Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

শৈত্যপ্রবাহ কেটে গেছে, তাপমাত্রা বেড়েছে

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ২৩৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগের চেয়ে তাপমাত্রা আরও বেড়েছে। ফলে অনেক অঞ্চল থেকে শৈত্যপ্রবাহ কেটে গেছে। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, তাপমাত্রা বাড়ার মাধ্যমে আগামী পাঁচ দিনে শীতের তীব্রতা আরও কমে যেতে পারে।

আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। নওগাঁ ও মৌলভীবাজার জেলাসহ রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

এ সময় সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

এদিকে, পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, এ সময় আবহাওয়ার বর্তমান অবস্থার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। তবে আগামী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও বেড়ে শীতের অনুভূতি কমে যেতে পারে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও এর আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে; এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

গতকাল রোববার দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চট্টগ্রামে ৩০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ সোমবার ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ৩৮ মিনিটে।


আরও খবর



কুড়িগ্রামের রৌমারীর চালককে হত্যা করে অটোবাইক ছিতাই গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫১জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:ইজিবাইক চালককে হত্যা ঘটনার অপরাধিদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন করেছেন ইজিবাইক সংগঠনের চালকরা। বাংলাদেশ অটোবাইক শ্রমিক কল্যান সোসাইটি রৌমারীর ডাকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা চত্তরে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন করেন শ্রমীকরা।

বানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ইয়াকুব আলী সভাপতি দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন অটোবাইক শ্রমীক সংগঠন, জাহাঙ্গীর আলম সভাপতি যাদুরচর ইউনিয়ন অটোবাইক শ্রমীক সংগঠন, রুস্তম আলী সহ-সভাপতি রিক্সা-ভ্যান শ্রমীক ইউনিয়ন, নুরুজ্জামান সভাপতি উপজেলা রিক্সা-ভ্যান শ্রমীক ইউনিয়ন, নুরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক ট্রাক লড়ি শ্রমীক সংগঠন, এনামুলের বন্ধু এসএমএ মোমেন, মহির উদ্দিন শ্রমীক নেতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাংলাদেশ অটোবাইক শ্রমিক কল্যান সোসাইটি রৌমারী, হারুন অর রশিদ উপদেষ্টা বাংলাদেশ অটোবাইক শ্রমিক কল্যান সোসাইটি রৌমারী, ওমর ফারুক ইছা কার্যকরি পরিচালনা কমিটি সভাপতি বাংলাদেশ অটোবাইক শ্রমিক কল্যান সোসাইটি রৌমারী ও নুরুল আজম বাবু সভাপতি বাংলাদেশ অটোবাইক শ্রমিক কল্যান সোসাইটি রৌমারী, স্ত্রী আয়শা খাতুনসহ অন্যান শ্রমীকবৃন্দ।

বক্তাগণ বলেন, ইজিবাইক চালকের হত্যার এবং থানায় মামলার ১১ দিন পার হলেও আজ পর্যন্ত একটি আসামীকে সনাক্তসহ গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বক্তাগন আরো বলেন, পুলিশ পারে না, এমন কিছু কাজ নাই পারে না। পানির নিচে থেকে হলেও আসামী গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তবে একজন গরীব সাধারণ মানুষ হেতু তার কোন গুরুত্ব নাই। একজন ধনী ব্যাক্তি হলে দ্রুত আসামীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হতো। তবে আমরা আসা করি দ্রুত আসামীকে সনাক্ত ও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক। ৭ দিনের আল্টিম্যাটাম দিয়ে তারা আরো বলেন, ৭ দিনের মধ্যে আসামীদেরকে গ্রেফতারের আওতায় আনতে না পারলে শ্রমীক সংগঠন বাধ্য হবে দুর্বার আন্দোলন ও পরিবহন বন্ধ রাখা।

উল্লেখ্য যে, কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে ছিনতাইকারিরা চালককে হত্যা করে ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা ছিনতাই করেছে। হত্যার শিকার এনামুল হক (৫০) রৌমারী সদরের মধ্য ইছাকুড়ি গ্রামের মিছির আলীর ছেলে। ২৯ জানুয়ারী মঙ্গলবার রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের স্লুইজগেট এলাকার ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে সাড়ে ৭টার দিকে কয়েকজন কৃষক ধান রোপন করতে এসে ক্ষেতে এনামুলকে পড়ে থাকতে দেখে। পরে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে তুলে আগুন জালিয়ে শরীর গরম করার চেষ্টা করতে থাকে। এমন অবস্থায় সাথে সাথে রাজিবপুর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। মৃত এনামূলের কাছে থাকা ইজিবাইকটিও হত্যাকারীরা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ হত্যাকান্ডে রাজিবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। 


আরও খবর



উলিপুরে ২৮ তম বইমেলার শুভ উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image
কুড়িগ্রাম ব্যুরো চিফ :"উলিপুর বইমেলা হোক উত্তরাঞ্চলের সাহিত্য সংস্কৃতির মিলন মেলা।"এ স্লোগানকে আদলে নিয়ে আজ ১০ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ১১ টায় উলিপুর বিজয় মঞ্চ চত্বরে শুভ উদ্বোধন হলো ২৮তম উলিপুর বই মেলা। উলিপুর ফ্রেন্ডস ফেয়ারের আয়োজনে কুড়িগ্রাম-৩ উলিপুর আসনের নব-নির্বাচিত এমপি সৌমেন্দ্র প্রসাদ পান্ডে গবা ৭ দিনব্যাপি ২৮তম উলিপুর বই মেলার ফিতা কেটে শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।এরপর আনুষ্ঠানিক জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের পর উদ্ভোধনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় উদ্ভোধনী আলোচনা সভায় ফ্রেন্ডস ফেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নাট্যকার জাহিদুল ইসলাম জাহিদের সভাপতিত্বে সূচনা বক্তব্য রাখেন, ফ্রেন্ডস ফেয়ারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোঃ জুলফিকার আলী (সেনা )।

উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উলিপুর সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ আবু যোবায়ের আল মুকুল, বি,এম,এ, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা: লোকমান হাকীম, উলিপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, উলিপুর শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক স,ম আল মামুন সবুজ। 

উলিপুর বই মেলায় জাতীয় পর্যায়ের কয়েকটি প্রকাশনীর স্টলসহ প্রায় ২৮ টি স্টল রয়েছে। 
রংপুর বিভাগের ঐতিহ্যবাহী ৭ দিনব্যাপি উলিপুর বই মেলার দৈনন্দিনের আয়োজনে থাকছে, স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বিষয় ভিত্তিক প্রতিযোগিতা ও প্রতিদিনের রাতের আয়োজনে থাকছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নাটক ও মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

"তোমাদের রক্তসিক্ত মাটিতে প্রতিনিয়ত জন্মে বিবর্তনের অংকুর" এমন বাক্যকে অন্তরে লালন ও ধারণ করে মেলা চত্বরে প্রতিদিনের আয়োজনে থাকছে, বাঙালীর মুক্তি সংগ্রামের চলচিত্র প্রদর্শনী। 
২৮তম উলিপুর বই মেলা পরিচালনা কমিটি'র সমন্বয়কারী জিয়ন রায়হান উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন।

আরও খবর



নারী- পুরুষ সবারই কাদামাটির গন্ধমাখা শরীর

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুরঃকঠোর পরিশ্রম আর নিপুন হাতের ছোঁয়ায় মাটির তৈরী জিনিসপত্রে নিপুনতার ছাপ ও সৌন্দর্য থাকলেও মলিন পোশাক, ও রোগ ব্যধির ফলে দ্রুত আসা বার্ধক্য একটা মলিন আবরণ ফেলে দিয়েছে গাংনীর আমতৈল কুমোরদের জিবনে। দিন রাত পরিশ্রম করেও দারিদ্রের কষাঘাত থেকে মুক্ত হতে পারছে না তারা। অভাব যেনো হা করে আসছে ওদের গিলে খেতে। কঠোর পরিশ্রমে চলে এদের সংসার। একদিকে মাটি ও আনুষাঙ্গিক জিনিসের দাম বেড়েছে অন্যদিকে প্লাস্টিকের চমক প্রদ দ্রব্যাদির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় নিপুন শিল্পকর্ম খচিত মাটির জিনিষের কদর কমে গেছে। তার পরও নিজেদের জীবন জীবিকার তাগিদে কোন রকমে এ পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন তারা।

মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার দুরে আমতৈল গ্রাম। গ্রামের ২৭টি কারখানায় শতাধিক পরিবারের লোকজন মৃৎ শিল্পের সাথে জড়িত। নারী-পুরুষ সবারই কাদামাটির গন্ধমাখা শরীর। এদের নিপুন হাতের শিল্পকর্মে তকতকে কাদামাটি হয়ে উঠে নিত্য ব্যবহার্য বাসন পত্র, নানা দেব- দেবীর মূর্তি। ফুলের টব, নান্দা, খেলনাসহ কারু কাজ করা শোপিচ তৈরী করে বিক্রি করতো এ পেশায় নিয়োজিতরা। এনামেল ও প্লাস্টিকের তৈরী জিনিষের কদর বেড়ে যাওয়ায় মাটির তৈরী জিনিষের এখন আর সেই কদর নেই। এখন পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য তৈরী করা হচ্ছে মাটির পাট বা স্লাব।

পালপাড়ার জগন্নাথ পালের স্ত্রী সুমিতা (৫৮) জানান, কিশোর বয়সে মনের অজান্তেই মা- বাবার দেখা দেখিতে এই কুমোর জিবনে জড়িয়ে গেছি। রাত দিন কাদামাটির কাজ করে যেন হয়ে গেছি মাটির মানুষ। সংসারে রয়েছে ৬ মেয়ে ২ ছেলে। জমি জিরাত নেই। একাজ করে যা আয় হয় তা দিয়ে সংসারের ব্যয় নির্বাহ হয় না। তার পরও বাধ্য হয়ে এ পেশায় নিয়োজিত।

কর্ণপালের ছেলে মঙ্গল কুমোর জানালেন, আগে মাঠ থেকে মাটি সংগ্রহ করা যেতো।এখন তা সম্ভব হচ্ছে না। মাটির দাম বেড়েছে। আগে এক ট্রলি মাটির দাম ছিল ২০০ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৫০০ টাকা। বছর খানেক আগে এক ট্রলি খড়ির (জ¦ালানী) দাম ছিল ৫০০ টাকা এখন সেই খড়ি বা জ¦ালানীর দাম ১০০০ টাকা। মন প্রতি গার্মেন্টস্ধসঢ়; ফ্যাক্টরীর ঝুট কিনতে হচ্ছে ৬০০ টাকায়। অন্যান্য জিনিষের দাম বাড়লেও মাটির তৈরী জিনিষের দাম বাড়েনি। তার পরও পৈত্রিক পেশা টিকিয়ে রাখতে এটিকে ছাড়তে পারেননি।

মৃৎ শিল্পের অন্যতম ব্যবসায়ি জমসেদ আলী জানান, অনেক মৃৎ শিল্পীর নিজস্ব জমি নেই। কারখানার মালামাল তৈরী ও চুলার জন্য জমি লীজ নিতে হয়। এক বিঘা জমি লীজ নিতে বাৎসরিক ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা দিতে হয়। বছরের মাত্র ৮ থেকে ৯ মাস চলে এ ব্যবসা।

অনেক কুমোর বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে মৃৎ শিল্পে বিনিয়োগ করেছেন। আনুষঙ্গিক খরচ মিটিয়ে এমন কোন টাকা থাকে না যা দিয়ে সমিতির কিস্তি পরিশোধ করবেন। সরকার যদি স্বল্প সুদে কুমোরদের ঋণের ব্যবস্থা করতো তাহলে সকলেই স্বাবলম্বী হতে পারতো।


আরও খবর



সৈয়দপুরে রেলওেয়ের জমি বেদখল,থেমে নেই কারখানার যন্ত্রাংশ চুরি

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২০জন দেখেছেন

Image
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:সৈয়দপুর রেলবিভাগের দায়িত্বশীল কঠোর কোন অভিভাবক না থাকায় প্রায় প্রতিদিনই গভীর রাতে রেলকারখানার যন্ত্রাংশ চুরি ও কোয়ার্টার সহ প্রায় সারে ৪ শত একর ভুসম্পতি বেদখল হয়ে গেছে। রেলবিভাগের সম্পদ রক্ষার্থে একাধিক কর্মকর্তা, কর্মচারী,সহ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও কর্মচারী থাকলেও কারখানার যন্ত্রাংশ চোর সহ ভুমিদস্যুদের সাথে যোগসাজশ থাকায় অভিযোগ দিয়ে ও প্রতিকার নেই বলে অভিযোগ একাধিক মহলের।

রেল সুত্র মতে, ১৮৭০ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের বিশাল কারখানা গড়ে উঠে সৈয়দপুরে। কারখানাটি প্রতিষ্ঠা লগ্নে প্রায় ১২ হাজার কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিক নিয়োগ দেয়া হয়। গোড়ার দিকে জনবলে ভরপুর কারখানাটিতে ট্রেনের ইঞ্জিন ছাড়া ট্রেনের বগি, নাটবল্টু সহ প্রায় সবই তৈরি করা হতো। এর ফলে সারা পৃথিবী জুড়ে কারখানার সুনাম সহ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে দেশের। ১৯৮৬ সাল থেকে শ্রমিক ছাটাইয়ের ফলে বর্তমানে জনবল দাড়িয়েছে প্রায় ২ হাজারের মতো।সুত্রটি জানান, রেলওয়ে কারখানাটিতে তৎকালীন সরকার এই বৃহৎ কারখানার সার্বিক দায়িত্বে নিযুক্ত করেন বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডিএস) কে। ওই সময় শ্রমিকদের জন্য সারে ৮ শত একর সম্পত্তিতে প্রায় ৩ হাজার কোয়ার্টার, আবাসিক ভবন সহ পতিত জমিতে রোপনকৃত গাছ রক্ষার্থে দায়িত্ব দেয়া হয় উপসহকারী প্রকৌশলী( আবাসিক) ও সহকারি নির্বাহী প্রকৌশলীকে। তৎকালীন সরকার এর আইন মোতাবেক ১৮৭০ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ওইসকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাদের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করে আসছিলেন।কিন্তু ১৯৯৬ সালের পর শ্রমিক ছাটাইয়ের ফলে শুরু হয় কারখানার দামী দামী যন্ত্রাংশ চুরি। একই সাথে বেদখল হতে থাকে কোয়ার্টার সহ ভুসম্পত্তি।

সৈয়দপুর শহরের ভজে পাড়া সংলগ্ন রেলওয়ের জমিতে সদ্য বহুতল ভবন নির্মাণকারি মিন্টু বলেন, আমার জানা মতে রেলওয়ের জমির বরাদ্দ দেয়া আপাতত বন্ধ রয়েছে। আর তাই সকলে যেভাবে রেলের জায়গায় ঘরবাড়ি বানাচ্ছে, আমি ও সেভাবেই নির্মাণ করছি। রেল বিভাগ বরাদ্দ দিলে কেউই অবৈধ ভাবে রেলের জায়গায় ঘরবাড়ি নির্মাণ করতো না।

রেলওয়ে কারিগরি পরিষদের কেন্দ্রিয় নেতা ও সৈয়দপুর কারখানা শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন,কারখানার দায়িত্বে নিয়োজিত  কঠোর কোন অভিভাবক না থাকার দরুন এযাবৎ ১২৩৯ টি কোয়ার্টার বেদখল হয়ে গেছে। একই সাথে বেদখল হয়েছে  ৪২৭ একর ভুসম্পত্তি। জনবল সংকটে কারখানায় তেমন একটা কাজকর্ম না থাকায়, দামী দামী অনেক যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয় । কিন্তু এরপরেও ওইসব যন্ত্রাংশের মুল্য নির্ধারন করা হয়েছিল প্রায় হাজার কোটি টাকা। একই সাথে বেদখল হয়ে যাওয়া ১২৩৮ কোয়ার্টার ও বেদখল হয়ে যাওয়া ভুসম্পত্তির বেসরকারি ভাবে মুল্য নির্ধারন হয়েছিল প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু শুধুমাত্র রেল বিভাগের কঠোর কোন অভিভাবক না থাকায় চোর চক্র ও ভূমিদস্যুদের কারনে মুল্যবান ওইসব রেলসম্পদ বেহাত হয়ে যায়। দেশের সম্পদ রক্ষার্থে স্হানীয়রা রেলওয়ে কর্মকর্তাদের বারবার অভিযোগ করলেও সম্পদ রক্ষার্থে কঠোর কোন পদক্ষেপই নেননি তারা।। উল্টো অভিযোগ কারীকে মামলা করার হুমকি দেয়া হয়েছে। এর ফলে চোর চক্রটি প্রায় প্রতিরাতেই কারখানার দেয়াল ডিংগিয়ে পাচার করছে দামী দামী যন্ত্রাংশ। সেই সাথে কোয়ার্টার দখল বিক্রয় ও পতিত জমি দখল করে সেখানে নির্মান হচ্ছে পাকা ঘরবাড়ি ও বহুতল ভবন।  এতে চোর চক্র ও ভূমিদস্যুরা কোটি কোটি টাকার মালিক হলেও সরকার বঞ্চিত হয়েছেন হাজার কোটি টাকার সম্পদ থেকে। বেদখল হয়ে যাওয়া ভুসম্পত্তি ও কোয়ার্টার উদ্ধার করে অপ্রয়োনীয় সম্পত্তি ও কোয়ার্টার বিক্রি করে দিলে ওই টাকায় দেশের অনেক উন্নয়ন সম্ভব বলে জানান তিনি । 

পার্বতীপুর ৭ নং রেলওয়ে কাচারির ফিল্ড কানুনগো সাজ্জাদ হোসেন দখলের সত্যতা স্বিকার করে বলেন,রেলওয়ের যেসব সম্পত্তি বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের  নামে খতিয়ান ভুক্ত হয়েছে, সেসব জমির রেকর্ড সংশোধনী মামলা করার জন্য কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। ।

জানতে চাইলে সৈয়দপুর রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী (আবাসিক) শরিফুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ের জমি অবৈধ ভাবে দখলকারিদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া চলমান।  উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা ছাড়া কঠোর কোন পদক্ষেপই নেয়া সম্ভব হয় না। তিনি বলেন, একদিকে জনবল সংকট, অন্য দিকে নির্দেশনা নেই।যার ফলে ২/১ জন দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে চুপ করে থাকতে হয়।

আরও খবর



সৎকর্মের মধ্য দিয়ে আমরা মৃত্যুর পরও মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকবো: হুইপ ইকবালুর রহিম

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image

দিনাজপুর প্রতিনিধি:জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেন, শ্রী শ্রী অনুকুল ঠাকুর ১৩৬ বছরেও আমাদের মাঝে বেচে আছেন তার সৎ কর্মের জন্য, তার ভাল কথার জন্য, সৎ গুণের জন্য এবং মানুষকে জ্ঞানের আলোয়, সততার আলোয় আলোকিত করেছেন বলেই। আমরা শ্রী শ্রী অনুকুল ঠাকুরের জন্মবার্ষিতে শপথ নেই আমরা সৎভাবে জীবনযাপন করবো। সৎসঙ্গ লাভের মধ্য দিয়ে সৎপথে পরিচালিত হওয়ার চেষ্টা করবো। আমাদের মধ্যে প্রেম জাগ্রত করে আমাদের পৃথিবীতে হানাহানি বন্ধ করে প্রেমময় বিশ্ব গড়ে তুলবো।সমাজে যে হিংসা বিদ্বেস দুর করবো। সৎ কর্মের মধ্যে আমরা মৃত্যুর পরও মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকবো। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অসম্প্রদায়িক চেতনার আলোকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অসম্প্রদায়িক সুখী সমৃদ্ধ উন্নত আধুনিক স্মার্ট গড়ে তুলবো।

শুক্রবার যুগ পুরুষোত্তম পরমপ্রেমময় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৬তম জন্মবার্ষিকীর মহোৎসব উপলক্ষে দিনাজপুর সদরের গোপালগঞ্জস্থ সৎসঙ্গ বিহার শ্রীমন্দির প্রাঙ্গনে মন্দির পরিচালনা কমিটি, উৎসব উদযাপন কমিটি, পাঞ্জাধারী ও স্থানীয় সকল ভক্তবৃন্দের সার্বিক সহযোগিতায় সাধারণ ধর্মসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এসব কথা বলেন।

সৎসঙ্গ বিহার মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী ধরনী কুমার রায়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি দিনাজপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মমিনুল করীম, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইমদাদ সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল রায়হান, দিনাজপুর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুনীল চক্রবর্তী, সাধারন সম্পাদক রতন সিং, সহ-প্রতিঋত্বিক শ্রী ভবদীশ ব্যানাজী, সহ-প্রতিঋত্বিক শ্রী ক্ষিতিশ চন্দ্র শীল প্রমুখ।আলোচক ছিলেন সহ-প্রতিঋত্বিক খুলনার শ্রী অজয় সরকার, সহ-প্রতিঋত্বিক গাইবান্ধার শ্রী নিমাই চন্দ্র বর্মন। আলোচ্য বিষয় ছিল-পরম প্রেমময় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের দিব্য জীবন ও বাণী।এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন মন্দির পরিচালনা কমিটি, উৎসব উদযাপন কমিটি, পাঞ্জাধারী ও স্থানীয় সকল ভক্তবৃন্দের নেতৃবৃন্দ।


আরও খবর

মির্জা আব্বাস কারামুক্ত হলেন

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪