Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

সময় কাটাতে ইউটিউব চ্যানেল খুলে সিলভার প্লে বাটন পেলেন তিশা

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৯৮জন দেখেছেন
Image

করোনাকালে সময় কাটাতে গত বছর ইউটিউব চ্যানেলে খুলেছিলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তার চ্যানেলেন নাম ‘তানজিন তিশা অফিশিয়াল’।

সেই চ্যানেলের জন্য ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ‘সিলভার প্লে বাটন’ পেলেন অভিনেত্রী।

তিশা বলেন, ‘করোনাকালে ঘরে বসে ছিলাম। চিন্তা করলাম, বাসায় আছি। একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলি। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, লকডাউনে জন্মদিন, নিজের মেকআপ করাসহ নানা ঘটনার স্মৃতি ভিডিও করে চ্যানেলে রাখা যাবে। সেভাবেই করেছিলাম।’

ভিডিওগুলো চ্যানেলে দেওয়ার পর বেশ সাড়া পাচ্ছিলেন তিশা। তিনি বলেন, ‘এসব ভিডিও দেখে আমার ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা ইতিবাচক মন্তব্য করছিলেন। আরও নতুন নতুন ভিডিও চাচ্ছিলেন তারা। দেখলাম, এক বছর না যেতেই সাবস্ক্রাইব এক লাখ পার হয়ে গেল।’

ছোট পর্দা, বড় পর্দার অনেক তারকারই এখন ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল আছে। তাদের কেউ কেউ ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সিলভার আবার কেউ কেউ গোল্ডেন প্লে বাটনও পেয়েছেন।


আরও খবর



রণবীরের নগ্ন ফটোশুট দেখেই মাথা ঘুরছিল দীপিকার!

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

‘পেপার’ ম্যাগাজিনের হয়ে সাহসী কভার ফটোশুট করেছেন অভিনেতা রণবীর সিং। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) রাত থেকে তার নগ্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। রণবীরের নগ্ন ফটোশুট নিয়ে সমালোচনা থাকলেও ব্যাপক প্রশংসাও কুড়াচ্ছেন এ অভিনেতা। তার এ ছবিগুলো ঘিরে মিমও ছড়িয়েছে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে।

তবে স্বামীর এমন ন্যুড ফটোশুট দেখে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের প্রতিক্রিয়া কী? ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে তাদের এক প্রতিবেদনে দীপিকার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রণবীরের নগ্ন ফটোশুটের পরিকল্পনা আগেই করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে তার দৃষ্টিভঙ্গিও খুব খোলামেলা। তিনি সত্যিই এমন ফটোশুট করতে আগ্রহী ছিলেন। নিজেকে মেলে ধরতে চেয়েছিলেন। ফ্যাশন সচেতন রণবীর নিজের নগ্ন ফটোশুট নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করেছেন।

ফলে তার নগ্ন ছবিগুলো দেখে ভক্তরা বোল্ড আউট হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এটি তার জন্য নতুন কোনো ব্যাপারও নয়। দীপিকাও বিষয়টি আগেই জানতেন। প্রকাশের আগেই ছবিগুলোর খুঁটিনাটি দেখেছেন বলিউডের জনপ্রিয় এ নায়িকা।

রণবীরের নগ্ন ছবি শুটের বিষয়ে দীপিকা বলেছেন, ‘ওর এমন ফটোশুট দেখেই মাথা ঘুরছিল। তবে পুরো ফটোশুটের শুরু থেকে নজর রেখেছিলাম। ধারণাটিও খুব পছন্দ হয়েছিল। ইন্টারনেটে ছবিগুলো প্রকাশের আগেই দেখেছি। রণবীরকে আমি সমর্থন জানিয়েছে। তিনি আমার সবচেয় বড় চ্যাম্পিয়ন। ভিন্ন কিছু সামনে আসলেও রণবীর পিছপা হয় না।’

খোলামেলা দৃশ্যে এটিই প্রথম নয় রণবীর। এর আগে ২০১৬ সালে বেফিকরে ছবির দৃশ্যে তাকে অর্ধনগ্ন দেখা গেছে। বলিউডের হালের জনপ্রিয় নায়ক রণবীর ক্যামেরার সামনে সবসময় সাহসী, যা স্ত্রী দীপিকার বেশ পছন্দেরও বটে।


আরও খবর



খুলনায় কমতে শুরু করেছে ইলিশের দাম

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

নিষেধাজ্ঞার পর ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। দুই দিনের ব্যবধানে দুই হাজার ৫০০ টাকার ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৫০০ টাকায়, এক হাজার ২০০ টাকার ইলিশ মিলছে ৮০০ টাকায়। এক সপ্তাহের মধ্যে এ দাম আরও কমবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ী ও জেলারা জানান, মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর গত দুদিনে খুলনা মহানগরীর পাইকারি মোকামগুলোতে বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ। প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে সেখানে। সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কমতে শুরু করেছে। বাজারে আসা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০-১৫০০ টাকায়।

নগরীর ৫ নম্বর মাছ ঘাট ও রূপসা পাইকারি মৎস্য বাজার সূত্র জানায়, সংরক্ষণের জন্য মে মাসের ২০ তারিখ রাত ১২টা থেকে ইলিশ ধরা বন্ধ হয়ে যায়। ৬৫ দিন পর ২৩ জুলাই আবারও শুরু হয়। অনুমতি পাওয়ার পর জেলেরা বরিশালসহ গভীর সমুদ্রে ইলিশ শিকারে ছুটে গেছেন। জেলেদের জালে বিভিন্ন সাইজের মাছও ধরা পড়ছে। সমুদ্র থেকে আসা ট্রলার থেকে আড়তগুলো আসতে শুরু করেছে ইলিশ। হাসি ফুটেছে জেলেদের মুখে।

ময়লাপোতা সন্ধ্যা বাজারের ইলিশ মাছ বিক্রেতা শাফায়েত জানান, এ বাজারে খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাছ আসে। তবে নিষেধাজ্ঞার করণে ইলিশের সরবরাহ একেবারেই ছিলো না। নিষেধাজ্ঞার পর আজ সবচেয়ে বেশি ইলিশ মাছ এসেছে এ বাজারে।

তিনি বলেন, এক কেজি সাইজের মাছ ১০ দিন আগেও বিক্রি হয়েছে ১৫০০-১৮০০ টাকায়। আজ সেই মাছের দাম হাজার টাকায় নেমে এসেছে। মাছের সরবরাহ যদি আরও বৃদ্ধি পায় তাহলে দাম আরও কমে যাবে।

রূপসা পাইকারি মাছ বাজারের বিক্রেতা জেলে হারুনার রশীদ বলেন, নিষেধাজ্ঞার পর বরিশাল থেকে ১৭টি বোট সাগরে যায় মাছ ধরতে। সমুদ্রে জাল ফেলে বিভিন্ন আকৃতির মাছ ধরেছেন তারা। জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ মাছ ধরা পড়েছে। ২-১ দিরে মধ্যে এ মাছ বাজারে এসে যাবে। তখন ইলিশের দাম অনেক কমে যাবে।

খুলনায় কমতে শুরু করেছে ইলিশের দাম

এ বাজারের শহিদুল খালাসী বলেন, বাজারে ৫ টন ইলিশ মাছ এসেছে। সরবরাহ বেশি হওয়ায় খুচরা মাছ বিক্রেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে। গত দুদিনের তুলনায় ইলিশের আমদানি এ বাজারে ব্যাপক হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মণপ্রতি ২৬-২৭ হাজার টাকা, ৬০০-৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ বিক্রি করেছেন ২৮-৩০ হাজার টাকা। এক কেজি ওজনের মণ বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ হাজার টাকায়। তবে ইলিশের সরবরাহ বেশি হলে দাম আরও কমতে পারে।

খুলনায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের বিক্রয় পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞার পর প্রথমদিনে কম হলেও গত দুদিন ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে ব্যাপক। কমতে শুরু করেছে ইলিশের দাম। ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে জানতে পারি সমুদ্রে ব্যাপক পরিমাণ মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে।


আরও খবর



আজকের কৌতুক: ছেলেকে বাবার পরামর্শ

প্রকাশিত:Tuesday ০৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

ছেলেকে বাবার পরামর্শ
বাবা: আজ স্কুলে গিয়ে কোনোরকম বদমায়েশি করিসনি তো?
ছেলে: না বাবা, স্যার সারাদিন আমাকে বেঞ্চের ওপর দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন। এরপর আর কী করে দুষ্টুমি করি তুমিই বল!

****

খাবারের বিল
স্বামী: বুঝলে গিন্নি, ক্লাবে আজ আমার বক্তৃতা শুনে সবাই সানন্দে হাততালি দিল।
স্ত্রী: বক্তৃতার বিষয় কী ছিল?
স্বামী: খুব সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা। শুধু বললাম, ‘আজকের খাবার বিল মেটানোর ভার আমার!’

****

বিশাল মূল্য ছাড়
এক লোকের স্ত্রী বেড়াতে এসে এক জায়গায় একটা সাইনবোর্ড দেখল। তাতে লেখা, ‘বিশাল মূল্য ছাড়। সিল্কের শাড়ি ১০ টাকা, জামদানি ৮ টাকা ও সুতি শাড়ি ৫ টাকা।’ এটা দেখে সে তার স্বামীকে বললো—
স্ত্রী: দেখো, কী বিশাল ডিসকাউন্ট, অবিশ্বাস্য। এখনই আমাকে ৩০০ টাকা দাও। ইচ্ছেমতো শাড়ি কিনে আনি।
স্বামী: এতো উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই। ওটা লন্ড্রির দোকান।


আরও খবর



মদনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কর্মচারীদের অনাস্থা

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

নেত্রকোনার মদন উপজেলা জনস্বাস্থ্যের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এএসএম আল-মামুনুর রশীদের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করেছেন ওই অফিসের কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) সকাল থেকে ওই অফিসের কর্মচারীরা নিয়মিত দাপ্তরিক কাজ থেকে বিরত থাকেন।

এর আগে ওই অফিসের ছয় কর্মচারী জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর ছয়জন কর্মচারী লিখিত অনাস্থার অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া শামীম ও মোস্তাফিজ নামের দুই মেকানিক পৃথক আরেকটি অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, উপজেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এএসএম আল-মামুনুর রশীদ ঘুস নিয়ে সুবিধাভোগীদের নামে গভীর নলকূপ বরাদ্দ দেন। দাপ্তরিক কাজকর্ম রেখে তিনি অধিকাংশ সময় মোবাইল চেটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় সুবিধাভোগীদের ফোন রিসিভ করেন না। ঘুস দিয়েও সময়মতো নলকূপ না পেয়ে সুবিধাভোগীরা অফিসে গিয়ে কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। এমন কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে কর্মচারীরা মামুনুর রশীদের অপসারণ চেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর বরাবর একমাস আগে অনাস্থা দেন।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মামুনুর রশীদ তার অফিসের মেকানিক মোস্তাফিজ ও শামীমকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এ ঘটনায় মেকানিক মোস্তাফিজ ও শামীম ১ আগস্ট আরেকটি পৃথক অভিযোগ দেন। কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন ওই অফিসের কর্মচারীরা।

মদন জনস্বাস্থ্য অফিসের মেকানিক শামীম বলেন, তার অপকর্ম ও ঘুস বাণিজ্যের জন্য কর্মচারীরা অনাস্থা দিয়েছে। তার স্ত্রী পুলিশের চাকরি করার সুবাধে আমাদের মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। আমরা এ নিয়ে আতংকে রয়েছি।

উপজেলা জনস্বাস্থ্যের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এএসএম আল-মামুনুর রশীদ জানান, অফিসের কর্মচারীরা কেউ ঠিকমতো অফিস করে না। এ বিষয়ে জানতে চাওয়ায় আমার বিরুদ্ধে কর্মচারীরা অভিযোগ দিয়েছেন। আমি কোনো রকম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই।

জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান জানান, প্রকৌশল অফিসের অপকর্মের প্রতিবেদন বুধবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ অফিসের প্রত্যেককে অচিরেই বদলি করা প্রয়োজন।


আরও খবর



বই-ইউনিফর্ম ছাড়াই স্কুলে বানভাসি শিশুরা

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

ভয়াবহ বন্যায় ভেসে গেছে বসত ঘর। সঙ্গে গেছে স্কুলড্রেস, ব্যাগ ও বই-খাতা। তাই ইউনিফর্ম ছাড়াই খালি হাতে বিদ্যালয়ে এসেছে অনেক শিক্ষার্থী। বুধবার (২০ জুলাই) প্রায় একমাস পর স্কুল খোলার পর এমন দৃশ্যই চোখে পড়ে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

হাতেগোনা কয়েকজন শিক্ষার্থী স্কুলে এলেও একমাস আগের চিরচেনা পরিবেশ যেন নেই কোনো প্রতিষ্ঠানেই। এবারের বন্যায় জেলার ২৩১ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩৩টি কলেজ ও ৯২টি মাদরাসার সবকটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনকি ৫০ হাজার শিক্ষার্থীর বই বানের জলে ভেসে গেছে বলে দাবি করেছেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম।

jagonews24

সুনামগঞ্জ শহরতলির আব্দুল আহাদ সাহিদা চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জামিল হোসেন ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিনহা বেগম। বানের পানিতে বসতঘরের সঙ্গে তাদের বই, খাতা, কলম, স্কুলব্যাগ ভেসে যাওয়ায় বিদ্যালয়ে শূন্য হাতেই এসেছে তারা।

বুধবার (২০ জুলাই) স্কুলে প্রবেশের সময় দুজনেই চিন্তিত ছিল শিক্ষকরা কী বলবেন সেই ভাবনায়। বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে দেখলো কেবল তারা নয়, অনেকেরই এমন করুণ অবস্থা। পুরো জেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদরাসায় একই চিত্র।

jagonews24

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, বন্যায় তাদের ইউনিফর্ম ড্রেস, স্কুলব্যাগ, বই ও খাতা-কলম ভেসে গেছে। আজকে শুধু একটা খাতা আর কলম নিয়ে স্কুলে এসেছে। সামনে এসএসসি পরীক্ষা কিন্তু অনেকের বই নেই। এখন কিভাবে বই ছাড়া পরীক্ষা দেবে সেই দুশ্চিন্তায় আছে। দ্রুত বই দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানায় তারা।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জামিল হোসেন জাগো নিউজকে জানায়, অনেক চেষ্টা করেছি বই ও স্কুলড্রেস বাঁচাতে কিন্তু পারিনি। বন্যা সব ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।

jagonews24

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, শিক্ষার্থী-শিক্ষক উপস্থিতির খাতা এমনকি স্কুল লাইব্রেরির বইও পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। বিদ্যালয়গুলোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

jagonews24

সুনামগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষার্থীদের বই দ্রুতই পৌঁছে দেওয়া হবে। এরই মধ্যে সুনামগঞ্জের ৫০ হাজার শিক্ষার্থীর বই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।


আরও খবর