Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

শব্দদূষনের প্রত্যক্ষ শিকার ট্রাফিক পুলিশ ও পথচারীরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ২৩৮জন দেখেছেন

Image

তারিখ: ০২/০২/২০২৩

বরাবর

বার্তা সম্পাদক/বার্তাপ্রধান


বৃহস্পতিবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সকাল ১১.০০ ঘটিকায় স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অডিটোরিয়াম কক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তরের ‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প’এর আওতায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধী এই প্রকল্পে জরিপ ও মতবিনিময় সভার কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগীতায় আছে ইকিউএমএস কনসালটিং লিমিটেড এবং বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যায়ণ কেন্দ্র (ক্যাপস)।


পরিবেশ অধিদপ্তর সদর এর উপ-পরিচালক (প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা) বেগম ফারহানা মুস্তারী এর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ সোহেল রানা, এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের চীফ কার্ডিওলজি কনসালটেন্ট ডা. এম এ বাকি; বুয়েটের সহকারী অধ্যাপক কাজী মোঃ শিফুন নেওয়াজ; স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিডফোর্ড হাসপাতালের নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ডা. আমজাদ হোসেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন স্টামফোর্ড বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন প্রকল্পের মাঠ সমন্বয়ক ইঞ্জিঃ মোঃ নাছির আহম্মেদ পাটোয়ারী। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সার্জেন্ট ও ট্রাফিকগণ, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগন, ডাক্তার, বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মী, গাড়ি চালক, সামাজিক ও পরিবেশবাদি বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা।


স্বাগত বক্তবে স্টামফোর্ড বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, ক্যাপস এর গবেষনায় দেখা যায় যে পেশাগত দায়িত্বে থাকা ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের ১১.৮ শতাংশ সদস্যের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং ৩৩.৯ ভাগ ট্রাফিক পুলিশের অন্যদের কথা শুনতে কষ্ট হয়। শব্দ দূষণ সহ পরিবেশ দূষণ রোধে আমাদের দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে, তবে আইনের প্রয়োগ হোক সর্বেশেষ পদক্ষেপ এবং সচেতনতাই হোক সর্বপ্রথম পদক্ষেপ।


প্রধান অতিথি বক্তব্যে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ সোহেল রানা বলেন, শব্দদূষনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে, যানবাহনের সৃষ্ট শব্দদূষনের প্রত্যক্ষ শিকার ট্রাফিক পুলিশ ও পথচারীরা। শব্দ দূষণরোধে যানবাহন এবং নির্মাণ কাজে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর গুরত্ব আরোপ করেন।


সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক (প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা) বেগম ফারহানা মুস্তারী বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর শুরু থেকেই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে আসছে। এই প্রকল্পের অধীনে পরিবেশ অধিদপ্তর নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আসছে, শব্দদূষণ রোধে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা একান্তই কাম্য।                          


বিশেষ অতিথি ডা. এম এ বাকি বলেন, "শব্দদূষন একটি নিরব ঘাতক” এটি পথচারী ও সড়কে কর্মরত ট্রাফিক কন্ট্রোলে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতা সৃষ্টি করছে। শব্দ দূষণ কানের সমস্যার পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হার্টের রক্তনালী ব্লক, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল বাড়াতেও ভূমিকা রাখে। জনস্বাস্থ্যের এই অতিব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি জনসচেতনতার জন্য আরো অধিকতরভাবে গণমাধ্যমে প্রচার করা উচিত এবং জনস্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখে শব্দ দূষণ প্রতিরোধে সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে।


বিশেষ অতিথি বুয়েটের অধ্যাপক শিফুন নেওয়াজ বলেন- প্রশসনের উচিত উচ্চ ডেসিবল শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন আমদানি বন্ধ করা এবং পর্যায়ক্রমে বিদ্যমান হর্ন নষ্ট করা। সপ্তাহে যে কোন একটি দিন বা একটি ঘন্টা অথবা একটি স্থান হর্নমুক্ত ঘোষণা  করা যেতে পারে এবং তা বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে।


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিডফোর্ড হাসপাতালের নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ডা. আমজাদ হোসেন বলেন, ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের ৯.৬% জনগণ অর্থাৎ ১ কোটি ৩৪ লাখ মানুষ কোন না কোন ধরনের শ্রবণ হ্রাসজনিত জটিলতায় ভুগছে। এই শ্রবণ হ্রাসের অন্যতম মূল কারণ শব্দদূষণ। শব্দদূষণ ক্রমাগত এক্সপোজার মানুষের শ্রবণ শক্তি কমিয়ে দেয়ার পাশাপাশি মানসিক অবসাদ তৈরি করে। চিকিৎসার চেয়ে শব্দদূষণ প্রতিরোধ আমাদের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।


এছাড়াও উক্ত মতবিনিময় সভায় ট্রাফিকপুলিশ ও গাড়িচালকরা শব্দ দূষণ নিয়ে তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, সংকট ও সমাধানের উপায় নিয়ে বিস্তর মতপ্রকাশ করেন।


 


আরও খবর



ভাষা শহিদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:অমর একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং এরপরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এবার প্রথম একুশের বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

একুশের প্রথম প্রহরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফুল দেওয়ার পর দলীয় নেতাদের নিয়ে শহিদদের শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তারা ফুল দেওয়ার পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু ফুল দেন শহিদ বেদীতে। এরপর প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ বিচারপতিরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা।

এরপর তিন বাহিনীর প্রধানদের মধ্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান শহিদ বেদীতে ফুল দেন।

উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দিয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দুকে মাতৃভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এর প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে আসে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের প্রধান মাইল ফলক হিসেবে গণ্য করা হয় একুশে ফেব্রয়ারিকে। ১৯৫২ সালের এই দিনে, মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন, বরকত, সালাম, রফিক জব্বারসহ অনেক ছাত্র তরুণ।

ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর, বাংলাদেশের ভাষা শহিদ দিবস একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর থেকে বিশ্বজুড়ে দিনটি পালিত হয়। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে।


আরও খবর



মাগুরায় ১৮৫ নারী প্রশিক্ষনার্থীর মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরায়   হার পাওয়ার প্রকল্পের আওতায় ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়েছে। জেলার ১৮৫ জন নারী প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে এ ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারী ) বেলা ১২টায় শহরের আছাদুজ্জামান মিলনায়তনে , তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন এ  ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে । ট্রেনিং পার্টনার হিসেবে সহযোগীতায় ছিলো সিমস্ সিস্টেম ও চালডাল লিমিটেড ।

হার পাওয়ার প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক নিলুফা ইয়াসমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  ছিলেন প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস , অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র খুরশীদ হায়দার টুটুল , সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আবু নাসির বাবলু ,  সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান, মহম্মদপুর  উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মণ্ডল ।

অনুষ্ঠানে মেয়েদের ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন , ডিজিটাল মার্কেটিং সহ তিনটি গ্রুপে ৫ মাসের প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। প্রশিক্ষন শেষে জেলার মাগুরা সদরের ৮০ জন  , শ্রীপুরের ৮০ জন  এবং মহম্মদপুর উপজেলার ২৫ জনসহ   মোট ১৮৫ জন নারী প্রশিক্ষনার্থীদের হার পাওয়ার প্রকল্পের আওতায় প্রযিুক্তির সহাযতায় নারীর ক্ষমতায়নের জন্য এ ল্যাপটপ বিতরণ করা হয় ।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষন নেওয়া খাতুন এ জান্নাত বলেন , এ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আমি একটি ল্যাপটপ পেয়েছি । এই ল্যাপটপের মাধ্যমে আমি ফ্রিল্যান্সিংটা আরো ভাল ভাবে করতে পারবো । এছাড়া  প্রধানমন্ত্রীর এ পুরস্কারকে কাজে লাগিয়ে আমি আমার পরিবার এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারবো।

আরও খবর



১০ হাজার বাংলাদেশি আটক বিদেশের কারাগারে

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশি নাগরিক ২৬ দেশের কারাগারে ৯ হাজার ৩৭০ জন আটক রয়েছেন বলে সংসদে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সদস্য মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিদেশের বিভিন্ন কারাগারে আটককৃতদের বিষয়ে মিশনগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, পর্তুগালে একজন, মিশরে ছয়জন, ইতালিতে ৮১ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩৮৫ জন, কোরিয়ায় ছয়জন, শ্রীলঙ্কায় তিনজন, কাতারে ৪১৫ জন, লিবিয়ায় নয়জন, স্পেনে ১৯ জন, হংকংয়ে ১২২ জন, সিঙ্গাপুরে ৬৬ জন, ব্রুনাইয়ে ১৬ জন, চীনের বেইজিংয়ে ১৮৪ জন, চীনের কুনমিংয়ে সাতজন, আবুধাবিতে ৪০৪ জন, ইন্দোনেশিয়ায় ৪৯ জন, সৌদি আরবে ৫ হাজার ৭৪৬ জন, মালয়েশিয়ায় ২১৯ জন, আলজেরিয়ায় একজন, থাইল্যান্ডে চারজন, লেবাননে ২৮ জন, গ্রীসে ৪১৪ জন, ইরাকে ২১৭ জন, তুরস্কে ৫০৮ জন, মিয়ানমারে ৩৫৮ জন, জাপানে দুইজন, জর্ডানে ১০০ জন আটক রয়েছেন।

বিদেশের কারাগারে আটক প্রবাসীদের মুক্তির ব্যাপারে সরকারের পদক্ষেপ ও তা বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত বছরের জুলাই হতে চলতি মাস পর্যন্ত মোট ১২২৬ জন আটক বাংলাদেশিকে লিবিয়া থেকে, ৫১ জন বাংলাদেশিকে ফ্রান্স ও ইউরোপের অন্যান্য দেশের জেলখানা থেকে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

এ ছাড়াও ভারত, মিয়ানমার এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের জেলখানা থেকে আরও প্রায় ১৯৫০ জন বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিদেশস্থ বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ নিয়মিতভাবে কারাগারে আটক বাংলাদেশি কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাদের মুক্তির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট জেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করেন।

বিভিন্ন দেশে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে আটক শ্রমিক-প্রবাসী কর্মীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ দ্রুততার সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট থানা ও পাবলিক প্রসিকিউশন অফিসের সঙ্গে সর্বদা যোগাযোগ রাখা হয়।

তিনি আরও জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের দণ্ড মওকুফের জন্য বাদীদের সাথে দূতাবাসসমূহ সব সময় যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে মার্জনার অনুরোধ সম্পর্কিত সংশ্লিষ্ট দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক পত্র প্রেরণ করে থাকে।

বিদেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ক্ষেত্রে ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে আদালতের মাধ্যমে সমঝোতা করে ব্লাডমানি/রক্তপণ পরিশোধপূর্বক মৃত্যুদণ্ড মওকুফকরণের ব্যবস্থা করে।

দৃতাবাস প্রবাসে জেলে বন্দি বাংলাদেশিদের সেবাসমূহ প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দেশের পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র এবং বিচার বিভাগের সঙ্গে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে।


আরও খবর



মেডিকেল ভর্তিতে আসন বাড়লেও কমেছে লড়াই!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৫০জন দেখেছেন

Image
তালহা চৌধুরী রুদ্র।নিজস্ব প্রতিনিধি:২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার আবেদন কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এতে আবেদন পড়েছে এক লাখ চার হাজার ৪৪টি। সে হিসাবে আসনপ্রতি প্রায় ১৯ জনের মধ্যে লড়াই হবে।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন মাতুব্বর গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।এদিকে,দেশের সরকারি মেডিকেলের আসন সংখ্যা গতবছর চার হাজার তিনশ পঞ্চাশটি থাকলেও এবার বৃদ্ধি করে তা করা হয়েছে ৫৩৮০ টিতে ৷

গতবছর, মেডিকেল ভর্তির জন্য মোট আবেদন পড়েছিলো এক লাখ ৩৮ হাজার। সে হিসেবে প্রায় ৩২ জন আসনপ্রতি লড়েছিলো ৷
এবছর আবেদন কেনো কম পড়লো সে প্রশ্নের জবাবে  মহিউদ্দিন মাতুব্বর বলেন, আবেদন কম পড়েছে এটা বলা যাবে না। সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের মোট আসনসংখ্যা অনুযায়ী যথেষ্ট আবেদন পড়েছে। 

যাদের চান্স পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই তারা হয়ত আবেদন করেনি।তাছাড়া আবেদনের সময়সীমা শেষ হলেও টাকা জমার সময় রয়েছে তাই সংখ্যাটা আরো কিছু বাড়বে ৷

আরও খবর



মাটিরাঙ্গায় কমিউনিটি ক্লিনিকে গর্ভবতী মায়েদের জন্য স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:সুস্থ মাতৃত্ব গঠনে স্থানীয় সরকার ও জাইকার অর্থায়নে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গায় ৪টি কমিউনিটি ক্লিনিকে  গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সেবায় সহায়ক চিকিৎসা সামগ্রী  বিতরন করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৮ফেব্রুয়ারি)দুপুরের দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা সেমিনার কক্ষে উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি) স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাইকার অর্থায়নে  মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের বাস্তবায়নে গর্ভবতী মায়েদের  স্বাস্থ্য সেবার জন্য চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ কার্যত্রুম উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.রফিকুল ইসলাম ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন,মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মা ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক ডা:কে এম আমজাদ হোসেন, 

মাটিরাঙ্গা উপজেলা  মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো.ওবায়দুল হক এর সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মো.আবুল হাসনাত   মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী মো.শাহ জাহান, মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মো.আনিছুজ্জামান ডালিম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লাভনী চাকমা, মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সুবাস চাকমা,গোমতি ইউপি চেয়ারম্যান মো.তোফাজ্জল হোসেন,বড়নাল ইউপি চেয়ারম্যান মো.ইলিয়াছ,উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি)  জাইকার উপজেলা সন্বময়কারী রুনি চাকমা। 

মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.রফিকুল ইসলাম জানান, পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টিদের চিকিৎসা সেবার কথা চিন্তা করে বর্তমান সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় দূর্গম এলাকার মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছে মাকে সুস্থ রাখতে নিরাপদ মাতৃত্ব তৈরি করতে হবে। মা সুস্থ হলেই শিশু সুস্থ হবে আর তখনই আমরা সুষ্ঠু জাতি তৈরি করতে পারবো। সুষ্ঠু জাতি গঠনে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে নরমাল ডেলিভারী সামগ্রী বিতরণ কালে 
মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী বলেন উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলের পিছিয়ে মানুষের চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে সরকার প্রতিটি ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছেন সুস্থ মাতৃত্ব গঠনে স্থানীয় সরকার ও জাইকার অর্থায়নে যেসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে তা ভালো উদ্যোগ।গর্ভবতী মায়েদেরকে নরমাল ডেলিভারী করার জন্য এসব সামগ্রী কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্টানে জনপ্রতিনিধি, মেডিকেল অফিসার পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকাগণ, পরিকল্পনা কল্যাণ সহকারীগণসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্য সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর