Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম
সরাইলে হলি কুরআন আদর্শ মাদরাসা এন্ড স্কুল' এর শুভ উদ্বোধন ও বই বিতরণ অনুষ্ঠিত

সরাইলে হলি কুরআন আদর্শ মাদরাসা এন্ড স্কুল' এর শুভ উদ্বোধন ও বই বিতরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Friday ০৭ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২৮১জন দেখেছেন
Image


রুবেল মিয়াঃ সরাইল 

সরাইলে হলি কুরআন আদর্শ মাদরাসা এন্ড স্কুল' এর শুভ উদ্বোধন ও বই বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার ০৭ জানুয়ারি সকালে সরাইল উপজেলার ৭ নং সদর ইউনিয়নের উত্তর কুট্টাপাড়ায় হলি কুরআন আদর্শ মাদ্রাসা এন্ড স্কুল' নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে।


এতে  সরাইল বিকাল বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সরাইল বিকাল বাজার শাহী জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কুতুবউদ্দিন আহমেদ সভাপতিত্বে ও ইঞ্জিনিয়ার মাঈননুদ্দিন আহমেদ এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরাইলের কৃতি সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবী সৈয়দ আকবর হোসেন বকুল মিয়ার সুযোগ্য সন্তান এডভোকেট সৈয়দ তানভীর হোসেন কাউছার। 


এ সময়  বিশেষ অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন,সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শের আলম মিয়া, সরাইল উপজেলার ৭নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুল জাব্বার, সরাইলের বিশিষ্ট ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম ছেলু,  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মুফতি সালাহ উদ্দিন সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



ধুপখোলা মাঠকে মাঠ হিসেবে ব্যবস্থাপনা করতে হবে

প্রকাশিত:Saturday ১৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পুরাতন ঢাকার গেন্ডারিয়ার ধুপখোলা মাঠকে সম্পূর্ণরূপে মাঠ হিসেবে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইনজীবী ও বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।


তিনি বলেছেন, মাঠটিকে মাঠ হিসেবে ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এখানে যত স্থাপনা আছে এগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে।



শনিবার (১৪ মে) পরিবেশ ও সংস্কৃতি কর্মী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ধূপখোলা মাঠ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।


রেজওয়ান হাসান বলেন, ঢাকা শহরের মাস্টার প্ল্যান ও হাইকোর্টের রায়ে বলা আছে, মাঠের মধ্যে কোনো স্থাপনা হতে পারবে না। আর ধূপখোলা মাঠের মতো এরকম ঐতিহ্যবাহী মাঠ নেই। যে কোনো নির্মাণ কাজ করতে গেলে ওখানে একটা সাইনবোর্ড দিয়ে জনগণকে জানাতে হবে এই নির্মাণ কাজ কে করছে, অর্থায়ন কে করছে, ইঞ্জিনিয়ার কে, অনুমোদনের তারিখ কবে। এখানে এরকম কোনো সাইনবোর্ড আমরা দেখতে পাইনি।



তিনি আরও বলেন, ঢাকা শহরের বেশির ভাগ খেলার মাঠ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে সিটি করপোরেশন। আর সিটি করপোরেশন যদি আইন ভঙ্গ ও হাইকোর্টের রায় উপেক্ষা করে মাঠের মধ্যে স্থাপনা করে তাহলে জনগণ যাবে কোথায়। এখানে ‘রক্ষকই ভক্ষক’ এই উদাহরণ সৃষ্টি করছে সিটি করপোরেশন।


পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সহ-সভাপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরের এলাকাসহ দেশের সব পৌর এলাকার খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০ অনুসারে মাঠে কোনো স্থাপনা করার সুযোগ নেই। এই আইনে বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে। ধূপখোলা মাঠে যে সব অবৈধ নির্মাণ কাজ রয়েছে সেগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। আর এই কাজটি করতে সিটি করপোরেশনকে উদ্যোগ নিতে হবে।



নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন বলেন, দেশের আইন ও উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো মাঠে স্থাপনা তৈরি করা যায় না। খেলার মাঠ খেলার জন্যই উন্মুক্ত থাকবে। ধূপখোলা মাঠ ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বড় খেলার মাঠ। এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাও এখানে খেলাধুলা করেন।


তিনি নির্মাণ কাজ বন্ধ করার জন্য সিটি করপোরেশনের প্রতি আহ্বান জানান।


প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন- গ্রিন ভয়েসের প্রধান সমন্বয়ক আলমগীর কবির, কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির সুমন, ময়মনসিংহ বিভাগের সমন্বয়ক শাকিল কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তারেক রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিল্টন, পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দীন, ক্যামেলিয়াসহ অন্যান্য নেতারা।



আরও খবর



মাতুয়াইলে গ্যাসের বিস্ফোরণে মা-বাবার পর এবার চলে গেলো দুই বছরের মেয়ে ফাতেমা

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১২৬জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার কোনাপাড়া আড়াবাড়ি এলাকার একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ দিয়ে জমা গ্যাসের বিস্ফোরণে মা-বাবার পর এবার চলে গেলো দুই বছরের মেয়ে ফাতেমা আক্তার।


মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।


এর আগে বুধবার (২০ এপ্রিল) দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার কোনাপাড়া এলাকার একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ দিয়ে জমা গ্যাসের বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ভোর পাঁচটার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।


 সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (২৪ এপ্রিল) দিনগত রাত ৪টার দিকে স্ত্রী মোছা. খাদিজা আক্তার (২৫) ও ৬টার দিকে স্বামী আব্দুল করিম (৩০) মারা যান।নিহত আব্দুল করিম মাতুয়াইল কোনাপাড়া আড়াবাড়ি এলাকায় মুদি দোকান দিয়ে ব্যাবসা করতেন।


গত বুধবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ গ্যাস বিস্ফোরিত হয়ে ৩ জন দগ্ধ হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।


শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইয়ুব হোসেন জানান, যাত্রাবাড়ী কোনাপাড়া এলাকা থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে বাবা-মায়ের পর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই বছরের শিশু ফাতেমা আক্তারও মারা গেছে। 


ফাতেমার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।


আরও খবর



ফুলবাড়ীর নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি লক্ষ্যে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালিত

প্রকাশিত:Sunday ০৮ May ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২১ May ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
Image
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
 কুড়িগ্রাম: দেশে সবুজায়ন বৃদ্ধি করতে কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বর্ষা মৌসুমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে আসছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।


মুজিববর্ষ উপলক্ষে গত বছর ও এ বছর মিলিয়ে সারা দেশে তিন কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এর মধ্যে গত বছর প্রায় এক কোটি চারা রোপণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। 

বজ্রপাত একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক প্রাণহানি বিশেষজ্ঞদের ভাবাচ্ছে। সরকারি পর্যায়ে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার হিসাব বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে সারা দেশে বজ্রপাতে প্রায় তিন হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। 

২০১১ সালের পর থেকে বজ্রপাতের পরিমাণও বেড়েছে উদ্বেগজনক হারে। বজ্রপাতে ২০১৫ সালে ৯৯ জন, ২০১৬ সালে ৩৫১ জন ও ২০১৭ সালে ২৬২ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। ২০২১ সালের মে পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু ও চার শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 

তাই এরই ধারাবাহিকতায় দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ রবিবার সকাল ১০ ঘটিকায় ১নং নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গাছ রোপণ করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ শফিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ রফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হিমু ও যুবলীগ নেতা মোঃ বুলবুল হোসেন। 

এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী বলেন, ‘বাংলাদেশের যুবসমাজ এই কর্মসূচির দ্বারা অনুপ্রাণিত হবে। শুধু গাছ লাগালেই চলবে না, গাছের সঠিক পরিচর্যাও করতে হবে।’


আরও খবর



ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে একরাম হোসেন একজন কর্মবীর মানুষ

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১২৬জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের ভারপ্রাপ্ত অফিস সহকারী একরাম হোসেন একজন কর্মবীর মানুষ।অনন্য কর্মদক্ষতায় তিনি ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে কাজের গতিশীলতা ফিরিয়ে এনেছেন।তিনি নিজে সৎ ও ভালো মানুষ হিসেবে প্রচণ্ড চাপের মুখেও সহজে মেজাজ খারাপ করেন না।


সেবাগ্রহীতারা জানান, সবার সাথে সদা হাসি মুখে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে সদা তৎপর থাকেন ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের ভারপ্রাপ্ত অফিস সহকারী একরাম হোসেন। দলিল সম্পাদনের গুরুত্বপুর্ন ধাপগুলো তিনি দ্রুত প্রক্রিয়া করে সাব-রেজিষ্টারের টেবিলে উত্থাপন করেন।


ডেমরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের নতুন যোগদানকারী সাব-রেজিষ্ট্রার কাওসার খান অফিসের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে শুদ্ধি অভিযান ঘোষনা করেন।তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে যে কজন কর্মচারী সঠিকভাবে কর্ম সম্পাদনা করেন তাদের মধ্যে অন্যতম অফিস সহকারী একরাম হোসেন।


ডেমরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী একরাম হোসেন জানান,"সব সময় চিন্তা করি আমার উপড় ন্যাস্ত কর্তব্য সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে,আবার নতুন সাব-রেজিষ্ট্রার হিসেবে কাওসার খান স্যারের যোগদানের পর অফিসের পরিবেশ অনেকটা পাল্টে যেতে শুরু করেছে,কোথাও বিন্দু পরিমান অসংগতি তিনি মেনে নিতে চান না,তার কারনে  জনবান্ধব অফিসে পরিণত হয়েছে ডেমরা সাবরেজিস্ট্রি অফিস।


আরও খবর



স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সব থেকে পরিবেশবান্ধব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  


গ্যাস ফুরিয়ে গেলে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আমাদের বিদ্যুৎ দেবে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।


বুধবার (১৮ মে) আওয়ামী লীগ আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।  


বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সভায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।


সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ বাংলাদেশ পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেল।


এর ভেতরে আমাদের কিছু নতুন আঁতেল আবার জুটেছে। একজন অর্থনীতিবিদ বলেই দিলেন আমরা যে, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছি এটা না কি অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ ক্ষতিকর।


আমরা প্রশ্ন হচ্ছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র এটা হচ্ছে সব থেকে পরিবেশবান্ধব। গ্যাস তো চিরদিন থাকে না। এক একটা কূপের তার তো সময় নির্দিষ্ট থাকে। তেলভিত্তিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ আমরা করি, অনেক খরচেরও ব্যাপার। যদি কোন দিন এমন হয় যে, আমাদের গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন আমাদের এই নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টই বিদ্যুৎ দেবে। 


আর এটা পরিবেশবান্ধবও একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানে বিনিয়োগটা বড় করে দেখা যায়। কিন্তু এর বিদ্যুৎ যখন উৎপাদন হবে আর এর বিদ্যুৎ যখন মানুষ ব্যবহার করবে আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বেশি অবদান রাখবে। 


আজ আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি বলেই সারা বাংলাদেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা যখন রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করলাম তখন কত সমালোচনা। আমরা যখন ডিজিটার বাংলাদেশ ঘোষণা দিলাম তখন কত সমালোচনা। এখন ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করেই আমাদের সমালোচনা করছে। তারা যে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন এটা কিন্তু আমরা দিচ্ছি। 


খালেদা জিয়ার আমলে, জিয়ার আমাল বা এরশাদের আমলে তাদের কি কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল। অধিকার ছিল, কতটুকু অধিকার ভোগ করতেন তারা। টক শো তারা করেই যাচ্ছেন, টক টক কথা বলেই যাচ্ছেন। তাদের তো গলাটিপে ধরি না, মুখ চিপেও ধরি না। বলেই যাচ্ছেন, সব কথা বলার শেষে বলে কথা বলতে দেওয়া হয় না। 


বিএনপির এক নেতা তো সারা দিন মাইক মুখে লাগিয়ে আছেন। সারাক্ষণ বলেই যাচ্ছেন। একবার কথা বলতে বলতে গলায় অসুখও হলো। চিকিৎসা করে তিনি আবার কথা বলছেন। কথা তো কেউ বন্ধ করছে না। তাদের আন্দোলনে যদি জনগণ সাড়া না দেয় সে দোষটা কাদের?


প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে যে, অর্থনীতিবিদ তিনি হিসাব দেখালেন তাকে আমি বলবো, তিনি কী এটা প্রকৃতপক্ষে জেনেই বলছেন, না কি না জেনেই বলছেন। আমি তার জ্ঞান নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলবো না কারণ তারা অনেক ভালো লেখাপড়া জানেন। 


কিন্তু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে একটি মানুষের বা একটা জাতি যে কতটুকু উন্নতি হতে পারে সে তো আজকের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নটা বাইরের লোকে দেখে কিন্তু তারা দেখে না চোখে।


পদ্মাসেতুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আরেকটি হচ্ছে পদ্মাসেতু, এই পদ্মাসেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনুস। কেন, গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকে উপদেষ্টা হতে। এমিরেটাস উপদ্ষ্টো হিসেবে থাকার জন্যে, আরও উচ্চ মানের। সেটায় সে থাকবে না, তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না। 


ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারবেন না ১০ বছর। গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে, তিনি মামলায় যে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনুস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাফুজ আনাম তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টেটমেন্টে, হেলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। হিলারি লাস্ট একেবারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তার শেষ কর্মদিবসে পদ্মাসেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। 


যাক একদিকে সাপে বর হয়েছে। বাংলাদেশের নিজের অর্থায়নে পদ্মাসেতু করতে পারে সেটা আজকে আমরা প্রমাণ দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এখানে একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন পদ্মাসেতু দিয়ে যে রেললাইন হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, এ টাকা তো ঋণ নিয়ে করা হচ্ছে এই ঋণ শোধ হবে কী করে কারণ দক্ষিণবঙ্গের কোনো মানুষ তো রেলে চড়বে না। তারা তো লঞ্চে যাতায়াত করে। তারা রেলে চড়তে যাবে কেন, এই রেল ভায়াবল হবে না। সেতুর কাজ হয়ে গেছে এখন সেতু নিয়ে আর কথা বলে পারছে না। রেলে কাজ চলছে, রেলের কাজ নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। আমার মনে হয় আমাদের সবার উনাকে চিনে রাখা উচিত। রেলগাড়ি যখন চালু হবে উনাকে রেলে নিয়ে চড়ানো উচিত।


পদ্মাসেতু নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আর খালেদা জিয়া বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু করা হচ্ছে। কারণ স্প্যান‌গুলো যে বসাচ্ছে ওটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানাচ্ছে ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসসরাও। তাদেরকে কী করা উচিত, পদ্মাসেতুতে নিয়ে যেয়ে ওখান থেকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি একটা এমডি পদের জন্য পদ্মাসেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয় তাকেও পদ্মানদীতে নিয়ে দুটা চুবনি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়, একটু চুবনি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত, তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। 



বড় অর্থনীতিবিদ জ্ঞানীগুণী তারা এই ধরনের অর্বাচীনের মতো কথা বলে কিভাবে, সেটাই আমার প্রশ্ন। মেগা প্রজেক্টগুলো করে না কী খুব ভুল করছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাই উৎক্ষেপণ করেছি, এতো টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট করে কি হবে এ প্রশ্নও কিন্তু তুলেছে তারা। অর্থাৎ বাংলাাদেশের জন্য ভালো কিছু করলেই তাদের গায়ে লাগে। কেন তারা কী এখনও সেই পাকিস্তানি জান্তাদের পদলেহনকারি খোসামোদি-তোসামোদি দল। 


গালিটালি দেই না, দেওয়ার রুচিও নাই তবু একটু না বলে পারি না পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী যেভাবে মেয়েদের ওপর নির্যাতন করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে, পেড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল সেই পাকিস্তানিদের পদলেহনকারি সারমেয়র দল এখনও বাংলাদেশে জীবিত। এখনও এরা বাংণাদেশে ভালো কিছু হলে এরা ভালো দেখে না। বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না। 


তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবো ভ্যাকসিনটা বিনা পয়সা দিয়েছি আমি, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছি। সে ভ্যাকসিন তো এরা নিয়েছেন, এটা তো বাদ দেয়নি। আমরা বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। বুস্টার ডোজও আমরা শুরু করেছি। তারা তো নিশ্চয় দুটো ডোজ নিয়েছে, বুস্টার ডোজও নিয়েছেন।


 বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন নিতে পারলো আর আমাদের উন্নয়নটা চোখে পড়ে না। এখন কি ভ্যাকসিন চোখেও দিতে হবে না কি সেটাই মনে হচ্ছে, তাহলে যদি দেখে, তাছাড়া দেখবে না। ম্যাগা প্রজেক্ট জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে।


 আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশের এই উন্নতি হচ্ছে। এর আগে, যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কি একটা দৃষ্টান্ত দেখাতে পারবে যে তারা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করে বা দেশের কোনো উন্নয়ন করেছে বা বিদেশে ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করেছে, করতে পারে নাই। বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের জাতি বানিয়েছিলেন, আজকে আমরা মর্যাদাশীল জাতি। আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করেছি।


বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেশি কথা বলে যাচ্ছে বিএনপি, এদের নেতৃত্ব কোথায়, নেতৃত্ব নাই। সব তো সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি দিয়ে নির্বাচনে জেতা যায় না। আর নির্বাচনে পরাজয় হবে জেনে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, কলুষিত করতে চায়। যারা একটু আমাদের জ্ঞানী-গুণী আঁতেলরাও উল্টোপাল্টা কথা বলেন তাদেরকেও বলবো দেশ চালাবার যদি ইচ্ছা থাকে তো মাঠে আসেন, ভোটে নামেন, কেউ ভোট কেড়ে নেবে না। আমরা বলতে পারি, আমরা ভোট কেড়ে নিতে যাই না। আমরা জনগণের ভোট পাই এবং আমরা পাবো কারণ আমরা জনগণের জন্য কাজ করেছি। সেজন্যই জনগণ আমাদের ভোট দেবে।


সবশেষে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক দিন পর মন খুলে কথা বললাম। এ সময় তিনি বলেন, আসলে এই করোনা ভাইরাস বন্দি করে রেখে দিয়েছে আমাকে। ২০০৭ সালে ছিলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে বন্দি। এখন আমি নিজের হাতে নিজেই বন্দি।


আরও খবর