Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

সবাইকে ভুল প্রমাণ করার ভালো সুযোগ এবার: সাকিব

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৩১জন দেখেছেন
Image

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে নামার আগে অন্যরকম এক অভিজ্ঞতাই হলো বাংলাদেশ দলের নতুন অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের। দেশে যেকোনো সংবাদ সম্মেলনে তার সামনে থাকেন অনেক সাংবাদিক, ডাইসে যেন বুম রাখার জায়গাও পাওয়া যায় না। সেই সাকিবই এবার সিরিজ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে সামনে দেখলেন একটিমাত্র বুম!

অবশ্য অভিজ্ঞতা নতুন হলেও, সম্মেলনের প্রসঙ্গ সেই পুরোনো। ক্রমাগত ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরতে থাকা টাইগাররা কি এবার পারবে ঘুরে দাঁড়াতে? নাকি আবারও একরাশ হতাশা নিয়েই শেষ হবে টেস্ট সিরিজ? যেমনটা হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজে ২০১৮ সালের সফরে।

অধিনায়ক সাকিব অবশ্য সাম্প্রতিক ব্যর্থতাকেই নিচ্ছেন চ্যালেঞ্জ হিসেবে। যেহেতু সবাই ভাবছে, আবারও মুখ থুবড়ে পড়বে বাংলাদেশ তাই সবাইকে ভুল প্রমাণের বড় সুযোগ হিসেবেই দেখছেন তিনি। যা তিনি শুরু করতে বৃহস্পতিবার মাঠে গড়াতে যাওয়া সিরিজের প্রথম ম্যাচ দিয়েই।

বুধবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেন, ‘টেস্টে আমরা সাম্প্রতিক সময়ে ভালো খেলছি না। এটা একটা সুযোগ সবাইকে ভুল প্রমাণ করার, আমরা এই টেস্ট ম্যাচটাতে খুব ভালো করে এখান থেকে শুরু করতে পারি পুরো সিরিজের জন্য।’

সিরিজ শুরুর আগে উইন্ডিজে একটি তিনদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। যেখানে রান পেয়েছেন তামিম ইকবাল, নাজমুল হোসেন শান্তরা। বোলিংয়ে ভালো করেছেন এবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদরা। দলের সঙ্গে থাকায় সাকিব ম্যাচটি খেলতে পারেননি। তবু নিজের প্রস্তুতি নিয়ে চিন্তিত নন টাইগার অধিনায়ক।

সাকিবের ভাষ্য, ‘প্রস্তুতির দিক থেকে আমি ভালো অবস্থায় আছি। ফর্ম নিয়েও খুব একটা চিন্তিত না, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ দুইটা ম্যাচ ভালো খেলেছি। আমি নিজের ফর্ম নিয়ে তাই খুব বেশি চিন্তিত না। এখানে দলের পারফরম্যান্সটাই বেশি জরুরি, যেটা আমরা করতে চাচ্ছি।’

এসময় দলের নতুনদের ওপর নিজের আস্থার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘কয়েকজন নতুন ছেলে আছে। (মাহমুদুল হাসান) জয় আমাদের ওপেনার, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ও ভালো করেছে। এটা তার জন্য আরেকটা চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে তার সক্ষমতা আছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে ভালো কিছু করার।’

‘(রেজাউর রহমান) রাজা নতুন পেসার, আমরা যার দিকে দেখতে পারি। আরও কয়েকজন ছেলে আছে। মিরাজ দলে ফিরেছে, এটা আমাদের জন্য বড় বুস্ট। (নুরুল হাসান) সোহান আরেকজন, যে আসা যাওয়ার মধ্যে আছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ ফর্মে আছে, আশা করি সে এটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এনে বাংলাদেশকে আনন্দ এনে দিতে পারে।’


আরও খবর



বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নির্দেশনা মানতে অনীহা

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

রাত সাড়ে ৯টা। রাজধানীর মধ্যবাড্ডায় দেখা গেলো একটি ভবন। নাম খাঁন মঞ্জিল। পুরো ভবনই রঙিন আলোয় সাজানো। ঝলমল করছে বাড়িটি। শুধু তাই নয়, ভবনে প্রবেশের গলিটিও সাজানো হয়েছে রঙিন বাতিতে।

ভেতর চলছে বিয়ের আনন্দ। এসময় সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে এক ব্যক্তি উঠে এসে বলেন, ‘ভাই, বিয়ের অনুষ্ঠান চলছে। একটা রাতই তো। সারাবছর তো আর জ্বলবে না। আজ বিয়ের অনুষ্ঠান। প্লিজ আতঙ্ক ছড়াইয়েন না।’ বৃহস্পতিবারের (২৩ জুলাই) ঘটনা এটি।

শুধু যে বিয়ে বাড়িতেই এমন আলোকসজ্জা তা কিন্তু নয়। দোকানপাট ও বিভিন্ন মার্কেটেও এমনটি দেখা যায়। রাত ৮টার পরও বাতি জ্বলে কোনো কোনো মার্কেটে।

অথচ দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। সবশেষ ঘোষণা দিয়ে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংও হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিদ্যুৎ অপচয় না করতে জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। সরকারি সব মন্ত্রণালয় ও দপ্তরেও বিদ্যুতের ব্যবহার ২৫ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে নেওয়া হয়েছে এসব সিদ্ধান্ত। যাতে ভবিষ্যতে দেশে যেন বড় ধরনের কোনো সংকট তৈরি না হয়।

তবে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। সরকারি নির্দেশনা মানতে যেন কারও কারও অনীহা। যেমনটি দেখা গেলো খাঁন মঞ্জিল ভবনে। বিয়ের আলোকসজ্জায় যে বিদ্যুৎ অপচয় হয়, তা সাশ্রয় করতেই সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই ভবনে দেখা গেলো আলোকসজ্জা করতে।

অন্যদিকে দোকানপাট, শপিংমল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে দেওয়া হয়েছে কড়া নির্দেশনা। কিন্তু রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ঘণ্টাখানেক পর দোকান বন্ধ করতে। মার্কেটের মূল ফটক বন্ধ করে ভেতরে জ্বলতে থাকে আলো।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নির্দেশনা মানতে অনীহা

শুধু ভবন নয়, গলিও সাজানো হয়েছে রঙিন বাতিতে

রাজধানীর নিউমার্কেটে দেখা যায়, ‘মেন স্টাইল’ নামে একটি দোকানের কর্মচারীরা রাত সাড়ে ৮টার দিকে পোশাক গোছগাছ করছেন। অথচ তাদের রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ করার কথা।

আকাশ নামে ওই দোকানের বিক্রয়কর্মী জাগো নিউজকে বলেন, ‘মার্কেট বন্ধ হইছে আগেই। গোছগাছ করছি আরকি।’

গোছগাছ করতে সবগুলো বাতি জ্বালিয়ে রাখতে হয় কি না প্রশ্ন করলে তিনি হেসে বলেন, ‘ভাই, বেশিক্ষণ নয়। বন্ধ করে চইলা যাবো।’

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নির্দেশনা মানতে অনীহা

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুরো ভবন আলোকসজ্জা করা হয়েছে

এদিকে উত্তর বাড্ডা ও শাহজাদপুর এলাকায় দেখা যায়, রাত ৮টার পর বেশ কয়েকটি স্টিলের দোকানের অর্ধেক সাটার নামিয়ে কর্মচারীদের ভেতরে বসে থাকতে।

রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ করেননি জানতে চাইলে ‘একলাস স্টিলে’র এক বিক্রয়কর্মী বলেন, ‘মাল আইবো ভাই। এজন্য অপেক্ষা করতাছি।’

এর মধ্যে আবার এমনও দেখা গেছে, নির্ধারিত সময়ে দোকান বন্ধ না করায় বেশ কয়েকটি অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। সেসব অভিযানে জরিমানাও করা হয়েছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, বিদ্যুতের অপচয় রোধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নির্দেশনা মানতে অনীহা

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই যে বিদ্যুৎ অপচয় রোধ হবে তা কিন্তু নয়। এজন্য জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। সচেতন হতে হবে তাদের।

বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক ডিন ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এজাজ আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ অপচয় রোধে সরকারের যে নির্দেশনা এসেছে, তা জনগণকে অবশ্যই মানতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ করা যাবে না। এটা আপদকালীন সময়। এসময় নিজেদের একটু সাশ্রয়ী হতে হবে।

লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি আগেও লোডশেডিংয়ের কথা বলেছি। যখন বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রসঙ্গ আসে, তখনও বলেছিলাম দাম না বাড়িয়ে বরং একটু সময় নির্ধারণ করে লোডশেডিং করলে মানুষ অবশ্যই মানবে।


আরও খবর



ফেসবুক আসছে টিকটকের ‘রূপে’

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

এবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে বের বড়সড় পরিবর্তন আনছে মেটা। নতুন ভিডিও বিভাগ যুক্ত হতে চলেছে সাইটিতে। টিকটক অ্যাপে যেভাবে পরপর ভিডিও দেখা যায় একই ভাবে সোয়াইপ করে ভিডিও বদল করা যাবে ফেসবুকে।

এছাড়াও পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের পোস্ট একটি পৃথক ট্যাবে দেখাবে ফেসবুকে। বিশ্বজুড়ে টিকটকের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। যার প্রভাব পড়ছে অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর উপর। প্রায় সব সাইটই তাদের গ্রাহক হারিয়েছে টিকটকের জনপ্রিয়তার কারণে। তাই প্রযুক্তি বিশ্বে টিকে থাকতেই একগুচ্ছ বদল আনছে ফেসবুক।

কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ২৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) থেকেই ফেসবুক অ্যাপের হোমপেজ টিকটকের মতো দেখতে হবে। সেখানে পরপর ভার্টিকাল পাবলিক ভিডিও আসতে থাকবে।

রিলস, টিকটকের মতো ভিডিও ও স্টোরিজ সব কিছুই ফেসবুক অ্যাপের হোম স্ক্রিন থেকে দেখে নিতে পারবেন গ্রাহকরা। এছাড়াও অ্যাপ হোম স্ক্রিনে নিউ স্ট্রিম ট্যাব পাবেন। এছাড়াও গ্রাহক যে বিভাগ বেশি ব্যবহার করেন সেই বিভাগের শর্টকাট নিজে থেকেই অ্যাপে যুক্ত হবে। এছাড়াও অ্যাপের প্রধান ফিডকে আর নিউজ ফিড বলা হবে না।

এই বদলের পর সব গ্রাহকের পৃথক হোম পেজ থাকবে। মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যেক গ্রাহকের হোম পেজ আলাদা করে সাজাবে মেটা। হোমেই থাকবে ইনস্টাগ্রাম রিলস ও ফেসবুক স্টোরিজ। দুটি প্ল্যাটফর্মেই পোস্ট করার জন্য গ্রাহকদের অনুপ্রাণিত করছে মার্কিন সংস্থাটি। তবে ফেসবুক ওয়াচ ও গ্রুপস ট্যাবে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।

সূত্র: বিজনেস স্টান্ডার্ট


আরও খবর



সাধারণ পেটে ব্যথা নাকি আলসার বুঝবেন যেভাবে

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

আলসার খুবই জটিল এক রোগ। এই সমস্যা একবার হলে তা পুরোপুরি সারানো বেশ কঠিন। মূলত খাদ্যাভ্যাসের ভুল কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ছোট থেকে বড় অনেকেই এখন ভুগছেন আলসারে। তবে আলসারের সমস্যাকে প্রাথমিক অবস্থায় সবাই সাধারণ পেটে ব্যথা মনে করে এড়িয়ে যান। ফলে রোগটি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

এই রোগ প্রসঙ্গে কলকাতার আমরি হাসপাতালের বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রুদ্রজিৎ পাল জানান, আলসার সম্পর্কে অনেকেরই হয়তো সঠিক ধারণা নেই।

অ্যাসিড ও পেপসিন এনজাইমের কারণে পাকস্থলী বা ডিওডিনামে তৈরি হতে পারে ক্ষত। আর ওই ক্ষতই হলো স্টমাক আলসার।

বিশেষজ্ঞের মতে, আলসার রোগ থেকে অনেক সমস্যাই হতে পারে। এক্ষেত্রে পেটের ভেতরে রক্তপাত ঘটতে পারে। এ কারণে অনেকেই ভুগতে পারেন অ্যানিমিয়ায়।

আলসারের সঠিক টিকিৎসা না করলে পাকস্থলীতে ছিদ্র হতে পারে। দীর্ঘদিন এই অবস্থায় থাকলে আলসার ক্যানসারে পরিণত হতে পারে।

আলসারের লক্ষণ কী কী?

এ বিষয়ে ডা. পাল জানান, এই রোগের লক্ষণ হলো পেটে ব্যথা। সাধারণত আলসারের ক্ষেত্রে পেটের উপরের দিকে ও বুকের ঠিক নীচে ব্যথা হয়। প্রথমে কম থাকলেও ধীরে ধীরে বাড়ে ব্যথা।

এক সময় মনে হতে পারে যেন পেটের ভেতরে পুড়ে যাচ্ছে। অনেকে আবার ব্যথার বদলে পেটের জ্বালাপোড়ায় ভোগেন। এছাড়া ক্ষুধামন্দা ও বমি বমি ভাব থাকে।

এসব লক্ষণ দেখলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। রোগের উপসর্গ জেনে এন্ডোস্কোপি করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

আলসারের চিকিৎসা কী?

আলসারের চিকিৎসায় প্রোটিন পাম্প ইনহিবিটর জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়। এই ওষুধ অত্যন্ত কার্যকরী। এই ওষুধের মাধ্যমে সমস্যা দ্রুত কমিয়ে ফেলে যায়। ওষুধটির মাধ্যমে পেটে অ্যাসিড বের হওয়া বন্ধ হয়।

তবে অনেক ক্ষেত্রে এইচ.পাইলোরি নামক ব্যাকটেরিয়া এই সমস্যার কারণ হয়ে থাকে। ওই অবস্থায় চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক সাজেস্ট করেন।

কী খাবেন, কী খাবেন না?

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী, আলসারের রোগহীদের ধূমপান ও মদ্যপান করা যাবে না। এছাড়া দূরে থাকতে হবে ঝাল খাবার থেকে। শুকনো ও কাঁচা মরিচের ঝাল থেকেও সমস্যা বাড়তে পারে।

তাই এসব খাবার থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব রাখুন। সব সময় পাতে হালকা খাবার রাখার ও প্রচুর পানি পান করতে হবে এমন রোগীদের।


আরও খবর



নিষেধাজ্ঞার ৬৫ দিন: জাল-ট্রলার মেরামতে কেটেছে জেলেদের সময়

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

উত্তাল সাগরে মাছ শিকার করতে জেলেদের সঙ্গী ট্রলার আর জাল। প্রয়োজনীয় মূল্যবান এই জিনিস দুটির প্রতি তাই তো জেলেদের থাকে বাড়তি নজর। ভালো ট্রলার না থাকলে যেমন সমুদ্রের সঠিক স্থানে পৌঁছানো সম্ভব হয়, তেমনি ভালো জাল না থাকলে মাছ ধরারও সম্ভব হয় না। তাই তো নিষেধাজ্ঞার ৬৫ দিন অধিকাংশ ট্রলার মালিকই জাল তৈরি, মেরামত ও ট্রলার মেরামতের কাজ করেছেন।

পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় এলাকায় রয়েছে মৎস্য বন্দর ও মাছ ঘাট। এসব ঘাটে বিভিন্ন আকার আকৃতির ট্রলার চলাচল করে। ট্রলারগুলোতে জালেরও ভিন্নতা রয়েছে। গভীর সাগরে মাছ শিকারের জন্য যেমন জাল রয়েছে তেমনি সমুদ্রের কাছাকাছি এলাকায় মাছ শিকারের জন্য আলাদা জাল রয়েছে। এসব জালের ছোটখাটো ত্রুটি জেলেরাই মেরামত করেন। তবে বড় ধরনের মেরামত করতে হলে সেটি শ্রমিক নিয়োগ করে মেরামত করা হয়।

jagonews24

পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনাছার উদ্দিন মোল্লা জানান, শনিবার (২৩ এপ্রিল) মধ্যরাতে জেলেরা ট্রলার নিয়ে সাগরে যাবেন। এর আগেই জাল প্রস্তুত করাসহ ট্রলারের যাবতীয় কাজ শেষ করেছেন। গভীর সমুদ্রে যারা মাছ শিকার করেন তারা কট সুতার লাল জাল ব্যবহার করেন। প্রতিটি ট্রলারে প্রায় ৬০ মণ জালের প্রয়োজন হয়। নতুন এই জালের দাম প্রায় ৪০ লাখ টাকা। আর যেসব ট্রলারে সাদা সুতার জাল ব্যবহার করা তাদেরও ২০ থেকে ২২ মণ জালের প্রয়োজন হয়। এর দাম প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা। ট্রলারে সাধারণত ছোটো মেরামতের কাজগুলো জেলেরাই করে থাকেন। নিষেধাজ্ঞার এই সময় অনেকেই জাল, রশি মেরামতসহ প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে নিয়েছেন। এছাড়া যে সব ট্রলারের ইঞ্জিনে ত্রুটি ছিল তারাও প্রয়োজনীয় কাজ করিয়েছেন। আর যেসব ট্রলারের বডিতে সমস্যা ছিল তারা ডকইয়ার্ডে তুলে কাজ করিয়েছেন।

jagonews24

পটুয়াখালী সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মুহম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, সাগরে মাছ শিকারে যাওয়া ট্রলারগুলোকে নির্দিষ্ট ফাঁসের জাল ব্যবহার করতে হয়। সাগরের গভীরতা এবং মাছ ধরার ওপর ফাঁসের তারতম্য হয়ে থাকে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো ট্রলার ৪ দশমিক ৫ সেন্টিমিটারের নিচে কোনো ফাঁসের জাল ব্যবহার করতে পারে না।

গত ২০ থেকে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার। নিষেধাজ্ঞার এই সময় শেষ হচ্ছে শনিবার মধ্য রাতে। ৬৫ দিনের এই সময় জেলেরা যাতে সাগরে মাছ শিকার না করেও পরিবার-পরিজন নিয়ে চলতে পারে সেজন্য ভিজিএফের মাধ্যমে জেলে প্রতি ৪০ কেজি করে চাল দিয়েছে সরকার। এবার জেলায় ৪৮ হাজার জেলেকে বিশেষ এই ভিজিএফ দেওয়া হয়।


আরও খবর



আশুরা উপলক্ষে যেসব আমল নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

মহররমের ১০ তারিখ আশুরা। সে হিসেবে ৯ আগস্ট (মঙ্গলবার) পালিত হবে পবিত্র আশুরা। আশুরা উপলক্ষ্যে দেশবিদেশে অনেক আমল-উৎসব-আয়োজন পালিত হয়ে থাকে। আশুরায় রোজা পালন বিশুদ্ধ আমল হলেও নিষিদ্ধ অনেক রুসুম-রেওয়াজ প্রচলিত আছে। যা ইসলামে একেবারেই নিষিদ্ধ। কী সেসব আমল?

আশুরায় রোজা ও অন্যান্য সময়ের মতো নফল ইবাদত-বন্দেগি ছাড়া বিশেষ কোনো ইবাদত-বন্দেগি কিংবা রুসুম রেওয়াজের দিকনির্দেশনা নেই। আশুরা উপলক্ষে প্রচলিত যেসব কাজ ও ইবাদত সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা নেই; বরং নিষিদ্ধ সেগুলো হলো-

১. আশুরা উপলক্ষ্যে নিজেদের শরীরকে চাকু, ব্লেড, ছুরি কিংবা লাঠির আঘাতে রক্তাক্তকরণ। এ বছর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাও নিজেদের শরীরকে রক্তাক্ত করার বিষয়টিকে হারাম ফতোয়া দিয়েছেন।

২. আশুরা উপলক্ষ্যে রণ-প্রস্তুতির মহড়া প্রদর্শন;

৩. আশুরা উপলক্ষ্যে আলোক-সজ্জা প্রদর্শন;

৪. আশুরা উপলক্ষ্যে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা।

৫. তাজিয়া মিছিল ও প্রদর্শনী করা।

৬. মর্সিয়া করা।

৭. মহররমে বিয়ে শাদি থেকে বিরত থাকা।

৮. আশুরা উপলক্ষ্যে নির্ধারিত নামাজ ও দোয়া পড়া।

বিশেষ করে

৯. আশুরা উপলক্ষ্যে বিশেষ বরকত পাওয়ার আশায় ঘরে ঘরে হালুয়া-রুটি বিতরণের রুসম-রেওয়াজ পালন করা। অনেকেই গরিব-অসহায়দের খাওয়ানোর দোহাই দিয়ে এটি জায়েজ বা বৈধ করার প্রচেষ্টা চালায়। মূলতঃ তা হয়না বললেই চলে। তবে পারাবারিকভাবে ঘরে ভালো খাবার আয়োজনের ব্যাপারে হাদিসের একটি বর্ণনা রয়েছে।

আশুরার দিনে যথাসাধ্য খাবারে প্রশস্ততা প্রদর্শন করা। যথাসম্ভব ভালো খাবার খাওয়া। হজরত আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি আশুরার দিনে পরিবারে প্রশস্ততা প্রদর্শন করবে, সে সারা বছর প্রশস্ততায় থাকবে।’ (তাবরানি, মুজামে কবির, বায়হাকি)

তারপরও আশুরা উপলক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী কিছু সংগঠন ও ব্যক্তি বিশেষ উল্লেখিত রুসুম রেওয়াজগুলো উদযাপন করে থাকেন। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিকোন থেকে কিংবা কুরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা মোতাবেক এসবের কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই।

মনে রাখতে হবে

আশুরা উপলক্ষ্যে রোজা রাখার ব্যাপারে রয়েছে হাদিসের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। তাছাড়া রোজা রাখার দিনক্ষণ সম্পর্কেও রয়েছে সুস্পষ্ট নির্দেশনা। আর তাহলো-

১. আশুরার নফল রোজা মহররম মাসের ১০ তারিখ পালন করা সুন্নাত। এ দিন রোজা পালনকারীর বিগত বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয় বলে ঘোষণা করেছেন স্বয়ং বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

২. সাহাবায়ে কেরাম যখন নবিজিকে জানালেন যে, ইহুদিরাও এ দিন আশুরা উপলক্ষ্যে রোজা পালন করেন। তখন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন, তবে আমরা মহররমের নবমিতেও তথা ৯ তারিখও আমরা রোজা রাখব। সে হিসেবে ৯ ও ১০ মহররম রোজা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে ইসলাম।

তবে ইহুদিদের অনুসরণ ও অনুকরণ থেকে নিজের বিরত রাখতে অনেকে নবমিতে রোজা রাখতে না পারলে আশুরার পরের দিন রোজা পালন করে থাকেন। আর তাতে দুইটি রোজা পালন করা হয।

সেক্ষেত্রে ৯ ও ১০ মহররম রোজা রাখলে হাদিসের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পালন হয়ে যায়। আর ৯ তারিখ রোজা রাখতে না পারলে ১০ ও ১১ মহররম রোজা পালনের মাধ্যমে ইহুদিদের অনুসরণ থেকে বিরত থাকা যায়। আর এ কারণে অধিকাংশ ইসলামিক স্কলাররা আশুরার পরের দিন রোজা পালন করাকে বৈধ বলে মত দিয়েছেন। তবে উত্তম হলো ৯ ও ১০ মহররম রোজা পালন করা। কেউ কেউ আবার ৯-১১ মহররম এ তিনদিন রোজা পালনের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আশুরায় ইবাদত-বন্দেগি মনে করে রুসুম রেওয়াজ নিয়ে বাড়াবাড়ি করা থেকে নিজেদের বিরত রাখার পাশাপাশি হাদিসের নির্দেশনা মোতাবেক রোজা পালন করার তাওফিক দান করুন। শোহাদায়ে কারবালাসহ আশুরায় ঘটে যাওয়া সব ঘটনার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা ও আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর