৃষিতে সেচ দেওয়া যাচ্ছে না। সবাইতো বিল দিচ্ছি। তাহলে টাকা গেল কোথায়? তারা তো কয়লা আনতে পারে না। আসলে তারা শুধু মিথ্যা কথা বলে। তাদের টাকা নেই, ডলারও নেই। জাতির কাছে তাদেরকে জবাবদিহি করতে হবে। কলকাতা- পশ্চিমবঙ্গে লোডশেডিং নেই। তাহলে আমরা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে কেন সেটা করতে পারলাম না?

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ডাইভারশন (ভিন্ন দিকে প্রবাহিত) খুব ভালো পারে। তারা একটি ইস্যু আরেকদিকে নিতে বেশ পটু। সংলাপ নিয়ে আওয়ামী লীগের তিন নেতা তিন রকম কথা বললেন। আসলে আমরা যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাব না, সেটা এবং বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এসব করছে।

সভায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের কাদের গণি চৌধুরী, ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক সাজেদুল করিম, অধ্যাপক মতিনুর রহমান, অধ্যাপক আখতার হোসেন, অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডি, অধ্যাপক আবুল হাশেম, অধ্যাপক আনিসুর রহমান, অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ, অধ্যাপক আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক শের মাহমুদ, অধ্যাপক মাসুমা হাবিব প্রমুখ।


আরও খবর

৬ ট্রেন চলবে পদ্মা সেতু দিয়ে শুরুতেই

বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

৩ দিনের ছুটিতে দেশ

বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩




গোদাগাড়ীতে ৫০তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১২৪জন দেখেছেন

Image

গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহী গোদাগাড়ীতে তিনদিন ব্যাপি ৫০তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদযাপন উপলক্ষে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও আনোয়ারা ফহিম জিয়াউদ্দীন পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের আয়োজনে,মঙ্গলবার( ১২ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় টায় আনোয়ারা ফহিম জিয়াউদ্দীন পাইলট বালিকা বিদ্যালয় মাঠে। চয়ন উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক নোয়ামীল রিদওয়ান ফিরদৌসের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণে প্রধান অতিথি ছিলেন,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দুলাল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আফজি বালিকা বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান। এ সময় উপজেলা বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে ফুটবল প্রতিযোগিতায় উপজেলা কাদমা উচ্চ বিদ্যালয়(বালক) ও সোনাদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা), চ্যাম্পিয়ন দল পুরুষ্কার হাতে ট্রফি তুলে দেয়া হয়।উপজেলায় চার ক্যাটাগরীতে ফুটবল,কাবাডি,সাঁতার, হ্যান্ডবল ও দাবা প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীগণ অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথি বলেন বিগত তিন দিন ধরে খেলাধুলা প্রতিযোগিতাটি সফলভাবে সমাপ্ত হওয়ায় সকল প্রধান শিক্ষক, ক্রীড়া শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অনেক অনেক ধন্যবাদ জানান হলো।


আরও খবর

তানোরে যানজটে নাকাল জনজীবন

বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পত্নীতলায় অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩




ঠাকুরগাঁওয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ,কনস্টেবলসহ দুজন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ২৯জন দেখেছেন

Image

জসীমউদ্দীন ইতি ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ে কলেজছাত্রীকে দুই মাস আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল আল আমিন (২৮) ও তার বন্ধু রবিউলকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী কিশোরী ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। কনস্টেবল আল আমিন পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ডাবরডাঙ্গা এলাকার তৈবুর রহমানের ছেলে। আল আমিন ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইনে সংযুক্ত ছিলেন। অপর আসামি রবিউল ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা রায়পুর ইউনিয়নের আবুল কাশিমের ছেলে। রবিউল ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে টেলি মেডিসিন পদে চাকরি করেন। ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি ফিরোজ কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার বিকালে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদি হয়ে কনস্টেবল আল আমিন ও রবিউলকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর আগে রবিবার দুপুরে বাদি মোবাইলে অভিযোগ করলে সদর থানা পুলিশের একটি টিম শহরের হাজিপাড়া এলাকার হীরন মহিলা ম্যাচ থেকে ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং একই সময় ম্যাচের ভেতর থেকে রবিউলকেও আটক করা হয়। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী কিশোরী বলেন, আল আমিন তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরে খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পারে আল আমিন বিবাহিত এবং তার একটি সন্তান রয়েছে। ওই কিশোরী আরো বলেন, আল আমিন একজন প্রতারক। তাই তার কাছ থেকে রেহাই পেতে কৌশলে আমি নিজ বাসায় ফিরে যেতে চাইলে আল আমিন ও রবিউল আমাকে আটকে রাখে এবং দুই মাস পর্যন্ত আমাকে বিভিন্ন স্থানে রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে শারিরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করেছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বলেন, আল আমিন ও রবিউল আমার মেয়েকে ভুলিয়ে ভালিয়ে ফাঁদে ফেলেছে। তাদের পরামর্শে দুই মাস পূর্বে হঠাৎ করে আমার মেয়ে প্রায় ৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান পাচ্ছিলাম না। পুলিশের সহায়তায় মেয়েকে উদ্ধার করতে পেরেছি। এ ঘটনায় ন্যায় বিচারের আশায় আল আমিন ও রবিউলের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। তাদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।


আরও খবর



কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রিফুয়েলিং সিস্টেম চালু

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

কক্সবাজার প্রতিনিধি:আমান উল্লাহ, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার আগেই রিফুয়েলিং সিস্টেম চালু করে নতুন মাইল ফলক অর্জন করলো কক্সবাজার বিমান বন্দর। গত রোববার ঢাকা থেকে আসা একটি উড়োজাহাজে জ্বালানি তেল সরবরাহের মাধ্যমে শুরু হলো এই যাত্রা।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামীতে রিফুয়েলিংয়ের হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে কক্সবাজার বিমান বন্দরকে। বড় পরিসরে যার প্রথম গত রোববার থেকে শুরু হল।গত রোববার (০৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় দেখা যায়, কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিকমানে উন্নীতকরণের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। একদিকে সাগর ছুঁয়ে দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে বাস্তবে রূপ পাচ্ছে, ঠিক তেমনি এগিয়ে চলছে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ। যার কারণে এই বিমান বন্দরের ব্যস্ততা বেড়েছে বহুগুণে।দুপুর ২টা না বাজতে দেখা যায়, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েতে একের পর এক নামছে উড়োজাহাজ। কর্তৃপক্ষ বলছে, বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭৮৭ ফ্লাইট থেকে শুরু করে বেসরকারি বিমান সংস্থার প্রতিদিন ৪০টি ফ্লাইট ওঠানামা করছে কক্সবাজার বিমান বন্দরে।এদিকে দুপুর দেড়টার দিকে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে কক্সবাজার বিমান বন্দরে উদ্বোধন করা হয়েছে উড়োজাহাজে রিফুয়েলিং কার্যক্রম। পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃক কক্সবাজার বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে ১২’শ লিটার জ্বালানি তেল সরবরাহের মাধ্যমে রিফুয়েলিং কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ।এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারের অধিনায়ক (পরিচালন শাখা) এয়ার কমডোর মোঃ আসিফ ইকবাল, পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মাসুদুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক (বিপণন), মহাব্যবস্থাপক (পরিচালন ও পরিকল্পনা) এবং উপ-মহাব্যবস্থাপক (এভিয়েশন) সহ পদ্মা অয়েল কোম্পানীর কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ, বেসরকারী বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন বেসরকারি এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিবৃন্দ এ উদ্বোধনী রিফুয়েলিং কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্বোধনী দিনে কক্সবাজার বিমান বন্দরে সিলেট ও ঢাকাগামী ৩টি ফ্লাইটে সরবরাহ করা হয়েছে ৬ হাজার ৪০০ লিটার জ্বালানি। এখন প্রতিদিনই কক্সবাজার বিমান বন্দরে এ কার্যক্রম চালু থাকবে।এদিকে আগামীতে এ অঞ্চল রিফুয়েলিংয়ের হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে এমনটিই জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ।তিনি জানান, কক্সবাজার হচ্ছে পর্যটনের হাব। এই পর্যটনের সঙ্গে বিমান বন্দরের যোগাযোগ এটি সারাবিশ্বে স্বীকৃত। সে লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হিসেবে ঘোষণা করেছে। উন্নীতকরণের কাজও চলমান রয়েছে। আর আগামী বড় বড় বিমান আসবে কক্সবাজার বিমান বন্দরে। যে কারণে এখানকার চাহিদা আগামী অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে; বিশেষ করে উড়োজাহাজের জ্বালানি। সেই দৃষ্টি মাথায় রেখে উড়োজাহাজের রিফুয়েলিংয়ের একটি নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ জানান, পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড বহু বছর ধরে রিফুয়েলিং কার্যক্রম জড়িত রয়েছে। তাদের দক্ষতা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। তাই কক্সবাজার বিমান বন্দরে উড়োজাহাজের রিফুয়েলিং ম্যানেজমেন্ট কার্যক্রমের দায়িত্বটা তাদের কে দেয়া হয়েছে। সে দায়িত্বটা গত রোববার পূর্ণাঙ্গভাবে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি কক্সবাজারের অর্থনৈতিক যে হাব বা বলতে পারি পর্যটনের হাব অথবা উন্নয়নের যে যাত্রাটা আগামীতে হতে যাচ্ছে সেটাকে কাভারেজ করতে গেলে এটা খুবই প্রয়োজন।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ আরও জানান , কক্সবাজার বিমানবন্দর বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় রিফুয়েলিং হাব হিসেবে গড়ে উঠবে। পাশ্চাত্য থেকে প্রাচ্যে বা প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যে যত প্লেন যাবে তাদের রিফুয়েলিংয়ের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক জায়গা হবে কক্সবাজার। কারণ একেক সময় পৃথিবীর একেকটি জায়গা উঠে আসে। এক সময় হংকং তারপর সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক এখন দুবাই। কিন্তু বলতে পারি যে, ভবিষ্যতে কক্সবাজারই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। কেননা খুব স্বল্প সময়ে এখানে বিমান এসে নামতে, রিফুয়েলিং করতে এবং যেতে পারবে।এদিকে দীর্ঘদিনের দাবি হিসেবে কক্সবাজার বিমান বন্দরে রিফুয়েলিং সিস্টেম চালু হওয়ায় দারুণ খুশি বেসরকারি বিমান সংস্থার কর্মকর্তারা। তারা জানান, সময় ও অর্থ দুটির অপচয় রোধ হবে।বেসরকারি বিমান সংস্থা এয়ার অ্যাস্ট্রা’র কক্সবাজারস্থ সহকারি স্টেশন ম্যানেজার শহিদুল আলম চৌধুরী জানান, উড়োজাহাজে ঢাকা থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি নিলে অনেক সময় সেটা সমস্যা হয়ে যায়। কিন্তু এখন ঢাকা থেকে কম জ্বালানি নিয়ে কক্সবাজার বিমান বন্দরে এসে রিফুয়েলিংটা করলে অনেক সুবিধা হবে। আবার অনেক সময় বৈরী আবহাওয়া থাকলে উড়োজাহাজে জ্বালানির সংকট হয়। আগে এই বিমানবন্দরে যা রিফুয়েলিং করা যেত না। কিন্তু এখন রিফুয়েলিংয়ে কার্যক্রম চালু হওয়ায় জ্বালানির সমস্যাটা দূর হবে।বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার কক্সবাজারস্থ স্টেশন ইনচার্জ মুসা আহমেদ জানান, কক্সবাজার বিমান বন্দরে উড়োজাহাজ রিফুয়েলিং কার্যক্রম চালু হওয়ায় সময় ও অর্থ দুটির অপচয় রোধ হবে। একই সঙ্গে যাত্রী সেবার মানটাও বাড়বে। 


আরও খবর



বেনাপোলে বন্দর শ্রমিকদের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, পণ্য খালাস বন্ধ

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১২৪জন দেখেছেন

Image

বেনাপোল প্রতিনিধি:বেনাপোল স্থলবন্দরে শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় লাঠি ও দাঁ এর কোপে শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রাজু আহমেদ সহ আহত হয়েছেন অন্তত ৬-৭ জন।সোমবার (০৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯ টার সময় হঠাৎ করেই এই সংঘর্ষ শুরু হয়।  প্রায় দুই ঘণ্টা সময় ধরে চলার পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।শ্রমিকরা জানান, কয়েকজন ব্যক্তি শ্রমিকের পোশাক পরে সকালে এসে পূর্বের শ্রমিক ইউনিয়নের হিসাব নিকাশ চান। এসময় তারা কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উত্তেজিত হলে এমন ঘটনার সূত্রপাত সৃষ্টি হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন (অপরাধ) জানান, বন্দরে যেসব শ্রমিকরা কাজ করে, তাদের নিজেদের দুই গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। তবে, পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কি কারণে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর এঘটনায় কোন অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

এ ঘটনার পর বেনাপোল স্থলবন্দরে পণ্য ওঠানামা ৩ ঘন্টা  বন্ধও ছিল।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে ঐতিহাসিক কারাম উৎসব পালন

প্রকাশিত:বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৩৭জন দেখেছেন

Image

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব কারাম পূজা। আর এই উৎসব উপলক্ষে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে নাচ, গান সহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এ দিবসটি পালন করা হয়েছে। সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর উপজেলার সালন্দর পাঁচপীর ডাঙ্গার উড়াও পাড়ায় কারাম পূজা ও সামাজিক উৎসব কমিটির আয়োজনে এ দিবসটি পালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রামকৃষ্ণ বর্মন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিজা বেগম, সিনিয়র সহকারী জজ ও জেলা লিগাল এইড কর্মকর্তা এস এম শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অরুনাংশু দত্ত টিটো, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন, সদর থানার ওসি ফিরোজ কবির, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ জেলা শাখার উপদেষ্টা এ্যাড. ইমরান হোসেন চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দত্ত সমীরসহ হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গ। কারাম পূজা ও সামাজিক উৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি বিশ্বনাথ কেরকেটার সভাপতিত্বে এ সময় বক্তারা বলেন, ওঁরাও সম্প্রদায়ের মানুষেরা অনেক দিক থেকেই অবহেলিত। তারা আধুনিক সমাজ থেকে এখনও অনেক দূরে অবস্থান করছে। ঠাকুরগাঁওয়ের ওঁরাও সম্প্রদায় এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নসহ অন্যান্য সম্প্রদায়ের মতো তারাও যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা পাবে এই আশা ব্যক্ত করেন বক্তারা। কারাম পূজা ও সামাজিক উৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি বিশ্বনাথ কেরকেটা বলেন, আমরা অত্যন্ত কষ্টে জীবন-যাপন করি। কারাম পূজা আমাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। অথচ এ উৎসব আমরা নিজেরাই নিজেদের অর্থায়নে পালন করি। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে অন্যান্য সম্প্রদায়ের উৎসবগুলোর মতো আমরাও এ দিবসটি পালন করতে পারব বলে জানান তিনি।


আরও খবর