Logo
আজঃ মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম
নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা পদে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা পদে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ঈদ পর ফের বাড়লো হিলিতে আলু,পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম পানি নিষ্কাশনের মুখে নন্দন পার্কের বাঁধ, উৎসবেও জলবদ্ধতায় দুর্ভোগ বাড়তি ফি টেস্ট পরীক্ষার নামে নেওয়া যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কারিকুলাম যুগোপযোগী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল, আজ থেকেই কার্যকর ফরিদপুরে নিহতদের পরিবার পাচ্ছে ৫ লাখ টাকা, আহতরা ৩ জামিন পেলেন ড. ইউনূস ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস

‘সরকার ২০১৮ সালের মতো নির্বাচন করার দিবাস্বপ্ন দেখছে’

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ২২৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক ;জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেছেন, সরকার ২০১৮ সালের মতো একটি প্রহসনের নির্বাচন করার দিবাস্বপ্ন দেখছে। সরকারকে বলব, ওই ধরনের নির্বাচন করার স্বপ্ন ভুলে যান। দলীয় সরকারের অধীনে এদেশে আর কোনো নির্বাচন হবে না,  জনগণ এ ধরনের নির্বাচন হতে দেবে না। তাই সময় থাকতে পদত্যাগ করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। অন্যথায় জনগণকে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে।

সরকার বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ শনিবার রাজধানীর বিজয়নগরে আল রাজি কমপ্লেক্সের সামনে এক সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। ১০ দফা দাবি আদায়ে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের উদ্যোগে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে, আলেম-ওলামাদের মুক্তি দিতে হবে, বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

দেশে এখন ডিজিটাল কায়দায় একদলীয় শাসন চলছে বলে মন্তব্য করেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের এই সমন্বয়ক।

নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া আন্দোলন চলবে বলেও জানান ফরহাদ।

জাগপার সাধারণ সম্পাদক এস এম শাহাদাতের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, গণদলের চেয়ারম্যান এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. নুরুল ইসলাম, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাগপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন শিল্পী, গণদলের মহাসচিব আবু সৈয়দ, যুগ্ম মহাসচিব নুরুল কাদের চৌধুরী, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারিক, যুগ্ম মহাসচিব আবু মেহেদী প্রমুখ।


আরও খবর



৫টি চোরাই মোটরসাইকেল সহ চোর চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোর জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৫ সদস্যকে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়েছে। (২৫শে মার্চ) রোববার দিবাগত গভীর রাতে, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদ ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে, মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর নেপালের মোড় এলাকায়, সেলিম মোল্যা (২৮) এর বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে ৩টি মোটরসাইকেলসহ তাকে গ্রেফতার করেন। সে ওই এলাকার মাইজপাড়া গ্রামের মৃত হাবিল মোল্লার ছেলে। পরে তার স্বীকারোক্তিতে আরো চারজনকে দু’টি মোটরসাইকেল সহ আটক করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মাগুরা যশপুর গ্রামের আজিজার রহমান সর্দারের ছেলের আঃ রহমান সরদার(২৫), মাগুরা মোহাম্মদপুর উপজেলার আউনাড়া মধ্যপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আল -আমিন(২৩), মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার মৃত চাঁদ আলী মোল্লার ছেলে শিবলু মোল্যা (৪২), কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার গড়দাহ খালপাড়া এলাকা অভিযান চালিয়ে মৃত মইনুদ্দিন ফকিরের ছেলে হাসান ফকির(৪২) কে গ্রেপ্তার করেন।

যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রুপণ কুমার বলেন, গ্রেফতারকৃতরা আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জেলায় মোটরসাইকেল চুরি করে আসছিলো। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত দুই দিনে মাগুরা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



সদরঘাটে দুর্ঘটনা: দুই লঞ্চের চালকসহ আটক ৫

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:এমভি ফারহানের দুই চালক ও ম্যানেজার এবং এমভি তাসরিফের দুই চালককে আটক করা হয়েছে।ঢাকার সদরঘাটে পন্টুনে বেঁধে রাখা একটি লঞ্চের রশি ছিঁড়ে নিচে পড়ে হতাহতের ঘটনায়

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নৌপুলিশ তাদের আটক করে। এর আগে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, এমভি তাসরিফ ও এমটি টিপু নামে দুটি লঞ্চ পন্টুনে বাঁধা ছিল। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে ভোলা থেকে আসা লঞ্চ এমভি ফারহান ওই দুই লঞ্চের মাঝখান দিয়ে পন্টুনে ভেড়ার চেষ্টা চালালে তাসরিফের রশি ছিঁড়ে লঞ্চটিতে উঠতে চাওয়া কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আঘাত পান।

দ্রুত তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এমভি ফারহান-৬ ও এমভি তাসরিফ-৪-এর রুট পারমিট বাতিল করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক জয়নাল আবেদীন এ তথ্য জানান।

এছাড়া এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। কমিটি আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ‘র চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এদিকে, নিহত পাঁচজনের মধ্যে এক পরিবারের তিনজন হলেন মো. বেলাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৪) এবং তাদের চার বছর বয়সী মেয়ে মাইশা। অপর দু’জন হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের তরুন রবিউল (১৯) এবং পটুয়াখালীর রিপন হাওলাদার (৩৮)।



আরও খবর



গোদাগাড়ীতে ঈদ আনন্দ মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রথমবারের মত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক প্রকৌশলী এরশাদ আলী আকাশের উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্টিত হয়েছে।শনিবার সকাল ১০টায় দুইশতাধিক মোটর সাইকেল যোগে গোদাগাড়ী পৌর শহরে আনন্দ শোভাযাত্রা বের করে। এ সময় সাধারন মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করে আনন্দ উৎসব সবাই । শোভাযাত্রাটি গোদাগাড়ীর শহরের বিভিন্ন সড়ক এসে সুলতানগঞ্জ বাজারে এসে শেষ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও লেস ফুটওয়্যার বিডির চেয়ারম্যান গোদাগাড়ীর কৃতিসন্তান প্রকৌশলী এরশাদ আলী আকাশ বলেন,ঈদ ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলের জীবনে আনন্দের বার্তা বয়ে নিয়ে আসে। ঈদের আনন্দ আমাদের সবার।” তিনি বলেন, ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন পরিব্যাপ্তি লাভ করুক- এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা। তিনি আরো বলেন,দলমত নির্বিশেষে আমি সবার পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই। তাই আপনার আমার জন্য দোয়া করবেন যে আপনারদের পাশে সব সময় থাকতে পারি।


আরও খবর



"আওয়ামী লীগ অটিজম ও প্রতিবন্ধীবান্ধব সরকার"

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১১৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগ অটিজম ও প্রতিবন্ধীবান্ধব সরকার, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ। রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে সবার সঙ্গে অটিজম ও প্রতিবন্ধিতার শিকার ব্যক্তিদেরও সম্পৃক্ত করতে হবে।

এ লক্ষ্যে আরও বেশি প্রযুক্তিবান্ধব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে তিনি নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী (এনডিডি) সুরক্ষা ট্রাস্টকে আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৪ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমার বিশ্বাস অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের সম্ভাবনাগুলোকে চিহ্নিত করে সঠিক পরিচর্যা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে মানবিক পরিবেশে গড়ে তোলা হলে তারাও পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ১৭তম ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৪’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু, ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্য, পরিচর্যাকারী, অটিজম বিষয়ক গবেষক, শিক্ষক, চিকিৎসক, থেরাপিস্ট, সহায়ক উপকরণ উদ্ভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনগুলোকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সচেতনতা-স্বীকৃতি-মূল্যায়ন : শুধু বেঁচে থাকা থেকে সমৃদ্ধির পথে যাত্রা’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ অটিজম ও প্রতিবন্ধীবান্ধব সরকার। বিগত ১৫ বছরে আমরা অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিসহ সব প্রতিবন্ধী ব্যক্তির কল্যাণে ব্যাপক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছি। এরমধ্যে রয়েছে নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন-২০১৩, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন-২০১৩, নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী (এনডিডি) সুরক্ষা ট্রাস্ট বিধিমালা-২০১৫, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা বিধিমালা- ২০১৫, বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন-২০১৮ এবং প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কিত বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা-২০১৯। আমাদের সরকার এসব আইনের সফল বাস্তবায়নে যথাযথ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ‘কাউকে পেছনে রেখে উন্নয়ন নয়’-এ নীতির আলোকে আমরা সমাজের সবার জন্য উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, এনডিডি সুরক্ষা ট্রাস্টের আওতায় চলতি অর্থবছরে (২০২৩-২৪) দেশের ১৪টি স্থানে প্রকল্প হিসেবে ১৪টি ‘অটিজম ও এনডিডি সেবা কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়াও এনডিডি বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের জন্য দেশের আটটি বিভাগে আটটি ‘চিকিৎসা, শিক্ষা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এনডিডি ব্যক্তির স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সাধারণ বিমা কর্পোরেশনের সঙ্গে ট্রাস্ট যৌথভাবে ‘বঙ্গবন্ধু সুরক্ষা বীমা’ বাস্তবায়ন করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার এনডিডি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষায় ‘জাতীয় কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা ২০১৬-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে। এ কর্মপরিকল্পনার আলোকে এনডিডি সুরক্ষা ট্রাস্ট অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তির গৃহভিত্তিক পরিচর্যা ও মানসিক স্বাস্থ্যের যতœ নেওয়ার জন্য মাতা-পিতা ও অভিভাবকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করেছে। একইসঙ্গে শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। এনডিডি সুরক্ষা ট্রাস্ট অমৌখিক যোগাযোগের জন্য ‘বলতে চাই’ এবং অটিজম বিষয়ক প্রাথমিক স্ক্রিনিং বা শনাক্তকরণের জন্য ‘স্মার্ট অটিজম বার্তা’ নামক দুটি অ্যাপস তৈরি করেছে।

শেখ হাসিনা ‘১৭তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২৪’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেছেন।

সূত্র: বাসস


আরও খবর



স্বাগত ১৪৩১, আজ পহেলা বৈশাখ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ। বাংলা ১৪৩১ সালের প্রথম দিন আজ (রোববার, ১৪ এপ্রিল)। এ দিনটির মাধ্যমে বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হলো নতুন আরেকটি বছর। বাংলার চিরায়ত উৎসব চৈত্রসংক্রান্তি ছিল গতকাল (শনিবার)। একই সঙ্গে দিনটি ছিল বাংলা ১৪৩০ সালের শেষ দিন।

জীর্ণ-পুরাতন সবকিছু ভেসে যাক, ‘মুছে যাক গ্লানি’ - এভাবে বিদায়ী সূর্যের কাছে এ আহ্বান জানায় বাঙালি। পহেলা বৈশাখ আমাদের সকল সঙ্কীর্ণতা, কূপমুণ্ডকতা পরিহার করে উদারনৈতিক জীবনব্যবস্থা গড়তে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের মনের ভেতরের সকল ক্লেদ, জীর্ণতা দূর করে; আমাদের নতুন উদ্যোমে বাঁচার অনুপ্রেরণা দেয়।

আমরা যে বাঙালি, বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি, পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণে আমাদের মধ্যে এই স্বজাত্যবোধ এবং বাঙালিয়ানা নতুন করে প্রাণ পায়, উজ্জীবিত হয়।

অন্যদিকে পহেলা বৈশাখ বাঙালির একটি সর্বজনীন লোকউৎসব। এ দিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে। কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক হলো নববর্ষ। অতীতের ভুলত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় উদ্‌যাপিত হয় এ নববর্ষ।

এবারও বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে প্রতি বছরের মতো বর্ণিল উৎসবে মেতেছে দেশ। ভোরের প্রথম আলো রাঙিয়ে দেবে নতুন স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর সম্ভাবনাকে। রাজধানীসহ দেশজুড়ে থাকবে বর্ষবরণের নানা আয়োজন।

‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩১’ জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্‌যাপনের লক্ষে সরকারিভাবে জাতীয় পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি। দিনটি সরকারি ছুটির দিন। বর্ষবরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ছায়ানট’ পহেলা বৈশাখের ভোর থেকেই রমনা বটমূলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু করেছে।

বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান আবশ্যিকভাবে জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ....’ গান পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হবে। বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য এবং মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস এবং এটিকে বিশ্ব সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি তুলে ধরে এদিন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমির উদ্যোগে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিও দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। বাংলা নববর্ষে সকল কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে (এতিমখানা) উন্নতমানের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার ও ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে।

এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে। তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির; কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর। পরে কৃষিকাজ ও খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য মুঘল সম্রাট আকবরের সময়ে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌর সনের ওপর ভিত্তি করে প্রবর্তিত হয় নতুন এ বাংলা সাল।

বাংলা নববর্ষের মূল উৎসব অতীতে ছিল হালখাতা। এটি পুরোপুরিই একটি অর্থনৈতিক ব্যাপার। গ্রামে-গঞ্জে-নগরে ব্যবসায়ীরা নববর্ষের প্রারম্ভে তাদের পুরনো হিসাব-নিকাশ সম্পন্ন করে হিসাবের নতুন খাতা খুলতেন। এ উপলক্ষে তারা নতুন-পুরাতন খদ্দেরদের আমন্ত্রণ জানিয়ে মিষ্টি বিতরণ করতেন এবং নতুনভাবে তাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগসূত্র স্থাপন করতেন। চিরাচরিত এ অনুষ্ঠানটি পালিত হয় আজও।

মূলত ১৫৫৬ সালে কার্যকর হওয়া বাংলা সন প্রথমদিকে পরিচিত ছিল ফসলি সন নামে, পরে তা পরিচিত হয় বঙ্গাব্দ নামে। কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ সমাজের সঙ্গে বাংলাবর্ষের ইতিহাস জড়িয়ে থাকলেও এর সঙ্গে রাজনৈতিক ইতিহাসেরও সংযোগ ঘটেছে।


আরও খবর