Logo
আজঃ মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম
নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা পদে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা পদে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ঈদ পর ফের বাড়লো হিলিতে আলু,পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম পানি নিষ্কাশনের মুখে নন্দন পার্কের বাঁধ, উৎসবেও জলবদ্ধতায় দুর্ভোগ বাড়তি ফি টেস্ট পরীক্ষার নামে নেওয়া যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কারিকুলাম যুগোপযোগী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল, আজ থেকেই কার্যকর ফরিদপুরে নিহতদের পরিবার পাচ্ছে ৫ লাখ টাকা, আহতরা ৩ জামিন পেলেন ড. ইউনূস ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস

শীতে শরীরে শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যে খাবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৩৩২জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতকালে ঠাণ্ডা জ্বর, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শরীরের ভালো যত্ন নেওয়া জরুরি। এটি বছরের এমন একটা সময়, যখন সুস্থ থাকতে শরীরের অবশ্যই বিশেষভাবে যত্ন নেওয়া উচিত। অন্যথায় নানা রোগ শরীরকে সহজেই কাবু করে ফেলতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়েটে সেসব খাবার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, যা শরীরে শক্তি জোগানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে সংক্রমণকে সহজেই পরাস্ত করতে পারে। এমন একটি খাবার হলো- ছোলা। আমাদের দেশে এটি সহজলভ্য খাবার।

রমজানে ঘরে ঘরে ইফতারে ছোলা খাওয়া হয়। বছরের অন্য সময়টাতে ছোলার চাহিদা রমজানের মতো প্রবল নয়। কিন্তু ছোলা আমাদের শরীরে এমনকিছু চমকপ্রদ উপকার করে,যা বিবেচনায় এটা শীতকালেও নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে। এখানে ছোলার ছয়টি স্বাস্থ্য উপকারিতা উল্লেখ করা হলো -

* হার্টের সুরক্ষা দেয়

শীতকালকে হার্ট অ্যাটাকের মাস বলা হয়। হার্টকে সুরক্ষিত রাখতে শীতকালে নিয়মিত ছোলা খেতে পারেন। প্রোটিন ও ফাইবার ছাড়াও ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে, যেমন- ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও সেলেনিয়াম। গবেষণায় দেখা গেছে, পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ম্যাগনেসিয়াম  হৃদস্পন্দনের স্বাভাবিকতা বজায় রাখে। সেলেনিয়াম প্রদাহ কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।

* রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে

গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কোনো কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পর কেমন গতিতে রক্ত শর্করা বাড়ে তা নির্দেশ করে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুখবর হলো- ছোলার জিআই কম, যার স্কোর হলো ২৮। স্কোর ৫৫ বা এর কমকে লো জিআই ফুডস বলা হয়। এসব খাবার থেকে ধীরে ধীরে শর্করা নিঃসরিত হয়। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন রক্ত শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডায়াবেটিক ডায়েটে ছোলা রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

* ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

ছোলার কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর ক্ষমতা আছে। ছোলা খেলে শরীর বিউটাইরেট নামক শট চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে, যা শরীর থেকে অসুস্থ ও মুমূর্ষু কোষ অপসারণে সাহায্য করে। এর ফলে ক্যানসার প্রতিরোধ হয়। এই খাবারে লাইকোপিন, বায়োচেনিন ও স্যাপোনিনও রয়েছে। এসব ডায়েটারি বায়োঅ্যাক্টিভ কম্পাউন্ডও ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

* পেশী মেরামত করে

পেশী মেরামত, হরমোন কার্যক্রম ও আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রোটিন প্রয়োজন হয়। যদি কেউ শরীরে প্রোটিন সরবরাহ বাড়াতে চান, তাহলে তিনি অনায়াসে খাদ্যতালিকায় ছোলা অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এক আউন্স (২৮.৩৫ গ্রাম) ছোলা থেকে ৩ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এ ছাড়া ছোলার প্রোটিনের মান বেশি, কারণ এতে মিথিওনিন ব্যাতীত প্রায় সকল এসেনশিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে।

* রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে

আয়রনের অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে, যার ফলে দুর্বলতা ও ক্লান্তিতে ভুগতে হয়। নিয়মিত ছোলা খেলে রক্তশূন্যতা এড়ানো সম্ভব হবে। ১০০ গ্রাম ছোলাতে ৬.২ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে। এ ছাড়া ছোলার ভিটামিন সি আয়রন শোষণে সহায়তা করে। কিছু মাছ ও মাংসে প্রচুর আয়রন থাকে, কিন্তু যারা এসব খাবার কম খান তাদের বেশি করে ছোলার মতো আয়রন সমৃদ্ধ উদ্ভিজ্জ খাবার খাওয়া উচিত।

* দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে

ছোলাতে কেবল উচ্চমানের প্রোটিন নয়, প্রচুর পরিমাণে ফাইবারও আছে। প্রতি আউন্স ছোলাতে ২ গ্রাম ফাইবার পাবেন। প্রোটিন ও ফাইবারের সমন্বয় পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখে। উভয় পুষ্টি ধীর হজমে সহায়তার জন্য একত্রে কাজ করে, যার ফলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা অনুভূত হয় না।


আরও খবর

"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24

ভালোবাসার দিন আজ

বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঈশ্বরদীতে ট্রেন দুর্ঘটনা: ৩ জন বরখাস্ত, ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঈশ্বরদীতে মালবাহী দুটি ট্রেন সংঘর্ষের সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর ঢাকা-খুলনা রুটে এক লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) রাত পৌনে ১২টার দিকে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত রুটের একটি লাইন মেরামত করার পর সকাল সোয়া ৬টার দিকে এই রুটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। ক্ষতিগ্রস্ত অপরটি লাইনটির কাজ চলছে।

রাত ৩টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ব্যবস্থাপক শাহ সূফী নুর মোহাম্মদ।

তিনি জানান, ঈশ্বরদীর ট্রেন দুর্ঘটনা গভীরভাবে তদন্ত করতে সিনিয়র সহকারী সংকেত প্রকৌশলী, সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা, সহকারী যান্ত্রিক প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলীর সমন্বয়ে ৪ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ট্রেনের চালক, সহকারী চালক এবং অন-ডিউটি সহকারী স্টেশন মাস্টারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানান শাহ সূফী নুর মোহাম্মদ।

তিনি আরও বলেন, ঈশ্বরদী-ভেড়ামারা সেকশনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। চিত্রা এক্সপ্রেস মাঝগ্রামে রাত ১২টা ৫০ মিনিট, ডাউন সীমান্ত আব্দুলপুরে রাত ১২টা ৫৩ মিনিট, আপ সীমান্ত ভেড়ামারায় রাত ১টা ১৩ মিনিট থেকে দাঁড়িয়ে ছিল।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) রাত পৌনে ১২টার দিকে পাবনার ঈশ্বরদীতে মালবাহী দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি ইঞ্জিন ও দুটি বগির ৮ চাকা লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় ঢাকা-খুলনা রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। তবে অন্য রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল।


আরও খবর



সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণ করবে: জাহাঙ্গীর কবির নানক

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ২৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কাঁচাবাজারের ব্যাপারে সিন্ডিকেট শব্দটি প্রযোজ্য নয়। ভোক্তারা যাদের কাছে পণ্য কেনে, সেখানে বাজার নিয়ন্ত্রণ হওয়া দরকার। সে কাজটা সরকার করবে, এটা সরকারের দায়িত্ব।বলেছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক 

সোমবার (১৫ এপ্রিল) ঈদের পর প্রথম কর্ম দিবসে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, সিন্ডিকেট একটা পপুলার শব্দ। সিন্ডিকেট আমার কাছে মনে হয়েছে বড় ব্যাপার। তবে সিন্ডিকেট কাঁচাবাজারের ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়। মাঝখানে যারা, ভোক্তা যাদের থেকে পণ্য কেনে সেখানে নিয়ন্ত্রণ হওয়া দরকার। সে কাজটা সরকার করবে, সেটা সরকারের দায়িত্ব। আমরা যারা সরকারের আছি সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতি নিয়ে তিনি বলেন, আমরা গ্রামের মানুষ। আমরা যারা সরকারের লোক এবং সরকারে রয়েছি, আমরা কিন্তু রমজানের আগেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি। রমজানের আগেই বাজার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ছিলাম। আমার নির্বাচনি এলাকা মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেরে বাংলা নগরে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সুলভমূল্যে কেনাকাটার ব্যবস্থা করেছিলাম। ঢাকার মানুষ যে বাজার পরিস্থিতির মুখোমুখি ছিল মফস্বলের মানুষ, সেই পরিস্থিতির মুখে ছিল না। ঢাকা শহরে এক পরিস্থিতি, মফস্বলের আরেক পরিস্থিতি। তৃণমূল কৃষক যে দামে বিক্রি করে ভোক্তার কাছে এসে তা ৫০-৬০ গুণ বেড়ে যায়। এটা আমরা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। জাহাঙ্গীর কবির নানক আরও বলেন, সচিবালয়ে আজ আমারও ভালো লাগেনি। অনেক ভিড়ের সচিবালয়ে আজ ভিড় কম। ঢাকার রাস্তা অস্বাভাবিক। আসলে আমার জানামতে দুই পর্ব মিলে এতো ছুটি হয়নি। এখন স্বল্প সময়ের মধ্যে মানুষ বাড়িতে যায়। সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছে। এগুলো সবই সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। আমার কাছে মনে হয় এ সপ্তাহ এমন ঢিলেঢালা যাবে। আগামী সপ্তাহে কর্মচাঞ্চল্য ফিরবে। বিএনপি যে দুঃখ-কষ্টের বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছিল সেই দুঃখ-কষ্টের বাংলাদেশ আজকে আর নেই।


আরও খবর



বাহরাইনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাহরাইনের সঙ্গে আমাদের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে,  বলেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সবচেয়ে বড় সম্পর্ক হচ্ছে যে, দুই লাখের অধিক বাঙালি দেশটিতে কর্মরত আছেন। বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতেই আজকে আলোচনা হয়েছে। দেশটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

বুধবার (৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত বাহরাইনের রাষ্ট্রদূত আব্দুর রহমান মোহাম্মদ আল গৌদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, মহামারি করোনা সময় সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ও বাহরাইনের নাগরিকদের মধ্যে কোনো ধরনের পার্থক্য করেননি দেশটির বাদশাহ হামাদ বিন ইসা আল খরিফ। এ দেশটির সঙ্গে আমাদের অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে। সবচেয়ে বড় সম্পর্ক হচ্ছে যে, আমাদের ২ লাখের অধিক বাঙালি বাহরাইনে কর্মরত আছেন।

তিনি বলেন, আমাদের বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতেই আজকে আলাপ-আলোচনায় সবকিছু ঠিক করা হয়েছে। বাহরাইনের রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। রাষ্ট্রদূত হিসেবে তিনি তার পরিচয়পত্র দিতে এসেছিলেন। তিনি সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করছেন। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক খুবই ভ্রাতৃত্বপূর্ণ। আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে কথা হয়েছে। আমাদের আলোচনা ছিল খুবই আন্তরিক। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আমরা একমত হয়েছি।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আলাপ আলোচনায় রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন যে, কোভিডের সময় যখন ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রচলন ছিল, তখন কিন্তু সেখানকার বাদশাহ কোনো পার্থক্য করেননি একজন বাহারাইনির ও একজন বাঙালির মধ্যে। সেক্ষেত্রে বোঝা যায়, দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ একটা সম্পর্ক আছে।


আরও খবর



ঈদের আগে স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল প্রায় ২ হাজার টাকা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বর্ণের দাম ঈদের আগে বেড়ে ইতিহাস গড়েছে । ভরিতে ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে একভরি ২২ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮২৪ টাকায়।

শনিবার (৬ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, রোববার (৭ এপ্রিল) থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়ে যাওয়য় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮২৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১০ হাজার ৫৭৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৪ হাজার ৭৭০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৮ হাজার ৯৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ২১ মার্চ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। আর ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮ হাজার ৮৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার ৯৩ হাজার ৩১২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭৭ হাজার ৭৯৯ টাকা। যা ২২ মার্চ থেকে কার্যকর হয়েছিল।

চলতি বছর এ নিয়ে ৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাজুস। আর ২০২৩ সালে দাম সমন্বয় করা হয়েছিল ২৯ বার।

এদিকে, বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম। প্রতিবেদন লেখার সময় স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম অবস্থান করছে ২ হাজার ৩২৯ দশমিক ২০ ডলারে। প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম একদিনে ৩৮ দশমিক ৫০ ডলার বা ১ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে বিশ্ববাজারে কেনাবেচা চলছে।


আরও খবর



ঈদের পর কর্মে ফেরা মানুষের উপচে পরা ভীড়

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:ঈদ উল ফিতর ও বৈশাখ উপলক্ষে টানা ৫ দিনের ছুটি শেষে সোমবার ১৫ এপ্রিল খুলেছে সরকারি বেসরকারি দপ্তর,ব্যান্ক বিমা সহ সকল প্রতিষ্ঠান।গত ৯ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণার পরও অনেকেই অতিরিক্ত ছুটিতে রয়েছেন বলে একাধিক প্রতিষ্ঠানেই কর্মচান্ঞল্য থাকার কথা নয়।

জানা যায়,৮ এপ্রিল অফিস শেষে করেই সরকারি ছুটি শুরু হয়ে যায়। ১৫ এপ্রিল সোমবার কাজে যোগদানের কথা থাকলেও ঢাকা গামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ১৪ এপ্রিল রবিবার বন্ধ থাকায় ১৩ এপ্রিল শনিবার কর্মজীবিরা ঢাকা সহ অনেক জায়গায় যাত্রা শুরু করেন।টানা এ ছুটি শেষে সোমবার সব প্রকার অফিস-আদালত খুলছে বলে জানা যায়। তবে স্কুল কলেজ খুলতে আরো দুই চার দিন লাগতে পারে বলে জানান স্কুল ও কলেজ পরিচালকরা।

মরিয়ম নামের এক নারী যাত্রী জানান, সৈয়দপুর থেকে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকায় যাত্রা যথেষ্ট আরামদায়ক।  সৈয়দপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে ঢাকা পর্যন্ত পুলিশি সেবা পাওয়া যায় সার্বক্ষনিক। এর ফলে প্রায় সময় ট্রেনেই যাওয়া আসা করি।

সৈয়দপুর রেলওয়ের সহকারী ষ্টেশন মাষ্টার রানা বলেন,রবিবার ১৪ এপ্রিল নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বন্ধ থাকায় ১৩ এপ্রিল কর্মে ফেরা মানুষের উপচে পরা ভীড় হয়েছে। যাত্রীরা যাতে ভালো ভাবে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে এজন্য প্রায় ৪ টি নতুন বগি সংযুক্তও করা হয়েছে। 

স্টেশন মাষ্টার ওবায়দুল ইসলাম রতন বলেন, যাত্রীদের সুব্যবস্হা ও বগি বৃদ্ধি করায়, তারা আরাম আয়াসে ফিরতে পারছেন নীজ কর্মসংস্থানে। সার্বক্ষনিক দেয়া হচ্ছে পুলিশি সেবা।

দেখা গেছে নারীর টানে প্রিয়জনের সাথে ঈদ আনন্দ করতে কর্মব্যস্ত ঢাকা শহরকে সাময়িক বিদায় জানিয়ে ৮ এপ্রিলের মধ্যে গ্রামে ঈদ করতে আসেন লাখ লাখ মানুষ।

ঈদের আগে ট্রেন ছাড়াও বাস--লঞ্চ সব মাধ্যমেই ছিল বাড়ি ফেরা মানুষের উপচে পড়া ভিড়। নানা দুর্ভোগ মাথায় নিয়েই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরে মানুষ। আর সেই উৎসব আনন্দ শেষ করে এখন কর্মে ফেরার পালা তাদের।

যদিও ঈদের পর প্রথম কর্ম দিবসে উপস্থিতির সংখ্যা কম থাকাটাই স্বাভাবিক। কেননা অনেকে ঈদের সাধারণ ছুটির সঙ্গে আরো ২/৪ দিন ছুটি বাড়িয়ে গ্রামেই কাটিয়ে দেবেন আরো ৪/৫ দিন। তাই ১৭/১৮ এপ্রিল হতে পারে পূর্ণ কর্ম ব্যস্ততা।সেই সময় পুরোপুরি প্রাণ চাঞ্চল্য হয়ে উঠবে ঢাকা।

গণমাধ্যম কর্মীদের ব্যস্ততা শুরু হবে ১৪ এপ্রিল রবিবার থেকেই। কেন না সোমবার সব প্রকার পত্রিকা চালু হচ্ছে বলে জানা যায়। 


আরও খবর