Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

সৌদি আরব যাওয়ার পথে সড়কে লাশ হলেন যুবক

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১২১জন দেখেছেন
Image

গাজীপুরের রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও চারজন।

মঙ্গলবার (৭ জুন) বিকেলে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের টেংরারটেক লিচু ফ্যাক্টরির সামনে এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম জহির (৩৫)। তিনি চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকার মৃত মুসলিম খানের ছেলে।

jagonews24

আহতরা হলেন নিহত জহিরের শ্যালক কাদির (২০), প্রাইভেটকার চালক রুবেল (২৭), চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার পূর্ব চরকৃষ্ণপুর এলাকার অলি মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর ও তার শ্যালক একই উপজেলার আলনী বাজার এলাকার মুক্তারের ছেলে মিঠু (১৬)।

দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট মজিবুর জানান, জহিরের আজ সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে তিনি স্বজনদের সঙ্গে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন। টেংরারটেক লিচু ফ্যাক্টরির সামনে গাজীপুর-চট্টগ্রাম এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে প্রাইভেটকার ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন জহির।

তিনি আরও জানান, ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



বাজারে পড়েনি জ্বালানির উত্তাপ, বেড়েছে ডিমের দাম

প্রকাশিত:Saturday ০৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৩জন দেখেছেন
Image

সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর এখনো রাজধানীর বাজারগুলোতে পণ্যের দামে প্রভাব পড়েনি। আলু, পেঁয়াজের পাশাপাশি বিভিন্ন সবজি আগের দাম অপরিবর্তিত। তবে শিগগির বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

রাজধানীর বাজারগুলোতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে কোনো পণ্যের দাম না বাড়লেও হঠাৎ করে ডিমের দাম কিছুটা বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে কিছু কিছু ব্যবসায়ী বয়লার মুরগির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ডিমের ডজন বিক্রি করছেন ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, যা গতকাল শুক্রবার ছিল ১২০ টাকা। আর বয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, গতকাল বেশিরভাগ ব্যবসায়ী বয়রার মুরগির কেজি ১৬০ টাকা বিক্রি করেন।

মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. আফজাল বলেন, পাইকারিতে হঠাৎ ডিমের দাম বেড়ে গেছে। বাজারে ডিমের সরবরাহও কম। এ কারণে আমাদের বাড়তি দামে ডিম বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়েনি। অবশ্য এখন ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল, অকটেনের দাম বাড়ানো হয়েছে। তাই শিগগির বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে।

প্রায় একই ধরনের কথা বলেন, রামপুরার ব্যবসায়ী ফিরোজ। তিনি বলেন, তেলের দাম বাড়ানোর কারণে এখনো জিনিপত্রের ওপর তার প্রভাব পড়েনি। তবে শিগগির বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে। হয় তো আগামীকালই কিছু কিছু পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। কারণ তেলের দাম বাড়ানোর কারণে পরিবহন খরচ অনেক বেড়ে যাবে।

এদিকে রামপুরা বাজারে ১৭০ টাকা কেজি বয়লার মুরগি বিক্রি করা আলামিন বলেন, গতকাল বয়লার মুরগির কেজি ১৬০ টাকা বিক্রি করেছি। আজ পাইকারিতে দাম বেড়ে গেছে। বাড়তি দামে কেনার কারণে ১৭০ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে পাকিস্তানি কক বা সোনালী মুরগির দাম গতকালের মতো ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি বিক্রি করছি।

অবশ্য বাজারটির বেশিরভাগ ব্যবসায়ীকে বয়লার মুরগির কেজি ১৬০ টাকা ও সোনালী মুরগির কেজি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাড্ডা, কারওয়ান বাজার, খিলগাঁওয়া মালিবাগ অঞ্চলেও বেশিরভাগ ব্যবসায়ী বয়লার মুরগির কেজি ১৬০ টাকা বিক্রি করছেন।

কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ এখনো বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। গতকালের মতো এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) কাঁচা মরিচ ৬০ থেকে ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজও গতকালের মতো ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা।

সবজির মধ্যে গাজর গতকালের মতো কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। এছাড়া বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা, পটল ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

করলা, কচুর লতি, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, কাঁচ কলা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙে, চিচিঙ্গার কেজিও ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচ কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী মো. সামছুল বলেন, তেলের দাম বাড়ার কারণে আজ সবজির দাম কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে দুই-একদিনের মধ্যে এর প্রভাব পড়বে। কারণ তেলের দাম বাড়ানোর কারণে এখন পরিবহন খরচ অনেক বেড়ে যাবে। আমাদের ধারণা আগামীকালই বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে।


আরও খবর



অপশক্তির চাপে মাথা নত করবো না: সিইসি

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

‘কোনো অপশক্তির চাপে মাথা নত করব না। সংসদ নির্বাচন কঠিন ও ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। তবে, সবার আন্তরিক ও সমন্বিত প্রয়াস থাকলে এ ধরনের কর্মযজ্ঞ সাধন অসাধ্য নয়। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একার পক্ষে এ নির্বাচন অবাধ-নিরপেক্ষ করা সম্ভব নয়। এতে সবার সমবেত প্রয়াস দরকার।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) নির্বাচন কমিশন ভবনে গণফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে এসব মন্তব্য করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

সিইসি বলেন, এ পর্যন্ত সংলাপগুলো থেকে অভিন্ন কয়েকটি প্রস্তাব পেয়েছি। অধিকাংশ দল অস্ত্রশক্তি, অর্থশক্তি, পেশিশক্তি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে ধরেছে। অবাধ, নির্বঘ্ন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য এ বিষয়গুলো প্রতিরোধ করতে হবে।

সিইসি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে বিতর্ক চলছে। আমি বিষয়টি সরকারের কাছে তুলে ধরব। এটি নিয়ে রাজনৈতিক সংলাপের প্রয়োজন। আপনারা সরকারের কাছে প্রস্তাব দেন। আমি বিশ্বাস করি, নির্বাচনের স্বার্থে যেকোনো উপযুক্ত প্রস্তাব মেনে নেওয়ার মানসিকতা অবশ্যই একটি দায়িত্বশীল সরকারের থাকবে।

অপশক্তির চাপে মাথা নত করবো না: সিইসি

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, অন্তত নির্বাচনকালীন সময়ে জনপ্রশাসনকে বিরাজনীতিকরণ করতে হবে। প্রশাসনের লোকজন যাতে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করতে পারেন তার জন্য আইন করা প্রয়োজন। এছাড়া, সমঝোতার প্রয়োজন আছে। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসতে পারে।

সিইসি বলেন, নির্বাচন পরিচালনায় ইসির অনেক সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, আছে। নির্বাচনকালীন সরকারকে নিরপেক্ষ থেকে ইসিকে সহায়তা করতে হবে। এটি সরকারের সাংবিধানিক সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব হবে। কমিশন তার ক্ষমতা সংবিধান, আইন ও বিধি-বিধানের আলোকে প্রয়োগ করবে। প্রয়োজনে নির্বাহী সব কর্তৃপক্ষকে ইসির আদেশ-নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

গণফ্রন্টের চেয়ারম্যান মো. জাকির হুসেনের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেয়। এছাড়া, চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর কাছে সন্তান হত্যার বিচার চাইলেন বুলবুলের মা

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ছেলে হত্যার বিচার চেয়েছেন সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নিহত শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদের মা ইয়াছমিন বেগম।

রোববার (৩১ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান হলে ছেলের ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিতে এসে তার স্মৃতি মনে করে এ কথা বলেন তিনি।

ইয়াছমিন বেগম বলেন, আজকে যদি আমার ছেলে ঝালমুড়িও বেচতো তাইলে কি মারা যেত, কেউ কি মার্ডার করতো? এখনো তদন্ত ভালো করে হয়নি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার চাই। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ছেলে হত্যার বিচার চাই।

তিনি আরও বলেন, আমার ছেলে খুব ভালো ছিল। তাকে কেন ওরা মারলো? আমার ছেলেকে আমার কাছে ফিরিয়ে দাও।

বুলবুলের বোন সোহাগী আক্তার বলেন, যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আমরা চাই ওদেরকে রিমান্ডে নেওয়া হোক। রিমান্ডে নিলে ওরা সত্য কথা বলবে। আমার ভাইকে হত্যার সঠিক বিচার চাই। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ওদের বিচার করা হোক।

মালপত্র হস্তান্তরের বিষয়ে শাহপরান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান খান বলেন, বুলবুলের পরিবারের সদস্যরা হলে এসেছেন। তার মালপত্র তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সময় তার সঙ্গে থাকা মানিব্যাগ ও হাতঘড়ি পুলিশের কাছে আছে। এগুলো সিজ করা হয়েছে।

মালামাল হস্তান্তরকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীন, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইশরাত ইবনে ইসমাইল, সহকারী প্রভোস্ট কৌশিক সাহা, মো. মেহেদী হাসান নাহিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) দেবাশীষ দেব বলেন, হত্যাকাণ্ডের সময় বুলবুলের মোবাইল ফোন ছিনতাইকারীরা নিয়ে যায়। সেটা আসামি কামরুলের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। সেটা সিজ করা হয়েছে। এখন তার মানিব্যাগ ও হাতঘড়ি সিজ করা হয়েছে। এগুলো নিতে হলে তার পরিবারকে আদালতের মাধ্যমে নিতে হবে। আদালতে আবেদন করলে পরবর্তীকালে তাদের কাছে এগুলো হস্তান্তর করা হবে।

মামলার অগ্রগতি নিয়ে তিনি বলেন, এখনো তদন্ত চলছে। ভালোভাবে তদন্ত করার পর আমরা চার্জশিট দেবো। যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা এখন কারাগারে আছে।

গত ২৫ জুলাই শাবিপ্রবির অভ্যন্তরে গাজীকালুর টিলায় ছুরিকাঘাতে নিহত হন1 লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদ। ওইদিন রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বাদী হয়ে জালালাবাদ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে তিনজনকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে আবুল হোসেন নামে একজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। সেইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও দুইজনের নাম প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে পুলিশ কামরুল আহমদ ও মো. হাসান নামের ওই দুইজনকে গ্রেফতার করে। তাদের মধ্যে প্রথমে আবুল হোসেন এবং পরে বাকি দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।


আরও খবর



মানবপাচার মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

মানবপাচার মামলায় ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তানভীর আহমেদ মিলনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলা সদর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তানভীর উজ্জলপুর গ্রামের সাজু মিয়ার ছেলে এবং নাটিমা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তানভীর আহমেদ মিলন বিভিন্ন সময় দুবাই প্রবাসী বোন জোসনার মাধ্যমে মহেশপুর উপজেলার উজ্জলপুর, উজ্জলপুর উত্তর পাড়া, নাটিমা সহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষকে দুবাই পাঠানোর কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতেন। এরপর তাদের দুবাই পাঠিয়ে কোনো কাজ দিতেন না। ফলে কাজ না পেয়ে প্রবাসে মানবেতর জীবনযাপন করতেন মানুষ। প্রতারিত হয়ে ভুক্তভোগীরা দেশে ফিরে আসতেন। ২ আগস্ট এক ব্যক্তি দেশে ফিরে মহেশপুর থানায় মিলনের বিরুদ্ধে মানবপাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা করেন।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, মানবপাচার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে তানভীর আহমেদ মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাটিমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য তানভীর আহমেদ মিলনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। আপাতত এর বেশি কিছু বলতে চাচ্ছি না।’


আরও খবর



ইতালিতে শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা, ক্রীড়া সংগঠক শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ আগস্ট) ইতালির রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে উদযাপন করা হয়।

দূতাবাস থেকে জানা যায়, অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে ছিল শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রদূত ও কমিউনিটি নেতাদের পুষ্পস্তবক অর্পণ, নীরবতা পালন, শেখ কামালের জীবনীভিত্তিক তথ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত।

আলোচনা পর্বে রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান শহিদ শেখ কামালের জীবনের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরে বলেন, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শেখ কামাল কেবল একজন দেশপ্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতের আধুনিক ধারার স্থপতি ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

ক্রীড়া ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বহুমাত্রিক সাফল্যের বিষয়টি উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে শেখ কামালের সাংগঠনিক দক্ষতা ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার বিশেষ অবদান রয়েছে বলে তা তুলে ধরেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন শেখ কামালের জীবন ও কর্ম বাংলাদেশের যুব সমাজের অফুরন্ত প্রেরণার উৎস হিসেবে আগামী দিনগুলোতে উৎসাহ যোগাবে।

একই সঙ্গে রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন অভিযাত্রার কথা তুলে ধরে বিশ্বে একটি ‘মডেল রাষ্ট্র’ হিসেবে স্বীকৃতির কথাও তুলে ধরেন।

দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে ইতালির বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা ও নারী নেতাসহ প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন। আলোচনা সভায় বক্তারা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের তারুণ্যদীপ্ত ও কর্মময় জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় উল্লেখ করে তার দেশপ্রেম, বহুমুখী প্রতিভা, দেশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তার অনবদ্য অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

তারা শেখ কামালের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আগামীর উন্নত ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের শেষভাগে শহিদ শেখ কামালসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেটে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণকারী সকল শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম কল্যাণ) আসিফ আনাম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচাররা উপস্থিত ছিলেন। পরে সবাইকে আপ্যায়িত করা হয়।


আরও খবর