Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

সেচ হার ২ হাজার টাকা তারপরও কার্ডে নিতে হয় পানি ঘটে মারপিট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩৫১জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:এক বিঘা জমিতে ২ হাজার টাকা সেচ হার নির্ধারণ করা হয়েছে। ধান কাটার আগেই ২ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়। হারের টাকা দেওয়ার পর জমিতে সেচ নিতে হলে কার্ড কিনে নিতে হয়। রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপ অপারেটরেরা চালিয়ে যাচ্ছেন এমন কাল্পনিক নিয়ম। অথচ গভীর নলকূপে সেচ কার্ড আসার পর হার নেয়ার কোন নিয়মই নেই বলে বিএমডিএ নিশ্চিত করেন। কিন্তু বিএমডিএর এমন নিয়ম মানতে নারাজ গভীর  নলকূপের অপারেটরেরা। বিশেষ করে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারনে গভীর নলকূপের সেচ সুবিধা  থেকে কৃষকরা চরমভাবে বঞ্চিত। ফলে সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক কার্ডের মাধ্যমে সেচের ব্যবস্থার জোর দাবি কৃষকদের। নচেৎ মানববন্ধন থেকে শুরু করে আন্দোলনে যাওয়ার কথা ভাবছেন কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, উপজেলার তালন্দ ইউনিয়ন ইউপির আড়াদিঘি মৌজায় দুটি গভীর নলকূপের অপারেটর ক্ষমতাসীন দলের যুবলীগ নেতা শাফিউল ও হাবিবুর। তারা চলতি বোরো মৌসুমে বিঘায় ২ হাজার টাকা করে সেচ হার নির্ধারণ করেন। কিন্তু হারের পুরো টাকা আদায়ের পর কার্ডে পানি নিতে বাধ্য করছেন। যার কারনে কৃষকদের বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। আবার কোন কৃষক এসবের প্রতিবাদ করলে ওই গভীর নলকূপে আর চাষাবাদ করতে পারবে না। একারনে অপারেটরদের হাজারো সিন্ডিকেট মেনে চাষাবাদ করেই যাচ্ছেন। 

তানোর পৌর এলাকার চাপড়া গ্রামের কয়েকজন কৃষক জানান, গভীর নলকূপ স্থাপন হয়েছে কৃষকদের সুবিধার জন্য। কিন্তু গভীর নলকূপ সুবিধার বিপরীতে কৃষকদের কাছে এক প্রকার গলার কাটা হয়ে পড়েছে। আড়াদিঘি গ্রামের অপারেটর শাফিউল ও হাবিবুরের গভীর নলকূপে এক বিঘা  জমির হার ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পুরো টাকা আদায় হওয়ার পর এখন কার্ড কিনে সেচ নিতে হচ্ছে। চাষাবাদের জন্য সার কীটনাশক সহ শ্রমিকের বাড়তি মূল্য গুনতে হচ্ছে। আবার সেচ হার, কার্ডের মাধ্যমে পানি নেওয়া কৃষকের মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে পড়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে টানা  প্রচন্ড খরতাপ আছে। একদিন জমিতে সেচ না দিলে পানি থাকেনা। আবার সেচের জন্য অপারেটর ও ড্রেন ম্যানের কাছে দিনের পর দিন ধরনা দিয়ে মিলে না সেচ।
এদিকে উপজেলায় বোরো চাষ হয় দুভাগে। বিলের জমিতে আগাম ও মাঠের জমিতে আলু উত্তোলনের পর হয় বোরো চাষ। বিলের জমির ধান কাটা মাড়ায় ইতিপূর্বেই শেষ হয়ে গেছে। আলুর জমির ধান  কাটা শুরু হয়েছে। প্রচন্ড টানা তাপমাত্রা থাকা ও সময়মত সেচের পানি না পাওয়ার কারনে বিঘায় ৭ থেকে ৮ মন ধানের ফলন হয়েছে কম। 

কৃষি অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, টানা খরতাপ ও সময়মত সেচের পানি না পাওয়ার কারনে বিঘায় ৪ থেকে ৫ মন ফলন কম হয়েছে। এই মর্মে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জেলায় এরিপোর্ট দেয়া হয়েছে। কিন্তু জেলা অফিস সেই রিপোর্ট গ্রহণ না করে গত মৌসুমে যে ফলন হয়েছে সেই রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশ দেন। সে মোতাবেক রিপোর্ট পুনরায় দেয়া হয়।বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত)  জামিলুর রহমান বলেন, সেচের জন্য হার নির্ধারণ করার কোন নিয়ম নেই। কার্ডের মাধ্যমে সেচের পানি নিতে হবে। অতিরিক্ত হার নিলে কৃষকরা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে জমিতে সেচের পানি চাওয়ায় মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। তানোর পৌর এলাকার হরিদেবপুর গ্রামে ঘটে ঘটনাটি। এঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক হরিদেবপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে গত রবিবার অপারেটর একই গ্রামের মোজাহারকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগী কৃষক জানান গত সোমবার সকালের দিকে হরিদেবপুর গ্রামের আইয়ুব আলীর বাড়ির পার্শ্ববর্তী জমিতে সেচের পানি চাওয়ায় অপারেটর মোজাহার আমাকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে। সে বিঘায় ১৬০০ টাকা হার নির্ধারণ করে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। টাকা নিলেও সঠিক ভাবে সেচ দেয়না। তবে অপারেটর মোজাহার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাকে অকাথ্য ভাষায় গালমন্দ করার কারনে তাকে উত্তম মাধ্যমে দেয়া হয়েছে । মারপিটের সাথে  সেচের কোন বিষয় নাই। আপনি নাকি ১৬০০ টাকা করে এক বিঘায় হার নির্ধারণ করে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, এখনো হার নির্ধারণ করা হয়নি। ধান কাটার পর নির্ধারন করা হবে।

থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

আরও খবর



সেলিম প্রধানের ব্যাংক লোন কান্ড

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিনিধি:- জাপান বাংলা সিকিউরিটি প্রিন্টিং এন্ড পেপার লিমিটেড এর কর্ণধার মোঃ সেলিম প্রধান কিভাবে বাংলাদেশের অর্থ নৈতিক দূরঅবস্থায় লোন রিসিডিউল করে? সেলিম প্রধান ক্যাসিনো কান্ডে এবং দূর্নীতিদায় এবং মালিলন্ডারিং এর কারণে ৮ বছর মহামান্য আদালতের রায়ের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত হয় কিন্তু ৪ বছর কারাভোগ করে বিভিন্ন শর্তের মাধ্যমে জামিন পান ক্যাসিনো সেলিম কিন্তু যেই কোম্পানির নামে লোন রিসিডিউল করতে যাচ্ছে তা এখন পরিপূর্ণ অকেজো।


এছাড়াও, উনি যেহেতু দূর্নীতি ও মানিলন্ডারিং এর দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, তাহলে কেন উনাকে পুনরায় রুপালী ব্যাংক লোন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে সেটা বোধগম্য নয়। ধারণা করা হচ্ছে ঘুষের মাধ্যমে এই লোন পুনরায় পাশ করা হচ্ছে। তাহলে কি ব্যাংক কর্মকর্তারা ঘুষের মাধ্যমে এই লোন রিসিডিউন করতে যাচ্ছে?  বাংলাদেশের এমন  অর্থনৈতিক সংকটময়  অবস্থায় কেন একজন দূর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে লোন দেওয়া হবে? রুপালী ব্যাংক কি ঞ্চন খেলাপীর সুব্যবস্থা করে দিচ্ছে নাকি দূর্নীতি কে প্রশ্রয় দিচ্ছে? অর্থনেতিবিদের মতে, এমন ব্যক্তিকে ব্যাংক লোন দিলে শীগ্রই দেশ দেউলিয়ার পথে চলে যেতে পারে।


এবং ঞ্চন খেলাপীর মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। ক্যাসিনো কান্ডে জড়িত সেলিম প্রধান কে মতিঝিল লুকাল অফিস দিলখুশা রুপালি ব্যাংক কেন লোন রিসিডিউল করেছে?  সেই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দূর্নীতিদমন কমিশনারের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছে অর্থনীতিবিদগণ। 


এই মতিঝিল লোকাল অফিস দিলখুশা রুপালি ব্যাংক থেকে পূর্বেও প্রায় ২০০  কোটি টাকার মত লোন নিয়েছিলো সেলিম প্রধান। সেলিম প্রধান ঐই লোন ঠিকমত পরিশোধ করতে পারে নাই এবং ঠিকমত কিস্তিও দিতে ব্যর্থ।তারপরও কিভাবে ব্যাংক তার সাথে প্রায় ৪৬ কোটি টাকার লোন  রিসিডিউল করে? ব্যাংক কর্মকর্তারা কি ঋন খেলাপী এবং মানিলন্ডারিং ও দূর্নীতি কে তকবির বা ঘুষের মাধ্যমে প্রশ্রয় দিচ্ছে?

     -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শনিবার শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আগামী শনিবার তৃতীয় মেয়াদে শপথ নিতে যাচ্ছেন। ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

নরেন্দ্র মোদি এবার প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হলে হবেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের বলিষ্ঠ নেতা জওহরলাল নেহরুর পর তৃতীয় মেয়াদে নিয়োগ পাওয়া কোনো সরকার প্রধান।

নরেন্দ্র মোদি সরকার গঠনের উদ্দেশে আজ বুধবার (৫ জুন) ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করতে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছেছেন। এই সাক্ষাতে তিনি তার বর্তমান পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। এরপর তিনি নতুন সরকার গঠনের জন্য তার দাবির কথা জানাবেন।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ২৮২ আসনে জয়ী হওয়ার পর নেরেন্দ্র মোদির বিজেপি ২০১৯ সালে আসন পায় ৩০৩টি। আর এবারের নির্বাচনে দলটি পেয়েছে ২৪০টি আসন যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৭২টি আসনের চাইতে ৩২টি কম। তবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স (এনডিএ) মিত্ররা জয়ী হয়েছে আরও ৫৩টি আসনে।

নরেন্দ্র মোদি তার লোকসভার আসন উত্তর প্রদেশের বারানসি থেকে কংগ্রেসের অজয় রায়কে দেড় লাখেরও কম ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।

নরেন্দ্র মোদি আজ বুধবার (৫ জুন) কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠকে সভাপতিত্ব করার সময় নির্বাচনের এই ফলাফলকে বিশ্বে সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের জন্য বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেন। এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় নরেন্দ্র মোদি নিশ্চিত করেছিলেন যে, এনডিএ আবারও কেন্দ্রে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

এবারের নির্বাচনে বিজেপি ৩৭০টি আসন পাওয়ার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য স্থির করেছিল। পাশাপাশি এই লক্ষ্য এনডিএ’র জন্য ধরা হয়েছিল চারশর বেশি। তবে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া জোট’ চমক দেখিয়ে ২৩২টি আসনে জয়লাভ করে। 


আরও খবর



পরীমণির পাশে দাঁড়ালেন ডিপজল

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১১৮জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:দুই বছর পর ফের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) কুরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। তবে এবার কুরবানির সঙ্গে একটি শর্তজুড়ে দিয়েছেন তিনি। বিএফডিসিতে আনন্দময় পরিবেশের নিশ্চয়তা পেলে তবেই সেখানে কুরবানি দেবেন বলে জানিয়েছেন এ নায়িকা।

এ অভিনেত্রী বলেন, আমি এবার কুরবানি দিতে চাই। এ জন্য বিএফডিসির কেউ যদি সেখানে আনন্দময় পরিবেশে সবাইকে নিয়ে কুরবানির নিশ্চয়তা দিতে পারে, তবেই সেখানে কুরবানি দেব।

অভিনেত্রীর মন্তব্য দৃষ্টিগোচর হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদ্য নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজলের।

এ ব্যাপারে তিনি জানান- পরীমণিকে বিএফডিসিতে কুরবানি দেওয়ার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। আনন্দময় পরিবেশ থাকবে বিএফডিসিতে। আমরা সবাই একসঙ্গে ঈদ ও কুরবানির আনন্দ ভাগাভাগি করব। বিএফডিসিতে কুরবানি দেওয়ার জন্য কেন বাধা দেওয়া হবে? আগে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে জানা নেই আমার। আমরা একসঙ্গে কুরবানি দেব, সবাই আনন্দ-ভাগাভাগি করব। কুরবানি শেষ হলে ময়লা-আবর্জনা ধুয়ে পরিস্কার করা হবে।

অভিনেতা ডিপজল বলেন, পরীমণিকে আমরা সব ধরনের সহায়তা করব। তার পাশে রয়েছি আমরা। সুন্দর পরিবেশের নিশ্চয়তা দিচ্ছি তাকে। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব। বিএফডিসিতে এবার উৎসবমুখর পরিবেশে কুরবানি দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে বিএফডিসিতে প্রথমবারের মতো কুরবানি দেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। পরবর্তী পাঁচ বছর সেই ধারাবাহিকতায় বজায় রেখে কুরবানি দিয়েছেন। সবশেষ ২০২১ সালে ৬টি গরু কুরবানি দেন তিনি। ওই বছর বিএফডিসির ভেতরে কুরবানি দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে বাইরে কুরবানি দিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী।

পরীমণি বর্তমানে ‘রঙিলা কিতাব’ নামে একটি ওয়েব সিরিজের কাজ করছেন। কিঙ্কর আহসানের ‘রঙিলা কিতাব’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিতব্য সাত পর্বের সিরিজটি পরিচালনা করছেন অনম বিশ্বাস।


আরও খবর



গোদাগাড়ীতে শিশুদের মাঝে গাছের চারা বিতরন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৪জন দেখেছেন

Image

মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে শিশুদের মাঝে পুষ্টির চাহিদা পুরণের লক্ষে ১৯ হাজার ২৫০ টি ফলজ গাছের চারা বিতরন করা হয়।বৃহস্পতিবার ১৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায়  উপজেলার আই হাই উচ্চ বিদ্যালয়ে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গোদাগাড়ী এপির উদ্যোগে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গোদাগাড়ী এপি ম্যানেজার প্রেরণা চিসিমের সভাপতিত্বে  ফলজ গাছের চারা বিতরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন,গোদাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসিদুল গণি মাসুদ,আই হাই উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হোসেন আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গোদাগাড়ী এপির প্রোগ্রাম অফিসার এন্ড্রিকাস মুর্মু প্রমূখ। উল্লেখ্য যে উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও ২ পৌরসভার মধ্যে ১৯হাজার ২৫০ টি ফলজ চারা বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে আম ৭ হাজার ৭০০টি, লিচু ৩হাজার ৮৫০টি পেয়ারা ৩হাজার ৮৫০টি লেবু-৩ হাজার ৮৫০টি ফলজ গাছের চারা শিশুদের মাঝে তুলে দেয়া হয়। যা শিশুদের পুষ্টি চাহিদা পুরণে সাহায্য করবে।


আরও খবর



বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১০৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে বাংলাদেশে। টাইগারদের এ জয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (৮ জুন) সকালে এক অভিনন্দন বার্তায় ক্রিকেটপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ক্রিকেট দলের সব খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জয়ের ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর