Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ষষ্ঠবার চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ২৭০জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক; ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অষ্টম আসর শেষ হলো। এরমধ্যে ৬টিতেই শিরোপা উচিয়ে ধরলো অস্ট্রেলিয়া নারী দল। এবার তো দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হলো দলটি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকান যেকোনো পর্যায়ের ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠা প্রোটিয়া মেয়েদের স্বপ্ন ভাঙল। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ১৯ রানে হেরে যায় তারা।

কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে প্রথমে ব্যাট করা অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান করে। জবাবে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রানে থামে প্রোটিয়ারা।

১৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায়। তবে দারুণ ব্যাট করে প্রায় শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যান ওপেনার লরা ওলভার্ট। তিনি ১৭তম ওভারে মেগান স্কাটের বলে আউট হন। তিনি ৪৮ বলে ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৬১ রান করেন। দলের হয়ে এছাড়া ২৫ রান করেন কোল টাইরন।

অজি বোলারদের মধ্যে স্কাট, অ্যাশলে গার্ডনার, ডার্সি ব্রাউন ও জেস জোনাসেন একটি করে উইকেট পান।

টস জিতে এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার বেথ মুনির অসাধারণ ব্যাটিংয়ে ভালো সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া। তিনি ৫৩ বলে ৯টি চার ও একটি ছক্কায় ৭৪ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া গার্ডনার করেন ২৯ রান।

প্রোটিয়া বোলার শাবনিম ইসমাইল ও মারিজান্নে কাপ ২টি করে উইকেট লাভ করেন।

ফাইনালের ম্যাচ সেরা হন বেথ মুনি। আর পুরো বিশ্বকাপে ১১০ রান ও ১০ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্ট সেরা হন অ্যাশলে গার্ডনার।


আরও খবর



আমতলীতে রিমালের পানিতে সাড়ে ৩শ’ হেক্টর জমির আউশের বীজতলার সর্বনাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image

আব্দুল্লাহ আল নোমান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:আমতলীতে রিমালের পানিতে দেড় সপ্তাহ ধরে আউশের বীজতলা তলিয়ে থাকায় তা পচে নষ্ট হওয়ায় কৃষকের  সর্বনাস হয়েছে। উপজেলার শত শত কৃষকের ঘামে শ্রমে তৈরী করা নীচু জমির সাড়ে ৩শ’ হেক্টর বীজতলা পচে নষ্ট হওয়ায় চলতি মৌসুমের  আউশ আবাদ নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন কৃষকরা। 

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,  উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভায় এবছর ৭৫৫ হেক্টর জমিতে আউশের বীজতলা করা হয়েছে। আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৩শ’ ২৫ হেক্টর জমি। ফসলের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৯শ’ ৭৫ মেট্টিক টন । কিন্তু কৃষকের আউশ আবাদের বাধা হয়ে দারায় রিমাল। রিমালের সময় অতি বৃষ্টি এবং পায়রা নদীতে অধিক উচ্চতায় জলোচ্ছাস এবং বাঁধ ধসে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার  ফলে আউশের বীজতলা ৩-৪ ফুট পানিতে তলিয়ে যায়। সপ্তাহখানেক ধরে এভাবে বীজতলা ২ ফুট পানির নীচে  থাকায় উপজেলার অধিকাংশ কৃষকের বীজতলা পচে সম্পূর্ন নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারী হিসেবে চাষ করা ৭৫৫ হেক্টর বীজতলার মধ্যে ১৭৯ হেক্টর নষ্ট হওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে অর্ধেক বীজতলা প্রায় সাড়ে ৩শ হেক্টর  নষ্ট হয়েছে বলে সরেজমিন চিত্রে দেখা গেছে। কৃষকরা জানান, আউশ রোপনের এখন ভরা মৌসুম। রিমালের আগে অনেকে তাদের আউশ রোপন শুরু করেছে। এই মুহুর্তে বীজতলা নষ্ট হওয়ায় আমাদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। এই মুহুর্তে নতুন করে বীজতলা তৈরী করে আর আউশ রোপন করতে পারবো না। এতে আমাদের সামনে অনেক দুর্দিন অপেক্ষা করছে।

সোমবার সকালে উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া, কালিপুরা, কৃষ্ণনগর, আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী, গাজীপুর, হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া, উত্তর তক্তাবুনিয়, দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া, গুরুদল, আমতলী সদর ইউনিয়নের ছোটনীলগঞ্জ, চলাভাঙ্গা, চাওড়া ইউনিয়নের বেতমোর বৈঠাকাটা, আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ঘোপখালী, পশুরবুনিয়া ও বালিয়াতলী গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে এখনো শত শত হেক্টর আউশের বীজতলা প্রায় ২ফুট পানির নীচে তলিয়ে রয়েছে। প্রায় দেড় সপ্তাহখানেক ধরে বীজতলা এভাবে  পানিতে তলিয়ে থাকায় তা পচে দুর্গন্দ ছড়াচ্ছে। 

কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া গ্রামের কৃষক মো. ইউনুছ মীরা বলেন, বইন্যার আগে আউশ লাগানের লইগ্যা  ৩৫ শতাংশ জমিতে  বীজ তলা করি। বইন্যায় সব তলাইয়া যায়। এহনো দেড় দুই আত পানি জইম্যা রইছে। পানি জইম্যা থাহায় মোর সব বীজতলা পইচ্যা নষ্ট অইয়া গ্যাছে। এহন টাহা আর বীজ পামু কই। আর কি দিয়া ধান লাগামু হেই চিন্তায় আছি। একই গ্রামের অনেছ খা বলেন, মোর ১০ কড়া জমির বীজ নষ্ট অইয়া গ্যাছে।

হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া গ্রামের ফজলু প্যাদা বলেন, মুই ৩০ শতাংশ জমিতে  ৭৫ স্যার ধান হালাইছি। বইন্যার পানি জইম্যা  হেইয়াসব পইচ্যা নষ্ট অইয়া গ্যাছে। তিনি আরো বলেন, এহন কুম্মে বীজ ধান পামু। হেইয়ার পর আবার বীজ কইর‌্যা চাষ করা মোগো লইগ্যা ব্যামালা কষ্টের।

চাওড়া ইউনিয়নের বৈঠাকাটা গ্রামের মাসুম গাজী, জসিম খান, আমতলী সদর ইউনিয়নের আলতাফ হাওলাদার, ঘোপখালী গ্রামের হোচেন বয়াতি বলেন, ব্যামালা টাহা খরচ কইর‌্যা আউশের বীজ চাষ হরছি। বইন্যায় সব নষ্ট অইয়া গ্যাছে। এহন মোরা আউশ ধান আর লাগাইতে পারমু না। ধান লাগাইতে না পারলে গুরাগারা লইয়া সামনের দিনে কি খামু হেই চিন্তায় আছি।

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইছা বলেন, এবছর আমতলীতে রিমালের তান্ডবে বাধ ভেঙ্গে পায়রা নদীর জলোচ্ছাস  এবং অতিরিক্ত বৃষ্টি পানি বীজতলায়  জমে থাকায় ১৭৯ হেক্টর আউশের বীজতলা সম্পূর্ন নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, বিপুল পরিমান আউশের বীজতলা নষ্ট হওয়ায় এবছর আউশ ধান চাষের লক্ষমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। এতে ফলনেও বিপর্যয় হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, রিমালের তান্ডবে  আমতলী উপজেলার কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে  দুর্যোগ ব্যবস্থপনা অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের জাতীয় দুর্যোগ সাড়াদান সমন্বয় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বরাদ্দ পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্তদের পুন:বাসন করা হবে।


আরও খবর



রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ১০ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image

কক্সবাজার প্রতিনিধি:পাহাড়ধসে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

বুধবার (১৯ জুন) সকালে উখিয়ার ৮, ৯ ও ১০ নম্বর ক্যাম্পে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।উখিয়া থানার ওসি মো. শামীম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পাহাড়ধসে মৃত ১০ জনের মধ্যে ৯ জন রোহিঙ্গা নাগরিক ও একজন বাংলাদেশি।

তিনি আরও জানান, গত রাত থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে পৃথক স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনাগুলো ঘটে।এছাড়া বুধবার ভোরে কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চোরাখোলায় পাহাড়ধসে ঘুমন্ত অবস্থায় আব্দুল করিম নামে ১২ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মৃত আব্দুল করিম উখিয়ার পালংখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের থাইংখালির শাহ আলমের ছেলে। সে থাইংখালি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।


আরও খবর



ফুলবাড়ী পৌরসভার ড্রেনের পানিতে বাড়ীঘর ঝুকি পূর্ণ

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৭২জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভা এলাকার পশ্চিম গৌরীপাড়া গ্রামে বর্ষাকালে ড্রেনের পানির স্রোতে, ড্রেনের মুখে থাকা বাড়ীঘর ভেঙ্গে যাচ্ছে। ফুলবাড়ী পৌরসভা কর্তৃক জাইকা প্রকল্পের আওতায় পৌরসভা থেকে প্রায় ১ হাজার ফিট পাকা ড্রেন নির্মাণ হয়ে নিমতলা মোড় হয়ে ফুলবাড়ী উর্বসী সিনেমা হল এর উত্তর দিক হয়ে যমুনা নদীর মুখে গিয়ে শেষ হয়। ড্রেনটি নির্মাণ করার পর বিভিন্ন বাসা বাড়ীর পাইপ লাইন সংযোগ ড্রেনে দেওয়া হয়। এমনকি লিং ড্রেন গুলিও মুল ড্রেনে সংযোজন করা হয়। ফলে বর্ষা কাল এলে এই ড্রেন দিয়ে তীব্র বেগে পানি প্রবাহিত হয়। এই কারণে ড্রেনের মূখে থাকা ঘর বাড়ীগুলি ভেঙ্গে পড়ছে। ড্রেনের সঙ্গে থাকা বাড়ীর মালিক মোঃ ইব্রাহীম, মোঃ কাদের , মোঃ মমিনুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল, মোঃ গোলজার ও দুখুমিয়ার বাড়ী রয়েছে। এই বাড়ীগুলি ঝুকির মধ্যে রয়েছে। এরা গরিব মানুষ এখানে বাড়ীঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। তাদের এই বাড়ীঘর গুলি ড্রেনে ভেঙ্গে পড়লে তারা সর্বশান্ত হয়ে পড়বে। মোঃ মমিনুল ইসলাম জানান, বর্ষার আগে ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মোঃ মামুনুর রশিদ মামুন কে বিষয়টি অবগত করি এবং কয়েকবার পৌর সভায় গিয়ে পৌর চেয়ারম্যান কেও বিষয়টি মৌখিকভাবে অবগত করি।  

ফুলবাড়ী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মাহমুদ আলম লিটন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিষয়টি ইতিপূর্বেও অবগত হয়েছি, সরেজমিনে গিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ফুলবাড়ী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মোঃ মামুনুর রশিদ মামুন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আগামী মাসিক মিটিং এ বিষয়টি তুলে ধরা হবে। আসলে এই জায়গাটি ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবস্থা না নিলে ড্রেন সংলগ্ন বাড়ীগুলি রক্ষা করা সম্ভব নয়। 

এ ব্যাপারে ভূক্তভূগিরা জরুরীভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কর্তৃপক্ষের অসু-হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আরও খবর



পোরশায় তেঁতুলিয়া ইউপির উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১০৩জন দেখেছেন

Image

ডিএম রাশেদ,পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:নওগাঁর পোরশায় তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৪-২০২৫ইং অর্থ বছরের উন্মুক্ত বার্ষিক বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক শাহ্ এর সভাপতিত্বে বাজেট সভায় উন্মুক্ত বাজেট উপস্থাপনা করেন ইউপি সচিব ইখতিয়ার হোসেন।

বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১৮,৫৪,৬০২টাকা। রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭,০০৪০২টাকা। বাজেটে উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ৪,৮৬,৩৬,৭৮০টাকা। উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪,৮৬,৩৬,৭৮০টাকা। অর্থবছর শেষে বাজেট উদ্বৃত্ত থাকবে ১,৫৪,২০০টাকা।

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে সকল ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



রৌমারী উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে স্বর্ংধনা প্রদান

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃরৌমারী উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালুসহ ভাইচ চেয়ারম্যান সামসুল দোহা ও মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান মাহমুদা আকতার স্মৃতিকে উপজেলা প্রেক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। গত ২৩ মে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজিত প্রেসক্লাব কার্যালয়ে মোস্তাফিজুর রহমান তারার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীর সঞ্চালনায় এ সংর্বধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু, ভাইচ চেয়ারম্যান সামসুল দোহা, মাহমুদা আক্তার স্মৃতি, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ রুবেলসহ সকল সদস্যবৃন্দ। এতে বক্তব্য রাখেন, ভাইচ চেয়ারম্যান সামসুল দোহা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আকতার স্মৃতি, প্রেসক্লাবের সদস্য শাহআলম, শহিদুল কায়সার লেবু, আকতার হোসেন প্রমুখ।  

বক্তব্য শেষে সময় উপজেলা প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দরা নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদ্বয়দেরকে ফুলদিয়ে সংর্বধনা দেন। অনুষ্ঠিত সংর্বধনা অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান বলেন, ৬ ষ্ঠ উপজেলা পরিষদের প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার ভোটার আমাকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করেছেন। আমি শপথ নেয়ার পর থেকেই চেষ্টা করে যাবো, ভোটারদের পাশে দ¦ারাতে। অবহেলিত বঞ্চিত মানুষের উন্নয়ন করবো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে। সুন্দরভাবে উপজেলা পরিষদ পরিচালিত করতে যা যা করার দরকার সব কিছুই করবো। এতে আমি সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। বিগত দিনে আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম সাধ্যমত মানুষের কাজ করার চেষ্টা করেছি। এবার আরো ভালো করার চেষ্টা অব্যাহত রাখবো। ভাল কাজ করে আমি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিব ইনশাআল্লাহ।


আরও খবর