Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

সংবাদ প্রকাশের জের,নাসিরনগর নির্বাচন অফিসের কর্মচারীর তাৎক্ষনিক বদলী হলে ও কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে

প্রকাশিত:Monday ২৪ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২০৮জন দেখেছেন
Image


মোঃ আব্দুল হান্নান,

ব্রাক্ষনবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্য্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ দৈনিক সমকার,দৈনিক যুগান্তর,দৈনিক আজকের পত্রিকা,দৈনিক কুরুলিয়া সহ একাধিক জাতীয়,স্থানীয় পত্রিকায়,বিভিন্ন অনলাইন ও সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত হবার পর নাসিরনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. আবু সুফিয়ানকে বদলি করা হলেও কর্মকর্তা রয়েছে বহাল তবিয়তে।


রোববার কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়।আবু সুফিয়ান কে নাসিরনগর থেকে সরাইলে বদলি করা হয়েছে বলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে।


গত শনিবার নাসিরনগর নগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ একাদিক পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত হয়।সংবাদে বলা হয়, নাসিরনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মোঃ মিজান, ভলাকুটের রইস খান, পূর্বভাগের পারভেজ, সদরের বিকাশ ও হরিপুরের তারেক- এই পাঁচজন নির্বাচন অফিসারের সঙ্গে আঁতাত করে সেবাপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।


প্রতিটি নতুন এনআইডি কার্ড করতে ২০ হাজার থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা, সংশোধনের জন্য ক্যাটাগরিভেদে পাঁচ থেকে ৩০ হাজার টাকা নেন।আশুরাইল গ্রামের সায়েম মিয়া জানান,তার আইডি কার্ডের বয়স ও নামের ভূল সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে গেলে সেই অফিসে কাজ করে একজন তার নিকট সেই কাজের জন্য ৩৫ হাজার টাকা দাবী করে।এমন অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের পরদিনই রোববার অফিস সহকারী আবু সুফিয়ানকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। তাকে নাসিরনগর থেকে সরাইল উপজেলা নির্বাচন অফিসে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



একটি শোক সংবাদ

একটি শোক সংবাদ

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৯৪জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোকর্ণ ইউনিয়নের ব্রাহ্মণশাসন গ্রামের কৃতি  সন্তান,বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র  আইনজীবী এডভোকেট মোঃ মাহফুজ মিয়া আজ ১৯ মে ২০২২ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ঘটিকার সময় রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

ইন্নালিল্লাহে,,,রাজিউন)।


তিনি ছিলেন বৃহত্তর কুমিল্লা আইনজিবী সমিতির সিনিয়র সভাপতি ও  ঢাকাস্থ নাসিরনগর উপজেলা সমিতির আজীবন সদস্য। ব্যাক্তি জীবনে তিনি খুবই সজ্জন,সদালাপি,আমোদপ্রিয় মানুষ ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র, স্ত্রীআত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধ সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।


তার বড় ছেলে চাকুরীজীবি,ছোট ছেলে ব্যারিষ্টার আর স্ত্রী অবসর প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষিকা।তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম( বি,এম,এস,এফ) নাসিরনগর উপজেলা শাখার সভাপতি দৈনিক দেশ রূপান্তর ও এশিয়ান টেলিভিশনের নাসিরনগর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল হান্নান


আরও খবর



শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌরুটে প্রস্তুত নতুন ফেরিঘাট

প্রকাশিত:Monday ২৫ April ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ১৩৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দক্ষিন বঙ্গের সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যাবস্থায় শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে শরীয়তপুরের মাঝিকান্দিতে নতুন ফেরিঘাট স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। সোমবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে ঘাটে যুক্ত করা হয়েছে পন্টুন। মঙ্গলবার সকাল থেকে নতুন ঘাটটিতে ফেরি নোঙর ও যানবাহন ওঠানামা করতে পারবে।


বিআইডব্লিটিএ শিমুলিয়া নদী বন্দরের নৌসংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের সহকারী পরিচালক ওবায়দুল করিম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি বলেন, মাঝিকান্দিতে নতুন ঘাটটির কাজ শুরু হয় ১৯ এপ্রিল। ছয়দিনের মাথায় কাজ শেষ হলো। ঘাট স্থাপনে আরও দুইদিন সময় ছিল। নতুন ঘাটটির ফলে এখন মাঝিকান্দিঘাটে একসঙ্গে তিনটি ফেরি নোঙর ও যাত্রী-যানবাহন ওঠানামা করতে পারবে। আগে ঘাটটিতে দুটি ফেরি নোঙরের সুযোগ ছিল। মাঝেমধ্যেই আবার একটি নোঙর করলে আরেকটি নোঙরের করার জন্য অপেক্ষা করতে হতো। এতে যানবাহনকে বেশি সময় ঘাটে অপেক্ষা করতে হতো।


ওবায়দুল করিম খান বলেন, আসন্ন ঈদে যানবাহনের সংখ্যা বাড়বে। তাই নতুন ঘাট স্থাপন করা হয়েছে। নতুন ঘাটটিতে মিডিয়াম, কে-টাইপ ও ডাম্প ফেরি নোঙর করতে পারবে। ফলে ফেলি চলাচলে আরও গতি আসবে। ঘাটে যানবাহন নিয়ে যাত্রীদের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না।



আরও খবর



স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সব থেকে পরিবেশবান্ধব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  


গ্যাস ফুরিয়ে গেলে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আমাদের বিদ্যুৎ দেবে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।


বুধবার (১৮ মে) আওয়ামী লীগ আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।  


বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সভায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।


সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ বাংলাদেশ পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেল।


এর ভেতরে আমাদের কিছু নতুন আঁতেল আবার জুটেছে। একজন অর্থনীতিবিদ বলেই দিলেন আমরা যে, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছি এটা না কি অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ ক্ষতিকর।


আমরা প্রশ্ন হচ্ছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র এটা হচ্ছে সব থেকে পরিবেশবান্ধব। গ্যাস তো চিরদিন থাকে না। এক একটা কূপের তার তো সময় নির্দিষ্ট থাকে। তেলভিত্তিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ আমরা করি, অনেক খরচেরও ব্যাপার। যদি কোন দিন এমন হয় যে, আমাদের গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন আমাদের এই নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টই বিদ্যুৎ দেবে। 


আর এটা পরিবেশবান্ধবও একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানে বিনিয়োগটা বড় করে দেখা যায়। কিন্তু এর বিদ্যুৎ যখন উৎপাদন হবে আর এর বিদ্যুৎ যখন মানুষ ব্যবহার করবে আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বেশি অবদান রাখবে। 


আজ আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি বলেই সারা বাংলাদেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা যখন রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করলাম তখন কত সমালোচনা। আমরা যখন ডিজিটার বাংলাদেশ ঘোষণা দিলাম তখন কত সমালোচনা। এখন ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করেই আমাদের সমালোচনা করছে। তারা যে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন এটা কিন্তু আমরা দিচ্ছি। 


খালেদা জিয়ার আমলে, জিয়ার আমাল বা এরশাদের আমলে তাদের কি কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল। অধিকার ছিল, কতটুকু অধিকার ভোগ করতেন তারা। টক শো তারা করেই যাচ্ছেন, টক টক কথা বলেই যাচ্ছেন। তাদের তো গলাটিপে ধরি না, মুখ চিপেও ধরি না। বলেই যাচ্ছেন, সব কথা বলার শেষে বলে কথা বলতে দেওয়া হয় না। 


বিএনপির এক নেতা তো সারা দিন মাইক মুখে লাগিয়ে আছেন। সারাক্ষণ বলেই যাচ্ছেন। একবার কথা বলতে বলতে গলায় অসুখও হলো। চিকিৎসা করে তিনি আবার কথা বলছেন। কথা তো কেউ বন্ধ করছে না। তাদের আন্দোলনে যদি জনগণ সাড়া না দেয় সে দোষটা কাদের?


প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে যে, অর্থনীতিবিদ তিনি হিসাব দেখালেন তাকে আমি বলবো, তিনি কী এটা প্রকৃতপক্ষে জেনেই বলছেন, না কি না জেনেই বলছেন। আমি তার জ্ঞান নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলবো না কারণ তারা অনেক ভালো লেখাপড়া জানেন। 


কিন্তু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে একটি মানুষের বা একটা জাতি যে কতটুকু উন্নতি হতে পারে সে তো আজকের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নটা বাইরের লোকে দেখে কিন্তু তারা দেখে না চোখে।


পদ্মাসেতুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আরেকটি হচ্ছে পদ্মাসেতু, এই পদ্মাসেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনুস। কেন, গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকে উপদেষ্টা হতে। এমিরেটাস উপদ্ষ্টো হিসেবে থাকার জন্যে, আরও উচ্চ মানের। সেটায় সে থাকবে না, তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না। 


ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারবেন না ১০ বছর। গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে, তিনি মামলায় যে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনুস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাফুজ আনাম তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টেটমেন্টে, হেলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। হিলারি লাস্ট একেবারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তার শেষ কর্মদিবসে পদ্মাসেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। 


যাক একদিকে সাপে বর হয়েছে। বাংলাদেশের নিজের অর্থায়নে পদ্মাসেতু করতে পারে সেটা আজকে আমরা প্রমাণ দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এখানে একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন পদ্মাসেতু দিয়ে যে রেললাইন হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, এ টাকা তো ঋণ নিয়ে করা হচ্ছে এই ঋণ শোধ হবে কী করে কারণ দক্ষিণবঙ্গের কোনো মানুষ তো রেলে চড়বে না। তারা তো লঞ্চে যাতায়াত করে। তারা রেলে চড়তে যাবে কেন, এই রেল ভায়াবল হবে না। সেতুর কাজ হয়ে গেছে এখন সেতু নিয়ে আর কথা বলে পারছে না। রেলে কাজ চলছে, রেলের কাজ নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। আমার মনে হয় আমাদের সবার উনাকে চিনে রাখা উচিত। রেলগাড়ি যখন চালু হবে উনাকে রেলে নিয়ে চড়ানো উচিত।


পদ্মাসেতু নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আর খালেদা জিয়া বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু করা হচ্ছে। কারণ স্প্যান‌গুলো যে বসাচ্ছে ওটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানাচ্ছে ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসসরাও। তাদেরকে কী করা উচিত, পদ্মাসেতুতে নিয়ে যেয়ে ওখান থেকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি একটা এমডি পদের জন্য পদ্মাসেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয় তাকেও পদ্মানদীতে নিয়ে দুটা চুবনি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়, একটু চুবনি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত, তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। 



বড় অর্থনীতিবিদ জ্ঞানীগুণী তারা এই ধরনের অর্বাচীনের মতো কথা বলে কিভাবে, সেটাই আমার প্রশ্ন। মেগা প্রজেক্টগুলো করে না কী খুব ভুল করছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাই উৎক্ষেপণ করেছি, এতো টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট করে কি হবে এ প্রশ্নও কিন্তু তুলেছে তারা। অর্থাৎ বাংলাাদেশের জন্য ভালো কিছু করলেই তাদের গায়ে লাগে। কেন তারা কী এখনও সেই পাকিস্তানি জান্তাদের পদলেহনকারি খোসামোদি-তোসামোদি দল। 


গালিটালি দেই না, দেওয়ার রুচিও নাই তবু একটু না বলে পারি না পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী যেভাবে মেয়েদের ওপর নির্যাতন করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে, পেড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল সেই পাকিস্তানিদের পদলেহনকারি সারমেয়র দল এখনও বাংলাদেশে জীবিত। এখনও এরা বাংণাদেশে ভালো কিছু হলে এরা ভালো দেখে না। বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না। 


তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবো ভ্যাকসিনটা বিনা পয়সা দিয়েছি আমি, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছি। সে ভ্যাকসিন তো এরা নিয়েছেন, এটা তো বাদ দেয়নি। আমরা বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। বুস্টার ডোজও আমরা শুরু করেছি। তারা তো নিশ্চয় দুটো ডোজ নিয়েছে, বুস্টার ডোজও নিয়েছেন।


 বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন নিতে পারলো আর আমাদের উন্নয়নটা চোখে পড়ে না। এখন কি ভ্যাকসিন চোখেও দিতে হবে না কি সেটাই মনে হচ্ছে, তাহলে যদি দেখে, তাছাড়া দেখবে না। ম্যাগা প্রজেক্ট জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে।


 আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশের এই উন্নতি হচ্ছে। এর আগে, যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কি একটা দৃষ্টান্ত দেখাতে পারবে যে তারা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করে বা দেশের কোনো উন্নয়ন করেছে বা বিদেশে ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করেছে, করতে পারে নাই। বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের জাতি বানিয়েছিলেন, আজকে আমরা মর্যাদাশীল জাতি। আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করেছি।


বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেশি কথা বলে যাচ্ছে বিএনপি, এদের নেতৃত্ব কোথায়, নেতৃত্ব নাই। সব তো সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি দিয়ে নির্বাচনে জেতা যায় না। আর নির্বাচনে পরাজয় হবে জেনে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, কলুষিত করতে চায়। যারা একটু আমাদের জ্ঞানী-গুণী আঁতেলরাও উল্টোপাল্টা কথা বলেন তাদেরকেও বলবো দেশ চালাবার যদি ইচ্ছা থাকে তো মাঠে আসেন, ভোটে নামেন, কেউ ভোট কেড়ে নেবে না। আমরা বলতে পারি, আমরা ভোট কেড়ে নিতে যাই না। আমরা জনগণের ভোট পাই এবং আমরা পাবো কারণ আমরা জনগণের জন্য কাজ করেছি। সেজন্যই জনগণ আমাদের ভোট দেবে।


সবশেষে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক দিন পর মন খুলে কথা বললাম। এ সময় তিনি বলেন, আসলে এই করোনা ভাইরাস বন্দি করে রেখে দিয়েছে আমাকে। ২০০৭ সালে ছিলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে বন্দি। এখন আমি নিজের হাতে নিজেই বন্দি।


আরও খবর



কিডনি বেচা-কেনার দায়ে সাতজন গ্রেফতার

মানুষের কিডনি বেচা-কেনার দায়ে সাতজন গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটের কালাই ও পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে কিডনি বেচাকেনা চক্রের সঙ্গে জড়িত ৭ দালালকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ।  


শনিবার (১৪ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানিয়েছেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।


 গ্রেফতার দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন- কালাই উপজেলার থল গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে সাহারুল ইসলাম (৩৮), একই উপজেলার উলিপুর গ্রামের ফরিদুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ হোসেন ওরফে চপল (৩১), জয়পুর বহুতি গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মোশারফ হোসেন (৫৪), ভেরেন্ডি গ্রামের জাহান আলীর ছেলে শাহারুল ইসলাম (৩৫), জয়পুর বহুতি গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে মোকাররম হোসেন (৫৩), দূর্গাপুর গ্রামের মৃত বছির উদ্দিন ফকিরের ছেলে সাইদুল ইসলাম ফকির (৪৫) ও পাঁচবিবি উপজেলার গোড়না আবাসনের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৪০)।  

  

পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার রাতে জয়পুরহাটের কালাই ও পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।


 


তিনি বলেন, দালালরা দীর্ঘদিন ধরে জয়পুরহাটের মাত্রাই ও উদয়পুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার নিরীহ, ঋণগ্রস্ত ও হতদরিদ্র মানুষদের ফুসলিয়ে টাকার লোভ এবং অল্প সময়ে বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে নারী এবং পুরুষদের কিডনি বিক্রি করাতেন। এসব নিরীহ মানুষরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দালালদের খপ্পরে পরে প্রথমে ৪-৫ লাখ টাকার চুক্তিতে তাদের মূল্যবান কিডনি বিক্রি করে দেন।


পরে ভারত ও দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে তাদের কিডনি দিয়ে নামমাত্র চিকিৎসা নিয়ে যখন দেশে ফেরেন, তখন দালালরা বিমান বন্দরেই তাদের হাতে ১-২ লাখ টাকা ধরিয়ে দিয়ে সেখান থেকে বিদায় করেন।


পরবর্তীকালে কিডনি দাতারা নিজের অঙ্গ বিক্রি করে ঝুঁকি নিয়ে জীবন অতিবাহিত করলেও লাভবান হচ্ছেন এসব দালালরা।


আবার নিজের কিডনি বিক্রি করে প্রতারিত হয়ে নতুন করে দালাল বনে যাচ্ছেন কোনো কোনো কিডনি দাতারা।  


তিনি আরও জানান, গ্রেফতার দালালরা কিডনি বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবদে স্বীকার করেছেন। কিডনি বেচাকেনা প্রতিরোধে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।  


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা হোসেন, সদর সার্কেল মোসফেকুর রহমান, পাঁচবিবি সার্কেল ইশতিয়াক আলমসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।


জানা যায়, বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫শ জনেরও বেশি অভাবী মানুষ তাদের শরীরের একটি করে কিডনি বিক্রি করেছেন। আর এসব ঘটনায় ১৫টি মামলায় এ পর্যন্ত ১২১ জনকে আসামি করা হলেও গ্রেফতার হয়েছে মাত্র ৪৭ জন।   



আরও খবর



ষাটগম্বুজ মসজিদে হবে বাগেরহাটের ঈদের প্রধান জামাত

প্রকাশিত:Friday ২৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৩৮জন দেখেছেন
Image

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

ঐতিহ্যবাহী ষাটগুম্বজ মসজিদে প্রতিবারের মতো এবারও বাগেরহাটের ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।  মুসল্লিদের আধিক্যের কারণে এই মসজিদে এবারও তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।এবার ঈদের প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল সোয়া ৮টায় এবং ৩য় ও সর্বশেষ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়।


বিশ্ব ঐতিহ্য এই মসজিদে ঈদের প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বাগেরহাট আলিয়া (কামিল) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন ষাটগম্বুজ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা হেলাল উদ্দিন। তৃতীয় এবং সর্বশেষ জামাতে ইমামতি করবেন বাগেরহাট শহরের সিঙ্গাইড় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোজাহিদুল ইসলাম।  


ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইট ষাটগুম্বজ মসজিদে ঈদের জামাতের মুসল্লিদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখক সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।


পবিত্র ঈদুল ফিতর-১৪৪৩ হিজরি (২০২২) উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রস্তুতি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলার অন্যান্য মসজিদে প্রথম জামাত সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে।


এছাড়া পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকার পাশাপাশি আরবি ও বাংলা হরফে লেখা ঈদ মোবারক লেখা পতাকা উত্তোলন করতে বলা হয়েছে। শহরের প্রধান প্রধান সড়কে ঈদ মোবারক লিখিত প্লাকার্ড ও ব্যানার স্থাপন করবে স্থানীয় জন প্রতিনিধি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসন।  


আরও খবর