Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

সীতাকুণ্ডে জাম পাড়তে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাম পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে মো. রওশনজ্জামান নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রওশন ওই এলাকার নুরুল আলমের ছেলে।

নিহতের ভাগনে মো. রুবেল জাগো নিউজকে জানান, সকালে তার মামা জাম পাড়তে গাছে ওঠেন। একপর্যায়ে পা পিছলে নিচে পড়ে যান। এসময় তিনি মাথায় আঘাত পান। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। নিহত রওশনের চারটি সন্তান রয়েছে বলে জানান তিনি।

চমেক হাসাপাতাল তদারক ফাঁড়ি কর্মকর্তা পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



আল্লাহর জিকির না করলে কী শাস্তি হবে?

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

যে (ব্যক্তি) আল্লাহর স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, আল্লাহর জিকির করবে না; আল্লাহ তাআলা সেসব বান্দাকে দুনিয়া ও পরকালে দুই ধরণের শাস্তি দান করবেন। জিকির থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ব্যক্তিদের সে শাস্তি কী?

জিকির থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ব্যক্তিদের দুনিয়া ও পরকালের দুই ধরনের শাস্তির বর্ণনা দিতে গিয়ে মহান আল্লাহ কোরআনুল কারিমে ঘোষণা করেন-

وَ مَنۡ اَعۡرَضَ عَنۡ ذِکۡرِیۡ فَاِنَّ لَهٗ مَعِیۡشَۃً ضَنۡکًا وَّ نَحۡشُرُهٗ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ اَعۡمٰی

‘আর যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে আর আমি তাকে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করবো।’ (সুরা ত্বহা : আয়াত ১২০)

আয়াতের সারমর্ম হচ্ছে এই যে, যে ব্যক্তি কোরআনের বিধি-বিধান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে; কোরআনের নির্দেশের আনুগত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে; এর পরিবর্তে অন্যদের থেকে হেদায়াত গ্ৰহণ করে, তার পরিণাম এই যে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে।’ (ইবনে কাসির)

১. সংকীর্ণ জীবন

কোরআনের ভাষ্যে ওই সব লোকদের জন্য সংকীর্ণ ও তিক্ত জীবনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে; যারা আল্লাহর কোরআন ও তাঁর রাসুলের প্রদর্শিত পথে চলতে বিমুখ হয়। কিন্তু তাদের সে সংকীর্ণ ও তিক্ত জীবন কোথায় হবে তা নির্ধারণে একাধিক মত রয়েছে-

এক. তাদের দুনিয়ার জীবন সংকীর্ণ হবে। তাদের কাছ থেকে অল্পে তুষ্টির গুণ ছিনিয়ে নেয়া হবে এবং সাংসারিক লোভ-লালসা বাড়িয়ে দেওয়া হবে। যা তাদের জীবনকে অতিষ্ট করে তুলবে। ফলে তাদের কাছে যত অর্থ-সম্পদই সঞ্চিত হোক না কেন, আন্তরিক শান্তি তাদের ভাগ্যে জুটবে না। সদা-সর্বদা সম্পদ বৃদ্ধি করার চিন্তা এবং ক্ষতির আশঙ্কা তাদেরকে অস্থির করে তুলবে। কেননা, সুখ-শান্তি অন্তরের স্থিরতা ও নিশ্চিন্ততার মাধ্যমেই অর্জিত হয়; শুধু প্রাচুর্য্যে নয়।’ (ইবন কাসির, ফাতহুল কাদির)

দুই. অনেক তাফসিরকারের মতে সংকীর্ণ জীবন বলতে এখানে কবরের জীবনকে বোঝানো হয়েছে।’ (ইবনে কাসির)

অর্থাৎ তাদের কবর বিভিন্ন প্রকার শাস্তির মাধ্যমে তাদের উপর সংকীর্ণ হয়ে যাবে। এতে করে কবরে তাদের জীবন দুর্বিষহ করে দেওয়া হবে। তাদের বাসস্থান কবর তাদেরকে এমনভাবে চাপ দেবে যে, তাদের পাঁজর ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে। এক হাদিসে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং (مَعِيشَةً ضَنْكًا) এর তাফসিরে বলেছেন যে, এখানে কবর জগত ও সেখানকার আজাব বোঝানো হয়েছে।’ (মুসতাদরাকে হাকেম, ইবনে হিব্বান)

তাছাড়াও বিভিন্ন বিশুদ্ধ হাদিসে কবরের যিন্দেগীর বিভিন্ন শাস্তির যে বর্ণনা এসেছে, তা থেকে বুঝা যায় যে, যারা আল্লাহ, কোরআন ও রাসুলের প্রদর্শিত দ্বীন থেকে বিমুখ হবে, কবরে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘মুমিন তার কবরে সবুজ প্রশস্ত উদ্যানে অবস্থান করবে। আর তার কবরকে ৭০ গজ প্রশস্ত করা হবে। পূর্নিমার চাঁদের আলোর মত তার কবরকে আলোকিত করা হবে। তোমরা কি জান আল্লাহর আয়াত (তাদের জন্য রয়েছে সংকীর্ণ জীবন) কাদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে? তোমরা কি জানো সংকীর্ণ জীবন কি? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ভাল জানেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তাহলো- কবরে কাফেরের শাস্তি। যার হাতে আমার জীবন, তার শপথ করে বলছি- তাকে ন্যস্ত করা হবে ৯৯টি বিষাক্ত তিন্নিন সাপের কাছে। তোমরা কি জানো তিন্নিন কি? তিন্নিন হল ৯৯টি সাপ। প্ৰত্যেকটি সাপের রয়েছে ৭টি মাথা। যেগুলো দিয়ে সে কাফেরের শরীরে ছোবল মারতে থাকবে, কামড়াতে ও ছিড়তে থাকবে কেয়ামত পর্যন্ত।’ (ইবনে হিব্বান, দারেমি, মুসনাদে আহমাদ)

২. অন্ধ অবস্থায় ওঠা

যারা নিজেদের আল্লাহর স্মরণ থেকে বিরত রাখে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় তাদের হাশার করা হবে। এখানে অন্ধ অবস্থার কয়েকটি অর্থ হতে পারে-

এক. বাস্তবিকই সে অন্ধ হয়ে উঠবে।

দুই. সে জাহান্নাম ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাবে না।

তিন. সে তার পক্ষে পেশ করার মতো কোনো যুক্তি থেকে অন্ধ হয়ে যাবে। কোনো প্রকার প্রমাণাদি পেশ করা থেকে অন্ধ হয়ে থাকবে।’ (ইবনে কাসির, ফাতহুল কাদির)

চার. জ্ঞান থেকে বঞ্চিত অবস্থায়। অর্থাৎ কেয়ামতের দিন এমন কোন প্রমাণ তার মাথায় আসবে না, যা পেশ করে সে আজাব হতে নিজেকে বাঁচাতে পারে।

তখন তার পরবর্তী আয়াতের অর্থ হবে- সে বলবে, হে আমার রব! আমাকে কেন আমার যাবতীয় যুক্তিহীন অবস্থায় হাশর করেছেন? আল্লাহ উত্তরে বলবেন, অনুরূপভাবে তোমার কাছে আমার নিদর্শনসমূহ এসেছিল, কিন্তু তুমি সেগুলো ত্যাগ করে ভুলে বসেছিলে, তাই আজকের দিনেও তোমাকে যুক্তি-প্রমাণহীন অবস্থায় অন্ধ করে ত্যাগ করা হবে, ভুলে যাওয়া হবে। কারণ এটা তো তোমারই কাজের যথোপযুক্ত ফল।’ (ইবসে কাসির)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, সব সময় মহান রবের সব বিধিবিধান মেনে চলা। বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করা। দুনিয়ার প্রতিটি কাজে মহান রবের নির্দেশ মতে জীবন পরিচালনা করা। তবেই দুনিয়ার জীবনের সংকীর্ণতা এবং পরকালের অন্ধ হয়ে ওঠা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দুনিয়ায় মহান রবের বিধিবিধান মেনে জীবন গঠনের তাওফিক দান করুন। বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করার তাওফিক দান করুন। কোরআনের ঘোষিত শাস্তি দুটি থেকে হেফাজত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



পাকস্থলী ক্যানসারের যে লক্ষণ ফুটে ওঠে মুখে

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

পাকস্থলীর নানা সমস্যা কমবেশি সবাই ভোগেন। যার মধ্যে গ্যাস্ট্রিক, বদহজন, পেটে ব্যথা অন্যতম। ঠিক এসব লক্ষণই দেখা দেয় পাকস্থলীর ক্যানসারের ক্ষেত্রে। যা বেশিরভাগ মানুষই সাধারণ ভেবে এড়িয়ে যান।

পাকস্থলীর ক্যানসার এমন একটি রোগ, যার লক্ষণ প্রাথমিক পর্যায়ে বুঝতে পারা সত্যিই কঠিন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্যানসারের কিছু কিছু লক্ষণ ফুটে উঠতে পারে ত্বকে। বিশেষ করে মুখে।

গ্যাস্ট্রিক ক্যানসারের ফলে রোগীর দেহে ‘প্যাপিউলোরাইথ্রোডিমা অব অফুজি’ নামক ত্বকের একটি সমস্যা দেখা যায়। এক্ষেত্রে ত্বকে ক্ষুদ্রাকৃতি ফোলা ফোলা অংশ বা প্যাপিউল তৈরি হয়।

এই ফোলা স্থানগুলো কখনো কখনো ত্বকের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে আবার কখনো স্থানগুলোতে চামড়া উঠে আসে। ক্ষতস্থান চুলকাতেও পারে।

দেহের যে কোনো স্থানে এই উপসর্গ দেখা যেতে পারে। তবে চাইনিজ জার্নাল অব ক্যানসার রিসার্চে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, মুখের ত্বকেই এই উপসর্গ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

শুধু ত্বকের সমস্যা নয়। মিউকাস বা শ্লেষ্মা ও লসিকা গ্রন্থির সমস্যাও এই ক্যানসারের অন্যতম উপসর্গ। এমনকি খিদে কমে যাওয়া, অনবরত বুকজ্বালা, পেটের গোলযোগ কিংবা বমি বমি ভাবও গ্যাস্ট্রিক ক্যানসারের অন্যতম লক্ষণ হতে পারে।

কারও কারও ক্ষেত্রে এই ক্যানসারের কারণে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও কমে যায়। তাই এ ধরনের কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আরও খবর



শিশু ধর্ষণ মামলায় তরুণের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর আদাবরে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মো. সবুজ (২২) নামের এক তরুণের যাবজ্জীবন ও এক লাখ টাকার অর্থদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া, অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের কারাভোগ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক সামছুন্নাহার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। পরে বিচারক সবুজকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর পাঁচ বছর বয়সের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজধানীর আদাবর থানায় মামলা করেন শিশুটির মা স্বপ্না বেগম। মামলার পরদিনই সবুজকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে শিশুটির মা-বাবা কাজের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ওই শিশুকে ঘরে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন সবুজ।

সন্ধ্যার পরে শিশুটির মা-বাবা বাসায় ফিরে এসে মেয়ের কাছ থেকে সব জানতে পেরে আদাবর থানায় সবুজের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০২১ সালের ৩১ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলা চলাকালে নয়জন সাক্ষীর মধ্যে নয়জনই আদালতে সাক্ষ্য দেন।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর প্রেরণার বড় উৎস ছিলেন বঙ্গমাতা: শিল্প প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:Tuesday ০৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
Image

শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেছেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সহধর্মিণী, সতত প্রেরণাদায়ী। রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত না থেকেও তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক প্রেরণার সবচেয়ে বড় উৎস ছিলেন। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে বঙ্গবন্ধুকে তিনি প্রশ্নহীনভাবে সমর্থন দিয়েছেন, মনোবল, সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন।

সোমবার (৮ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর রূপনগর এলাকায় মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব ভবনের অডিটোরিয়ামে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এর ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, তার সহজাত মানসিকতা, সাহস ও আত্মবিশ্বাসী সত্তা দ্বারা তিনি প্রভাবিত হয়েছেন। কর্মের মাধ্যমেই তিনি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন একটি সংগ্রামমুখর জীবনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দিনের পর দিন বঙ্গবন্ধুর কারাগারে থাকাবস্থায় শত সংকট মোকাবিলা করেও তিনি সংসার সামলে ছেলেমেয়েদের লালন-পালন করেছেন, তাদের পড়াশোনা করিয়েছেন। কোন দিন স্বামীর প্রতি ন্যূনতম অভিযোগ না করে তার রাজনৈতিক লক্ষ্যের পানে এগিয়ে যেতে নিরন্তর উৎসাহ জুগিয়ে গেছেন।

কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে, নেতৃত্বের প্রশ্নে আওয়ামী লীগে যখনই কোন সংকটের কালো ছায়া ঘনীভূত হয়েছে, বঙ্গমাতা সেই কালো ছায়া দূর করার জন্য পর্দার অন্তরালে থেকে দৃঢ়, কৌশলী ও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের আগে দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পক্ষের নানামুখী প্রস্তাব ও পরামর্শে সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া না দেওয়া নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত বঙ্গবন্ধুকে তিনি কারও পরামর্শ না শুনে নিজের কাছে যা সঠিক মনে হয় তাই বলতে পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুও তাই করেছিলেন। তিনি এমনই তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তার অধিকারী ছিলেন।


আরও খবর



চার গণতন্ত্রপন্থি কর্মীর ফাঁসি কার্যকর করলো মিয়ানমার জান্তা

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

মিয়ানমারে চার গণতন্ত্রপন্থি কর্মীকে ফাঁসি দিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের প্রথম ব্যবহার হলো দেশটিতে।

সাবেক আইন প্রণেতা ফিও জেয়া থাও, লেখক ও কর্মী কো জিমি, হ্লা মায়ো অং এবং অং থুরা জাওকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের’ জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

গত জুন মাসে দেশটির সামরিক বাহিনী কর্তৃক প্রথম ঘোষণা করা এই মৃত্যুদন্ড। পরে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক নিন্দা ও সমালোচনার মুখে পড়ে মিয়ানমার জান্তা সরকার। ২০২১ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে দেশটির সেনাবাহিনী।

দেশটির জান্তা গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেতৃত্বে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে। এরপর দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়।

অভ্যুত্থানের বিরোধিতায় গঠিত মিয়ানমারের ছায়া জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি) এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেছে যে তারা ‘অত্যন্ত মর্মাহত ও দুঃখিত’। এতে গণতন্ত্রপন্থি ব্যক্তিত্ব, সশস্ত্র জাতিগত গোষ্ঠীর প্রতিনিধি এবং এনএলডি সদস্যরা রয়েছেন। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দেশটির সেনাবাহিনীর এ নিষ্ঠুরতার জন্য শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

jagonews24

রাষ্ট্রীয় সংবাদ আউটলেট গ্লোবাল নিউজ লাইট অব মিয়ানমারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে চারজনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে তারা ‘নির্দেশনা দিয়েছিল, ব্যবস্থা করেছিল এবং নৃশংস ও অমানবিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য ষড়যন্ত্র করেছিল’। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনে অভিযোগ আনা হয়।

তবে কখন বা কীভাবে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে তা জানা যায়নি।

জাতিসংঘের মতে, ১৯৮৮ সালের পর এই প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে দেশটিতে।

সূত্র: বিবিসি


আরও খবর