Logo
আজঃ রবিবার ২৬ মে ২০২৪
শিরোনাম

সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও এক লাশ, মৃত্যু বেড়ে ২২

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | ২১৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবে: রাজধানীর গুলিস্তানের সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বহস্পতিবার দুপুর ১২টার ওই ভবনের দক্ষিণ পাশের সিঁড়ির কাছ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম মেহেদি হাসান স্বপন (৪০)। তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার পশ্চিম এনায়েতুপর গ্রামের গোলাম রব্বানীর ছেলে। এনিয়ে এ দুর্ঘটনায় ২২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেল।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-প‌রিচালক (ঢাকা) দিনম‌নি শর্মা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে গুলিস্তানে বিআরটিসির বাস কাউন্টারের কাছে সিদ্দিকবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পাশাপাশি দুটি বহুতল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি ভবন সাততলা, আরেকটি পাঁচতলা। এর মধ্যে সাততলা ভবনের বেসমেন্ট, প্রথম ও দ্বিতীয় তলা বিধ্বস্ত হয়েছে। আর পাঁচতলা ভবনের নিচতলা বিধ্বস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণে এখন পর্যন্ত ২২ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি দুই শতাধিক আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।


আরও খবর



হিলিতে ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকের নিকট থেকে দিনাজপুরের হিলিতে সরকারি খাদ্য গুদামে চলতি মৌসুমের বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় হাকিমপুর উপজেলা ক্রয় ও মনিটরিং কমিটির আয়োজনে সরকারি খাদ্য গুদামে কৃষকদের নিকট থেকে ধান, চাল ক্রয়ের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন উর রশীদ হারুন।

এসময় সেখানে হাকিমপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহীনুর রেজা শাহিন,উপজেলা নিবার্হী অফিসার অমিত রায়,কৃষি অফিসার আরজেনা বেগম,জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সদস্য অধ্যাপক সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন প্রতাপ মল্লিক,উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মঈন উদ্দিন,এলএসডি এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খলিলুর রহমান,খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যোসেফ হাসঁদা,উপ-খাদ্য পরিদর্শক জোবায়ের হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এরপর পৌরসভার দক্ষিণ বাসুদেবপুর এলাকার শহিদুর রহমান নামে এক কৃষকের নিকট থেকে ১ টন ধান ক্রয়ের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এলএসডি এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খলিলুর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে এ উপজেলায় ৩২ টাকা কেজি দরে ৭৭২ মেট্রিক টন বোরো ধান,৪৫ টাকা কেজি দরে ৩১৯ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ৪৫ টাকা কেজি দরে ৭৯ মেট্রিক টন আতব চাল সংগ্রহ করা হবে।



আরও খবর



বিএনপি সব কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত আমরা সরকারে ছিলাম না। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে সব কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমাদের দেশের মানুষ প্রাথমিক যে স্বাস্থ্য সেবা পাবে সেই সুযোগটা বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে আমাদের জনসংখ্যা এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় স্থবিরতা নেমে আসে।

বুধবার (১৫ মে) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘আইসিপিডি থার্টি গ্লোব্যাল ডায়ালগ অন ডেমোগ্রাফিক ডাইভার্সিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভলডমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে দীর্ঘ সংগ্রামের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর জাতির পিতার নেওয়া পদক্ষেপ অনুসরণ করে সকলের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে নতুন জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করি। বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছানোর জন্য সারা দেশে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন কাজ শুরু করি। সেই সময় জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচি গ্রহণ করি। নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে আমরা বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করি। নারী শিক্ষা বিস্তার এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে ছিল আমাদের আন্তরিক প্রয়াস।

তিনি বলেন, জাতির পিতার নিদের্শে ’৭৩-৭৮ সাল পর্যন্ত প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়। তিনি একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ন্যাশনাল কাউন্সিল কমিশন গঠন করেন। জাতির পিতাকে হত্যা করার পরে এদেশে অগণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসে। এরপর সমস্ত অর্জনগুলো একে একে নষ্ট করে দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে পুনরায় সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আসার পর আমরা আইসিপিডি প্রোগ্রাম অব অ্যাকশনের ১৫টি মূলনীতি বাস্তবায়নে জাতীয় জনসংখ্যা নীতি ২০১২ প্রণয়ন করি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাতৃ মৃত্যু ও নবজাতক মৃত্যুহার হ্রাস, মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা, শিশু ও কিশোর-কিশোরী প্রজনন স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদানে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প আবারও চালু করি। বর্তমানে সারাদেশে সাড়ে ১৪ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে। এগুলোর মাধ্যমে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবাসহ ৩০টি অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় তিন হাজার ক্লিনিকে স্কিলড বার্থ অ্যাটেনডেন্স সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীন ৩ হাজার ২৯০টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র বা পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক হতে মা, শিশু ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২ হাজার ২০০টি কেন্দ্র থেকে সার্বক্ষণিক স্বাভাবিক প্রসব সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রসূতি সেবা প্রদানের জন্য এসব কেন্দ্রে ৪ জন করে ধাত্রী নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২০১০ সালে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আমি ৩০ হাজার ধাত্রী নিয়োগের অঙ্গীকার করেছিলাম। এর ধারাবাহিকতায় আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ২০ হাজার ধাত্রী নিয়োগ করা সম্ভব হবে বলে আমি আশা করি। মাতৃ স্বাস্থ্য সেবায় জরুরি প্রসূতি সেবা নিশ্চিত করতে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা হয়েছে। ‘মা টেলিহেলথ সার্ভিস’-এর মাধ্যমে প্রসূতি মায়ের গর্ভকালীন ও প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদানের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মা ও শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১৩ লাখ উপকারভোগীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।


আরও খবর



এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ সোমবার থেকে, যেভাবে করবেন আবেদন

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে গড় পাসের হার ৮৩ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে কারও কাঙ্ক্ষিত ফল না এলে সে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন বা খাতা চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।

সোমবার (১৩ মে) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। চলবে ১৯ মে পর্যন্ত।

আন্তশিক্ষাবোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবার (১৩ মে) থেকে পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু হবে, চলবে ১৯ মে পর্যন্ত।

তিনি জানান, ফলাফলে কেউ অসন্তুষ্ট হলে তিনি চাইলে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে মাধ্যমে ঘরে বসেই তিনি এ আবেদন করতে পারবেন। পরে বোর্ড তার খাতা যাচাই-বাছাই করে দেখে আবেদন নিষ্পত্তি করবেন।

যেভাবে আবেদন করতে হবে: শুধুমাত্র টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল ফোন থেকে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর রোল নম্বর বিষয় কোড লিখে Send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

ফিরতি এসএমএ-এ আবেদন বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন দেওয়া হবে। এতে সম্মত থাকলে মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC Yes PIN Contact Number (যেকোনো অপারেটর) লিখে Send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

ফল পুনর্নিরীক্ষণে ক্ষেত্রে একই এসএমএস-এর মাধ্যমে একাধিক বিষয়ের জন্য আবেদন করা যাবে। সে ক্ষেত্রে কমা (,) দিয়ে বিষয় কোড আলাদা লিখতে হবে। যেমন ঢাকা বোর্ডের একজন শিক্ষার্থী বাংলা ও ইংরেজি দুটি বিষয়ের জন্য টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখবে RSC Dha Roll Number

পুনর্নিরীক্ষণে খাতার চারটি বিষয় দেখা হয়: শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, পুনর্নিরীক্ষণ করলে একজন শিক্ষার্থীর খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হয় না। পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন হওয়া উত্তরপত্রের চারটি দিক দেখা হয়। এগুলো হলো, উত্তরপত্রের সব প্রশ্নের সঠিকভাবে নম্বর দেওয়া হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক রয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর শিটে উঠানো হয়েছে কি না এবং প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট করা হয়েছে কি না। এসব পরীক্ষা করেই পুনর্নিরীক্ষার ফল দেওয়া হয়। এই চারটি জায়গা কোনো ভুল হলে তা সংশোধন করে নতুন করে ফল প্রকাশ করা হয়।


আরও খবর



সেমস-গ্লোবাল ইউএসএর তিন দিনব্যাপী ঢাকা মোটর শো'র ২০২৪ আয়োজন করে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব সংবাদদাতা:বৃহস্পতিবার সকাল নয়টায় কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেসের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার এই শো'র আয়োজন করে। 

সেমস-গ্লোবাল’ ও ‘বাংলাদেশ মোটর স্পোর্টস’ এর সহ-আয়োজনে  উদ্বোধনী এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নির্বাহী সদস্য, মহসিনা ইয়াসমিন। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন. ইসলাম।

আয়োজকরা জানায়,একযোগে শুরু হওয়া ‘ঢাকা মোটর শো'তে এই প্রথম প্রদর্শনীতে থাকছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্রান্ডের গাড়ি ও বাইক।

বাংলাদেশে এই প্রথমবারের ন্যায় প্রদর্শিত হচ্ছে ইলেকট্রিক ভ্যাহিকেল ।

বাংলাদেশ এক্সপো’-তে জাপান, ভারত, চীন, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়াসহ ১৭টি দেশের বিভিন্ন ব্র্যান্ড, ১৭৫টিরও বেশি কোম্পানি, ৬০০টি বুথ নিয়ে অংশ নিয়েছে।

আগামী শনিবার অফ-রোড রেসট্র্যাক সম্পর্কিত জমকালো মোটর স্পোর্টস প্রতিযোগিতার ৪র্থ র‍্যালিক্রস চ্যাম্পিয়ন শিপের মাধ্যমে শেষ হবে প্রদর্শনী ঢাকা মোটর শো।

    -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সেচ মটরে সংযোগ তোপের মুখে ডিজিএম!! মাসিক সভায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৫০জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অধিক টাকার বিনিময়ে সেচ মটরে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছেন পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম জহুরুল ইসলাম। নিষেধ থাকার পরও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার কারনে উপজেলা মাসিক সাধারণ সভায় তোপের মুখে পড়তে হয় ডিজিএমকে। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে উপজেলা পরিষদের হলরুমে সাধারণ মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নির্বাহী অফিসার ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান। 

ইউএনও পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএমকে বলেন মার্চ মাসের সভায় সিদ্ধান্ত হয় নতুন ভাবে কোন সেচ মটরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া যাবেনা। কিন্তু আপনি সেই নিষেধ অমান্য করে কেন বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছেন জানতে চাইলে ডিজিএম কোন সদ উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে গিয়ে বলেন বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রত্যায়ন দিয়েছেন বলেই সংযোগ দেয়া হয়েছে। ডিজিএমের এমন কথায় ইউএনও বলেন, সভার সিদ্ধান্ত অমান্য করার কোন সুযোগ নেই। আপনি ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংযোগ দিয়েছেন। আপনি সভার সিদ্ধান্ত অমান্য করে কিসের ভিত্তিতে সংযোগ দিলেন সেটা সভায় পরিস্কার করে বলেন, তানাহলে আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইউএনওর এমন কথায় কোন জবাব দেননি ডিজিএম। ইউএনও বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলীর কাছে জানতে চান সংযোগ দেয়ার ব্যাপারে আপনি অবহিত কিনা, তিনি জানান আমি কিছুই জানিনা। এসব নিয়ে আমার দপ্তরেও অভিযোগ আসছে। ইউএনও উপজেলা চেয়ারম্যান কে এবিষয়ে বলার জন্য অনুরোধ করেন। চেয়ারম্যান বলেন, গভীর বা অভীর নলকূপের স্কীমের এরিয়ায় সংযোগ দেয়া সঠিক না। আপনারা বিভিন্ন খামারের নামে বানিজ্যিক সংযোগ দিয়েছেন সেই সংযোগ নিয়ে সেচ দিচ্ছে। বানিজ্যিক সংযোগ কতট আছে, অনুমোদিত কতটা এবং আবাসিক সংযোগ থেকে সেচ দেয়া হয় সব মিলে কত সংযোগ আছে ডিজিএমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান এমুহূর্তে এতথ্য দেয়া অসম্ভব। পুনরায় ইউএনও ডিজিএমকে বলেন আগামী সভায় এসব সংখ্যার হিসেব দিবেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম, কলমা ইউপির চেয়ারম্যান খাদেমুন নবী বাবু চৌধুরী, পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খাঁন, তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবু, টিএইচও বার্নাবাস হাসদাক, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা: ওয়াজেদ মিয়া, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিরা বেগম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এম ফজলুর রহমান, তানোর পৌরসভার প্যানেল মেয়র আরব আলী, কামারগাঁ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন প্রামানিক প্রমুখ। এসময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ভূগর্ভের পানি দিনের দিন তলিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ভূগর্ভের পানি রক্ষার জন্য বিগত ২০১৩-১৪ সালের দিকে কৃষি মন্ত্রণালয় সেচ পাম্প বসানো নিষিদ্ধ করে দেন। কিন্তু পল্লী বিদ্যুতের একশ্রেণী অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপজেলা জুড়ে খামার ও বাগানের নামে শতশত সেচ মটরে সংযোগ দিয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনের আগে ইউএনও হিসেবে যোগদেন বেলাল হোসেন। তিনি অতিগোপনে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে প্রায় ৫০ টির মত সেচ মটর বা ( STW) এর অনুমতি দেন। বিষয়টি প্রকাশ পেলে ভূগর্ভের পানি রক্ষার জন্য স্থানীয় সংসদ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে নিষেধ করেন কর্তৃপক্ষকে। সংসদের নির্দেশ ও উপজেলা মাসিক সভায় সিদ্ধান্ত অমান্য করে পল্লী বিদ্যুৎ তানোর জোন সংযোগ দিতেই আছেন।
নাম প্রকাশে না করে বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জানান, সংসদের কথা অমান্য এবং সভার সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করে কোন ক্ষমতা বলে সংযোগ দিলেন ডিজিএম। যারা এসবের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া দরকার। আর উপজেলায় যে পরিমান জমি আছে সে অনুযায়ী গভীর অগভীর পাম্প আছে। বরং গভীর নলকূপ গুলো রিবোরিং করলে কোন সেচ সংকট হবেনা। নতুন ভাবে সেচ মটর দেয়ার কোন প্রয়োজন নেই। এসব নিয়ে মোটা বানিজ্য হয়েছে বলেই সব নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছেন। 

ডিজিএম জহুরুল বলেন, আমি ৫১ অনুমোদিত মটরের চিঠি পেয়েছে। কে কি বললো সেটা কোন বিষয় না, আমি আইনগত ভাবে সঠিক আছি।

আরও খবর