Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধানের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভূয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে করে শশুড় বাড়ী শিকলবন্দী জামাই! খাগড়াছড়িতে পুনাক কমপ্লেক্স এর উদ্বোধন করলেন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র হজ চলাকালীন ১৩০১ জন হজযাত্রীর মৃত্যু: সৌদি আরব সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার বর ও কনের বাড়ীতে শোকের মাতম রাশিয়ায় বন্দুকধারীদের ভয়াবহ হামলায় ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত

সৈয়দপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙ্গালেন জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image
জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর( নীলফামারী) প্রতিনিধি:কুখ্যাত রাজাকর নঈম খান ওরফে নঈম গুন্ডাকে একটি মামলায় স্বাধীনতার পক্ষের ব্যক্তি উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিবাদে নীলফামারীর সৈয়দপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের উদ্যোগে ওই প্রতিবেদন দাখিলকারী পুলিশ কর্মকর্তার অপসারনের দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়। মঙ্গলবার (১১ জুন ) দুপুরে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে পালন করা হয় ওই কর্মসূচিতে জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ উপস্হিত হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙ্গালেন এবং বিষয়টি দেখবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

ওইদিন দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্যরা অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। প্রায় ২ ঘন্টাব্যাপী চলে ওই অবস্থান কর্মসূচি। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা সালাউদ্দিন বেগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুস আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক সরকার, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শাহনাজ পারভীন, মাহফুজা আক্তার, মো: মিজানুর, বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী রোকেয়া ও আলম আরা প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, কুখ্যাত রাজাকার নঈম খান ওরফে নঈম গুন্ডা একজন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী। ওই ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙ্গালী নিধন, ধর্ষণ, বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত। অথচ স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর সম্প্রতি রংপুর সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে রাজাকার নঈম খানকে স্বাধীনতার স্বপক্ষের ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ইতিহাস বিকৃতি প্রতিবেদনটি আদালতে দাখিল করেছেন পুলিশ কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক রেজাউল করিম। বক্তারা ওই প্রতিবেদন দাখিলকারী পুলিশ কর্মকর্তার অবিলম্বে অপসারণ ও শাস্তির দাবি জানান।

অনশন কর্মসূচিতে নীলফামারী জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ বেলা ২ টায় হাজির হয়ে পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করেন। এসময় সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াদ আরফান সরকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-ই আলম সিদ্দিকী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহসিন আলী মন্ডল,সহ উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



বাল্য ও জোরপূর্বক বিবাহ বন্ধে কুড়িগ্রামের রৌমারী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম রৌমারী কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃজোরপূর্বক বাল্যবিবাহ বন্ধে রৌমারী উপজেলার যুব নেতাদের সাথে সুশীল সমাজের সংগঠনের সংযোগস্থাপন বিযয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় উপজেলা পরিষদ হলরুম রৌমারী কুড়িগ্রাম আলোচনা সভাটি উপজেলার সকল কাজিগনদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খানের সভাপতিত্বে বাল্য জোরপূর্বক বিবাহ  বন্ধে উপস্থিতি ছিলেন রৌমারী উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলাম, প্রজেক্ট সমন্বয় কর্মকর্তা আব্দুল আল মামুন চাইল্ড ব্রাইড। পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নুর আলম, সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন রৌমারী কুড়িগ্রাম। আয়োজনে চাইল্ড,  নট,ব্রাইড প্রজেক্ট আরডিআরএস বাংলাদেশ, কারিগরি সহযোগিতায় প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।

এসময় এনজিওর কর্মকর্তা কর্মচারীরা সকলেই উপস্থিতি থাকলেও রৌমারী উপজেলার স্থানীয় সাংবাদিকদের অবগত করেননি বাল্যবিবাহ বন্ধের আলোচনা সভার  সংশ্লিষ্টরা। এ নিয়েও সাংবাদিকদের মাঝে খোপের সৃষ্টি হয়েছে। আলোচনা ব্যানারে উল্লেখ রয়েছে সুশীল সমাজকে নিয়ে বাল্য ও জোরপূর্বক বিবাহ বন্ধে আলোচনা সভাটি করছেন দায়িত্বরত এনজিওর  আরডিআরএস বাংলাদেশ কিন্তু সুশীল সমাজের সাংবাদিকরা আজকের আলোচনা সম্পর্কে কেউই অবগত ছিলনা বলে আবেগ করেছেন সাংবাদিকবৃন্ধরা।

তবে কেন সাংবাদিকদেরকে অবগত করেননি সেটি জানা যায়নি। 

আরও খবর



নাসিরনগরে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৭৫জন দেখেছেন

Image

মোঃ আব্দুল হান্নান, নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ১লা জুন ২০২৪ রোজ শনিবার নাসিরনগর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান  রোমা আক্তার ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের শূভ উদ্ধোধন  করেছেন।ক্যাম্পেইনের সভাপতিত্ব করেন,নাসির নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, ডাঃ অভিজিৎ রায়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার,মোঃ,ইমরানুল হক ভূঁইয়া।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাসিরনগর উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান কামরুল হুদা।

,বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ বিষয়ক, আলহাজ্ব মোঃ নাজির মিয়া।

ক্যাম্পেইনের উদ্ভোধন শেষে নাসির নগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নাজির মিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা 

ডাঃ অভিজিৎ রায় কে সাথে নিয়ে,

হাসপাতালেরর দ্বিতীয় তলায় প্রত্যেকটি ওয়ার্ড ঘুরে পরিদর্শন করেন।রোগীদের কাছে তাদের খোঁজ খবর নেনএবং হাসপাতালের চিকিৎসার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে যা যা  প্রয়োজন, 

এরবিষয়ে সকল কর্মকর্তাদের নিয়ে পরামর্শ মিটিং করেন।


মিটিংয়ের আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমাদের হাসপাতালটি বর্তমানে ৫০ রয়েছে, আমি এর আগেও অনেক বার হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছি, যে বিষয়টি খুবই পরিলক্ষিত, রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি, তাই আমরা এমপি মহোদয়ের সাথে পরামর্শ ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার চেষ্টা করা হবে। এছাড়াও যে টুকটাক সমস্যা আছে এগুলোও আমরা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করা হবে।



আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ পরিসংখ্যান সহকারীর বিরুদ্ধে

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার শোলাবাড়ি গ্রামের মৃত শাহজাহান মিয়ার ছেলে বদিউজ্জামান বাদল ওরফে মোঃ বাদল মিয়া (৪২) এর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার  মো: ফয়সাল হোসেন।

দূর্নীতি দমন কমিশন ও জন প্রশাসন মন্ত্রনালয়ে করা অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মোঃ বাদল মিয়া বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের পরিসংখ্যান সহকারী পদে চাকরিতে কর্মরত আছে। বাদল মিয়া রাজনীতি করে পূর্ব থেকেই। সে চাকরি পাওয়ার পরেও পূর্বের ন্যায় রাজনীতিতে সক্রিয় আছে। রাজনীতির সকল অনুষ্ঠানে সে সবসময় উপস্থিত থাকে। যে কোন নির্বাচনে বাদল মিয়া সরাসরি কোন প্রার্থীর পক্ষে নিয়ে নির্বাচনের মাঠে ভোট নিয়ে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে। ভোটারদের কাছে ভোট চায়।

সম্প্রতি বাদল মিয়া পানিশ্বর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবে বলে প্রচার করতাছে। সে তার শুভাকাঙ্ক্ষীদেরকে দিয়ে ফেইসবুকে এ বিষয়ে পোস্ট দেওয়াচ্ছেন। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা করেছেন।

অভিযোগ, বাদল মিয়া চাকরি করে অবৈধভাবে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। বাদল মিয়ার ফেইসবুক আইডি ঘুরলে দেখা যায় সে বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে জড়িত আছে। নির্বাচনে ভোটারদের কাছে প্রার্থীর জন্য ভোট চাচ্ছেন। আগামী নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবে প্রচার করছেন ফেইসবুকে।

সরকারি কর্মচারী ( আচরণ) বিধিমালা – ১৯৭৯ এর ২৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী কর্মকর্তা – কর্মচারীরা কোন রাজনৈতিক দল বা অঙ্গসংগঠনের সদস্য হতে পারবে না। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বা কোনো ধরনের সহায়তা করতে পারবে না।২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায় ও সরকারি চাকরিজীবীদের ভোটের প্রার্থীর অংশগ্রহণ বা সহায়তা করার বিষয়ে নিষেধ রয়েছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের` গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ `- এর ২০২১ সালের ২৮ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনের(চ) ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর তিন বছর পর না হওয়া পর্যন্ত কোনো সরকারি কর্মকর্তা – কর্মচারী কোনো ধরনের নির্বাচন বা রাজনৈতিক দলের সদস্য নির্বাচিত হতে পারবেন না।

এ বিষয়ে, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এমন আচরণ চাকরিবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাঁরা জনগণের কাছ থেকে বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন এবং তাঁরা কোনো দলের কর্মী নন।

এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে বাদল মিয়ার সাথে কথা বলে জানতে চাইলে,তিনি বলেন একজনের ব্যাক্তি পছন্দ থাকতেই পারে।অনেক সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীর ফেসবুকেই এমন পোষ্ট দেখতে পাবেন।চেয়ারম্যানের বিষয় হয়তো আমার শুভাকাঙ্খিরা পোষ্ট করেছেন।তবে এমন সিদ্বান্ত নিলে চাকুরী ছেড়েই নেব বলে জানান বাদল মিয়া।

      -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর



ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী-বিশ্বস্ত বন্ধু: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৪৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদির সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে , ‘ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী-বিশ্বস্ত বন্ধু। আমাদের দুই পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে আমরা অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মধ্যে রাজনীতি ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সংযোগ, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, জ্বালানি ও শক্তি এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছি।

আজ ২২ জুন শনিবার নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন শেখ হাসিনা। দুই নেতার উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে ১০টি সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরপর দেওয়া বক্তব্যে বৈঠক ফলপ্রসু হওয়ার কথা উল্লেখ করেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, ‘ঢাকা ও নয়াদিল্লি উভয় দেশের জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে ডিজিটাল ও সবুজ অংশীদারিত্বের জন্য একটি যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়সহ উচ্চপর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত এবং দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে আমরা দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার পথ এবং কার্যপন্থা নিয়ে আলোচনা করেছি।

দুই দেশের ও জনগণের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার বিষয়ে তারা সম্মত হয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা তিনি বলেন, ‘যেহেতু নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে ঢাকা ও দিল্লি নতুনভাবে পথচলা শুরু করেছে, সে ধারাবাহিকতায় আমরা ‘রূপকল্প ২০৪১’ এর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ অনুসরণ নিশ্চিত করার জন্য ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি।

শেখ হাসিনা বক্তব্যের শুরুতে নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন । তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পর এটিই কোনো দেশে আমার প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। আমাকে ও আমার প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ আতিথেয়তা প্রদান করায় ভারত সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশি, বিশ্বস্ত বন্ধু ও আঞ্চলিক অংশীদার। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে শুরু হওয়া ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে বাংলাদেশ সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার এবং ভারতের জনগণের অবদানকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। ভারতের সেইসব বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, যারা ১৯৭১ সালের আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।


আরও খবর



নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে আমের ভাল দাম পেয়ে খুশি কৃষক

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৮২জন দেখেছেন

Image

ডিএম রাশেদ পোরশা (নওগাঁ):গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর আমের ভাল দাম পেয়ে খুশি নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলের আম চাষীরা। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর বাজারে সকল প্রকার আম তিন গুন বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এবছর আমের ফলন কম। তবে ভাল দাম পেয়ে ক্ষতিপুষিয়ে যাচ্ছে চাষীদের।  

নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলের বাতাসে বইছে এখন পাকা আমের মিষ্টি ঘ্রান। গাছে গাছে দেখা দিয়েছে বছরের শ্রেষ্ট ফল পাকা আম। এরই মধ্যে বাজারে উঠতে শুরু করেছে ফরমালিনমুক্ত গাছ পাকা তরতাজা আম। 

পাখিরা এখন গাছের ডালে বসে রসালো পাকা আম খাচ্ছে আর মোনের সুখে গাইছে প্রাণের গান। আম চাষী, ব্যবসায়ী, কৃষক, দিনমজুররা আম পাড়ায় ব্যস্ত। অনেকেই পরিবারের সকলে মিলে একসাথে বসে পাকা আম খাওয়ায় ব্যস্ত, আবার কেউ আত্মীয় স্বজনের বাসায় পাকা আম পাঠানোই ব্যস্ত।

পোরশা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র সারাইগাছী বাজার, পোরশা সদর বাজার, তেঁতুলিয়া বাজার, নোচনাহার বাজার, শিশা বাজার ও বড়গ্রাম বাজার এবং সাপাহার উপজেলা সদরের আমের আড়ৎ গুলোতে গাছ পাকা আম কেনা বেচা শুরু হয়েছে। আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা গাছ থেকে আম ভেঙ্গে বাজারে বিক্রি করা শুরু করেছেন। অনেক বাগান মালিকরা গাছেই আম ঠিকায় (কনটাকে) বিক্রি করছেন।

গাছে সকল জাতের আম পাকা দেখা না গেলেও গত কয়েকদিনে গুটি জাতীয়, গোপালভোগ ও খিরসাপাত(হিমসাগর) আম পাকা দেখা দিয়েছে। এ জাতীয় আমগুলো গাছ থেকে নামাতে নামাতেই পাকা দেখা দিবে আমের রাজা বলে খ্যাত ল্যাংড়া, এর পর পর্যায়ক্রমে ফজলী, রূপালী ও আশ্বীনা।

গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর আমের ভাল দাম পেয়ে খুশি আম চাষীরা। এবছর গুটি জাতীয় আম ১মন (৫২কেজি) বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১৫০০টাকা পর্যন্ত। গোপালভোগ একই ওজনে প্রতি মন আম বিক্রি হচ্ছে ২৪০০ থেকে ২৮০০টাকা পর্যন্ত। আর খিরসাপাত(হিমসাগর) প্রতি মন বিক্রি হচ্ছে ২৮০০ থেকে ৩৫০০ টাকা পর্যন্ত।

পোরশা উপজেলার বেশ কয়েকটি বাজারের আমের আড়ৎগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, ব্যাপকভাবে আম বেচা-কেনা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন এ উপজেলার বিভিন্ন আড়ৎ থেকে প্রায় অর্ধ শতাধীক ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন শহর এবং এলাকায় আম রপ্তানী করা হচ্ছে।

পোরশা উপজেলার সহড়ন্দ গ্রামের আমচাষী হাবিবুর রহমান জানান, এবছর আম মৌসুমের শুরু থেকে আবহাওয়া ভাল থাকলেও গাছে মুকুল আসার পরই কয়েকবার আকাশের বৃষ্টি হওয়ায় অনেক মুকুল ঝরে গিয়েছিল। এ কারনে এবছর আমের ফলন তুলনামূলক কম। তবে গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর বাজারে আমের দাম অনেক ভাল। যে কারনে ফলন কম হলেও, দাম ভাল পেয়ে ক্ষতি পুষিয়ে যাবে বলে জানান তিনি। উপজেলার পাইকারী আম ব্যাবসায়ী সজল মিয়া জানান, তাদের আড়তে প্রতিদিন গুটি, গোপালভোগ ও খিরসাপাত আম বেচা কেনা হচ্ছে। একদিকে এলাকায় আমের ফলন কম, অন্যদিকে মোকামে চাহিদা বেশি থাকায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর আমের দাম অনেক বেশি।

পোরশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মামুনূর রশিদ জানান, নওগাঁ জেলার অন্যান্য উপজেলার মধ্যে সর্বোচ্চ আম চাষ হয় পোরশা উপজেলায়। এবছর এ উপজেলায় ১০হাজার ৬শ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছে। পোরশা উপজেলার মাটি আম চাষ করার উপযোগী। মাটি ভাল হওয়ার কারনে এখানকার আম অনেক সুস্বাদু বলেও জানান তিনি।


আরও খবর